মুসলিমরা যেখানে হিজরত করবে | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে হিজরত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

মুসলিমরা যেখানে হিজরত করবে | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে-হিজরত, আকাবার অঙ্গীকারের পরে নবিজি (সা) মক্কার মুসলিমদের কাছে ঘোষণা করেছিলেন, “আল্লাহ আমাকে সেই দেশটিকে দেখিয়েছেন (অর্থাৎ আমি সেই দেশ স্বপ্নে দেখেছি) যেখানে তোমরা হিজরত করবে। সেখানে দুটি আগ্নেয় সমভূমির মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে খেজুরের গাছ।” প্রকৃতপক্ষেই মদিনা আগ্নেয়গিরি থেকে সৃষ্ট দুটি সমতল ভূমির মাঝখানে অবস্থিত।

 

মুসলিমরা যেখানে হিজরত করবে | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে হিজরত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

মুসলিমরা যেখানে হিজরত করবে | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে হিজরত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

অন্য একটি বর্ণনায় আছে, নবিজি (সা) একটি ঘোষণা দিয়েছিলেন ঠিকই, তবে শহরটি কোনটি তা তিনি নিশ্চিতভাবে জানতেন না। সম্ভবত তিনি অনুমান করে বলেছিলেন, তাঁকে শহরটি দেখানো হয়েছে এবং তাঁর মনে হয়েছে সেটি এমন হবে। তবে তিনি শহরটি সম্পর্কে তখন আর তেমন কিছু জানতেন না। কিছুদিন পরে তিনি সাহাবিদের জানালেন, “আল্লাহ আমাকে বলেছেন, সেটি ইয়াসরিব।”

 

islamiagoln.com google news
আমাদের গুগল নিউজে ফলো করুন

 

একটি ভাষ্য অনুসারে, নবিজি (সা) বলেছিলেন, “আমি স্বপ্নে দেখেছি যে আমি প্রচুর খেজুরসমেত একটি দেশে চলে যাব। আমি ভেবেছিলাম সেটা খায়বার কিংবা ইয়েমেন হতে পারে। কিন্তু পরে বাস্তবে দেখা গেল যে, সেটা ইয়াসরিব (মদিনা)।” অন্য একটি ভাষা অনুসারে তিনি ইয়েমেনের একটি স্থানের কথা উল্লেখ করেছেন, কারণ আরব উপদ্বীপে শুধু হাতেগোনা কয়েকটি স্থানেই প্রচুর পরিমাণে খেজুর গাছ রয়েছে। খায়বার ও ইয়েমেনের সেই স্থান সেই শর্ত পূরণ করে।

 

মুসলিমরা যেখানে হিজরত করবে | মদিনায় প্রাথমিক পর্যায়ে হিজরত | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

তবে এই দুটি শহরের কোনোটিতে আগ্নেয় সমভূমি নেই। এই দুটি চিহ্ন শুধু মদিনাতেই রয়েছে। তাই পরবর্তী হাদিস অনুসারে, নবিজি (সা) বলেছেন, “আল্লাহ আমাকে জানিয়েছেন যে, এটি হবে ইয়াসরিব শহর।” এই সময় থেকেই তিনি মুসলিমদের হিজরত করার অনুমতি নিয়েছিলেন। তারপর থেকে মুসলিমরা গোপনে একজন-দুজন করে মক্কা ত্যাগ করতে শুরু করেন। দুয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া তাঁদের কেউই প্রকাশ্যে হিজরত করেননি। কারণ, কুরাইশরা মুসলিমদেরকে প্রকাশ্যে মক্কা ছেড়ে যেতে দিত না।

আরও পড়ূনঃ

Leave a Comment