সূরা শুয়ারা

সূরা শুয়ারা (আরবি: سورة الشعراء‎‎; কবিগণ), মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ২৬ তম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ২২৭টি।

সূরা শুয়ারা

ত্বা, সীন, মীম।
Ta. Sin. Mim.

طسم
Ta-seen-meem

YUSUFALI: Ta. Sin. Mim.
PICKTHAL: Ta. Sin. Mim.
SHAKIR: Ta Sin Mim.
KHALIFA: T. S. M. (Ta, Seen, Mim)

০১। তা – সীন – মীম ৩১৩৭।

৩১৩৭। এই তিনটি বর্ণমালা সাংকেতিক সমষ্টি মাত্র যার প্রকৃত অর্থ একমাত্র রাব্বুল আলামীন জানেন।

এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।
These are verses of the Book that makes (things) clear.

تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ
Tilka ayatu alkitabi almubeeni

YUSUFALI: These are verses of the Book that makes (things) clear.
PICKTHAL: These are revelations of the Scripture that maketh plain.
SHAKIR: These are the verses of the Book that makes (things) clear.
KHALIFA: These (letters) constitute proofs of this clarifying scripture.

০২। এগুলি সুস্পষ্ট বর্ণনাকারী কিতাবের আয়াত [ নিদর্শন ] ৩১৩৮।

৩১৩৮। দেখুন আয়াত [ ৫ : ১৫ ]।

তারা বিশ্বাস করে না বলে আপনি হয়তো মর্মব্যথায় আত্নঘাতী হবেন।
It may be thou frettest thy soul with grief, that they do not become Believers.

لَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ أَلَّا يَكُونُوا مُؤْمِنِينَ
LaAAallaka bakhiAAun nafsaka alla yakoonoo mu/mineena

YUSUFALI: It may be thou frettest thy soul with grief, that they do not become Believers.
PICKTHAL: It may be that thou tormentest thyself (O Muhammad) because they believe not.
SHAKIR: Perhaps you will kill yourself with grief because they do not believe.
KHALIFA: You may blame yourself that they are not believers.

সূরা শুয়ারা

০৩। যেহেতু তারা ঈমান আনছে না সেহেতু তুমি মনোঃকষ্টে দুঃখিত হয়ে পড়ো না ৩১৩৯।

৩১৩৯। ‘তারা’ শব্দটি দ্বারা মক্কার মোশরেকদের বোঝানো হয়েছে। হিজরতের পূর্বে মক্কাতে অবস্থান কালে মক্কার মোশরেকদের সত্যকে প্রতিহত করার প্রবণতা আল্লাহ্‌র রসুলকে [সা ] হতাশ করে। এই হতাশাকেই এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ বিশ্ববাসীকে অবহিত করেন। কারণ কোনও মহৎ কাজে সফলতা না অর্জিত হলে সাধারণ মানুষের মনে হতাশার সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষের এই প্রবণতা থেকে আল্লাহ্‌র রসুলও মুক্ত ছিলেন না। রসুলের [ সা ] জীবনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে আল্লাহ্‌ হেদায়েত করেছেন যে , মহৎ কাজে হতাশার স্থান নাই। সাফল্যের দাবীদার একমাত্র সেই মহাপরাক্রমশালী , বিশ্ববিধাতা।

আমি যদি ইচ্ছা করি, তবে আকাশ থেকে তাদের কাছে কোন নিদর্শন নাযিল করতে পারি। অতঃপর তারা এর সামনে নত হয়ে যাবে।
If (such) were Our Will, We could send down to them from the sky a Sign, to which they would bend their necks in humility.

إِن نَّشَأْ نُنَزِّلْ عَلَيْهِم مِّن السَّمَاء آيَةً فَظَلَّتْ أَعْنَاقُهُمْ لَهَا خَاضِعِينَ
In nasha/ nunazzil AAalayhim mina alssama-i ayatan fathallat aAAnaquhum laha khadiAAeena

YUSUFALI: If (such) were Our Will, We could send down to them from the sky a Sign, to which they would bend their necks in humility.
PICKTHAL: If We will, We can send down on them from the sky a portent so that their necks would remain bowed before it.
SHAKIR: If We please, We should send down upon them a sign from the heaven so that their necks should stoop to it.
KHALIFA: If we will, we can send from the sky a sign that forces their necks to bow.

০৪। [এই ] যদি আমার ইচ্ছা হতো, তবে আমি আকাশ থেকে তাদের জন্য এমন নিদর্শন পাঠাতাম যে বিনয়ে তাদের ঘাড় অবনত হয়ে পড়তো ৩১৪০।

৩১৪০। আল্লাহ্‌র ইচ্ছাই আল্লাহ্‌র পরিকল্পনা – এই বিশ্বভূবন ও বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের পরিচালনার। আল্লাহ্‌ যদি তার পরিকল্পনায় মানুষকে স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দানের ইচ্ছা প্রকাশ না করতেন , তবে বিশ্ব ভূবনে মানুষের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি থাকতো না। অন্যান্য প্রাণীদের ন্যায় সে শুধু নিজ প্রবণতা [Instinct] যা বিশ্ব বিধাতা তার মাঝে আরোপ করেছেন তা দ্বারাই পরিচালিত হতো। কিন্তু আল্লাহ্‌ তা না করে মানুষকে “সীমিত আকারে স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি ” দান করেছেন, আবার সেই “ইচ্ছাশক্তিকে ” সঠিক পথে পরিচালনার জন্য যুগে যুগে নবীদের মাধ্যমে প্রত্যাদেশ প্রেরণ করেছেন, যাতে মানুষ আত্মিক উন্নতির সন্ধান লাভ করে। সুতারাং মানুষের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি আল্লাহ্‌রই ইচ্ছা বা পরিকল্পনার অংশ।

যখনই তাদের কাছে রহমান এর কোন নতুন উপদেশ আসে, তখনই তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
But there comes not to them a newly-revealed Message from ((Allah)) Most Gracious, but they turn away therefrom.

وَمَا يَأْتِيهِم مِّن ذِكْرٍ مِّنَ الرَّحْمَنِ مُحْدَثٍ إِلَّا كَانُوا عَنْهُ مُعْرِضِينَ
Wama ya/teehim min thikrin mina alrrahmani muhdathin illa kanoo AAanhu muAArideena

YUSUFALI: But there comes not to them a newly-revealed Message from (Allah) Most Gracious, but they turn away therefrom.
PICKTHAL: Never cometh there unto them a fresh reminder from the Beneficent One, but they turn away from it.
SHAKIR: And there does not come to them a new reminder from the Beneficent Allah but they turn aside from it.
KHALIFA: Whenever a reminder from the Most Gracious comes to them, that is new, they turn away in aversion.

০৫। যখনই তাদের নিকট দয়াময় [আল্লাহ্‌র ] নিকট থেকে কোন নূতন উপদেশ আসে, তখনই ওরা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

০৬। তারা অবশ্যই [ উপদেশকে ] প্রত্যাখান করেছে। তারা যা নিয়ে হাসি ঠাট্টা করছে, [ খুব ] শীঘ্রই তার সত্যতা সম্বন্ধে জানতে পারবে ৩১৪১।

৩১৪১। এই আয়াত গুলির মাধ্যমে রসুলের [ সা ] সংগ্রামকে তুলে ধরা হয়েছে , কিন্তু এর আবেদন সর্বকাল ও যুগের জন্য প্রযোজ্য। মক্কার অবিশ্বাসী মোশরেকরা আল্লাহ্‌র প্রত্যাদেশকে ঠাট্টা -বিদ্রূপের বিষয়বস্তুতে পরিণত করে। এখানে আল্লাহ্‌ তাদের সাবধান করে দিয়েছেন যে তাদের কর্মফল তারা পাবে, সত্যের ক্ষমতা অনুধাবনের মাধ্যমে তারা প্রকৃত অবস্থাকে বুঝতে সক্ষম হবে যা তারা প্রতিহত করতে চেয়েছিলো। কোথায় ছিলো তখন মোশরেকরা যখন বদরের যুদ্ধে তাদের পরাজয় ঘটে যখন রক্তপাতহীন ভাবে মক্কা বিজিত হয়? এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ সর্ব যুগের মোমেন বান্দাদের এই আশ্বাস দিয়েছেন যে, প্রতিকূলতা সত্বেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায় ও সত্যের জেহাদ জয় লাভ করবেই। ” [খুব ] শীঘ্রই তার সত্যতা সম্বন্ধে জানতে পারবে।”

অতএব তারা তো মিথ্যারোপ করেছেই; সুতরাং যে বিষয় নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তার যথার্থ স্বরূপ শীঘ্রই তাদের কাছে পৌছবে।
They have indeed rejected (the Message): so they will know soon (enough) the truth of what they mocked at!

فَقَدْ كَذَّبُوا فَسَيَأْتِيهِمْ أَنبَاء مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُون
Faqad kaththaboo fasaya/teehim anbao ma kanoo bihi yastahzi-oona

YUSUFALI: They have indeed rejected (the Message): so they will know soon (enough) the truth of what they mocked at!
PICKTHAL: Now they have denied (the Truth); but there will come unto them tidings of that whereat they used to scoff.
SHAKIR: So they have indeed rejected (the truth), therefore the news of that which they mock shall soon come to them.
KHALIFA: Since they disbelieved, they have incurred the consequences of their heedlessness.

০৫। যখনই তাদের নিকট দয়াময় [আল্লাহ্‌র ] নিকট থেকে কোন নূতন উপদেশ আসে, তখনই ওরা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

০৬। তারা অবশ্যই [ উপদেশকে ] প্রত্যাখান করেছে। তারা যা নিয়ে হাসি ঠাট্টা করছে, [ খুব ] শীঘ্রই তার সত্যতা সম্বন্ধে জানতে পারবে ৩১৪১।

৩১৪১। এই আয়াত গুলির মাধ্যমে রসুলের [ সা ] সংগ্রামকে তুলে ধরা হয়েছে , কিন্তু এর আবেদন সর্বকাল ও যুগের জন্য প্রযোজ্য। মক্কার অবিশ্বাসী মোশরেকরা আল্লাহ্‌র প্রত্যাদেশকে ঠাট্টা -বিদ্রূপের বিষয়বস্তুতে পরিণত করে। এখানে আল্লাহ্‌ তাদের সাবধান করে দিয়েছেন যে তাদের কর্মফল তারা পাবে, সত্যের ক্ষমতা অনুধাবনের মাধ্যমে তারা প্রকৃত অবস্থাকে বুঝতে সক্ষম হবে যা তারা প্রতিহত করতে চেয়েছিলো। কোথায় ছিলো তখন মোশরেকরা যখন বদরের যুদ্ধে তাদের পরাজয় ঘটে যখন রক্তপাতহীন ভাবে মক্কা বিজিত হয়? এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ সর্ব যুগের মোমেন বান্দাদের এই আশ্বাস দিয়েছেন যে, প্রতিকূলতা সত্বেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায় ও সত্যের জেহাদ জয় লাভ করবেই। ” [খুব ] শীঘ্রই তার সত্যতা সম্বন্ধে জানতে পারবে।”

তারা কি ভুপৃষ্ঠের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না? আমি তাতে সর্বপ্রকার বিশেষ-বস্তু কত উদগত করেছি।
Do they not look at the earth,- how many noble things of all kinds We have produced therein?

أَوَلَمْ يَرَوْا إِلَى الْأَرْضِ كَمْ أَنبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ زَوْجٍ كَرِيمٍ
Awa lam yaraw ila al-ardi kam anbatna feeha min kulli zawjin kareemin

YUSUFALI: Do they not look at the earth,- how many noble things of all kinds We have produced therein?
PICKTHAL: Have they not seen the earth, how much of every fruitful kind We make to grow therein?
SHAKIR: Do they not see the earth, how many of every noble kind We have caused to grow in it?
KHALIFA: Have they not seen the earth, and how many kinds of beautiful plants we have grown thereon?

০৭। তারা কি পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখে না ? সেখানে আমি পরম সুন্দর নানা রকম কত কি সৃষ্টি করেছি ৩১৪২।

৩১৪২। এই আয়াতে আল্লাহ্‌ মোশরেকদের পৃথিবীতে তাঁর সৃষ্ট পদার্থের দিকে দৃষ্টিপাত করার জন্য আহ্বান করেছেন। আল্লাহ্‌র সৃষ্টির স্বাক্ষর এই নৈসর্গে ভরা পৃথিবী। কিন্তু এই পৃথিবীর দিকে গভীরভাবে মনোনিবেশ করলে আমরা দেখতে পাই যে, এখানে অন্যায়কারী ও পাপীর কোনও স্থান নাই। ক্ষণস্থায়ী অবকাশকে তারা যেনো তাদের জন্য স্থায়ী না ভাবে। পৃথিবীর ঘটনা পুঞ্জ থেকে তাদের এই নৈতিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য আহ্বান করা হয়েছে। কিন্তু তারা তা লাভ করতে অক্ষম কারণ তারা আত্মিক দিক থেকে অন্ধ , চক্ষু থাকতেও তারা সত্যকে দেখতে পাবে না , তাদের আত্মা অন্ধকারে আবৃত, কারণ তাদের মাঝে ঈমান বা আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাসের আলো নাই সুতারাং তাদের অর্ন্তদৃষ্টির [Spiritual insight] অভাব ঘটবে।

নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
Verily, in this is a Sign: but most of them do not believe.

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ
Inna fee thalika laayatan wama kana aktharuhum mu/mineena

YUSUFALI: Verily, in this is a Sign: but most of them do not believe.
PICKTHAL: Lo! herein is indeed a portent; yet most of them are not believers.
SHAKIR: Most surely there is a sign in that, but most of them will not believe.
KHALIFA: This should be a sufficient proof for them, but most of them are not believers.

০৮। অবশ্যই এটা একটা নিদর্শন। কিন্তু তাদের অধিকাংশ তা বিশ্বাস করে না।

০৯। আর নিশ্চয়ই তোমাদের প্রভু মহা শক্তিশালী , পরম করুণাময় ৩১৪৩।

৩১৪৩। মহাপরাক্রমশালী – অর্থাৎ তিনি তাঁর সকল ইচ্ছা বা পরিকল্পনা একা কার্যে পরিণত করতে সক্ষম। দেখুন আয়াত [ ২২ : ৪০ ] ও টিকা ২৮১৮।

আপনার পালনকর্তা তো পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।
And verily, thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ
Wa-inna rabbaka lahuwa alAAazeezu alrraheemu

YUSUFALI: And verily, thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.
PICKTHAL: And lo! thy Lord! He is indeed the Mighty, the Merciful.
SHAKIR: And most surely your Lord is the Mighty, the Merciful.
KHALIFA: Most assuredly, your Lord is the Almighty, Most Merciful.

০৮। অবশ্যই এটা একটা নিদর্শন। কিন্তু তাদের অধিকাংশ তা বিশ্বাস করে না।

০৯। আর নিশ্চয়ই তোমাদের প্রভু মহা শক্তিশালী , পরম করুণাময় ৩১৪৩।

৩১৪৩। মহাপরাক্রমশালী – অর্থাৎ তিনি তাঁর সকল ইচ্ছা বা পরিকল্পনা একা কার্যে পরিণত করতে সক্ষম। দেখুন আয়াত [ ২২ : ৪০ ] ও টিকা ২৮১৮।

যখন আপনার পালনকর্তা মূসাকে ডেকে বললেনঃ তুমি পাপিষ্ঠ সম্প্রদায়ের নিকট যাও;
Behold, thy Lord called Moses: “Go to the people of iniquity,-

وَإِذْ نَادَى رَبُّكَ مُوسَى أَنِ ائْتِ الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ
Wa-ith nada rabbuka moosa ani i/ti alqawma alththalimeena

YUSUFALI: Behold, thy Lord called Moses: “Go to the people of iniquity,-
PICKTHAL: And when thy Lord called Moses, saying: Go unto the wrongdoing folk,
SHAKIR: And when your Lord called out to Musa, saying: Go to the unjust people,
KHALIFA: Recall that your Lord called Moses: “Go to the transgressing people.

রুকু – ২

১০। দেখো, তোমার প্রভু মুসাকে ডেকে বলেছিলো , ” তুমি অন্যায়কারী সম্প্রদায়ের নিকট যাও – ৩১৪৪

১১। “ফেরাউনের সম্প্রদায়ের নিকট; তারা কি আল্লাহ্‌কে ভয় করবে না ? ”

৩১৪৪। মুসার কাহিনীর কিছু অংশ এই সূরাতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই কাহিনীতে দেখানো হয়েছে যে, দায়িত্ব প্রাপ্তির পরে মুসা কিভাবে আত্মাবিশ্বাসের অভাববোধ করেছিলেন; কিভাবে আল্লাহ্‌ তাকে আশ্বস্ত করেন, কিভাবে তিনি আল্লাহ্‌র নিদর্শনসহ ফেরাউনের নিকট গমন করেন; কিভাবে ফেরাউন ও তার সভাসদরা তা প্রত্যাখান করে; কিভাবে আল্লাহ্‌র নিন্দা তাদের উপরে ভয়ের কারণরূপে নিপতিত হয়। এ সবের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে সত্য শেষ পর্যন্ত জয়ী হবেই। অন্য কথায় দুষ্ট ও পাপীদের সত্যের আলো প্রত্যক্ষে যে প্রতিক্রিয়া হয় তাকেই এখানে তুলে ধরা হয়েছে। এর সাথে অনুভব করতে হবে ঘটনার প্রেক্ষিতে আল্লাহ্‌র দূতদের মানসিক অবস্থা।

ফেরাউনের সম্প্রদায়ের নিকট; তারা কি ভয় করে না?
“The people of the Pharaoh: will they not fear Allah.”

قَوْمَ فِرْعَوْنَ أَلَا يَتَّقُونَ
Qawma firAAawna ala yattaqoona

YUSUFALI: “The people of the Pharaoh: will they not fear Allah?”
PICKTHAL: The folk of Pharaoh. Will they not ward off (evil)?
SHAKIR: The people of Firon: Will they not guard (against evil)?
KHALIFA: “Pharaoh’s people; perhaps they reform.”

রুকু – ২

১০। দেখো, তোমার প্রভু মুসাকে ডেকে বলেছিলো , ” তুমি অন্যায়কারী সম্প্রদায়ের নিকট যাও – ৩১৪৪

১১। “ফেরাউনের সম্প্রদায়ের নিকট; তারা কি আল্লাহ্‌কে ভয় করবে না ? ”

৩১৪৪। মুসার কাহিনীর কিছু অংশ এই সূরাতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই কাহিনীতে দেখানো হয়েছে যে, দায়িত্ব প্রাপ্তির পরে মুসা কিভাবে আত্মাবিশ্বাসের অভাববোধ করেছিলেন; কিভাবে আল্লাহ্‌ তাকে আশ্বস্ত করেন, কিভাবে তিনি আল্লাহ্‌র নিদর্শনসহ ফেরাউনের নিকট গমন করেন; কিভাবে ফেরাউন ও তার সভাসদরা তা প্রত্যাখান করে; কিভাবে আল্লাহ্‌র নিন্দা তাদের উপরে ভয়ের কারণরূপে নিপতিত হয়। এ সবের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে সত্য শেষ পর্যন্ত জয়ী হবেই। অন্য কথায় দুষ্ট ও পাপীদের সত্যের আলো প্রত্যক্ষে যে প্রতিক্রিয়া হয় তাকেই এখানে তুলে ধরা হয়েছে। এর সাথে অনুভব করতে হবে ঘটনার প্রেক্ষিতে আল্লাহ্‌র দূতদের মানসিক অবস্থা।

সে বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমার আশংকা হচ্ছে যে, তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলে দেবে।
He said: “O my Lord! I do fear that they will charge me with falsehood:

قَالَ رَبِّ إِنِّي أَخَافُ أَن يُكَذِّبُونِ
Qala rabbi innee akhafu an yukaththibooni

YUSUFALI: He said: “O my Lord! I do fear that they will charge me with falsehood:
PICKTHAL: He said: My Lord! Lo! I fear that they will deny me,
SHAKIR: He said: O my Lord! surely I fear that they will reject me;
KHALIFA: He said, “My Lord, I fear lest they disbelieve me.

