মিরাজ: আল্লাহ তায়ালা নবিজিকে (সা) যে তিনটি জিনিস দিয়েছিলেন | রাতের ভ্রমণ এবং ঊর্ধ্বলোকে আরোহণ-2 | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

মিরাজ: আল্লাহ তায়ালা নবিজিকে (সা) যে তিনটি জিনিস দিয়েছিলেন | রাতের ভ্রমণ এবং ঊর্ধ্বলোকে আরোহণ-2, সহিহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, ইবনে মাসউদ বলেছেন যে, নবিজি (সা) আকাশে সিদরাতুল মুনতাহাতে থামেন। তারপর সেখানে তাঁকে তিনটি জিনিস দেওয়া হয়।

মিরাজ: আল্লাহ তায়ালা নবিজিকে (সা) যে তিনটি জিনিস দিয়েছিলেন | রাতের ভ্রমণ এবং ঊর্ধ্বলোকে আরোহণ-2 | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

মিরাজ: আল্লাহ তায়ালা নবিজিকে (সা) যে তিনটি জিনিস দিয়েছিলেন | রাতের ভ্রমণ এবং ঊর্ধ্বলোকে আরোহণ-2 | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

১) দৈনিক পাঁচবার নামাজ পরে আলোচনা করা হবে),

 ২) সুরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত,

৩) আল্লাহর প্রতিশ্রুতি (আল্লাহর পক্ষ থেকে উপহারস্বরূপ): নবিজির (সা) উম্মতদের মধ্যে থেকে যে ব্যক্তি শিরক ছাড়া আল্লাহর ইবাদত করবেন, তাঁকে ক্ষমা করা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে।

 

islamiagoln.com google news
আমাদের গুগল নিউজে ফলো করুন

 

সুরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত [২:২৮৫-২৮৬] পবিত্র কোরানে একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। কোরানের বাকি সব অংশই জিব্রাইল (আ) নবিজির (সা) কাছে গিয়ে তেলাওয়াত করেছেন। কেবল এই একটি স্তবত (সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত) মহান আল্লাহ তায়ালা সরাসরি নবিজিকে (সা) তেলাওয়াত করে শুনিয়েছেন। অর্থাৎ এই দুটি আয়াত পৃথিবীতে ওহি আকারে নাজিল করার বদলে তা গ্রহণ করার জন্য বরং নবিজিকেই (সা) ওপরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যা-ই হোক, এটি একটি মত মাত্র। আমরা এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানি না। আরেকটি হাদিসে আছে, নবি করিম (সা) বলেছেন, “আমাকে আল্লাহর আরশের নিচের ভান্ডার থেকে এই দুটি আয়াত দেওয়া হয়েছে।” সুতরাং ইবনে মাসউদের বক্তব্যের (অর্থাৎ ষষ্ঠ আকাশে তা দেওয়া হয়েছিল) সঙ্গেও এর মিল আছে।

 

মিরাজ: আল্লাহ তায়ালা নবিজিকে (সা) যে তিনটি জিনিস দিয়েছিলেন | রাতের ভ্রমণ এবং ঊর্ধ্বলোকে আরোহণ-2 | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

আমরা এই দুটি আয়াতের অনেক ফজিলত সম্পর্কে জানি:

নবি করিম (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দুটি আয়াত তেলাওয়াত করবে, আল্লাহ তাকে রক্ষা করবেন। অন্য একটি হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে এই আয়াতগুলো তেলাওয়াত করবে, তার জন্য এটাই ‘যথেষ্ট হবে। এখানে যথেষ্ট শব্দের অর্থ সম্পর্কে বিভিন্ন রকম ব্যাখ্যা রয়েছে। একজন পণ্ডিত বলেছেন, এটি আপনাকে শয়তান থেকে রক্ষা করবে; অন্য কিছু পণ্ডিত বলছেন, আপনি তাহাজ্জুদ নামাজ না পড়লেও আল্লাহ আপনাকে গাফেলদের (অবহেলাকারী) দলে ফেলবেন না। সুতরাং আমাদের এই দুটি আয়াত মুখস্থ করা এবং প্রতি রাতে নিয়মিতভাবে পড়ার অভ্যাস করা উচিত।

আরও পড়ুনঃ

Leave a Comment