প্রকাশ্যে ধর্মপ্রচার | ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইসলামের দাওয়াত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

প্রকাশ্যে ধর্মপ্রচার | ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইসলামের দাওয়াত, নবিজির (সা) সিরাহ আলোচনায় এখন আমরা পাঁচটির মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা শুরু করতে চলেছি। এ পর্যায়ের কর্তব্য ছিল কোনো বিরোধে না। জড়িয়ে প্রকাশ্যে ইসলামের বাণী প্রচার করা। প্রথম ওহি নাজিল হওয়ার তিন বছর পরে প্রকাশ্যে প্রচার শুরু হয়। আল্লাহ তায়ালা এই সময় একাধিক আয়াত নাজিল করে রসুলকে (সা) প্রকাশ্যে ইসলামের বাণী প্রচার করার আদেশ দেন। এ বিষয়ে দুটি খুব গুরুত্বপূর্ণ আয়াতের প্রথমটি হলো:

 

প্রকাশ্যে ধর্মপ্রচার | ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইসলামের দাওয়াত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

প্রকাশ্যে ধর্মপ্রচার | ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইসলামের দাওয়াত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

“অতএব তোমাকে যে বিষয়ে আদেশ করা হয়েছে তা প্রকাশ্যে প্রচার করো; আর মুশরিকদেরকে উপেক্ষা করো।” (সুরা আল-হিজর ১৫:৯৪] এ থেকে রসুল (সা) বুঝতে পেরেছিলেন, এটা প্রকাশ্যে ইসলামের দাওয়াত প্রচার করার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক প্রকার আদেশ। তারপর আসা আয়াতে আরো স্পষ্টভাবে সর্বসাধারণের মধ্যে দাওয়াত প্রচারের কথা বলা হয়েছে: “(হে নবি), তুমি তোমার নিকট আত্মীয়স্বজনদের (যাদের কাছে তুমি পৌঁছাতে পার) সতর্ক করে দাও।”

 

islamiagoln.com google news
আমাদের গুগল নিউজে ফলো করুন

 

[সুরা আল-শুআরা, ২৬ : ২১৪] এই আয়াতে ‘আশিরা’ শব্দটি দিয়ে নবিজি (সা) শুধুমাত্র তাঁর চাচা-চাচি নয়, পুরো কুরাইশ উপজাতি এবং মক্কার সব মানুষকেই আত্মীয়স্বজন হিসেবে বিবেচনা করে নেন। এখান থেকেই নবিজি (সা) বুঝতে পেরেছিলেন যে এখন তাঁর প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচারের কাজে নেমে পড়া প্রয়োজন ।

 

প্রকাশ্যে ধর্মপ্রচার | ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইসলামের দাওয়াত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

সিরাহ গ্রন্থগুলো অনুসারে, রসুল (সা) প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার করার কাজটিও দুটি পর্যায়ে করেছিলেন।

আরো পড়ূনঃ

Leave a Comment