১২। সে বলেছিলো , ” হে আমার প্রভু ! আমার ভয় হচ্ছে যে তারা আমাকে মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করবে। ”

১৩। ” [ ভয়ে ] আমার বক্ষ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে ৩১৪৫। এবং [ তোতলামীর জন্য ] আমার ভাষা খুব সাবলীল নয়। সুতারাং হারুনকেও আমার সাথে পাঠাও।

৩১৪৫। মুসা জন্মগতভাবে তোতলা ছিলেন। স্বাভাবিক ও স্বতঃষ্ফুর্ত ভাবে তিনি কথা বলতে পারতেন না। উপরন্তু তাঁর দায়িত্বটি ছিলো অত্যন্ত বিপদ সংকুল। [দেখুন পরবর্তী টিকা ]। আল্লাহ্‌র পরিকল্পনা বিচিত্র উপায়ে বাস্তবায়িত হয়। হারুনকে তাঁর সাহাযার্থে নিয়োগ করা হয় এবং মুসার দোষত্রুটি ও অক্ষমতাকে আল্লাহ্‌ শক্তিতে রূপান্তরিত করে দেন। সুতারাং আল্লাহ্‌র করুণায় হযরত মুসা ইসরাঈলীদের মধ্যে শক্তিশালী নেতারূপে আর্বিভূত হন।

এবং আমার মন হতবল হয়ে পড়ে এবং আমার জিহবা অচল হয়ে যায়। সুতরাং হারুনের কাছে বার্তা প্রেরণ করুন।
“My breast will be straitened. And my speech may not go (smoothly): so send unto Aaron.

وَيَضِيقُ صَدْرِي وَلَا يَنطَلِقُ لِسَانِي فَأَرْسِلْ إِلَى هَارُونَ
Wayadeequ sadree wala yantaliqu lisanee faarsil ila haroona

YUSUFALI: “My breast will be straitened. And my speech may not go (smoothly): so send unto Aaron.
PICKTHAL: And I shall be embarrassed, and my tongue will not speak plainly, therefor send for Aaron (to help me).
SHAKIR: And by breast straitens, and my tongue is not eloquent, therefore send Thou to Haroun (to help me);
KHALIFA: “I may lose my temper. My tongue gets tied; send for my brother Aaron.

১২। সে বলেছিলো , ” হে আমার প্রভু ! আমার ভয় হচ্ছে যে তারা আমাকে মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করবে। ”

১৩। ” [ ভয়ে ] আমার বক্ষ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে ৩১৪৫। এবং [ তোতলামীর জন্য ] আমার ভাষা খুব সাবলীল নয়। সুতারাং হারুনকেও আমার সাথে পাঠাও।

৩১৪৫। মুসা জন্মগতভাবে তোতলা ছিলেন। স্বাভাবিক ও স্বতঃষ্ফুর্ত ভাবে তিনি কথা বলতে পারতেন না। উপরন্তু তাঁর দায়িত্বটি ছিলো অত্যন্ত বিপদ সংকুল। [দেখুন পরবর্তী টিকা ]। আল্লাহ্‌র পরিকল্পনা বিচিত্র উপায়ে বাস্তবায়িত হয়। হারুনকে তাঁর সাহাযার্থে নিয়োগ করা হয় এবং মুসার দোষত্রুটি ও অক্ষমতাকে আল্লাহ্‌ শক্তিতে রূপান্তরিত করে দেন। সুতারাং আল্লাহ্‌র করুণায় হযরত মুসা ইসরাঈলীদের মধ্যে শক্তিশালী নেতারূপে আর্বিভূত হন।

আমার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ আছে। অতএব আমি আশংকা করি যে, তারা আমাকে হত্যা করবে।
“And (further), they have a charge of crime against me; and I fear they may slay me.”

وَلَهُمْ عَلَيَّ ذَنبٌ فَأَخَافُ أَن يَقْتُلُونِ
Walahum AAalayya thanbun faakhafu an yaqtulooni

YUSUFALI: “And (further), they have a charge of crime against me; and I fear they may slay me.”
PICKTHAL: And they have a crime against me, so I fear that they will kill me.
SHAKIR: And they have a crime against me, therefore I fear that they may slay me.
KHALIFA: “Also, they consider me a fugitive; I fear lest they kill me.”

১৪। ” [ উপরন্তু ] আমার বিরুদ্ধে তাদের নিকট [ মানুষ হত্যার ] অপরাধের এক অভিযোগ আছে। এবং আমি ভয় পাচ্ছি যে, তারা আমাকে হত্যা করতে পারে।” ৩১৪৬

৩১৪৬। হযরত মুসার প্রতিপালন ও শৈশব সর্ম্পকে উল্লেখ করা হয়েছে আয়াত [ ২০ : ৩৯ – ৪০ ] এবং টিকা ২৫৬৩ এ। তিনি ফেরাউনের প্রাসাদে প্রতিপালিত হতে থাকেন এবং মিশরবাসীদের সকল জ্ঞান বিজ্ঞানের অধিকারী হন। তিনি যখন পূর্ণ যুবক তখন একদিন দেখলেন যে অন্যায়ভাবে একজন মিশরবাসী একজন ইসরাঈলীকে আঘাত করছে, তিনি মিশরবাসীটিকে আঘাত হানেন ফলে মিশরীয়টি মৃত্যুবরণ করে [ ২৮ : ১৫ ] এই অপরাধের শাস্তির ভয়ে তিনি মিশর ত্যাগ করেন ও সিনাই উপত্যকায় অবস্থিত মাদিয়ানে আশ্রয় গ্রহণ করেন। এখানেই তিনি আল্লাহ্‌ কর্তৃক ঐশ্বরিক দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। অপরপক্ষে মিশরে তাঁর বিরুদ্ধে মানুষ হত্যার অভিযোগ ছিলো। এ ছাড়াও হযরত মুসা ছিলেন বদরাগী স্বভাবের। কিন্তু আল্লাহ্‌র করুণা তার এই রাগী স্বভাবকে দূর করে দেয় এবং তাঁকে আল্লাহ্‌ জ্ঞানী সম্প্রদায়ের অর্ন্তভুক্ত করেন। তাঁর জিহ্বার জড়তা দূর হয়ে যায় এবং তিনি দৃঢ়ভাবে ফেরাউনের সম্মুখে তাঁর বক্তব্য পেশ করেন। তিনি সাহস ও দৃঢ়তার সাথে আল্লাহ্‌র নিদর্শন দ্বারা মিশরবাসী যাদুকরদের মোকাবেলা করেন। শেষ পর্যন্ত এসব যাদুকরেরা আল্লাহ্‌র নিদর্শন দর্শনে ভীত হয়ে পড়ে।

আল্লাহ বলেন, কখনই নয় তোমরা উভয়ে যাও আমার নিদর্শনাবলী নিয়ে। আমি তোমাদের সাথে থেকে শোনব।
Allah said: “By no means! proceed then, both of you, with Our Signs; We are with you, and will listen (to your call).

قَالَ كَلَّا فَاذْهَبَا بِآيَاتِنَا إِنَّا مَعَكُم مُّسْتَمِعُونَ
Qala kalla faithhaba bi-ayatina inna maAAakum mustamiAAoona

YUSUFALI: Allah said: “By no means! proceed then, both of you, with Our Signs; We are with you, and will listen (to your call).
PICKTHAL: He said: Nay, verily. So go ye twain with Our tokens. Lo! We shall be with you, Hearing.
SHAKIR: He said: By no means, so go you both with Our signs; surely We are with you, hearing;
KHALIFA: He said, “No, (they will not). Go with My proofs. We will be with you, listening.

১৫। আল্লাহ্‌ বলেছিলেন, ” না কখনই না ! আমার নিদর্শন সহকারে তোমরা দুজনেই অগ্রসর হও। আমি তোমাদের সাথে থাকবো এবং তোমাদের [ ডাক ] শুনবো।

১৬। “সুতারাং তোমরা উভয়েই ফেরাউনের কাছে যাও, এবং বল আমরা পৃথিবীর প্রভু এবং প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়েছি ;

১৭। ” আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলীদের যেতে দাও।”

১৮। [ ফেরাউন ] বলেছিলো ; ” আমরা কি তোমাকে শিশুকালে আমাদের মধ্যে প্রতিপালন করি নাই এবং তুমি কি আমাদের মধ্যে তোমার জীবনের বহু বৎসর অবস্থান কর নাই ? ” ৩১৪৭

৩১৪৭। এখানে ফেরাউন তার কূটবুদ্ধির প্রয়োগ করেছে। যখন মুসা ফেরাউনকে আল্লাহকে “জগহসমূহের প্রতিপালকরূপে ” উপস্থাপন করেছিলেন , তখন ফেরাউন মুসাকে স্মরণ করিয়ে দিল যে, ” তোমাকে কে প্রতিপালিত করেছিলো ? আমরা কি তোমাকে শৈশবে আমাদিগের মধ্যে লালন পালন করি নাই? ” এই বাক্যটি দ্বারা ফেরাউন মুসাকে এ কথাই বোঝাতে চেয়েছে যে, জগত সমূহের প্রতিপালক নয় ফেরাউনই মুসার প্রতিপালক। প্রকৃত পক্ষে ফেরাউন নিজেকে কৌশলে আল্লাহ্‌ বলে দাবী করেছিলো এই বক্তব্যের মাধ্যমে।

অতএব তোমরা ফেরআউনের কাছে যাও এবং বল, আমরা বিশ্বজগতের পালনকর্তার রসূল।
“So go forth, both of you, to Pharaoh, and say: ‘We have been sent by the Lord and Cherisher of the worlds;

فَأْتِيَا فِرْعَوْنَ فَقُولَا إِنَّا رَسُولُ رَبِّ الْعَالَمِينَ
Fa/tiya firAAawna faqoola inna rasoolu rabbi alAAalameena

YUSUFALI: “So go forth, both of you, to Pharaoh, and say: ‘We have been sent by the Lord and Cherisher of the worlds;
PICKTHAL: And come together unto Pharaoh and say: Lo! we bear a message of the Lord of the Worlds,
SHAKIR: Then come to Firon and say: Surely we are the messengers of the Lord of the worlds:
KHALIFA: “Go to Pharaoh and say, `We are messengers from the Lord of the universe.’

১৫। আল্লাহ্‌ বলেছিলেন, ” না কখনই না ! আমার নিদর্শন সহকারে তোমরা দুজনেই অগ্রসর হও। আমি তোমাদের সাথে থাকবো এবং তোমাদের [ ডাক ] শুনবো।

১৬। “সুতারাং তোমরা উভয়েই ফেরাউনের কাছে যাও, এবং বল আমরা পৃথিবীর প্রভু এবং প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়েছি ;

১৭। ” আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলীদের যেতে দাও।”

১৮। [ ফেরাউন ] বলেছিলো ; ” আমরা কি তোমাকে শিশুকালে আমাদের মধ্যে প্রতিপালন করি নাই এবং তুমি কি আমাদের মধ্যে তোমার জীবনের বহু বৎসর অবস্থান কর নাই ? ” ৩১৪৭

৩১৪৭। এখানে ফেরাউন তার কূটবুদ্ধির প্রয়োগ করেছে। যখন মুসা ফেরাউনকে আল্লাহকে “জগহসমূহের প্রতিপালকরূপে ” উপস্থাপন করেছিলেন , তখন ফেরাউন মুসাকে স্মরণ করিয়ে দিল যে, ” তোমাকে কে প্রতিপালিত করেছিলো ? আমরা কি তোমাকে শৈশবে আমাদিগের মধ্যে লালন পালন করি নাই? ” এই বাক্যটি দ্বারা ফেরাউন মুসাকে এ কথাই বোঝাতে চেয়েছে যে, জগত সমূহের প্রতিপালক নয় ফেরাউনই মুসার প্রতিপালক। প্রকৃত পক্ষে ফেরাউন নিজেকে কৌশলে আল্লাহ্‌ বলে দাবী করেছিলো এই বক্তব্যের মাধ্যমে।

যাতে তুমি বনী-ইসরাঈলকে আমাদের সাথে যেতে দাও।
“‘Send thou with us the Children of Israel.’”

أَنْ أَرْسِلْ مَعَنَا بَنِي إِسْرَائِيلَ
An arsil maAAana banee isra-eela

YUSUFALI: “‘Send thou with us the Children of Israel.’”
PICKTHAL: (Saying): Let the Children of Israel go with us.
SHAKIR: Then send with us the children of Israel.
KHALIFA: ” `Let the Children of Israel go.’ ”

১৫। আল্লাহ্‌ বলেছিলেন, ” না কখনই না ! আমার নিদর্শন সহকারে তোমরা দুজনেই অগ্রসর হও। আমি তোমাদের সাথে থাকবো এবং তোমাদের [ ডাক ] শুনবো।

১৬। “সুতারাং তোমরা উভয়েই ফেরাউনের কাছে যাও, এবং বল আমরা পৃথিবীর প্রভু এবং প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়েছি ;

১৭। ” আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলীদের যেতে দাও।”

১৮। [ ফেরাউন ] বলেছিলো ; ” আমরা কি তোমাকে শিশুকালে আমাদের মধ্যে প্রতিপালন করি নাই এবং তুমি কি আমাদের মধ্যে তোমার জীবনের বহু বৎসর অবস্থান কর নাই ? ” ৩১৪৭

৩১৪৭। এখানে ফেরাউন তার কূটবুদ্ধির প্রয়োগ করেছে। যখন মুসা ফেরাউনকে আল্লাহকে “জগহসমূহের প্রতিপালকরূপে ” উপস্থাপন করেছিলেন , তখন ফেরাউন মুসাকে স্মরণ করিয়ে দিল যে, ” তোমাকে কে প্রতিপালিত করেছিলো ? আমরা কি তোমাকে শৈশবে আমাদিগের মধ্যে লালন পালন করি নাই? ” এই বাক্যটি দ্বারা ফেরাউন মুসাকে এ কথাই বোঝাতে চেয়েছে যে, জগত সমূহের প্রতিপালক নয় ফেরাউনই মুসার প্রতিপালক। প্রকৃত পক্ষে ফেরাউন নিজেকে কৌশলে আল্লাহ্‌ বলে দাবী করেছিলো এই বক্তব্যের মাধ্যমে।

ফেরাউন বলল, আমরা কি তোমাকে শিশু অবস্থায় আমাদের মধ্যে লালন-পালন করিনি? এবং তুমি আমাদের মধ্যে জীবনের বহু বছর কাটিয়েছ।
(Pharaoh) said: “Did we not cherish thee as a child among us, and didst thou not stay in our midst many years of thy life?

قَالَ أَلَمْ نُرَبِّكَ فِينَا وَلِيدًا وَلَبِثْتَ فِينَا مِنْ عُمُرِكَ سِنِينَ
Qala alam nurabbika feena waleedan walabithta feena min AAumurika sineena

YUSUFALI: (Pharaoh) said: “Did we not cherish thee as a child among us, and didst thou not stay in our midst many years of thy life?
PICKTHAL: (Pharaoh) said (unto Moses): Did we not rear thee among us as a child? And thou didst dwell many years of thy life among us,
SHAKIR: (Firon) said: Did we not bring you up as a child among us, and you tarried among us for (many) years of your life?
KHALIFA: He said, “Did we not raise you from infancy, and you spent many years with us?

১৫। আল্লাহ্‌ বলেছিলেন, ” না কখনই না ! আমার নিদর্শন সহকারে তোমরা দুজনেই অগ্রসর হও। আমি তোমাদের সাথে থাকবো এবং তোমাদের [ ডাক ] শুনবো।

১৬। “সুতারাং তোমরা উভয়েই ফেরাউনের কাছে যাও, এবং বল আমরা পৃথিবীর প্রভু এবং প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়েছি ;

১৭। ” আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলীদের যেতে দাও।”

১৮। [ ফেরাউন ] বলেছিলো ; ” আমরা কি তোমাকে শিশুকালে আমাদের মধ্যে প্রতিপালন করি নাই এবং তুমি কি আমাদের মধ্যে তোমার জীবনের বহু বৎসর অবস্থান কর নাই ? ” ৩১৪৭

৩১৪৭। এখানে ফেরাউন তার কূটবুদ্ধির প্রয়োগ করেছে। যখন মুসা ফেরাউনকে আল্লাহকে “জগহসমূহের প্রতিপালকরূপে ” উপস্থাপন করেছিলেন , তখন ফেরাউন মুসাকে স্মরণ করিয়ে দিল যে, ” তোমাকে কে প্রতিপালিত করেছিলো ? আমরা কি তোমাকে শৈশবে আমাদিগের মধ্যে লালন পালন করি নাই? ” এই বাক্যটি দ্বারা ফেরাউন মুসাকে এ কথাই বোঝাতে চেয়েছে যে, জগত সমূহের প্রতিপালক নয় ফেরাউনই মুসার প্রতিপালক। প্রকৃত পক্ষে ফেরাউন নিজেকে কৌশলে আল্লাহ্‌ বলে দাবী করেছিলো এই বক্তব্যের মাধ্যমে।

তুমি সেই-তোমরা অপরাধ যা করবার করেছ। তুমি হলে কৃতঘ্ন।
“And thou didst a deed of thine which (thou knowest) thou didst, and thou art an ungrateful (wretch)!”

وَفَعَلْتَ فَعْلَتَكَ الَّتِي فَعَلْتَ وَأَنتَ مِنَ الْكَافِرِينَ
WafaAAalta faAAlataka allatee faAAalta waanta mina alkafireena

YUSUFALI: “And thou didst a deed of thine which (thou knowest) thou didst, and thou art an ungrateful (wretch)!”
PICKTHAL: And thou didst that thy deed which thou didst, and thou wast one of the ingrates.
SHAKIR: And you did (that) deed of yours which you did, and you are one of the ungrateful.
KHALIFA: “Then you committed the crime that you committed, and you were ungrateful.”

১৯। ” [ তুমি জান ] তুমি তোমার কর্ম যা করার তা করেছ। তুমি অকৃতজ্ঞ [ দুরাত্মা ] ” ৩১৪৮।

৩১৪৮। এই সাথে ফেরাউন এ কথাও মুসাকে স্মরণ করিয়ে দিলো যে, তুমি একজন মিশরীয় এর হন্তাকারী এবং এই বলে বিদ্রূপ করলো যে, ” তুমি শুধু হত্যাকারী নও ; তুমি অকৃতজ্ঞও বটে। যারা তোমাকে প্রতিপালিত করলো, তাদেরই একজনকে তুমি হত্যা করেছ।”

মূসা বলল, আমি সে অপরাধ তখন করেছি, যখন আমি ভ্রান্ত ছিলাম।
Moses said: “I did it then, when I was in error.

قَالَ فَعَلْتُهَا إِذًا وَأَنَا مِنَ الضَّالِّينَ
Qala faAAaltuha ithan waana mina alddalleena

YUSUFALI: Moses said: “I did it then, when I was in error.
PICKTHAL: He said: I did it then, when I was of those who are astray.
SHAKIR: He said: I did it then while I was of those unable to see the right course;
KHALIFA: He said, “Indeed, I did it when I was astray.

২০। মুসা বলেছিলো , ” আমি তা করেছিলাম তখন , যখন আমি ছিলাম পথভ্রষ্ট ৩১৪৯।

৩১৪৯। মুসার উত্তর কি ছিলো ? দেখা যায় হযরত মুসা তাঁর কৃতকর্মের জন্য পূর্বে যেরূপ ভীত ছিলেন , এখন আর তাঁর সে ভয় নাই। তিনি প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরলেন , তাঁর অপরাধকে লঘু করার কোনও প্রচেষ্টাই সেখানে ছিলো না। ” হ্যাঁ , আমি তা করেছি, কারণ তখন আমি ভ্রান্তির মাঝে ছিলাম।” তাঁর এই উক্তির অর্থ তিন রকম ভাবে করা যায় : ১) আমি রাগের বশে তাড়াহুড়া করে তা করেছি , যা অবশ্যই অন্যায়। ২) আইনকে নিজের হাতে তুলে নিয়ে অন্যায় করেছি , কিন্তু আমি অনুতপ্ত এবং আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমাপ্রার্থী [ ২৮ : ১৫ – ১৬ ]। ৩) এ কাজ আমি সেই সময়ে করেছি যখন আমি তোমাদের প্রভাব বলয়ে বাস করতাম। সেই থেকে আমি অনুতাপের মাধ্যমে এক পরিবর্তিত মানুষ। আল্লাহ্‌ আমাকে ক্ষমা করে ডেকে নিয়েছেন।

অতঃপর আমি ভীত হয়ে তোমাদের কাছ থেকে পলায়ন করলাম। এরপর আমার পালনকর্তা আমাকে প্রজ্ঞা দান করেছেন এবং আমাকে পয়গম্বর করেছেন।
“So I fled from you (all) when I feared you; but my Lord has (since) invested me with judgment (and wisdom) and appointed me as one of the apostles.

