উসমান ইবনে তালহা | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে হিজরত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

উসমান ইবনে তালহা | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে হিজরত, নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালা উসমান ইবনে-তালহাকে পুরষ্কৃত করবেন। আল্লাহ তাঁকে মক্কা বিজয়ের আগে (৮ম হিজরি) যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিল, তাঁদের শেষ দলের একজন হওয়ার সুযোগ ও সম্মান দিয়েছেন। আমর ইবনুল আস ও খালিদ ইবনে ওয়ালিদের সঙ্গে উসমান ইবনে তালহা মক্কা বিজয়ের ঠিক আগে মদিনায় হিজরত করেন। মক্কা বিজয়ের আগে ইসলাম গ্রহণ ছিল বড় সম্মানের ব্যাপার।

 

উসমান ইবনে তালহা | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে হিজরত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

উসমান ইবনে তালহা | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে হিজরত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে যারা মক্কা বিজয়ের পূর্বে (আল্লাহর পথে) ব্যয় করেছে এবং যুদ্ধ করেছে তারা ও পরবর্তীরা সমান নয়। তারা মর্যাদায় ওদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, যারা পরবর্তীকালে ব্যয় করেছে এবং যুদ্ধ করেছে।” [সুরা হাদিদ, ৫9:10/ মক্কা বিজয়ের পর নবি করিম (সা) দুটি বড় পুরস্কার দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে তুলে দেন। প্রথম পুরস্কারটি ছিল “সিকায়া’ (হজযাত্রীদের পানি দেওয়ার অধিকার), যা তিনি আব্বাসকে দেন।

 

islamiagoln.com google news
আমাদের গুগল নিউজে ফলো করুন

 

দ্বিতীয় পুরস্কারটি ছিল কাবাঘরের চাবি আব্বাস এটিও পেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আল্লাহ কোরানে আয়াত নাজিল করেন: “আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা আমানত তার মালিককে ফিরিয়ে দেবে। আর যখন তোমরা মানুষের মধ্যে বিচার করবে তখন ন্যায়পরায়ণতার সাথে বিচার করবে।” [সুরা নিসা, ৪:৫৮] তারপর নবিজি (সা) কাবাঘরের চাবি আলি ইবনে আবি তালিবের হাতে দিয়ে বলেছিলেন, “যাও।

 

উসমান ইবনে তালহা | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে হিজরত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

উসমান ইবনে তালহাকে এটা দাও। এটা তাঁর ও তাঁর বংশধরদের কাছে কেয়ামত অবধি থাকবে। কেউ যদি তাঁর কাছ থেকে এটা নেওয়ার চেষ্টা করে তবে সে হবে সীমালঙ্ঘনকারী।” নবিজির (সা) নির্দেশমতো আলি গিয়ে চাৰিটি উসমান ইবনে-তালহার হাতে পৌঁছে দিলেন। উসমান বললেন, “আমি তো ভেবেছিলাম তোমরা (অর্থাৎ বনু হাশিম) এই চাবি পাচ্ছে। কারণ আব্বাসও যে চাবিটি পেতে চেয়েছিলেন সেই খবর ইতিমধ্যে ছড়িে পড়েছিল। আলি বললেন, “আল্লাহ এটা আপনাকে দেওয়ার জন্য কোরানের আয়াত নাজিল করেছেন।” সেই সময় থেকে আজ অবধি উসমান ইবনে-তালহার বংশধরেরা কাবাঘরের চাবি রক্ষক হিসেবে নিয়োজিত। উসমান শ্রদ্ধা ও সমীহ প্রদর্শন করেছিলেন এমন একজন নারীকে, যিনি নবি করিমের (সা) ভবিষ্যৎ স্ত্রী।

আরও পড়ূনঃ

Leave a Comment