পৌত্তলিকদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় | চুক্তি ও মদিনার সংবিধান | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

পৌত্তলিকদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় | চুক্তি ও মদিনার সংবিধান, সংবিধানে পৌত্তলিকদের জন্যও কিছু ধারা ছিল, যা থেকে ধারণা করা যায় যে, সেই সময় মদিনাতে কিছু পৌত্তলিক বসবাস করত। বদরের যুদ্ধের পর মুসলিমরা বিজয়ী হয়ে মদিনায় ফিরে আসার পরই পৌত্তলিকরা বুঝতে পেরেছিল যে, তারা সংখ্যায় এতটাই নগণ্য যে তাদের পক্ষে আর সেখানে পৌত্তলিকতার চর্চা অব্যাহত রেখে বসবাস করা সম্ভব নয়। তাই তারা ইসলাম গ্রহণ শুরু করে এবং সেখানে থেকেই মুনাফেকির প্রবণতা শুরু হয়, যা নিয়ে আমরা পরে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।

 

পৌত্তলিকদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় | চুক্তি ও মদিনার সংবিধান | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

পৌত্তলিকদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় | চুক্তি ও মদিনার সংবিধান | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

পৌত্তলিকদের বিষয়ে সংবিধানের মূল ধারাটি হলো, “কোনো মুশরিক (পৌত্তলিক) কুরাইশদের কোনোরূপ নিরাপত্তা দেবে না, এমনকি তা জীবন কিংবা অর্থের বিনিময়ে হলেও। তারা কোনোভাবেই মুসলিম ও কুরাইশদের মাঝখানে এসে দাঁড়াবে না।” এখানে নবিজি (সা) বলতে চেয়েছেন, ইয়াসরিবের পৌত্তলিকরা মক্কার পৌত্তলিকদের সমর্থন করতে পারবে না, বা তাদের রক্ষ করতে পারবে না। এমনকি তারা মুসলিম ও মক্কার পৌত্তলিকদের মধ্যেও কোনো বিষয়ে নাক গলাতে পারবে না। সংক্ষেপে বলতে গেলে, মক্কা ও মদিনার মধ্যে কোনো ইস্যুতে নিরপেক্ষ থাকার শর্তে নবিজি (সা) পৌত্তলিকদের মদিনায় থাকতে দিয়েছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, এটিই ন্যায়নিষ্ঠ সমাধান।

 

islamiagoln.com google news
আমাদের গুগল নিউজে ফলো করুন

 

[আনুষঙ্গিক দ্রষ্টব্য: পরবর্তীকালে ইসলামি প্রজাতন্ত্রে পৌত্তলিকদের বাস করার বিষয়ে বিভিন্ন মাজহাবের মধ্যে মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো: পৌত্তলিকরা কি ইসলামি প্রজাতন্ত্রে বাস করতে পারে? আমাদের কি পৌত্তলিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত? হানাফি মাজহাব সে অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু অন্য মাজহাবগুলো অনুমতি দেয়নি। হানাফিরা তাদের মতের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে মদিনায় পৌত্তলিকদের বসবাসের জন্য নবিজির (সা) অনুমতির বিষয়টি উল্লেখ করেন কিছু ক্লাসিক্যাল পণ্ডিতও এই মত পোষণ করেন।]

 

পৌত্তলিকদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় | চুক্তি ও মদিনার সংবিধান | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

আরও পড়ূনঃ

Leave a Comment