فَفَرَرْتُ مِنكُمْ لَمَّا خِفْتُكُمْ فَوَهَبَ لِي رَبِّي حُكْمًا وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُرْسَلِينَ
Fafarartu minkum lamma khiftukum fawahaba lee rabbee hukman wajaAAalanee mina almursaleena

YUSUFALI: “So I fled from you (all) when I feared you; but my Lord has (since) invested me with judgment (and wisdom) and appointed me as one of the messengers.
PICKTHAL: Then I fled from you when I feared you, and my Lord vouchsafed me a command and appointed me (of the number) of those sent (by Him).
SHAKIR: So I fled from you when I feared you, then my Lord granted me wisdom and made me of the messengers;
KHALIFA: “Then I fled, when I feared you, and my Lord endowed me with wisdom and made me one of the messengers.

২১। ” সুতারাং আমি তোমাদের ভয়ে ভীত হয়ে পালিয়ে গিয়েছিলাম ; ৩১৫০ কিন্তু এখন আমার প্রভু আমাকে বিচারের জ্ঞান দান করেছেন ও আমাকে অন্যতম রাসুলরূপে নিয়োগ দান করেছেন। ”

৩১৫০। ফেরাউনের উত্তরে মুসা তার গতিবিধির বিশদ বিবরণ দিয়েছিলেন যদিও ফেরাউন তা জিজ্ঞাসা করে নাই। তিনি কিছুই গোপন করেন নাই। সে সময়ে তিনি ছিলেন ভীত সন্ত্রস্ত। ফলে তিনি মিশর থেকে পলায়ন করেন। কিন্তু এখন তিনি আল্লাহ্‌র ক্ষমা লাভ করে আল্লাহ্‌র রাসুল নিযুক্ত হয়েছেন। তিনি এখন বিশ্বপালক মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্‌র সেবক দাস। সুতারাং সাধারণ মানুষ থেকে তার কোনও ভয় নাই। তিনি আল্লাহ্‌র রাসুল।

উপদেশ : মানুষ যখন বিপদ বিপর্যয়ে আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীলতার মাধ্যমে ,বিপদকে অতিক্রম করার চেষ্টা করে, তখন তার ভয়ের আর কোনও কারণ থাকে না। কারণ সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌ স্বয়ং তার ভার গ্রহণ করেন।

আমার প্রতি তোমার যে অনুগ্রহের কথা বলছ, তা এই যে, তুমি বনী-ইসলাঈলকে গোলাম বানিয়ে রেখেছ।
“And this is the favour with which thou dost reproach me,- that thou hast enslaved the Children of Israel!”

وَتِلْكَ نِعْمَةٌ تَمُنُّهَا عَلَيَّ أَنْ عَبَّدتَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ
Watilka niAAmatun tamunnuha AAalayya an AAabbadta banee isra-eela

YUSUFALI: “And this is the favour with which thou dost reproach me,- that thou hast enslaved the Children of Israel!”
PICKTHAL: And this is the past favour wherewith thou reproachest me: that thou hast enslaved the Children of Israel.
SHAKIR: And is it a favor of which you remind me that you have enslaved the children of Israel?
KHALIFA: “You are boasting that you did me a favor, while enslaving the Children of Israel!”

২২। ” যে অনুগ্রহের জন্য তুমি আমাকে র্ভৎসনা করছো, তা হচ্ছে এই যে তুমি বনী ইসরাঈলীদের ক্রীতদাসে পরিণত করেছ।” ৩১৫১

৩১৫১। মিশরবাসীদের নিকট থেকে মুসা শৈশব থেকে যে সব অনুগ্রহ লাভ করেছিলো সে সব স্মরণ করিয়ে দিয়ে ফেরাউন মুসাকে “অকৃতজ্ঞ বলে র্ভৎসনা করেছিলো। এরই উত্তরে মুসা বললেন যে, ” কোন অনুগ্রহ ? যখন তুমি আমার ভ্রাতা ইহুদীদের দাস করে রেখেছিলে ? ” এই বাক্যটি থেকে বোঝা যায় যে এখন মুসা যে উত্তর দিচ্ছেন তা তার ব্যক্তিগত কৈফিয়ত নয়। তিনি আল্লাহ্‌র রাসুল হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তার প্রতি যে অনুগ্রহ করা হয়েছিলো তাঁর স্বজাতির উপরে অত্যাচারের ফলে তাঁর আর কোনও মূল্য নাই।

উপদেশ : ব্যক্তিগত লাভ-লোকসান অপেক্ষা ইসলাম সমষ্টিগত অস্তিত্বে বিশ্বাসী।

ফেরাউন বলল, বিশ্বজগতের পালনকর্তা আবার কি?
Pharaoh said: “And what is the ‘Lord and Cherisher of the worlds’?”

قَالَ فِرْعَوْنُ وَمَا رَبُّ الْعَالَمِينَ
Qala firAAawnu wama rabbu alAAalameena

YUSUFALI: Pharaoh said: “And what is the ‘Lord and Cherisher of the worlds’?”
PICKTHAL: Pharaoh said: And what is the Lord of the Worlds?
SHAKIR: Firon said: And what is the Lord of the worlds?
KHALIFA: Pharaoh said, “What is the Lord of the universe?”

২৩। ফেরাউন বলেছিলো, ” জগত সমূহের প্রভু ও প্রতিপালক কি ? ” ৩১৫২

৩১৫২। হযরত মুসা ব্যক্তিগত আক্রমণকে প্রতিহত করার পরে এবারে ফেরাউনের যুক্তি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতে থাকলো। এবারে সে আল্লাহ্‌র কর্তৃত্ব ও করুণা সম্পর্কে যুক্তির অবতারণা করলো। মুসা পূর্বে আল্লাহকে “জগতসমূহের প্রতিপালক” রূপে উপস্থাপন করেছিলেন [ ২৬ : ১৬ ]। এই বক্তব্যকে ফেরাউন বিকৃত করে উত্থাপন করেছে এখানে। আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বক্ষমতার অধিকারী এই ব্যবস্থা মেনে নেওয়া ফেরাউনের পক্ষে ছিলো অসম্ভব। আর এখানেই ছিলো মূল সমস্যা।

মূসা বলল, তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।
(Moses) said: “The Lord and Cherisher of the heavens and the earth, and all between,- if ye want to be quite sure.”

قَالَ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا إن كُنتُم مُّوقِنِينَ
Qala rabbu alssamawati waal-ardi wama baynahuma in kuntum mooqineena

YUSUFALI: (Moses) said: “The Lord and Cherisher of the heavens and the earth, and all between,- if ye want to be quite sure.”
PICKTHAL: (Moses) said: Lord of the heavens and the earth and all that is between them, if ye had but sure belief.
SHAKIR: He said: The Lord of the heavens and the earth and what is between them, if you would be sure.
KHALIFA: He said, “The Lord of the heavens and the earth, and everything between them. You should be certain about this.”

২৪। মুসা বলেছিলো , ” তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যবর্তী সকল কিছুর প্রভু এবং প্রতিপালক- যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও।”

২৫। [ ফেরাউন তার চারিপাশের পরিষদবর্গকে বলেছিলো , ” তোমরা শুনছো তো [ সে কি বলছে ] ?” ৩১৫৩

৩১৫৩। হযরত মুসার আল্লাহ্‌র একত্বের উল্লেখে ফেরাউনের ক্রোধকে উদ্দীপ্ত করে তুলেছিলো। কারণ মুসার বক্তব্য ছিলো ফেরাউনের দেবত্বের উপরে খড়গাঘাতের তুল্য। উপরন্তু মুসা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছিলেন যে, “যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও ” অর্থাৎ বিবেকবুদ্ধি সম্পন্ন যে কোনও মানুষই বিশ্ব প্রতিপালকের অস্তিত্ব সম্বন্ধে নিঃসন্দেহ। মুসার বক্তব্যে ফেরাউন ঘৃণামিশ্রিত ক্রোধে তার সভাসদদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। মুসার বক্তব্য ছিলো আরও স্বচ্ছ ও তীক্ষ্ণ। সারাংশ ছিলো যে, ” আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী যা কিছু সবেরই প্রভু আল্লাহ্‌। সুতারাং সে হিসেবে আল্লাহ্‌ ফেরাউনের প্রভু , ফেরাউনের সকল পূর্বপুরুষের প্রভু। এক আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর সকলের এই দাবী মিথ্যা ও ভূয়া।”

ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, তোমরা কি শুনছ না?
(Pharaoh) said to those around: “Did ye not listen (to what he says)?”

قَالَ لِمَنْ حَوْلَهُ أَلَا تَسْتَمِعُونَ
Qala liman hawlahu ala tastamiAAoona

YUSUFALI: (Pharaoh) said to those around: “Did ye not listen (to what he says)?”
PICKTHAL: (Pharaoh) said unto those around him: Hear ye not?
SHAKIR: (Firon) said to those around him: Do you not hear?
KHALIFA: He said to those around him, “Did you hear this?”

২৪। মুসা বলেছিলো , ” তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যবর্তী সকল কিছুর প্রভু এবং প্রতিপালক- যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও।”

২৫। [ ফেরাউন তার চারিপাশের পরিষদবর্গকে বলেছিলো , ” তোমরা শুনছো তো [ সে কি বলছে ] ?” ৩১৫৩

৩১৫৩। হযরত মুসার আল্লাহ্‌র একত্বের উল্লেখে ফেরাউনের ক্রোধকে উদ্দীপ্ত করে তুলেছিলো। কারণ মুসার বক্তব্য ছিলো ফেরাউনের দেবত্বের উপরে খড়গাঘাতের তুল্য। উপরন্তু মুসা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছিলেন যে, “যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও ” অর্থাৎ বিবেকবুদ্ধি সম্পন্ন যে কোনও মানুষই বিশ্ব প্রতিপালকের অস্তিত্ব সম্বন্ধে নিঃসন্দেহ। মুসার বক্তব্যে ফেরাউন ঘৃণামিশ্রিত ক্রোধে তার সভাসদদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। মুসার বক্তব্য ছিলো আরও স্বচ্ছ ও তীক্ষ্ণ। সারাংশ ছিলো যে, ” আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী যা কিছু সবেরই প্রভু আল্লাহ্‌। সুতারাং সে হিসেবে আল্লাহ্‌ ফেরাউনের প্রভু , ফেরাউনের সকল পূর্বপুরুষের প্রভু। এক আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর সকলের এই দাবী মিথ্যা ও ভূয়া।”

মূসা বলল, তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরও পালনকর্তা।
(Moses) said: “Your Lord and the Lord of your fathers from the beginning!”

قَالَ رَبُّكُمْ وَرَبُّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ
Qala rabbukum warabbu aba-ikumu al-awwaleena

YUSUFALI: (Moses) said: “Your Lord and the Lord of your fathers from the beginning!”
PICKTHAL: He said: Your Lord and the Lord of your fathers.
SHAKIR: He said: Your Lord and the Lord of your fathers of old.
KHALIFA: He said, “Your Lord and the Lord of your ancestors.”

২৬। মুসা বলেছিলো, ” প্রথম থেকেই তিনি তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদের প্রভু।”

২৭। ফেরাউন বলেছিলো, ” সত্যই; তোমাদের রাসুল, যাকে তোমাদের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সে বাস্তবিকই পাগল।” ৩১৫৪

৩১৫৪। হযরত মুসা যখন ঘোষণা করলেন যে, আল্লাহ্‌ এক এবং অদ্বিতীয়। তিনি বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের এবং মিশরবাসী ও তাদের ফেরাউনেরও প্রভু। মুসার এ হেন বক্তব্যে ফেরাউন বিচলিত বোধ করলো। সে বিদ্রূপের ভঙ্গীতে তার সভাষদদের আহ্বান করে বললো যে, “তোমাদিগের রাসুলটি তো নিশ্চয়ই পাগল।” কিন্তু ফেরাউনের এই ব্যঙ্গক্তি মুসাকে অপ্রস্তুত বা লজ্জিত করতে পারে নাই। তিনি সদর্পে সত্যকে ঘোষণা করলেন, ” তুমিই পাগল ! আমার ঈশ্বর বিশ্বের বিধাতা। পূর্ব পশ্চিম সকল স্থানেই তিনি বিরাজ করেন। তুমি যেখানে রাজত্ব কর সেখানেও তার অধিষ্ঠান। “

ফেরাউন বলল, তোমাদের প্রতি প্রেরিত তোমাদের রসূলটি নিশ্চয়ই বদ্ধ পাগল।
(Pharaoh) said: “Truly your apostle who has been sent to you is a veritable madman!”

قَالَ إِنَّ رَسُولَكُمُ الَّذِي أُرْسِلَ إِلَيْكُمْ لَمَجْنُونٌ
Qala inna rasoolakumu allathee orsila ilaykum lamajnoonun

YUSUFALI: (Pharaoh) said: “Truly your messenger who has been sent to you is a veritable madman!”
PICKTHAL: (Pharaoh) said: Lo! your messenger who hath been sent unto you is indeed a madman!
SHAKIR: Said he: Most surely your Messenger who is sent to you is mad.
KHALIFA: He said, “Your messenger who is sent to you is crazy.”

২৬। মুসা বলেছিলো, ” প্রথম থেকেই তিনি তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদের প্রভু।”

২৭। ফেরাউন বলেছিলো, ” সত্যই; তোমাদের রাসুল, যাকে তোমাদের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সে বাস্তবিকই পাগল।” ৩১৫৪

৩১৫৪। হযরত মুসা যখন ঘোষণা করলেন যে, আল্লাহ্‌ এক এবং অদ্বিতীয়। তিনি বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের এবং মিশরবাসী ও তাদের ফেরাউনেরও প্রভু। মুসার এ হেন বক্তব্যে ফেরাউন বিচলিত বোধ করলো। সে বিদ্রূপের ভঙ্গীতে তার সভাষদদের আহ্বান করে বললো যে, “তোমাদিগের রাসুলটি তো নিশ্চয়ই পাগল।” কিন্তু ফেরাউনের এই ব্যঙ্গক্তি মুসাকে অপ্রস্তুত বা লজ্জিত করতে পারে নাই। তিনি সদর্পে সত্যকে ঘোষণা করলেন, ” তুমিই পাগল ! আমার ঈশ্বর বিশ্বের বিধাতা। পূর্ব পশ্চিম সকল স্থানেই তিনি বিরাজ করেন। তুমি যেখানে রাজত্ব কর সেখানেও তার অধিষ্ঠান। “

মূসা বলল, তিনি পূর্ব, পশ্চিম ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, যদি তোমরা বোঝ।
(Moses) said: “Lord of the East and the West, and all between! if ye only had sense!”

قَالَ رَبُّ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَمَا بَيْنَهُمَا إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ
Qala rabbu almashriqi waalmaghribi wama baynahuma in kuntum taAAqiloona

YUSUFALI: (Moses) said: “Lord of the East and the West, and all between! if ye only had sense!” PICKTHAL: He said: Lord of the East and the West and all that is between them, if ye did but understand.
SHAKIR: He said: The Lord of the east and the west and what is between them, if you understand.
KHALIFA: He said, “The Lord of the east and the west, and everything between them, if you understand.”

২৮। মুসা বলেছিলো, ” তিনি পূর্ব ও পশ্চিম ও যা কিছু উভয়ের মধ্যে রয়েছে সকলেরই প্রভু,- যদি তোমাদের বোঝার ক্ষমতা থাকতো।”

২৯। [ ফেরাউন ] বলেছিলো, ” যদি তুমি আমাকে ব্যতীত অন্য কিছুকে উপাস্যরূপে উপস্থিত কর; তাহলে আমি অবশ্যই তোমাকে কারারুদ্ধ করবো।” ৩১৫৫

৩১৫৫। ব্যঙ্গ বিদ্রূপ কোনও কিছুই যখন মুসাকে তাঁর সত্য থেকে বিচ্যুত করতে পারলো না তখন সে তার শেষ অস্ত্র প্রয়োগ করলো। সে মুসাকে কারারুদ্ধ করার ভয় দেখালো। মুসা কিন্তু শান্ত থেকে যুক্তি প্রদর্শন করতে থাকলেন। তিনি বললেন যে ” স্পষ্ট নিদর্শন প্রদর্শন করলেও কি তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করবে না সেই সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র প্রতি ? তাহলেও কি তোমাদের বিশ্বাস হবে না যে আমি পাগল নই , আল্লাহ্‌র প্রেরিত বিশেষ দূত ?”

ফেরাউন বলল, তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে উপাস্যরূপে গ্রহণ কর তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করব।
(Pharaoh) said: “If thou dost put forward any god other than me, I will certainly put thee in prison!”

قَالَ لَئِنِ اتَّخَذْتَ إِلَهًا غَيْرِي لَأَجْعَلَنَّكَ مِنَ الْمَسْجُونِينَ
Qala la-ini ittakhathta ilahan ghayree laajAAalannaka mina almasjooneena

YUSUFALI: (Pharaoh) said: “If thou dost put forward any god other than me, I will certainly put thee in prison!”
PICKTHAL: (Pharaoh) said: If thou choosest a god other than me, I assuredly shall place thee among the prisoners.
SHAKIR: Said he: If you will take a god besides me, I will most certainly make you one of the imprisoned.
KHALIFA: He said, “If you accept any god, other than me, I will throw you in the prison.”

২৮। মুসা বলেছিলো, ” তিনি পূর্ব ও পশ্চিম ও যা কিছু উভয়ের মধ্যে রয়েছে সকলেরই প্রভু,- যদি তোমাদের বোঝার ক্ষমতা থাকতো।”

২৯। [ ফেরাউন ] বলেছিলো, ” যদি তুমি আমাকে ব্যতীত অন্য কিছুকে উপাস্যরূপে উপস্থিত কর; তাহলে আমি অবশ্যই তোমাকে কারারুদ্ধ করবো।” ৩১৫৫

৩১৫৫। ব্যঙ্গ বিদ্রূপ কোনও কিছুই যখন মুসাকে তাঁর সত্য থেকে বিচ্যুত করতে পারলো না তখন সে তার শেষ অস্ত্র প্রয়োগ করলো। সে মুসাকে কারারুদ্ধ করার ভয় দেখালো। মুসা কিন্তু শান্ত থেকে যুক্তি প্রদর্শন করতে থাকলেন। তিনি বললেন যে ” স্পষ্ট নিদর্শন প্রদর্শন করলেও কি তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করবে না সেই সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র প্রতি ? তাহলেও কি তোমাদের বিশ্বাস হবে না যে আমি পাগল নই , আল্লাহ্‌র প্রেরিত বিশেষ দূত ?”

মূসা বলল, আমি তোমার কাছে কোন স্পষ্ট বিষয় নিয়ে আগমন করলেও কি?
(Moses) said: “Even if I showed you something clear (and) convincing?”

قَالَ أَوَلَوْ جِئْتُكَ بِشَيْءٍ مُّبِينٍ
Qala awa law ji/tuka bishay-in mubeenin

YUSUFALI: (Moses) said: “Even if I showed you something clear (and) convincing?”
PICKTHAL: He said: Even though I show thee something plain?
SHAKIR: He said: What! even if I bring to you something manifest?
KHALIFA: He said, “What if I show you something profound?”

৩০। [মুসা ] বলেছিলো , ” আমি যদি তোমাকে কোন সুস্পষ্ট [ এবং ] বিশ্বাসযোগ্য নিদর্শন প্রদর্শন করি তবুও ? ” ৩১৫৬

৩১৫৬। হযরত মুসার সময়ে মিশরবাসীরা যাদুবিদ্যায় ভীষণভাবে আসক্ত ছিলো। প্রকৃত পক্ষে যাদু ছিলো মানুষের জন্য দৃষ্টিবিভ্রম ও প্রতারণা। এখানে মুসার আবেদন ছিলো যদি যাদু না হয়ে তা সত্যিকারের অলৌকিক ঘটনা হয়ে থাকে , তবে কি তারা এক আল্লাহ্‌র অস্তিত্বে বিশ্বাস স্থাপন করবে ? সম্ভবতঃ তারা তাদের যাদুবিদ্যার অন্তঃসার শূন্যতা উপলব্ধি করবে এই ছিলো মুসার বিশ্বাস। অবশ্য বাস্তব ঘটনাও তাই-ই ঘটেছিলো। মিশরের প্রধান প্রধান যাদুকরেরা মুসার অলৌকিক ক্ষমতা দর্শনে অভিভূত হয়ে পড়েন। কিন্তু ফেরাউন ও তার সভাষদেরা উদ্ধত অহংকারে মুসা ও মুসার প্রচারিত ধর্মকে অস্বীকার করে।

ফেরাউন বলল, তুমি সত্যবাদী হলে তা উপস্থিত কর।
(Pharaoh) said: “Show it then, if thou tellest the truth!”

قَالَ فَأْتِ بِهِ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ
Qala fa/ti bihi in kunta mina alssadiqeena

YUSUFALI: (Pharaoh) said: “Show it then, if thou tellest the truth!”
PICKTHAL: (Pharaoh) said: Produce it then, if thou art of the truthful!
SHAKIR: Said he: Bring it then, if you are of the truthful ones.
KHALIFA: He said, “Then produce it, if you are truthful.”

৩১। [ ফেরাউন ] বলেছিলো, ” যদি তুমি সত্যবাদী হও তবে তা প্রদর্শন কর।”

৩২। সুতারাং [ মুসা ] তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলো , এবং তৎক্ষণাৎ তা এক বিরাট অজগর সাপ হয়ে গেল।

৩৩। এবং সে তাঁর হাত বের করলো এবং তৎক্ষণাৎ উহা দর্শকদের দৃষ্টিতে সাদা চক্‌চক্‌ করতে লাগলো ৩১৫৭।

৩১৫৭। দেখুন [ ৭ : ১০৭ – ১০৮ ] সম্পূর্ণ আয়াত ও এর টিকা।

অতঃপর তিনি লাঠি নিক্ষেপ করলে মুহূর্তের মধ্যে তা সুস্পষ্ট অজগর হয়ে গেল।
So (Moses) threw his rod, and behold, it was a serpent, plain (for all to see)!

فَأَلْقَى عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُّبِينٌ
Faalqa AAasahu fa-itha hiya thuAAbanun mubeenun

YUSUFALI: So (Moses) threw his rod, and behold, it was a serpent, plain (for all to see)!
PICKTHAL: Then he flung down his staff and it became a serpent manifest,
SHAKIR: So he cast down his rod, and lo! it was an obvious serpent,
KHALIFA: He then threw his staff, whereupon it became a profound snake.

৩১। [ ফেরাউন ] বলেছিলো, ” যদি তুমি সত্যবাদী হও তবে তা প্রদর্শন কর।”

৩২। সুতারাং [ মুসা ] তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলো , এবং তৎক্ষণাৎ তা এক বিরাট অজগর সাপ হয়ে গেল।

৩৩। এবং সে তাঁর হাত বের করলো এবং তৎক্ষণাৎ উহা দর্শকদের দৃষ্টিতে সাদা চক্‌চক্‌ করতে লাগলো ৩১৫৭।

৩১৫৭। দেখুন [ ৭ : ১০৭ – ১০৮ ] সম্পূর্ণ আয়াত ও এর টিকা।

আর তিনি তার হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে সুশুভ্র প্রতিভাত হলো।
And he drew out his hand, and behold, it was white to all beholders!

وَنَزَعَ يَدَهُ فَإِذَا هِيَ بَيْضَاء لِلنَّاظِرِينَ
WanazaAAa yadahu fa-itha hiya baydao lilnnathireena

YUSUFALI: And he drew out his hand, and behold, it was white to all beholders!
PICKTHAL: And he drew forth his hand and lo! it was white to the beholders.
SHAKIR: And he drew forth his hand, and lo! it appeared white to the onlookers.
KHALIFA: And he took out his hand, and it was white to the beholders.

৩১। [ ফেরাউন ] বলেছিলো, ” যদি তুমি সত্যবাদী হও তবে তা প্রদর্শন কর।”

৩২। সুতারাং [ মুসা ] তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলো , এবং তৎক্ষণাৎ তা এক বিরাট অজগর সাপ হয়ে গেল।

৩৩। এবং সে তাঁর হাত বের করলো এবং তৎক্ষণাৎ উহা দর্শকদের দৃষ্টিতে সাদা চক্‌চক্‌ করতে লাগলো ৩১৫৭।

৩১৫৭। দেখুন [ ৭ : ১০৭ – ১০৮ ] সম্পূর্ণ আয়াত ও এর টিকা।

ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, নিশ্চয় এ একজন সুদক্ষ জাদুকর।
(Pharaoh) said to the Chiefs around him: “This is indeed a sorcerer well- versed:

قَالَ لِلْمَلَإِ حَوْلَهُ إِنَّ هَذَا لَسَاحِرٌ عَلِيمٌ
Qala lilmala-i hawlahu inna hatha lasahirun AAaleemun

YUSUFALI: (Pharaoh) said to the Chiefs around him: “This is indeed a sorcerer well-versed:
PICKTHAL: (Pharaoh) said unto the chiefs about him: Lo! this is verily a knowing wizard,
SHAKIR: (Firon) said to the chiefs around him: Most surely this is a skillful magician,
KHALIFA: He said to the elders around him, “This is an experienced magician.

রুকু – ৩

৩৪। ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলেছিলো , ” এ তো এক সুদক্ষ যাদুকর ৩১৫৮;

৩১৫৮। আয়াত [ ৭ : ১০৯ ] এ বক্তব্য ছিলো পরিষদবর্গের। এই আয়াতে [ ২৬ : ৩৪ ] একই বক্তব্য পেশ করেছে ফেরাউন তার পরিষদবর্গের প্রতি।

সে তার জাদু বলে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বহিস্কার করতে চায়। অতএব তোমাদের মত কি?
“His plan is to get you out of your land by his sorcery; then what is it ye counsel?”

يُرِيدُ أَن يُخْرِجَكُم مِّنْ أَرْضِكُم بِسِحْرِهِ فَمَاذَا تَأْمُرُونَ
Yureedu an yukhrijakum min ardikum bisihrihi famatha ta/muroona

YUSUFALI: “His plan is to get you out of your land by his sorcery; then what is it ye counsel?”
PICKTHAL: Who would drive you out of your land by his magic. Now what counsel ye?
SHAKIR: Who desires to turn you out of your land with his magic; what is it then that you advise?
KHALIFA: “He wants to take you out of your land, with his magic. What do you suggest?”

৩৫। “তার পরিকল্পনা হচ্ছে সে তার যাদু দ্বারা তোমাদের দেশ থেকে বহিষ্কার করতে চায়। এখন তোমাদের মতামত কি ? ”

৩৬। তারা বলেছিলো , “তাঁকে এবং তাঁর ভাইকে অপেক্ষা করে থাকতে দাও [ কিছু সময়ের জন্য ], এবং নগরে নগরে সংগ্রহ করার জন্য দূত প্রেরণ কর।

৩৭। ” তোমার নিকট [ আমাদের ] সুদক্ষ যাদুকরদের সমবেত কর।”

৩৮। সুতারাং এক নির্ধারিত দিনের নির্দ্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য যাদুকরদের একত্র করা হলো ৩১৫৯।

৩১৫৯। ” নির্ধারিত দিনে” দিনটি ছিলো একটি উৎসবের জন্য পূর্ব নির্ধারিত দিন। দেখুন এ ব্যাপারে আয়াত [২০: ৫৯ ]। হযরত মুসার উদ্দেশ্য ছিলো যে বেশী সংখ্যক জনসাধারণকে আকৃষ্ট করা যেনো তাদের সকলের মনে আল্লাহ্‌র অলৌকিক ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে। মিশরে সে সময়ে যাদুবিদ্যা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। সুতারাং এ সব প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ যাদুকরদের নিকট নূতন ও সদ্যশিক্ষা প্রাপ্ত মুসার যাদু অবশ্যই পরাজয় বরণ করবে – এই ছিলো ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গের গোপন আকাঙ্খা। ফেরাউনের ধারণা ছিলো তার বিজিত যাদুকরদের প্রভাব প্রজাদের উপরে বিশেষ প্রভাব বিস্তারের ফলে ফেরাউনের দেবত্ববাদ আরও শক্তিশালী হবে। সে কারণে ফেরাউনও বিশেষ পার্বণের দিনটিকে মুসা ও যাদুকরদের দ্বন্দযুদ্ধের দিন হিসেবে নির্ধারিত করে।

তারা বলল, তাকে ও তার ভাইকে কিছু অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে ঘোষক প্রেরণ করুন।
They said: “Keep him and his brother in suspense (for a while), and dispatch to the Cities heralds to collect-

قَالُوا أَرْجِهِ وَأَخَاهُ وَابْعَثْ فِي الْمَدَائِنِ حَاشِرِينَ
Qaloo arjih waakhahu waibAAath fee almada-ini hashireena

YUSUFALI: They said: “Keep him and his brother in suspense (for a while), and dispatch to the Cities heralds to collect-
PICKTHAL: They said: Put him off, (him) and his brother, and send into the cities summoners
SHAKIR: They said: Give him and his brother respite and send heralds into the cities
KHALIFA: They said, “Respite him and his brother, and send summoners to every town.

৩৫। “তার পরিকল্পনা হচ্ছে সে তার যাদু দ্বারা তোমাদের দেশ থেকে বহিষ্কার করতে চায়। এখন তোমাদের মতামত কি ? ”

৩৬। তারা বলেছিলো , “তাঁকে এবং তাঁর ভাইকে অপেক্ষা করে থাকতে দাও [ কিছু সময়ের জন্য ], এবং নগরে নগরে সংগ্রহ করার জন্য দূত প্রেরণ কর।

৩৭। ” তোমার নিকট [ আমাদের ] সুদক্ষ যাদুকরদের সমবেত কর।”

৩৮। সুতারাং এক নির্ধারিত দিনের নির্দ্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য যাদুকরদের একত্র করা হলো ৩১৫৯।

৩১৫৯। ” নির্ধারিত দিনে” দিনটি ছিলো একটি উৎসবের জন্য পূর্ব নির্ধারিত দিন। দেখুন এ ব্যাপারে আয়াত [২০: ৫৯ ]। হযরত মুসার উদ্দেশ্য ছিলো যে বেশী সংখ্যক জনসাধারণকে আকৃষ্ট করা যেনো তাদের সকলের মনে আল্লাহ্‌র অলৌকিক ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে। মিশরে সে সময়ে যাদুবিদ্যা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। সুতারাং এ সব প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ যাদুকরদের নিকট নূতন ও সদ্যশিক্ষা প্রাপ্ত মুসার যাদু অবশ্যই পরাজয় বরণ করবে – এই ছিলো ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গের গোপন আকাঙ্খা। ফেরাউনের ধারণা ছিলো তার বিজিত যাদুকরদের প্রভাব প্রজাদের উপরে বিশেষ প্রভাব বিস্তারের ফলে ফেরাউনের দেবত্ববাদ আরও শক্তিশালী হবে। সে কারণে ফেরাউনও বিশেষ পার্বণের দিনটিকে মুসা ও যাদুকরদের দ্বন্দযুদ্ধের দিন হিসেবে নির্ধারিত করে।

তারা যেন আপনার কাছে প্রত্যেকটি দক্ষ জাদুকর কে উপস্থিত করে।
“And bring up to thee all (our) sorcerers well-versed.”

يَأْتُوكَ بِكُلِّ سَحَّارٍ عَلِيمٍ
Ya/tooka bikulli sahharin AAaleemin

YUSUFALI: “And bring up to thee all (our) sorcerers well-versed.”
PICKTHAL: Who shall bring unto thee every knowing wizard.
SHAKIR: That they should bring to you every skillful magician.
KHALIFA: “Let them summon every experienced magician.”

৩৫। “তার পরিকল্পনা হচ্ছে সে তার যাদু দ্বারা তোমাদের দেশ থেকে বহিষ্কার করতে চায়। এখন তোমাদের মতামত কি ? ”

৩৬। তারা বলেছিলো , “তাঁকে এবং তাঁর ভাইকে অপেক্ষা করে থাকতে দাও [ কিছু সময়ের জন্য ], এবং নগরে নগরে সংগ্রহ করার জন্য দূত প্রেরণ কর।

৩৭। ” তোমার নিকট [ আমাদের ] সুদক্ষ যাদুকরদের সমবেত কর।”

৩৮। সুতারাং এক নির্ধারিত দিনের নির্দ্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য যাদুকরদের একত্র করা হলো ৩১৫৯।

৩১৫৯। ” নির্ধারিত দিনে” দিনটি ছিলো একটি উৎসবের জন্য পূর্ব নির্ধারিত দিন। দেখুন এ ব্যাপারে আয়াত [২০: ৫৯ ]। হযরত মুসার উদ্দেশ্য ছিলো যে বেশী সংখ্যক জনসাধারণকে আকৃষ্ট করা যেনো তাদের সকলের মনে আল্লাহ্‌র অলৌকিক ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে। মিশরে সে সময়ে যাদুবিদ্যা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। সুতারাং এ সব প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ যাদুকরদের নিকট নূতন ও সদ্যশিক্ষা প্রাপ্ত মুসার যাদু অবশ্যই পরাজয় বরণ করবে – এই ছিলো ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গের গোপন আকাঙ্খা। ফেরাউনের ধারণা ছিলো তার বিজিত যাদুকরদের প্রভাব প্রজাদের উপরে বিশেষ প্রভাব বিস্তারের ফলে ফেরাউনের দেবত্ববাদ আরও শক্তিশালী হবে। সে কারণে ফেরাউনও বিশেষ পার্বণের দিনটিকে মুসা ও যাদুকরদের দ্বন্দযুদ্ধের দিন হিসেবে নির্ধারিত করে।

অতঃপর এক নির্দিষ্ট দিনে জাদুকরদেরকে একত্রিত করা হল।
So the sorcerers were got together for the appointment of a day well-known,

فَجُمِعَ السَّحَرَةُ لِمِيقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ
FajumiAAa alssaharatu limeeqati yawmin maAAloomin

YUSUFALI: So the sorcerers were got together for the appointment of a day well-known,
PICKTHAL: So the wizards were gathered together at a set time on a day appointed.
SHAKIR: So the magicians were gathered together at the appointed time on the fixed day,
KHALIFA: The magicians were gathered at the appointed time, on the appointed day.

৩৫। “তার পরিকল্পনা হচ্ছে সে তার যাদু দ্বারা তোমাদের দেশ থেকে বহিষ্কার করতে চায়। এখন তোমাদের মতামত কি ? ”

৩৬। তারা বলেছিলো , “তাঁকে এবং তাঁর ভাইকে অপেক্ষা করে থাকতে দাও [ কিছু সময়ের জন্য ], এবং নগরে নগরে সংগ্রহ করার জন্য দূত প্রেরণ কর।

৩৭। ” তোমার নিকট [ আমাদের ] সুদক্ষ যাদুকরদের সমবেত কর।”

৩৮। সুতারাং এক নির্ধারিত দিনের নির্দ্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য যাদুকরদের একত্র করা হলো ৩১৫৯।

৩১৫৯। ” নির্ধারিত দিনে” দিনটি ছিলো একটি উৎসবের জন্য পূর্ব নির্ধারিত দিন। দেখুন এ ব্যাপারে আয়াত [২০: ৫৯ ]। হযরত মুসার উদ্দেশ্য ছিলো যে বেশী সংখ্যক জনসাধারণকে আকৃষ্ট করা যেনো তাদের সকলের মনে আল্লাহ্‌র অলৌকিক ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে। মিশরে সে সময়ে যাদুবিদ্যা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। সুতারাং এ সব প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ যাদুকরদের নিকট নূতন ও সদ্যশিক্ষা প্রাপ্ত মুসার যাদু অবশ্যই পরাজয় বরণ করবে – এই ছিলো ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গের গোপন আকাঙ্খা। ফেরাউনের ধারণা ছিলো তার বিজিত যাদুকরদের প্রভাব প্রজাদের উপরে বিশেষ প্রভাব বিস্তারের ফলে ফেরাউনের দেবত্ববাদ আরও শক্তিশালী হবে। সে কারণে ফেরাউনও বিশেষ পার্বণের দিনটিকে মুসা ও যাদুকরদের দ্বন্দযুদ্ধের দিন হিসেবে নির্ধারিত করে।

এবং জনগণের মধ্যে ঘোষণা করা হল, তোমরাও সমবেত হও।
And the people were told: “Are ye (now) assembled?-

وَقِيلَ لِلنَّاسِ هَلْ أَنتُم مُّجْتَمِعُونَ
Waqeela lilnnasi hal antum mujtamiAAoona

YUSUFALI: And the people were told: “Are ye (now) assembled?-
PICKTHAL: And it was said unto the people: Are ye (also) gathering?
SHAKIR: And it was said to the people: Will you gather together?
KHALIFA: The people were told: “Come one and all; let us gather together here.

৩৯। এবং জনসাধারণকে বলা হলো, ” এখন কি তোমরা সমবেত হয়েছ ? –

৪০। ” যেনো আমরা যাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি , যদি তারা বিজয়ী হয় ? ” ৩১৬০

৩১৬০। দেখুন উপরের টিকাটি। দলে দলে লোক সমবেত হতে থাকলো রাষ্ট্রধর্মের বিজয় দেখার জন্য। ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গ মোটামুটি নিশ্চিত ছিলো যে , তাদের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃত যাদুবিদ্যা দ্বারা যাদুকরেরা মুসাকে পরাজিত করতে সক্ষম হবে এবং সাধারণ মানুষ আরও অধিকভাবে ফেরাউনের দেবত্বের প্রতি নিবেদিত প্রাণ হয়ে উঠবে। প্রজাদের শর্তহীন বশ্যতা আদায় করার এ এক অভিনব পন্থা এবং পুরোহিতদের অযৌক্তিক দাবী, বাধাহীনভাবে ও অনুগতভাবে আদায়ের জন্য ধর্মের নামে এ এক কূটকৌশল। সে সময়ে রাষ্ট্র-ধর্ম হিসেবে যাদুবিদ্যা এবং ফেরাউনকে ঈশ্বর হিসেবে পূঁজা প্রথা প্রচলন ছিলো।

যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি-যদি তারাই বিজয়ী হয়।
“That we may follow the sorcerers (in religion) if they win?”

لَعَلَّنَا نَتَّبِعُ السَّحَرَةَ إِن كَانُوا هُمُ الْغَالِبِينَ
LaAAallana nattabiAAu alssaharata in kanoo humu alghalibeena

YUSUFALI: “That we may follow the sorcerers (in religion) if they win?”
PICKTHAL: (They said): Aye, so that we may follow the wizards if they are the winners.
SHAKIR: Haply we may follow the magicians, if they are the vanquishers.
KHALIFA: “Maybe we will follow the magicians, if they are the winners.”
৩৯। এবং জনসাধারণকে বলা হলো, ” এখন কি তোমরা সমবেত হয়েছ ? –

৪০। ” যেনো আমরা যাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি , যদি তারা বিজয়ী হয় ? ” ৩১৬০

৩১৬০। দেখুন উপরের টিকাটি। দলে দলে লোক সমবেত হতে থাকলো রাষ্ট্রধর্মের বিজয় দেখার জন্য। ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গ মোটামুটি নিশ্চিত ছিলো যে , তাদের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃত যাদুবিদ্যা দ্বারা যাদুকরেরা মুসাকে পরাজিত করতে সক্ষম হবে এবং সাধারণ মানুষ আরও অধিকভাবে ফেরাউনের দেবত্বের প্রতি নিবেদিত প্রাণ হয়ে উঠবে। প্রজাদের শর্তহীন বশ্যতা আদায় করার এ এক অভিনব পন্থা এবং পুরোহিতদের অযৌক্তিক দাবী, বাধাহীনভাবে ও অনুগতভাবে আদায়ের জন্য ধর্মের নামে এ এক কূটকৌশল। সে সময়ে রাষ্ট্র-ধর্ম হিসেবে যাদুবিদ্যা এবং ফেরাউনকে ঈশ্বর হিসেবে পূঁজা প্রথা প্রচলন ছিলো।

যখন যাদুকররা আগমণ করল, তখন ফেরআউনকে বলল, যদি আমরা বিজয়ী হই, তবে আমরা পুরস্কার পাব তো?
So when the sorcerers arrived, they said to Pharaoh: “Of course – shall we have a (suitable) reward if we win?

فَلَمَّا جَاء السَّحَرَةُ قَالُوا لِفِرْعَوْنَ أَئِنَّ لَنَا لَأَجْرًا إِن كُنَّا نَحْنُ الْغَالِبِينَ
Falamma jaa alssaharatu qaloo lifirAAawna a-inna lana laajran in kunna nahnu alghalibeena

YUSUFALI: So when the sorcerers arrived, they said to Pharaoh: “Of course – shall we have a (suitable) reward if we win?
PICKTHAL: And when the wizards came they said unto Pharaoh: Will there surely be a reward for us if we are the winners?
SHAKIR: And when the magicians came, they said to Firon: Shall we get a reward if we are the vanquishers?
KHALIFA: When the magicians came, they said to Pharaoh, “Do we get paid, if we are the winners?”

৪১। সুতারাং যখন যাদুকরেরা উপস্থিত হলো , তারা ফেরাউনকে বলেছিলো, ” যদি আমরা বিজয়ী হই , আমাদের জন্য কি [ উপযুক্ত ] পুরষ্কার থাকবে ? ” ৩১৬১।

৩১৬১। যারা মানুষকে প্রতারণা করে তারা কখনও প্রতারণার দ্বারা নিঃশর্ত আনুগত্য লাভ করতে পারে না। নিঃশর্ত আনুগত্য লাভ করা যায় শুধুমাত্র শর্তহীন ভালোবাসার মাধ্যমে। ফেরাউনের মত প্রতারক কখনও প্রজাদের নিকট থেকে সে শর্তহীন আনুগত্য আশা করতে পারে না। এখানে যাদুকরেরা ছিলো সম্ভবতঃ পুরোহিত সম্প্রদায়, যারা অর্থের লোভে ফেরাউনের প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তারে সহায়তা দান করতো। এই বিশাল সমাবেশে বিজিত হয়ে তারা তাদের মান-সম্মান, প্রভাব-প্রতিপত্তি ও ধন-সম্পদ বৃদ্ধির আশা পোষণ করেছিলো।

ফেরাউন বলল, হঁ্যা এবং তখন তোমরা আমার নৈকট্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
He said: “Yea, (and more),- for ye shall in that case be (raised to posts) nearest (to my person).”

قَالَ نَعَمْ وَإِنَّكُمْ إِذًا لَّمِنَ الْمُقَرَّبِينَ
Qala naAAam wa-innakum ithan lamina almuqarrabeena

YUSUFALI: He said: “Yea, (and more),- for ye shall in that case be (raised to posts) nearest (to my person).”
PICKTHAL: He said: Aye, and ye will then surely be of those brought near (to me).
SHAKIR: He said: Yes, and surely you will then be of those who are made near.
KHALIFA: He said, “Yes indeed; you will even be close to me.”

৪২। সে বলেছিলো , ” হ্যাঁ অবশ্যই , [ অধিকন্তু ] সেক্ষেত্রে তোমাদের [ পদমর্যদা উন্নীত করা হবে ] আমার ঘনিষ্ঠদের শামিল করে। ”

৪৩। মুসা বলেছিলো , ” তোমাদের যা নিক্ষেপ করার তা নিক্ষেপ কর।” ৩১৬২

৩১৬২। হযরত মুসার আহ্বান আপাতঃশ্রুতিমধুর হলেও আহ্বানটি ছিলো বিদ্রূপাত্মক । মুসা যেনো বলতে চেয়েছেন ; ” আমি তোমাদের প্রতারণার কলাকৌশল সম্বন্ধে সম্যক ওয়াকেবহাল। তোমরা ভান করছো যেনো তোমরা দড়ি ও লাঠি ছুড়বে ও জনসাধারণ দেখবে যে তা সাপে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। এখন দেখা যাবে তোমাদের কেরামতি।”

মূসা (আঃ) তাদেরকে বললেন, নিক্ষেপ কর তোমরা যা নিক্ষেপ করবে।
Moses said to them: “Throw ye – that which ye are about to throw!”

قَالَ لَهُم مُّوسَى أَلْقُوا مَا أَنتُم مُّلْقُونَ
Qala lahum moosa alqoo ma antum mulqoona

YUSUFALI: Moses said to them: “Throw ye – that which ye are about to throw!”
PICKTHAL: Moses said unto them: Throw what ye are going to throw!
SHAKIR: Musa said to them: Cast what you are going to cast.
KHALIFA: Moses said to them “Throw what you are going to throw.”

৪২। সে বলেছিলো , ” হ্যাঁ অবশ্যই , [ অধিকন্তু ] সেক্ষেত্রে তোমাদের [ পদমর্যদা উন্নীত করা হবে ] আমার ঘনিষ্ঠদের শামিল করে। ”

৪৩। মুসা বলেছিলো , ” তোমাদের যা নিক্ষেপ করার তা নিক্ষেপ কর।” ৩১৬২

৩১৬২। হযরত মুসার আহ্বান আপাতঃশ্রুতিমধুর হলেও আহ্বানটি ছিলো বিদ্রূপাত্মক । মুসা যেনো বলতে চেয়েছেন ; ” আমি তোমাদের প্রতারণার কলাকৌশল সম্বন্ধে সম্যক ওয়াকেবহাল। তোমরা ভান করছো যেনো তোমরা দড়ি ও লাঠি ছুড়বে ও জনসাধারণ দেখবে যে তা সাপে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। এখন দেখা যাবে তোমাদের কেরামতি।”

অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ফেরাউনের ইযযতের কসম, আমরাই বিজয়ী হব।
So they threw their ropes and their rods, and said: “By the might of Pharaoh, it is we who will certainly win!”

فَأَلْقَوْا حِبَالَهُمْ وَعِصِيَّهُمْ وَقَالُوا بِعِزَّةِ فِرْعَوْنَ إِنَّا لَنَحْنُ الْغَالِبُونَ
Faalqaw hibalahum waAAisiyyahum waqaloo biAAizzati firAAawna inna lanahnu alghaliboona

YUSUFALI: So they threw their ropes and their rods, and said: “By the might of Pharaoh, it is we who will certainly win!”
PICKTHAL: Then they threw down their cords and their staves and said: By Pharaoh’s might, lo! we verily are the winners.
SHAKIR: So they cast down their cords and their rods and said: By Firon’s power, we shall most surely be victorious.
KHALIFA: They threw their ropes and sticks, and said, “By Pharaoh’s majesty, we will be the victors.”

৪৪। সুতারাং তারা তাদের দড়ি এবং লাঠি নিক্ষেপ করলো এবং বললো , ” পরাক্রমশালী ফেরাউনের শপথ, আমরাই বিজয়ী হব।” ৩১৬৩

৩১৬৩। ফেরাউন নিজেকে ঈশ্বর দাবী করতো। সেই কারণে তারা ফেরাউনের ক্ষমতার কাছে আবেদন করেছিলো।

অতঃপর মূসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করল, হঠাৎ তা তাদের অলীক কীর্তিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।
Then Moses threw his rod, when, behold, it straightway swallows up all the falsehoods which they fake!

فَأَلْقَى مُوسَى عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ
Faalqa moosa AAasahu fa-itha hiya talqafu ma ya/fikoona

YUSUFALI: Then Moses threw his rod, when, behold, it straightway swallows up all the falsehoods which they fake!
PICKTHAL: Then Moses threw his staff and lo! it swallowed that which they did falsely show.
SHAKIR: Then Musa cast down his staff and lo! it swallowed up the lies they told.
KHALIFA: Moses threw his staff, whereupon it swallowed what they fabricated.

৪৫। অতঃপর মুসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলো, তৎক্ষণাৎ উহা উহাদের অলীক সৃষ্টিগুলি গ্রাস করতে লাগলো। ৩১৬৪

৩১৬৪। যাদুকরদের রজ্জু ও লাঠি সাপ বলে ভ্রম হতে থাকলো। কিন্তু হযরত মুসার লাঠি পরিণত হলো বিরাট অজগর সাপে যা যাদুকরদের সকল ক্ষুদ্র সাপগুলিকে গিলে ফেললো। এই উদাহরণের সাহায্যে এই কথাই বুঝতে চাওয়া হয়েছে যে, সত্যের আলো মিথ্যা ও প্রতারণার কৌশল থেকে বহুগুণ শক্তিশালী। মিথ্যা শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হবেই এবং সত্যের আলোতে মিথ্যার অন্ধকার বিদূরিত হবেই।

তখন জাদুকররা সেজদায় নত হয়ে গেল।
Then did the sorcerers fall down, prostrate in adoration,

فَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ
Faolqiya alssaharatu sajideena

YUSUFALI: Then did the sorcerers fall down, prostrate in adoration,
PICKTHAL: And the wizards were flung prostrate,
SHAKIR: And the magicians were thrown down prostrate;
KHALIFA: The magicians fell prostrate.

৪৬। তখন যাদুকরেরা ভক্তিভরে সেজদায় অবনত হলো,

৪৭। এই বলে যে, ” আমরা পৃথিবীর প্রভুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।

৪৮। ” যিনি মুসা ও হারুনের প্রভু।”

৪৯। [ ফেরাউন ] বলেছিলো , ” কি আমি তোমাদের অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা [ উহাতে ] বিশ্বাস করলে ? নিশ্চয়ই সে তোমাদের নেতা , যে তোমাদের যাদু শিক্ষা দিয়েছে। কিন্তু শীঘ্রই তোমরা [ ইহার পরিণাম ] জানতে পারবে ৩১৬৫।

৩১৬৫। হযরত মুসার অলৌকিক ক্ষমতা দেখার সাথে সাথেই যাদুকরেরা বুঝতে পেরেছিলো যে, তারা কোন প্রতারণামূলক কৌশল দর্শন করছে না, তারা যা দেখছে তা স্বর্গীয় ক্ষমতারই স্বাক্ষর। আল্লাহ্‌র সর্বময় ক্ষমতা তাদের বিহ্বল করে ফেললো, তাঁরা আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনায়ন করলো। যেহেতু তাদের মিশরে সর্বোচ্চ বুদ্ধিমান সম্মানীয় ব্যক্তিরূপে পরিগণিত করা হতো, তাদের পরিণাম দর্শনে জনসাধারণেরও কিছু অংশ মুসার ক্ষমতায় প্রভাবিত হয়ে পড়ে। সুতারাং এসব দর্শনে ফেরাউন যৎপরনাস্তি ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। তবে এখান থেকেই ফেরাউনের পরাজয় শুরু হয়।

তারা বলল, আমরা রাব্বুল আলামীনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।
Saying: “We believe in the Lord of the Worlds,

قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ
Qaloo amanna birabbi alAAalameena

YUSUFALI: Saying: “We believe in the Lord of the Worlds,
PICKTHAL: Crying: We believe in the Lord of the Worlds,
SHAKIR: They said: We believe in the Lord of the worlds:
KHALIFA: They said, “We believe in the Lord of the universe.

৪৬। তখন যাদুকরেরা ভক্তিভরে সেজদায় অবনত হলো,

৪৭। এই বলে যে, ” আমরা পৃথিবীর প্রভুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।

৪৮। ” যিনি মুসা ও হারুনের প্রভু।”

৪৯। [ ফেরাউন ] বলেছিলো , ” কি আমি তোমাদের অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা [ উহাতে ] বিশ্বাস করলে ? নিশ্চয়ই সে তোমাদের নেতা , যে তোমাদের যাদু শিক্ষা দিয়েছে। কিন্তু শীঘ্রই তোমরা [ ইহার পরিণাম ] জানতে পারবে ৩১৬৫।

৩১৬৫। হযরত মুসার অলৌকিক ক্ষমতা দেখার সাথে সাথেই যাদুকরেরা বুঝতে পেরেছিলো যে, তারা কোন প্রতারণামূলক কৌশল দর্শন করছে না, তারা যা দেখছে তা স্বর্গীয় ক্ষমতারই স্বাক্ষর। আল্লাহ্‌র সর্বময় ক্ষমতা তাদের বিহ্বল করে ফেললো, তাঁরা আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনায়ন করলো। যেহেতু তাদের মিশরে সর্বোচ্চ বুদ্ধিমান সম্মানীয় ব্যক্তিরূপে পরিগণিত করা হতো, তাদের পরিণাম দর্শনে জনসাধারণেরও কিছু অংশ মুসার ক্ষমতায় প্রভাবিত হয়ে পড়ে। সুতারাং এসব দর্শনে ফেরাউন যৎপরনাস্তি ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। তবে এখান থেকেই ফেরাউনের পরাজয় শুরু হয়।

যিনি মূসা ও হারুনের রব।
“The Lord of Moses and Aaron.”

رَبِّ مُوسَى وَهَارُونَ
Rabbi moosa waharoona

YUSUFALI: “The Lord of Moses and Aaron.”
PICKTHAL: The Lord of Moses and Aaron.
SHAKIR: The Lord of Musa and Haroun.
KHALIFA: “The Lord of Moses and Aaron.”

৪৬। তখন যাদুকরেরা ভক্তিভরে সেজদায় অবনত হলো,

৪৭। এই বলে যে, ” আমরা পৃথিবীর প্রভুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।

৪৮। ” যিনি মুসা ও হারুনের প্রভু।”

৪৯। [ ফেরাউন ] বলেছিলো , ” কি আমি তোমাদের অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা [ উহাতে ] বিশ্বাস করলে ? নিশ্চয়ই সে তোমাদের নেতা , যে তোমাদের যাদু শিক্ষা দিয়েছে। কিন্তু শীঘ্রই তোমরা [ ইহার পরিণাম ] জানতে পারবে ৩১৬৫।

৩১৬৫। হযরত মুসার অলৌকিক ক্ষমতা দেখার সাথে সাথেই যাদুকরেরা বুঝতে পেরেছিলো যে, তারা কোন প্রতারণামূলক কৌশল দর্শন করছে না, তারা যা দেখছে তা স্বর্গীয় ক্ষমতারই স্বাক্ষর। আল্লাহ্‌র সর্বময় ক্ষমতা তাদের বিহ্বল করে ফেললো, তাঁরা আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনায়ন করলো। যেহেতু তাদের মিশরে সর্বোচ্চ বুদ্ধিমান সম্মানীয় ব্যক্তিরূপে পরিগণিত করা হতো, তাদের পরিণাম দর্শনে জনসাধারণেরও কিছু অংশ মুসার ক্ষমতায় প্রভাবিত হয়ে পড়ে। সুতারাং এসব দর্শনে ফেরাউন যৎপরনাস্তি ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। তবে এখান থেকেই ফেরাউনের পরাজয় শুরু হয়।

ফেরাউন বলল, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাকে মেনে নিলে? নিশ্চয় সে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে। শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব। এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।
Said (Pharaoh): “Believe ye in Him before I give you permission? surely he is your leader, who has taught you sorcery! but soon shall ye know!

قَالَ آمَنتُمْ لَهُ قَبْلَ أَنْ آذَنَ لَكُمْ إِنَّهُ لَكَبِيرُكُمُ الَّذِي عَلَّمَكُمُ السِّحْرَ فَلَسَوْفَ تَعْلَمُونَ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَافٍ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ
Qala amantum lahu qabla an athana lakum innahu lakabeerukumu allathee AAallamakumu alssihra falasawfa taAAlamoona laoqattiAAanna aydiyakum waarjulakum min khilafin walaosallibannakum ajmaAAeena

YUSUFALI: Said (Pharaoh): “Believe ye in Him before I give you permission? surely he is your leader, who has taught you sorcery! but soon shall ye know! Be sure I will cut off your hands and your feet on opposite sides, and I will cause you all to die on the cross!”
PICKTHAL: (Pharaoh) said: Ye put your faith in him before I give you leave. Lo! he doubtless is your chief who taught you magic! But verily ye shall come to know. Verily I will cut off your hands and your feet alternately, and verily I will crucify you every one.
SHAKIR: Said he: You believe in him before I give you permission; most surely he is the chief of you who taught you the magic, so you shall know: certainly I will cut off your hands and your feet on opposite sides, and certainly I will crucify you all.
KHALIFA: He said, “Did you believe with him before I give you permission? He must be your teacher, who taught you magic. You will surely find out. I will sever your hands and feet on alternate sides. I will crucify you all.”

৪৬। তখন যাদুকরেরা ভক্তিভরে সেজদায় অবনত হলো,

৪৭। এই বলে যে, ” আমরা পৃথিবীর প্রভুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।

৪৮। ” যিনি মুসা ও হারুনের প্রভু।”

৪৯। [ ফেরাউন ] বলেছিলো , ” কি আমি তোমাদের অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা [ উহাতে ] বিশ্বাস করলে ? নিশ্চয়ই সে তোমাদের নেতা , যে তোমাদের যাদু শিক্ষা দিয়েছে। কিন্তু শীঘ্রই তোমরা [ ইহার পরিণাম ] জানতে পারবে ৩১৬৫।

৩১৬৫। হযরত মুসার অলৌকিক ক্ষমতা দেখার সাথে সাথেই যাদুকরেরা বুঝতে পেরেছিলো যে, তারা কোন প্রতারণামূলক কৌশল দর্শন করছে না, তারা যা দেখছে তা স্বর্গীয় ক্ষমতারই স্বাক্ষর। আল্লাহ্‌র সর্বময় ক্ষমতা তাদের বিহ্বল করে ফেললো, তাঁরা আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনায়ন করলো। যেহেতু তাদের মিশরে সর্বোচ্চ বুদ্ধিমান সম্মানীয় ব্যক্তিরূপে পরিগণিত করা হতো, তাদের পরিণাম দর্শনে জনসাধারণেরও কিছু অংশ মুসার ক্ষমতায় প্রভাবিত হয়ে পড়ে। সুতারাং এসব দর্শনে ফেরাউন যৎপরনাস্তি ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। তবে এখান থেকেই ফেরাউনের পরাজয় শুরু হয়।

তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করব।
“Be sure I will cut off your hands and your feet on opposite sides, and I will cause you all to die on the cross!”

قَالُوا لَا ضَيْرَ إِنَّا إِلَى رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ
Qaloo la dayra inna ila rabbina munqaliboona

YUSUFALI: They said: “No matter! for us, we shall but return to our Lord!
PICKTHAL: They said: It is no hurt, for lo! unto our Lord we shall return.
SHAKIR: They said: No harm; surely to our Lord we go back;
KHALIFA: They said, “This will not change our decision; to our Lord we will return.

৫০। ” নিশ্চিত থাক আমি বিপরীত দিক থেকে তোমাদের হাত এবং পা কেটে ফেলবো , এবং আমি তোমাদের সকলকে শূলে মৃত্যুবরণ করাবো। ”

৫১। তারা বলেছিলো, ” কোন ক্ষতি নাই ! আমরা তো আমাদের প্রভুর নিকট প্রত্যাবর্তন করব।

৫২। ” আমাদের একমাত্র আকাঙ্খা যে, আমাদের প্রভু আমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন, যেনো আমরা মুমিনদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় হতে পারি।” ৩১৬৬

৩১৬৬। হযরত মুসার কাহিনীর এই অংশের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ আমাদের যে সব নৈতিক শিক্ষা দিতে চেয়েছেন , এই আয়াতটিতে তার সারমর্ম সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয়েছে। সমগ্র কাহিনীতে আল্লাহ্‌র হেদায়েত ছিলো নিম্নরূপ :

১) আল্লাহ্‌ নূরের স্পর্শে হযরত মুসার সমস্ত ভয় দূর হয়ে যায়। তিনি একজন নির্ভিক নেতারূপে রূপান্তরিত হন এবং বিশ্বাসীদের মধ্যে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেন।

উপদেশ : এভাবেই সকল মোমেন বান্দার হৃদয় যখন আল্লাহ্‌র নূরে আলোকিত হয়, তখন পার্থিব ভয় আর তাকে ভীত করে না।

২) ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গের ঘৃণা, বিদ্বেষ, প্রতারণাপূর্ণ কৌশল মুসাকে পরাজিত করার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা সত্বেও শেষ পর্যন্ত তাদের সত্যের কাছে পরাজয় ঘটে।

উপদেশ : এভাবেই পৃথিবীতে শেষ পর্যন্ত সত্যের জয় ঘটবেই।

৩) পরশ পাথরের স্পর্শে লোহা যেরূপ সোনাতে রূপান্তরিত হওয়ার কল্পকাহিনী প্রচলিত আছে, ঠিক সেরূপ আল্লাহ্‌র নূর বা সত্যের আলোর স্পর্শে যাদুকরেরা সম্পূর্ণ নূতন মানুষে রূপান্তরিত হয়ে পড়ে। তাদের মনের অন্ধকার দূর হয়ে যায়। তারা সত্যের আলোকে অন্তরে ধরে রাখার জন্য সকল অত্যাচার এমনকি মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতেও দ্বিধাগ্রস্থ হয় না। সত্যের আলোকে উদ্ভাসিত আত্মায় তাদের একমাত্র লক্ষ্য বস্তু হয় বিশ্বাসীদের পুরোধায় নিজেকে স্থাপন করার ইচ্ছা

উপদেশ : সত্যের আলো ও মিথ্যার অন্ধকার সব কিছুরই আবাসস্থল আত্মা। যে ব্যক্তি সত্যকে অনুধাবন করতে পারে , সে হয়ে পড়ে পরিবর্তিত মানুষ। যাদুকরদের উদাহরণের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে এই উপদেশ দেয়া হয়েছে।

আমরা আশা করি, আমাদের পালনকর্তা আমাদের ক্রটি-বিচ্যুতি মার্জনা করবেন। কারণ, আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অগ্রণী।
They said: “No matter! for us, we shall but return to our Lord!

إِنَّا نَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَايَانَا أَن كُنَّا أَوَّلَ الْمُؤْمِنِينَ
Inna natmaAAu an yaghfira lana rabbuna khatayana an kunna awwala almu/mineena

YUSUFALI: “Only, our desire is that our Lord will forgive us our faults, that we may become foremost among the believers!”
PICKTHAL: Lo! we ardently hope that our Lord will forgive us our sins because we are the first of the believers.
SHAKIR: Surely we hope that our Lord will forgive us our wrongs because we are the first of the believers.
KHALIFA: “We hope that our Lord will forgive us our sins, especially that we are the first believers.”

৫০। ” নিশ্চিত থাক আমি বিপরীত দিক থেকে তোমাদের হাত এবং পা কেটে ফেলবো , এবং আমি তোমাদের সকলকে শূলে মৃত্যুবরণ করাবো। ”

৫১। তারা বলেছিলো, ” কোন ক্ষতি নাই ! আমরা তো আমাদের প্রভুর নিকট প্রত্যাবর্তন করব।

৫২। ” আমাদের একমাত্র আকাঙ্খা যে, আমাদের প্রভু আমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন, যেনো আমরা মুমিনদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় হতে পারি।” ৩১৬৬

৩১৬৬। হযরত মুসার কাহিনীর এই অংশের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ আমাদের যে সব নৈতিক শিক্ষা দিতে চেয়েছেন , এই আয়াতটিতে তার সারমর্ম সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয়েছে। সমগ্র কাহিনীতে আল্লাহ্‌র হেদায়েত ছিলো নিম্নরূপ :

১) আল্লাহ্‌ নূরের স্পর্শে হযরত মুসার সমস্ত ভয় দূর হয়ে যায়। তিনি একজন নির্ভিক নেতারূপে রূপান্তরিত হন এবং বিশ্বাসীদের মধ্যে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেন।

উপদেশ : এভাবেই সকল মোমেন বান্দার হৃদয় যখন আল্লাহ্‌র নূরে আলোকিত হয়, তখন পার্থিব ভয় আর তাকে ভীত করে না।

২) ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গের ঘৃণা, বিদ্বেষ, প্রতারণাপূর্ণ কৌশল মুসাকে পরাজিত করার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা সত্বেও শেষ পর্যন্ত তাদের সত্যের কাছে পরাজয় ঘটে।

উপদেশ : এভাবেই পৃথিবীতে শেষ পর্যন্ত সত্যের জয় ঘটবেই।

৩) পরশ পাথরের স্পর্শে লোহা যেরূপ সোনাতে রূপান্তরিত হওয়ার কল্পকাহিনী প্রচলিত আছে, ঠিক সেরূপ আল্লাহ্‌র নূর বা সত্যের আলোর স্পর্শে যাদুকরেরা সম্পূর্ণ নূতন মানুষে রূপান্তরিত হয়ে পড়ে। তাদের মনের অন্ধকার দূর হয়ে যায়। তারা সত্যের আলোকে অন্তরে ধরে রাখার জন্য সকল অত্যাচার এমনকি মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতেও দ্বিধাগ্রস্থ হয় না। সত্যের আলোকে উদ্ভাসিত আত্মায় তাদের একমাত্র লক্ষ্য বস্তু হয় বিশ্বাসীদের পুরোধায় নিজেকে স্থাপন করার ইচ্ছা

উপদেশ : সত্যের আলো ও মিথ্যার অন্ধকার সব কিছুরই আবাসস্থল আত্মা। যে ব্যক্তি সত্যকে অনুধাবন করতে পারে , সে হয়ে পড়ে পরিবর্তিত মানুষ। যাদুকরদের উদাহরণের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে এই উপদেশ দেয়া হয়েছে।

আমি মূসাকে আদেশ করলাম যে, আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিযোগে বের হয়ে যাও, নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে।
“Only, our desire is that our Lord will forgive us our faults, that we may become foremost among the believers!”

وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِي إِنَّكُم مُّتَّبَعُونَ
Waawhayna ila moosa an asri biAAibadee innakum muttabaAAoona

YUSUFALI: By inspiration we told Moses: “Travel by night with my servants; for surely ye shall be pursued.”
PICKTHAL: And We inspired Moses, saying: Take away My slaves by night, for ye will be pursued.
SHAKIR: And We revealed to Musa, saying: Go away with My servants travelling by night, surely you will be pursued.
KHALIFA: We inspired Moses: “Travel with My servants; you will be pursued.”

৫০। ” নিশ্চিত থাক আমি বিপরীত দিক থেকে তোমাদের হাত এবং পা কেটে ফেলবো , এবং আমি তোমাদের সকলকে শূলে মৃত্যুবরণ করাবো। ”

৫১। তারা বলেছিলো, ” কোন ক্ষতি নাই ! আমরা তো আমাদের প্রভুর নিকট প্রত্যাবর্তন করব।

৫২। ” আমাদের একমাত্র আকাঙ্খা যে, আমাদের প্রভু আমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন, যেনো আমরা মুমিনদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় হতে পারি।” ৩১৬৬

৩১৬৬। হযরত মুসার কাহিনীর এই অংশের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ আমাদের যে সব নৈতিক শিক্ষা দিতে চেয়েছেন , এই আয়াতটিতে তার সারমর্ম সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয়েছে। সমগ্র কাহিনীতে আল্লাহ্‌র হেদায়েত ছিলো নিম্নরূপ :

১) আল্লাহ্‌ নূরের স্পর্শে হযরত মুসার সমস্ত ভয় দূর হয়ে যায়। তিনি একজন নির্ভিক নেতারূপে রূপান্তরিত হন এবং বিশ্বাসীদের মধ্যে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেন।

উপদেশ : এভাবেই সকল মোমেন বান্দার হৃদয় যখন আল্লাহ্‌র নূরে আলোকিত হয়, তখন পার্থিব ভয় আর তাকে ভীত করে না।

২) ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গের ঘৃণা, বিদ্বেষ, প্রতারণাপূর্ণ কৌশল মুসাকে পরাজিত করার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা সত্বেও শেষ পর্যন্ত তাদের সত্যের কাছে পরাজয় ঘটে।

উপদেশ : এভাবেই পৃথিবীতে শেষ পর্যন্ত সত্যের জয় ঘটবেই।

৩) পরশ পাথরের স্পর্শে লোহা যেরূপ সোনাতে রূপান্তরিত হওয়ার কল্পকাহিনী প্রচলিত আছে, ঠিক সেরূপ আল্লাহ্‌র নূর বা সত্যের আলোর স্পর্শে যাদুকরেরা সম্পূর্ণ নূতন মানুষে রূপান্তরিত হয়ে পড়ে। তাদের মনের অন্ধকার দূর হয়ে যায়। তারা সত্যের আলোকে অন্তরে ধরে রাখার জন্য সকল অত্যাচার এমনকি মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতেও দ্বিধাগ্রস্থ হয় না। সত্যের আলোকে উদ্ভাসিত আত্মায় তাদের একমাত্র লক্ষ্য বস্তু হয় বিশ্বাসীদের পুরোধায় নিজেকে স্থাপন করার ইচ্ছা

উপদেশ : সত্যের আলো ও মিথ্যার অন্ধকার সব কিছুরই আবাসস্থল আত্মা। যে ব্যক্তি সত্যকে অনুধাবন করতে পারে , সে হয়ে পড়ে পরিবর্তিত মানুষ। যাদুকরদের উদাহরণের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে এই উপদেশ দেয়া হয়েছে।

অতঃপর ফেরাউন শহরে শহরে সংগ্রাহকদেরকে প্রেরণ করল,
By inspiration we told Moses: “Travel by night with my servants; for surely ye shall be pursued.”

فَأَرْسَلَ فِرْعَوْنُ فِي الْمَدَائِنِ حَاشِرِينَ
Faarsala firAAawnu fee almada-ini hashireena

YUSUFALI: Then Pharaoh sent heralds to (all) the Cities,
PICKTHAL: Then Pharaoh sent into the cities summoners,
SHAKIR: So Firon sent heralds into the cities;
KHALIFA: Pharaoh sent to the cities callers.

রুকু – ৪

৫৩। ওহীর মাধ্যমে আমি মুসাকে বলেছিলাম , ” আমার বান্দাদের নিয়ে রাত্রিকালে বের হও; অবশ্যই তোমার পশ্চাদ্ধাবন করা হবে ৩১৬৭।

৩১৬৭। হযরত মুসার মিশর অবস্থানকালে অন্যান্য যে সব অলৌকিক ক্রীয়া কর্ম প্রদর্শন করেন যেমন প্লেগ [ মুসার নয়টি মোজেজা দেখুন আয়াত [ ৭ : ১৩৩ ] ও [ ১৭ : ১০১ ] ] ইত্যাদি বর্তমান যুক্তির ক্ষেত্রে তা অপ্রাসঙ্গিক হওয়াতে তা এখানে উল্লেখ করা হয় নাই। এবারে ইহুদীরেদ মিশর ত্যাগের কাহিনী ও ফেরাউনের পশ্চাদ্‌ধাবনের কাহিনীর বর্ণনা করা হয়েছে। এই কাহিনীর মাধ্যমে তিনটি বিষয়ের তুলনার প্রতি বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়েছে। ১) আল্লাহ্‌র পরিকল্পনা বা সত্য প্রচারের বিরুদ্ধে ফেরাউনের অন্ধ আক্রোশ যা সর্ব যুগে সত্য প্রচার ও প্রসারের বিরুদ্ধে অন্যায় ও মিথ্যার দ্বারা ঘটে থাকে। ২) হযরত মুসার বিশ্বাসের বিপরীতে তার সম্প্রদায়ের লোকদের ভীত মনোভাব। ৩) শেষ পর্যন্ত ইহুদীদের মিশরবাসীর অত্যাচার থেকে পরিত্রাণ পাওয়া এবং অসত্য ও মিথ্যার শক্তির শেষ পরিণাম ধবংস।

নিশ্চয় এরা (বনী-ইসরাঈলরা) ক্ষুদ্র একটি দল।
Then Pharaoh sent heralds to (all) the Cities,

إِنَّ هَؤُلَاء لَشِرْذِمَةٌ قَلِيلُونَ
Inna haola-i lashirthimatun qaleeloona

YUSUFALI: (Saying): “These (Israelites) are but a small band,
PICKTHAL: (Who said): Lo! these indeed are but a little troop,
SHAKIR: Most surely these are a small company;
KHALIFA: (Proclaiming,) “This is a small gang.

৫৪। অতঃপর ফেরাউন সকল শহরে ঘোষক প্রেরণ করেছিলো;

৫৫। [ এই বলে ] : ” এই [ ইসরাঈলীরা ] একটি ছোট দল মাত্র।

৫৬। ” অথচ তারা আমাদের ক্রোধে উম্মত্ত করেছে ;

৫৭। ” এবং আমরা সকলে পূর্ব থেকেই সর্তক ছিলাম।”

৫৮। সুতারাং আমি তাদের বের করে দিয়েছিলাম বাগান ও ঝরণা সমূহ থেকে , ৩১৬৮

৩১৬৮। অন্যান্য বহু তফসীরকারদের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে [ মওলানা ইউসুফ আলী ] এই আয়াতগুলির [২৬ : ৫৮ – ৬০ ] অর্থ আল্লাহ্‌র ইচ্ছার প্রকাশ এই ভাবে অনুবাদ করেছেন।

এবং তারা আমাদের ক্রোধের উদ্রেক করেছে।
(Saying): “These (Israelites) are but a small band,

وَإِنَّهُمْ لَنَا لَغَائِظُونَ
Wa-innahum lana lagha-ithoona

YUSUFALI: “And they are raging furiously against us;
PICKTHAL: And lo! they are offenders against us.
SHAKIR: And most surely they have enraged us;
KHALIFA: “They are now opposing us.

৫৪। অতঃপর ফেরাউন সকল শহরে ঘোষক প্রেরণ করেছিলো;

৫৫। [ এই বলে ] : ” এই [ ইসরাঈলীরা ] একটি ছোট দল মাত্র।

৫৬। ” অথচ তারা আমাদের ক্রোধে উম্মত্ত করেছে ;

৫৭। ” এবং আমরা সকলে পূর্ব থেকেই সর্তক ছিলাম।”

৫৮। সুতারাং আমি তাদের বের করে দিয়েছিলাম বাগান ও ঝরণা সমূহ থেকে , ৩১৬৮

৩১৬৮। অন্যান্য বহু তফসীরকারদের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে [ মওলানা ইউসুফ আলী ] এই আয়াতগুলির [২৬ : ৫৮ – ৬০ ] অর্থ আল্লাহ্‌র ইচ্ছার প্রকাশ এই ভাবে অনুবাদ করেছেন।

এবং আমরা সবাই সদা শংকিত।
“And they are raging furiously against us;

وَإِنَّا لَجَمِيعٌ حَاذِرُونَ
Wa-inna lajameeAAun hathiroona

YUSUFALI: “But we are a multitude amply fore-warned.”
PICKTHAL: And lo! we are a ready host.
SHAKIR: And most surely we are a vigilant multitude.
KHALIFA: “Let us all beware of them.”

৫৪। অতঃপর ফেরাউন সকল শহরে ঘোষক প্রেরণ করেছিলো;

৫৫। [ এই বলে ] : ” এই [ ইসরাঈলীরা ] একটি ছোট দল মাত্র।

৫৬। ” অথচ তারা আমাদের ক্রোধে উম্মত্ত করেছে ;

৫৭। ” এবং আমরা সকলে পূর্ব থেকেই সর্তক ছিলাম।”

৫৮। সুতারাং আমি তাদের বের করে দিয়েছিলাম বাগান ও ঝরণা সমূহ থেকে , ৩১৬৮

৩১৬৮। অন্যান্য বহু তফসীরকারদের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে [ মওলানা ইউসুফ আলী ] এই আয়াতগুলির [২৬ : ৫৮ – ৬০ ] অর্থ আল্লাহ্‌র ইচ্ছার প্রকাশ এই ভাবে অনুবাদ করেছেন।

অতঃপর আমি ফেরআউনের দলকে তাদের বাগ-বাগিচা ও ঝর্ণাসমূহ থেকে বহিষ্কার করলাম।
“But we are a multitude amply fore-warned.”

فَأَخْرَجْنَاهُم مِّن جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ
Faakhrajnahum min jannatin waAAuyoonin

YUSUFALI: So We expelled them from gardens, springs,
PICKTHAL: Thus did We take them away from gardens and watersprings,
SHAKIR: So We turned them out of gardens and springs,
KHALIFA: Consequently, we deprived them of gardens and springs.

৫৪। অতঃপর ফেরাউন সকল শহরে ঘোষক প্রেরণ করেছিলো;

৫৫। [ এই বলে ] : ” এই [ ইসরাঈলীরা ] একটি ছোট দল মাত্র।

৫৬। ” অথচ তারা আমাদের ক্রোধে উম্মত্ত করেছে ;

৫৭। ” এবং আমরা সকলে পূর্ব থেকেই সর্তক ছিলাম।”

৫৮। সুতারাং আমি তাদের বের করে দিয়েছিলাম বাগান ও ঝরণা সমূহ থেকে , ৩১৬৮

৩১৬৮। অন্যান্য বহু তফসীরকারদের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে [ মওলানা ইউসুফ আলী ] এই আয়াতগুলির [২৬ : ৫৮ – ৬০ ] অর্থ আল্লাহ্‌র ইচ্ছার প্রকাশ এই ভাবে অনুবাদ করেছেন।

এবং ধন-ভান্ডার ও মনোরম স্থানসমূহ থেকে।
So We expelled them from gardens, springs,

وَكُنُوزٍ وَمَقَامٍ كَرِيمٍ
Wakunoozin wamaqamin kareemin

YUSUFALI: Treasures, and every kind of honourable position;
PICKTHAL: And treasures and a fair estate.
SHAKIR: And treasures and goodly dwellings,
KHALIFA: And treasures and an honorable position.

৫৪। অতঃপর ফেরাউন সকল শহরে ঘোষক প্রেরণ করেছিলো;

৫৫। [ এই বলে ] : ” এই [ ইসরাঈলীরা ] একটি ছোট দল মাত্র।

৫৬। ” অথচ তারা আমাদের ক্রোধে উম্মত্ত করেছে ;

৫৭। ” এবং আমরা সকলে পূর্ব থেকেই সর্তক ছিলাম।”

৫৮। সুতারাং আমি তাদের বের করে দিয়েছিলাম বাগান ও ঝরণা সমূহ থেকে , ৩১৬৮

৩১৬৮। অন্যান্য বহু তফসীরকারদের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে [ মওলানা ইউসুফ আলী ] এই আয়াতগুলির [২৬ : ৫৮ – ৬০ ] অর্থ আল্লাহ্‌র ইচ্ছার প্রকাশ এই ভাবে অনুবাদ করেছেন।

এরূপই হয়েছিল এবং বনী-ইসলাঈলকে করে দিলাম এসবের মালিক।
Treasures, and every kind of honourable position;

كَذَلِكَ وَأَوْرَثْنَاهَا بَنِي إِسْرَائِيلَ
Kathalika waawrathnaha banee isra-eela

YUSUFALI: Thus it was, but We made the Children of Israel inheritors of such things.
PICKTHAL: Thus (were those things taken from them) and We caused the Children of Israel to inherit them.
SHAKIR: Even so. And We gave them as a heritage to the children of Israel.
KHALIFA: Then we made it an inheritance for the Children of Israel.

৫৯। এবং ধন ভান্ডার ও প্রত্যেক সম্মানজনক অবস্থান থেকে।

৬০। এরূপই ঘটেছিলো, এবং আমি বনী ইসরাঈলীদের এই সমুদয়ের অধিকারী করেছিলাম ৩১৬৯।

৩১৬৯। উদ্যানরাজি, প্রস্রবণ , ধন-ভান্ডার, সুরম্যসৌধমালা ইত্যাদির অধিকারী বনী ইসরাঈলীরা হয়েছিলো, বহু বছর মরূপ্রান্তরে ঘুরে বেড়ানোর পরে প্যালেস্টাইনে এসে। কিন্তু তারা আবার যখন আল্লাহ্‌র বিধান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন তারা আবার এসব হারিয়ে ফেলে এবং অন্য সম্প্রদায় [ মুসলমান ] তা অধিকার করে নেয়। কারণ তারা ছিলো প্রকৃত বিশ্বাসী।

উপদেশ : যারা আল্লাহ্‌র বিধানে বিশ্বাসী ও সেই অনুপাতে জীবন যাপন প্রণালী পরিচালনা করবে আল্লাহ্‌ তাদের সম্মুখে পৃথিবীর ধনভান্ডার উম্মুক্ত করে দেবেন।

অতঃপর সুর্যোদয়ের সময় তারা তাদের পশ্চাদ্ধাবন করল।
Thus it was, but We made the Children of Israel inheritors of such things.

فَأَتْبَعُوهُم مُّشْرِقِينَ
FaatbaAAoohum mushriqeena

YUSUFALI: So they pursued them at sunrise.
PICKTHAL: And they overtook them at sunrise.
SHAKIR: Then they pursued them at sunrise.
KHALIFA: They pursued them towards the east.

৫৯। এবং ধন ভান্ডার ও প্রত্যেক সম্মানজনক অবস্থান থেকে।

৬০। এরূপই ঘটেছিলো, এবং আমি বনী ইসরাঈলীদের এই সমুদয়ের অধিকারী করেছিলাম ৩১৬৯।

৩১৬৯। উদ্যানরাজি, প্রস্রবণ , ধন-ভান্ডার, সুরম্যসৌধমালা ইত্যাদির অধিকারী বনী ইসরাঈলীরা হয়েছিলো, বহু বছর মরূপ্রান্তরে ঘুরে বেড়ানোর পরে প্যালেস্টাইনে এসে। কিন্তু তারা আবার যখন আল্লাহ্‌র বিধান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন তারা আবার এসব হারিয়ে ফেলে এবং অন্য সম্প্রদায় [ মুসলমান ] তা অধিকার করে নেয়। কারণ তারা ছিলো প্রকৃত বিশ্বাসী।

উপদেশ : যারা আল্লাহ্‌র বিধানে বিশ্বাসী ও সেই অনুপাতে জীবন যাপন প্রণালী পরিচালনা করবে আল্লাহ্‌ তাদের সম্মুখে পৃথিবীর ধনভান্ডার উম্মুক্ত করে দেবেন।

যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখল, তখন মূসার সঙ্গীরা বলল, আমরা যে ধরা পড়ে গেলাম।
So they pursued them at sunrise.

فَلَمَّا تَرَاءى الْجَمْعَانِ قَالَ أَصْحَابُ مُوسَى إِنَّا لَمُدْرَكُونَ
Falamma taraa aljamAAani qala as-habu moosa inna lamudrakoona

YUSUFALI: And when the two bodies saw each other, the people of Moses said: “We are sure to be overtaken.”
PICKTHAL: And when the two hosts saw each other, those with Moses said: Lo! we are indeed caught.
SHAKIR: So when the two hosts saw each other, the companions of Musa cried out: Most surely we are being overtaken.
KHALIFA: When both parties saw each other, Moses’ people said, “We will be caught.”

৬১। সুতারাং সূর্যদয়কালে তারা তাদের পশ্চাদ্‌ধাবন করেছিলো ৩১৭০।

৩১৭০। আয়াত [ ৫৮ – ৬০ ] গুলির মাধ্যমে আল্লাহ্‌র সার্বজনীন ইচ্ছার প্রকাশ ঘটানো হয়েছে যা সাম্প্রতিক বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কহীন। এই আয়াত [৬০ ] থেকে আবার পূর্বের কাহিনীর ধারাবাহিকতার বর্ণনা করা হয়েছে।

মূসা বলল, কখনই নয়, আমার সাথে আছেন আমার পালনকর্তা। তিনি আমাকে পথ বলে দেবেন।
And when the two bodies saw each other, the people of Moses said: “We are sure to be overtaken.”

قَالَ كَلَّا إِنَّ مَعِيَ رَبِّي سَيَهْدِينِ
Qala kalla inna maAAiya rabbee sayahdeeni

YUSUFALI: (Moses) said: “By no means! my Lord is with me! Soon will He guide me!”
PICKTHAL: He said: Nay, verily! for lo! my Lord is with me. He will guide me. SHAKIR: He said: By no means; surely my Lord is with me: He will show me a way out.
KHALIFA: He said, “No way. My Lord is with me; He will guide me.”

৬২। যখন দুদল পরস্পরকে দেখলো , তখন মুসার সঙ্গীরা বললো, ” নিশ্চয়ই আমরা ধরা পড়ে গেলাম। ”

৬৩। [ মুসা ] বলেছিলো, ” কখনও নয়! আমার প্রভু আমার সাথে আছেন ! শীঘ্রই তিনি আমাকে [ উদ্ধারের ] পথ দেখাবেন।” ৩১৭১

৩১৭১। “পথ দেখাবেন” – অর্থাৎ বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় বলে দেবেন। এই আয়াত দ্বারা দেখানো হয়েছে মুসার সম্প্রদায়ের আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীলহীনতার বিপরীতে হযরত মুসার অটল অনড় বিশ্বাস ও নির্ভরশীলতা আল্লাহ্‌র উপরে।

উপদেশ : সর্বাবস্থায় আল্লাহ্‌র উপরে অটল নির্ভরশীলতা মোমেন বান্দার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বিপদ বিপর্যয়ের মাঝেই আল্লাহ্‌ বান্দার ঈমানের পরীক্ষা করে থাকেন।

অতঃপর আমি মূসাকে আদেশ করলাম, তোমার লাঠি দ্বারা সমূদ্রকে আঘাত কর। ফলে, তা বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হয়ে গেল।
(Moses) said: “By no means! my Lord is with me! Soon will He guide me!”

فَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى أَنِ اضْرِب بِّعَصَاكَ الْبَحْرَ فَانفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ
Faawhayna ila moosa ani idrib biAAasaka albahra fainfalaqa fakana kullu firqin kaalttawdi alAAatheemi

YUSUFALI: Then We told Moses by inspiration: “Strike the sea with thy rod.” So it divided, and each separate part became like the huge, firm mass of a mountain.
PICKTHAL: Then We inspired Moses, saying: Smite the sea with thy staff. And it parted, and each part was as a mountain vast.
SHAKIR: Then We revealed to Musa: Strike the sea with your staff. So it had cloven asunder, and each part was like a huge mound.
KHALIFA: We then inspired Moses: “Strike the sea with your staff,” whereupon it parted. Each part was like a great hill.

৬২। যখন দুদল পরস্পরকে দেখলো , তখন মুসার সঙ্গীরা বললো, ” নিশ্চয়ই আমরা ধরা পড়ে গেলাম। ”

৬৩। [ মুসা ] বলেছিলো, ” কখনও নয়! আমার প্রভু আমার সাথে আছেন ! শীঘ্রই তিনি আমাকে [ উদ্ধারের ] পথ দেখাবেন।” ৩১৭১

৩১৭১। “পথ দেখাবেন” – অর্থাৎ বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় বলে দেবেন। এই আয়াত দ্বারা দেখানো হয়েছে মুসার সম্প্রদায়ের আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীলহীনতার বিপরীতে হযরত মুসার অটল অনড় বিশ্বাস ও নির্ভরশীলতা আল্লাহ্‌র উপরে।

উপদেশ : সর্বাবস্থায় আল্লাহ্‌র উপরে অটল নির্ভরশীলতা মোমেন বান্দার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বিপদ বিপর্যয়ের মাঝেই আল্লাহ্‌ বান্দার ঈমানের পরীক্ষা করে থাকেন।

আমি সেথায় অপর দলকে পৌঁছিয়ে দিলাম।
Then We told Moses by inspiration: “Strike the sea with thy rod.” So it divided, and each separate part became like the huge, firm mass of a mountain.

وَأَزْلَفْنَا ثَمَّ الْآخَرِينَ
Waazlafna thamma al-akhareena

YUSUFALI: And We made the other party approach thither.
PICKTHAL: Then brought We near the others to that place.
SHAKIR: And We brought near, there, the others.
KHALIFA: We then delivered them all.

৬৪। অতঃপর ওহীর মাধ্যমে আমি মুসাকে বললাম , ” তোমার লাঠি দ্বারা সাগরকে আঘাত কর।” ফলে তা বিভক্ত হয়ে প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বত সদৃশ হয়ে গেল।

৬৫। এবং আমি অন্য দলকেও সেখানে পৌঁছিয়ে দিলাম ৩১৭২।

৩১৭২। অপর দল অর্থাৎ ফেরাউনের দল। এখানে দুধরনের মোজেজা লক্ষ্য করা যায়। ১) মুসা ও তাঁর সম্প্রদায় নিরাপদে সমুদ্র অতিক্রম করেন; এবং ২) ফেরাউন ও তার অনুসদবর্গ সমুদ্রে ডুবে মারা যায়।

এবং মূসা ও তাঁর সংগীদের সবাইকে বাঁচিয়ে দিলাম।
And We made the other party approach thither.

وَأَنجَيْنَا مُوسَى وَمَن مَّعَهُ أَجْمَعِينَ
Waanjayna moosa waman maAAahu ajmaAAeena

YUSUFALI: We delivered Moses and all who were with him;
PICKTHAL: And We saved Moses and those with him, every one;
SHAKIR: And We saved Musa and those with him, all of them.
KHALIFA: We thus saved Moses and all those who were with him.

৬৪। অতঃপর ওহীর মাধ্যমে আমি মুসাকে বললাম , ” তোমার লাঠি দ্বারা সাগরকে আঘাত কর।” ফলে তা বিভক্ত হয়ে প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বত সদৃশ হয়ে গেল।

৬৫। এবং আমি অন্য দলকেও সেখানে পৌঁছিয়ে দিলাম ৩১৭২।

৩১৭২। অপর দল অর্থাৎ ফেরাউনের দল। এখানে দুধরনের মোজেজা লক্ষ্য করা যায়। ১) মুসা ও তাঁর সম্প্রদায় নিরাপদে সমুদ্র অতিক্রম করেন; এবং ২) ফেরাউন ও তার অনুসদবর্গ সমুদ্রে ডুবে মারা যায়।

অতঃপর অপর দলটিকে নিমজ্জত কললাম।
We delivered Moses and all who were with him;

ثُمَّ أَغْرَقْنَا الْآخَرِينَ
Thumma aghraqna al-akhareena

YUSUFALI: But We drowned the others.
PICKTHAL: And We drowned the others.
SHAKIR: Then We drowned the others.
KHALIFA: And we drowned the others.

৬৬। আমি মুসা এবং তাঁর সঙ্গী অন্য সকলকেও উদ্ধার করলাম।

৬৭। কিন্তু আমি অপর দলকে নিমজ্জিত করলাম।

৬৮। অবশ্যই এর মাঝে নিদর্শন রয়েছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বিশ্বাস করে না ৩১৭৩।

৩১৭৩। মুসার ঘটনার মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে যে উপদেশ ও জ্ঞান দান করা হয়েছে তারই ইঙ্গিত করা হয়েছে এই আয়াতের মাধ্যমে। যে সব লোক নিজের অন্ধ আবেগ দ্বারা পরিচালিত হয় এবং নিজের শ্রেষ্ঠত্বের ধারণায় উদ্ধত ও অহংকারী হয়ে ওঠে , তারা আল্লাহ্‌র নিদর্শন বুঝতে ও অনুধাবনে অক্ষম হবে। অহংকারের কালো পর্দ্দা তাদের আত্মার স্বচ্ছতাকে ঢেকে দেয়। ফলে তারা চর্মচক্ষু থেকেও প্রকৃত সত্যকে দেখতে পায় না বা অনুধাবন করতে পারে না। এই -ই তাদের উদ্ধত অহংকারের শাস্তি। পরিণামে তাদের ধ্বংস অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায় যা ফেরাউনের কাহিনীর মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়েছে। অপর পক্ষে যারা সত্যের জন্য ন্যায়ের জন্য নির্যাতন ভোগ করে এবং নির্যাতন সত্বেও যারা আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীলতা হারায় না , যারা জীবনের সর্বাবস্থায়, সুখে-দুঃখে , সম্পদে, ঐশ্বর্যে , ক্ষমতায় সব সময়ে বিনয়ী এবং কৃতজ্ঞ তারাই তো মোমেন বান্দা। মোমেন বান্দার হৃদয় আল্লাহ্‌র হেদায়েতের নূরে আলোকিত হয়ে ওঠে এবং পরিণামে আত্মা মোক্ষলাভ করে বা পৃথিবীর দুঃখ-ব্যথা , আশা-আকাঙ্খা , অবিচলতা ও পাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হয় এবং জাগতিক বন্ধন থেকে আত্মা মুক্তি পায়।

নিশ্চয় এতে একটি নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী ছিল না।
But We drowned the others.

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ
Inna fee thalika laayatan wama kana aktharuhum mu/mineena

YUSUFALI: Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.
PICKTHAL: Lo! herein is indeed a portent, yet most of them are not believers.
SHAKIR: Most surely there is a sign in this, but most of them do not believe.
KHALIFA: This should be a sufficient proof, but most people are not believers.

৬৬। আমি মুসা এবং তাঁর সঙ্গী অন্য সকলকেও উদ্ধার করলাম।

৬৭। কিন্তু আমি অপর দলকে নিমজ্জিত করলাম।

৬৮। অবশ্যই এর মাঝে নিদর্শন রয়েছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বিশ্বাস করে না ৩১৭৩।

৩১৭৩। মুসার ঘটনার মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে যে উপদেশ ও জ্ঞান দান করা হয়েছে তারই ইঙ্গিত করা হয়েছে এই আয়াতের মাধ্যমে। যে সব লোক নিজের অন্ধ আবেগ দ্বারা পরিচালিত হয় এবং নিজের শ্রেষ্ঠত্বের ধারণায় উদ্ধত ও অহংকারী হয়ে ওঠে , তারা আল্লাহ্‌র নিদর্শন বুঝতে ও অনুধাবনে অক্ষম হবে। অহংকারের কালো পর্দ্দা তাদের আত্মার স্বচ্ছতাকে ঢেকে দেয়। ফলে তারা চর্মচক্ষু থেকেও প্রকৃত সত্যকে দেখতে পায় না বা অনুধাবন করতে পারে না। এই -ই তাদের উদ্ধত অহংকারের শাস্তি। পরিণামে তাদের ধ্বংস অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায় যা ফেরাউনের কাহিনীর মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়েছে। অপর পক্ষে যারা সত্যের জন্য ন্যায়ের জন্য নির্যাতন ভোগ করে এবং নির্যাতন সত্বেও যারা আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীলতা হারায় না , যারা জীবনের সর্বাবস্থায়, সুখে-দুঃখে , সম্পদে, ঐশ্বর্যে , ক্ষমতায় সব সময়ে বিনয়ী এবং কৃতজ্ঞ তারাই তো মোমেন বান্দা। মোমেন বান্দার হৃদয় আল্লাহ্‌র হেদায়েতের নূরে আলোকিত হয়ে ওঠে এবং পরিণামে আত্মা মোক্ষলাভ করে বা পৃথিবীর দুঃখ-ব্যথা , আশা-আকাঙ্খা , অবিচলতা ও পাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হয় এবং জাগতিক বন্ধন থেকে আত্মা মুক্তি পায়।

আপনার পালনকর্তা অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ
Wa-inna rabbaka lahuwa alAAazeezu alrraheemu

YUSUFALI: And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.
PICKTHAL: And lo, thy Lord! He is indeed the Mighty, the Merciful.
SHAKIR: And most surely your Lord is the Mighty, the Merciful.
KHALIFA: Most assuredly, your Lord is the Almighty, Most Merciful.

৬৬। আমি মুসা এবং তাঁর সঙ্গী অন্য সকলকেও উদ্ধার করলাম।

৬৭। কিন্তু আমি অপর দলকে নিমজ্জিত করলাম।

৬৮। অবশ্যই এর মাঝে নিদর্শন রয়েছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বিশ্বাস করে না ৩১৭৩।

৩১৭৩। মুসার ঘটনার মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে যে উপদেশ ও জ্ঞান দান করা হয়েছে তারই ইঙ্গিত করা হয়েছে এই আয়াতের মাধ্যমে। যে সব লোক নিজের অন্ধ আবেগ দ্বারা পরিচালিত হয় এবং নিজের শ্রেষ্ঠত্বের ধারণায় উদ্ধত ও অহংকারী হয়ে ওঠে , তারা আল্লাহ্‌র নিদর্শন বুঝতে ও অনুধাবনে অক্ষম হবে। অহংকারের কালো পর্দ্দা তাদের আত্মার স্বচ্ছতাকে ঢেকে দেয়। ফলে তারা চর্মচক্ষু থেকেও প্রকৃত সত্যকে দেখতে পায় না বা অনুধাবন করতে পারে না। এই -ই তাদের উদ্ধত অহংকারের শাস্তি। পরিণামে তাদের ধ্বংস অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায় যা ফেরাউনের কাহিনীর মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়েছে। অপর পক্ষে যারা সত্যের জন্য ন্যায়ের জন্য নির্যাতন ভোগ করে এবং নির্যাতন সত্বেও যারা আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীলতা হারায় না , যারা জীবনের সর্বাবস্থায়, সুখে-দুঃখে , সম্পদে, ঐশ্বর্যে , ক্ষমতায় সব সময়ে বিনয়ী এবং কৃতজ্ঞ তারাই তো মোমেন বান্দা। মোমেন বান্দার হৃদয় আল্লাহ্‌র হেদায়েতের নূরে আলোকিত হয়ে ওঠে এবং পরিণামে আত্মা মোক্ষলাভ করে বা পৃথিবীর দুঃখ-ব্যথা , আশা-আকাঙ্খা , অবিচলতা ও পাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হয় এবং জাগতিক বন্ধন থেকে আত্মা মুক্তি পায়।

আর তাদেরকে ইব্রাহীমের বৃত্তান্ত শুনিয়ে দিন।
And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.

وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ إِبْرَاهِيمَ
Waotlu AAalayhim nabaa ibraheema

YUSUFALI: And rehearse to them (something of) Abraham’s story.
PICKTHAL: Recite unto them the story of Abraham:
SHAKIR: And recite to them the story of Ibrahim.
KHALIFA: Narrate to them Abraham’s history.

৬৯। তোমার প্রভু নিশ্চয়ই শক্তিতে পরাক্রমশালী , পরম করুণাময় ৩১৭৪।

৩১৭৪। ফেরাউনের কাহিনীর মাধ্যমে এই সত্যকে তুলে ধরা হয়েছে যে, নির্যাতনকারী ও অন্যায়কারীর ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। তাদের ষড়যন্ত্র বা প্রতিরোধ বা নির্যাতন কোনও কিছুই আল্লাহ্‌র পরিকল্পনাকে ধ্বংস করতে পারবে না। বরং ভালোকে, সত্যকে আল্লাহ্‌র ইচ্ছাকে বাধাদানের ফলে মন্দ তার নিজের ধ্বংস ডেকে আনে।

যখন তাঁর পিতাকে এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা কিসের এবাদত কর?
And rehearse to them (something of) Abraham’s story.

إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَا تَعْبُدُونَ
Ith qala li-abeehi waqawmihi ma taAAbudoona

YUSUFALI: Behold, he said to his father and his people: “What worship ye?”
PICKTHAL: When he said unto his father and his folk: What worship ye?
SHAKIR: When he said to his father and his people: What do you worship?
KHALIFA: He said to his father and his people, “What is this you are worshiping?”

রুকু – ৫

৭০। এবং তাদের নিকট ইব্রাহিমের কাহিনীর [ কিছু অংশ ] বর্ণনা কর ৩১৭৫।

৩১৭৫। পরবর্তী আয়াতগুলির মাধ্যমে হযরত ইব্রাহীমের জীবনীর যে যে অংশ যুক্তি ও উপদেশের জন্য প্রাসঙ্গিক শুধুমাত্র তাই-ই তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর জীবনের যে সব ঘটনা বর্তমান সূরার যুক্তির জন্য প্রাসঙ্গিক নয় তা উত্থাপন করা হয় নাই। এখানে যার উল্লেখ হয়েছে তা নিম্নরূপ :

১) কথোপকথনের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে উত্থাপন করা হয়েছে মূর্তিপূঁজার অসারতা সম্বন্ধে।

২) প্রার্থনার মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মোমেন বান্দার জীবনের উদ্দেশ্য শুধু তার নিজস্ব একক জীবনই নয়, তাঁর কাম্য হওয়া উচিত তাঁর পূর্ব পুরুষদের জন্য ক্ষমা , পরবর্তী প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও মুক্তি।

৩) অর্ন্তদৃষ্টির সাহায্যে পরলোকের জীবনকে অনুভব ক্ষমতা।

(১) এর বক্তব্যে প্রকাশ ঘটেছে [ ৭০ – ৮২ ] আয়াতে ; (২) এর বক্তব্যের প্রকাশ ঘটেছে [ ৮৩ – ৮৭ ] আয়াতে এবং (৩) এর বক্তব্যের প্রকাশ ঘটেছে [ ৮৮ – ১০২ ] আয়াতে।

তারা বলল, আমরা প্রতিমার পূজা করি এবং সারাদিন এদেরকেই নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকি।
Behold, he said to his father and his people: “What worship ye?”

قَالُوا نَعْبُدُ أَصْنَامًا فَنَظَلُّ لَهَا عَاكِفِينَ
Qaloo naAAbudu asnaman fanathallu laha AAakifeena

YUSUFALI: They said: “We worship idols, and we remain constantly in attendance on them.”
PICKTHAL: They said: We worship idols, and are ever devoted unto them.
SHAKIR: They said: We worship idols, so we shall be their votaries.
KHALIFA: They said, “We worship statues; we are totally devoted to them.”

৭১। স্মরণ কর! সে তাঁর পিতা এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলো, ” তোমরা কার এবাদত করছো ? ”

৭২। তারা বলেছিলো, ” আমরা [ দেবতার ] মূর্তিসকল পূঁজা করছি, এবং আমরা নিষ্ঠার সাথে তাদের পূঁজায় নিয়োজিত থাকবো।” ৩১৭৬

৩১৭৬। মূর্তিপূজকরা এই আয়াতের বক্তব্যের মাধ্যমে তাদের প্রকৃত নিষ্ঠা ও অধ্যাবসায়কে তুলে ধরতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু হযরত ইব্রাহীম তৎক্ষণাত বিষয়বস্তুর মূল চেতনাতে আঘাত হানেন এই প্রশ্ন দ্বারা , ” কার প্রতি তোমরা তোমাদের নিষ্ঠাকে প্রয়োগ করছো ? এই সব বস্তু কি এই নিষ্ঠারযোগ্য? “

ইব্রাহীম (আঃ) বললেন, তোমরা যখন আহবান কর, তখন তারা শোনে কি?
They said: “We worship idols, and we remain constantly in attendance on them.”

قَالَ هَلْ يَسْمَعُونَكُمْ إِذْ تَدْعُونَ
Qala hal yasmaAAoonakum ith tadAAoona

YUSUFALI: He said: “Do they listen to you when ye call (on them)?”
PICKTHAL: He said: Do they hear you when ye cry?
SHAKIR: He said: Do they hear you when you call?
KHALIFA: He said, “Can they hear you when you implore?

৭১। স্মরণ কর! সে তাঁর পিতা এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলো, ” তোমরা কার এবাদত করছো ? ”

৭২। তারা বলেছিলো, ” আমরা [ দেবতার ] মূর্তিসকল পূঁজা করছি, এবং আমরা নিষ্ঠার সাথে তাদের পূঁজায় নিয়োজিত থাকবো।” ৩১৭৬

৩১৭৬। মূর্তিপূজকরা এই আয়াতের বক্তব্যের মাধ্যমে তাদের প্রকৃত নিষ্ঠা ও অধ্যাবসায়কে তুলে ধরতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু হযরত ইব্রাহীম তৎক্ষণাত বিষয়বস্তুর মূল চেতনাতে আঘাত হানেন এই প্রশ্ন দ্বারা , ” কার প্রতি তোমরা তোমাদের নিষ্ঠাকে প্রয়োগ করছো ? এই সব বস্তু কি এই নিষ্ঠারযোগ্য? “

অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?
He said: “Do they listen to you when ye call (on them), or do you good or harm?”

أَوْ يَنفَعُونَكُمْ أَوْ يَضُرُّونَ
Aw yanfaAAoonakum aw yadurroona

YUSUFALI: “Or do you good or harm?”
PICKTHAL: Or do they benefit or harm you?
SHAKIR: Or do they profit you or cause you harm?
KHALIFA: “Can they benefit you, or harm you?”

৭৩। সে বলেছিলো, ” তোমরা যখন [তাদের ] ডাক, তারা কি শোনে ,অথবা উহারা কি তোমাদের উপকার কিংবা অপকার করতে পারে ? ”

৭৪। তারা বলেছিলো, ” না , কিন্তু আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের [আমরা যা করি ] সেরূপ করতে দেখেছি। ”

৭৫। সে বলেছিলো, ” তোমরা কি ভেবে দেখেছ , কিসের পূঁজা করছো ?

৭৬। ” তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা ?

৭৭। ” জগত সমূহের প্রভু এবং প্রতিপালক ব্যতীত ; নিশ্চয়ই তারা আমার শত্রু। ৩১৭৭

৩১৭৭। হযরত ইব্রাহীমের বক্তব্য ছিলো : যে বস্তু তোমরা পূঁজা কর তা মানব সম্প্রদায়ের শত্রু। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে ঐ বস্তুগুলি আমার শত্রু। ওগুলি আমার কোনও উপকার করার ক্ষমতা রাখে না , কিন্তু আমাকে বিপথে চালিত করার ক্ষমতা রাখে। তুলনা কর সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র ক্ষমতার সাথে তাদের অক্ষমতা। আল্লাহ্‌ আমাকে এবং সারা বিশ্বজাহানকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমার প্রতিপালক এবং জীবন পথের প্রদর্শক। তিনি আমার রক্ষণাবেক্ষণ করেন। আমার মৃত্যুর পরে তিনি আমাকে পুনরুত্থান করে নূতন জীবন দান করবেন। তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন এবং আমার আত্মাকে মুক্তি দেবেন। এর পরেও কি তোমরা আল্লাহ্‌র এবাদত করবে না ? মূর্তিপূঁজা ও আল্লাহ্‌র এবাদত কি অন্ধকার আলোর সমতুল্য নয় ?

সূরা শুয়ারা

তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি, তারা এরূপই করত।
They said: “Nay, but we found our fathers doing thus (what we do).”

قَالُوا بَلْ وَجَدْنَا آبَاءنَا كَذَلِكَ يَفْعَلُونَ
Qaloo bal wajadna abaana kathalika yafAAaloona

YUSUFALI: They said: “Nay, but we found our fathers doing thus (what we do).”
PICKTHAL: They said: Nay, but we found our fathers acting on this wise.
SHAKIR: They said: Nay, we found our fathers doing so.
KHALIFA: They said, “No; but we found our parents doing this.”

৭৩। সে বলেছিলো, ” তোমরা যখন [তাদের ] ডাক, তারা কি শোনে ,অথবা উহারা কি তোমাদের উপকার কিংবা অপকার করতে পারে ? ”

৭৪। তারা বলেছিলো, ” না , কিন্তু আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের [আমরা যা করি ] সেরূপ করতে দেখেছি। ”

৭৫। সে বলেছিলো, ” তোমরা কি ভেবে দেখেছ , কিসের পূঁজা করছো ?

৭৬। ” তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা ?

৭৭। ” জগত সমূহের প্রভু এবং প্রতিপালক ব্যতীত ; নিশ্চয়ই তারা আমার শত্রু। ৩১৭৭

৩১৭৭। হযরত ইব্রাহীমের বক্তব্য ছিলো : যে বস্তু তোমরা পূঁজা কর তা মানব সম্প্রদায়ের শত্রু। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে ঐ বস্তুগুলি আমার শত্রু। ওগুলি আমার কোনও উপকার করার ক্ষমতা রাখে না , কিন্তু আমাকে বিপথে চালিত করার ক্ষমতা রাখে। তুলনা কর সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র ক্ষমতার সাথে তাদের অক্ষমতা। আল্লাহ্‌ আমাকে এবং সারা বিশ্বজাহানকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমার প্রতিপালক এবং জীবন পথের প্রদর্শক। তিনি আমার রক্ষণাবেক্ষণ করেন। আমার মৃত্যুর পরে তিনি আমাকে পুনরুত্থান করে নূতন জীবন দান করবেন। তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন এবং আমার আত্মাকে মুক্তি দেবেন। এর পরেও কি তোমরা আল্লাহ্‌র এবাদত করবে না ? মূর্তিপূঁজা ও আল্লাহ্‌র এবাদত কি অন্ধকার আলোর সমতুল্য নয় ?

ইব্রাহীম বললেন, তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, যাদের পূজা করে আসছ।
He said: “Do ye then see whom ye have been worshipping,-

قَالَ أَفَرَأَيْتُم مَّا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ
Qala afaraaytum ma kuntum taAAbudoona

YUSUFALI: He said: “Do ye then see whom ye have been worshipping,-
PICKTHAL: He said: See now that which ye worship,
SHAKIR: He said: Have you then considered what you have been worshipping:
KHALIFA: He said, “Do you see these idols that you worship.

৭৩। সে বলেছিলো, ” তোমরা যখন [তাদের ] ডাক, তারা কি শোনে ,অথবা উহারা কি তোমাদের উপকার কিংবা অপকার করতে পারে ? ”

৭৪। তারা বলেছিলো, ” না , কিন্তু আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের [আমরা যা করি ] সেরূপ করতে দেখেছি। ”

৭৫। সে বলেছিলো, ” তোমরা কি ভেবে দেখেছ , কিসের পূঁজা করছো ?

৭৬। ” তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা ?

৭৭। ” জগত সমূহের প্রভু এবং প্রতিপালক ব্যতীত ; নিশ্চয়ই তারা আমার শত্রু। ৩১৭৭

৩১৭৭। হযরত ইব্রাহীমের বক্তব্য ছিলো : যে বস্তু তোমরা পূঁজা কর তা মানব সম্প্রদায়ের শত্রু। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে ঐ বস্তুগুলি আমার শত্রু। ওগুলি আমার কোনও উপকার করার ক্ষমতা রাখে না , কিন্তু আমাকে বিপথে চালিত করার ক্ষমতা রাখে। তুলনা কর সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র ক্ষমতার সাথে তাদের অক্ষমতা। আল্লাহ্‌ আমাকে এবং সারা বিশ্বজাহানকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমার প্রতিপালক এবং জীবন পথের প্রদর্শক। তিনি আমার রক্ষণাবেক্ষণ করেন। আমার মৃত্যুর পরে তিনি আমাকে পুনরুত্থান করে নূতন জীবন দান করবেন। তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন এবং আমার আত্মাকে মুক্তি দেবেন। এর পরেও কি তোমরা আল্লাহ্‌র এবাদত করবে না ? মূর্তিপূঁজা ও আল্লাহ্‌র এবাদত কি অন্ধকার আলোর সমতুল্য নয় ?

তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা ?
“Ye and your fathers before you?-

أَنتُمْ وَآبَاؤُكُمُ الْأَقْدَمُونَ
Antum waabaokumu al-aqdamoona

YUSUFALI: “Ye and your fathers before you?-
PICKTHAL: Ye and your forefathers!
SHAKIR: You and your ancient sires.
KHALIFA: “You and your ancestors.

৭৩। সে বলেছিলো, ” তোমরা যখন [তাদের ] ডাক, তারা কি শোনে ,অথবা উহারা কি তোমাদের উপকার কিংবা অপকার করতে পারে ? ”

৭৪। তারা বলেছিলো, ” না , কিন্তু আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের [আমরা যা করি ] সেরূপ করতে দেখেছি। ”

৭৫। সে বলেছিলো, ” তোমরা কি ভেবে দেখেছ , কিসের পূঁজা করছো ?

৭৬। ” তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা ?

৭৭। ” জগত সমূহের প্রভু এবং প্রতিপালক ব্যতীত ; নিশ্চয়ই তারা আমার শত্রু। ৩১৭৭

৩১৭৭। হযরত ইব্রাহীমের বক্তব্য ছিলো : যে বস্তু তোমরা পূঁজা কর তা মানব সম্প্রদায়ের শত্রু। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে ঐ বস্তুগুলি আমার শত্রু। ওগুলি আমার কোনও উপকার করার ক্ষমতা রাখে না , কিন্তু আমাকে বিপথে চালিত করার ক্ষমতা রাখে। তুলনা কর সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র ক্ষমতার সাথে তাদের অক্ষমতা। আল্লাহ্‌ আমাকে এবং সারা বিশ্বজাহানকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমার প্রতিপালক এবং জীবন পথের প্রদর্শক। তিনি আমার রক্ষণাবেক্ষণ করেন। আমার মৃত্যুর পরে তিনি আমাকে পুনরুত্থান করে নূতন জীবন দান করবেন। তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন এবং আমার আত্মাকে মুক্তি দেবেন। এর পরেও কি তোমরা আল্লাহ্‌র এবাদত করবে না ? মূর্তিপূঁজা ও আল্লাহ্‌র এবাদত কি অন্ধকার আলোর সমতুল্য নয় ?

বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত তারা সবাই আমার শত্রু।
“For they are enemies to me; not so the Lord and Cherisher of the Worlds;

فَإِنَّهُمْ عَدُوٌّ لِّي إِلَّا رَبَّ الْعَالَمِينَ
Fa-innahum AAaduwwun lee illa rabba alAAalameena

YUSUFALI: “For they are enemies to me; not so the Lord and Cherisher of the Worlds;
PICKTHAL: Lo! they are (all) an enemy unto me, save the Lord of the Worlds,
SHAKIR: Surely they are enemies to me, but not (so) the Lord of the worlds;
KHALIFA: “I am against them, for I am devoted only to the Lord of the universe.

৭৩। সে বলেছিলো, ” তোমরা যখন [তাদের ] ডাক, তারা কি শোনে ,অথবা উহারা কি তোমাদের উপকার কিংবা অপকার করতে পারে ? ”

৭৪। তারা বলেছিলো, ” না , কিন্তু আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের [আমরা যা করি ] সেরূপ করতে দেখেছি। ”

৭৫। সে বলেছিলো, ” তোমরা কি ভেবে দেখেছ , কিসের পূঁজা করছো ?

৭৬। ” তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা ?

৭৭। ” জগত সমূহের প্রভু এবং প্রতিপালক ব্যতীত ; নিশ্চয়ই তারা আমার শত্রু। ৩১৭৭

৩১৭৭। হযরত ইব্রাহীমের বক্তব্য ছিলো : যে বস্তু তোমরা পূঁজা কর তা মানব সম্প্রদায়ের শত্রু। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে ঐ বস্তুগুলি আমার শত্রু। ওগুলি আমার কোনও উপকার করার ক্ষমতা রাখে না , কিন্তু আমাকে বিপথে চালিত করার ক্ষমতা রাখে। তুলনা কর সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র ক্ষমতার সাথে তাদের অক্ষমতা। আল্লাহ্‌ আমাকে এবং সারা বিশ্বজাহানকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমার প্রতিপালক এবং জীবন পথের প্রদর্শক। তিনি আমার রক্ষণাবেক্ষণ করেন। আমার মৃত্যুর পরে তিনি আমাকে পুনরুত্থান করে নূতন জীবন দান করবেন। তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন এবং আমার আত্মাকে মুক্তি দেবেন। এর পরেও কি তোমরা আল্লাহ্‌র এবাদত করবে না ? মূর্তিপূঁজা ও আল্লাহ্‌র এবাদত কি অন্ধকার আলোর সমতুল্য নয় ?

যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন,
“Who created me, and it is He Who guides me;

الَّذِي خَلَقَنِي فَهُوَ يَهْدِينِ
Allathee khalaqanee fahuwa yahdeeni

YUSUFALI: “Who created me, and it is He Who guides me;
PICKTHAL: Who created me, and He doth guide me,
SHAKIR: Who created me, then He has shown me the way:
KHALIFA: “The One who created me, and guided me.

৭৮। ” যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই আমাকে সুপথে পরিচালনা করেন।

৭৯। ” যিনি আমাকে খাদ্য ও পানীয় দান করেন।

৮০। ” এবং যখন আমি অসুস্থ থাকি , তিনিই আমাকে আরোগ্য করেন।

৮১। ” যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন এবং তারপরে [ পুণরায় ] জীবিত করবেন।

৮২। ” এবং আমি আশা করি তিনি শেষ বিচারের দিনে আমার অপরাধ ক্ষমা করে দেবেন।

৮৩। ” হে আমার প্রভু ! আমাকে প্রজ্ঞা দান কর, এবং আমাকে পূণ্যাত্মাদের সাথে মিলিত করে দাও। ” ৩১৭৮

৩১৭৮। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে প্রভেদ করার পরে হযরত ইব্রাহীম তাঁর অন্তরের ইচ্ছাকে ব্যক্ত করেন প্রার্থনার মাধ্যমে। ১) তিনি তাঁর আত্মাকে উদ্ভাসিত করতে চান স্বর্গীয় জ্ঞানে [ ৮৩ ]। ২) তাঁর জীবন ও আত্মাকে সৎ কার্যে পূর্ণ করতে চান, যেনো তিনি পূণ্যাত্মাদের অর্ন্তভুক্ত হতে পারেন [ ৮৩ ]। ৩) তিনি শুধুমাত্র নিজের জন্য বা তাঁর সমসাময়িক সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেই পরিতৃপ্ত নন। তিনি ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝেও তার সুকৃতি বিস্তার করতে চান [৮৪]। ৪) তাঁর জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে বেহেশতের সুখ ও শান্তি এবং মোমেন বান্দারূপে আল্লাহ্‌ দরবারে স্বীকৃতি [৮৫]। ৫) তিনি তাঁর পথভ্রষ্ট পিতা ও অন্যান্য পরলোকগত আত্নীয়দের সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক সুখ ও শান্তি ভোগ করতে চান। সে জন্য তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। যেনো শেষ বিচারের দিনে আল্লাহ্‌ তাদের ক্ষমা করেন [ ৮৬ ]।

যিনি আমাকে আহার এবং পানীয় দান করেন,
“Who gives me food and drink,

وَالَّذِي هُوَ يُطْعِمُنِي وَيَسْقِينِ
Waallathee huwa yutAAimunee wayasqeeni

YUSUFALI: “Who gives me food and drink,
PICKTHAL: And Who feedeth me and watereth me.
SHAKIR: And He Who gives me to eat and gives me to drink:
KHALIFA: “The One who feeds me and waters me.

৭৮। ” যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই আমাকে সুপথে পরিচালনা করেন।

৭৯। ” যিনি আমাকে খাদ্য ও পানীয় দান করেন।

৮০। ” এবং যখন আমি অসুস্থ থাকি , তিনিই আমাকে আরোগ্য করেন।

৮১। ” যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন এবং তারপরে [ পুণরায় ] জীবিত করবেন।

৮২। ” এবং আমি আশা করি তিনি শেষ বিচারের দিনে আমার অপরাধ ক্ষমা করে দেবেন।

৮৩। ” হে আমার প্রভু ! আমাকে প্রজ্ঞা দান কর, এবং আমাকে পূণ্যাত্মাদের সাথে মিলিত করে দাও। ” ৩১৭৮

৩১৭৮। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে প্রভেদ করার পরে হযরত ইব্রাহীম তাঁর অন্তরের ইচ্ছাকে ব্যক্ত করেন প্রার্থনার মাধ্যমে। ১) তিনি তাঁর আত্মাকে উদ্ভাসিত করতে চান স্বর্গীয় জ্ঞানে [ ৮৩ ]। ২) তাঁর জীবন ও আত্মাকে সৎ কার্যে পূর্ণ করতে চান, যেনো তিনি পূণ্যাত্মাদের অর্ন্তভুক্ত হতে পারেন [ ৮৩ ]। ৩) তিনি শুধুমাত্র নিজের জন্য বা তাঁর সমসাময়িক সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেই পরিতৃপ্ত নন। তিনি ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝেও তার সুকৃতি বিস্তার করতে চান [৮৪]। ৪) তাঁর জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে বেহেশতের সুখ ও শান্তি এবং মোমেন বান্দারূপে আল্লাহ্‌ দরবারে স্বীকৃতি [৮৫]। ৫) তিনি তাঁর পথভ্রষ্ট পিতা ও অন্যান্য পরলোকগত আত্নীয়দের সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক সুখ ও শান্তি ভোগ করতে চান। সে জন্য তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। যেনো শেষ বিচারের দিনে আল্লাহ্‌ তাদের ক্ষমা করেন [ ৮৬ ]।

যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন।
“And when I am ill, it is He Who cures me;

وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ
Wa-itha maridtu fahuwa yashfeeni

YUSUFALI: “And when I am ill, it is He Who cures me;
PICKTHAL: And when I sicken, then He healeth me,
SHAKIR: And when I am sick, then He restores me to health
KHALIFA: “And when I get sick, He heals me.

৭৮। ” যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই আমাকে সুপথে পরিচালনা করেন।

৭৯। ” যিনি আমাকে খাদ্য ও পানীয় দান করেন।

৮০। ” এবং যখন আমি অসুস্থ থাকি , তিনিই আমাকে আরোগ্য করেন।

৮১। ” যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন এবং তারপরে [ পুণরায় ] জীবিত করবেন।

৮২। ” এবং আমি আশা করি তিনি শেষ বিচারের দিনে আমার অপরাধ ক্ষমা করে দেবেন।

৮৩। ” হে আমার প্রভু ! আমাকে প্রজ্ঞা দান কর, এবং আমাকে পূণ্যাত্মাদের সাথে মিলিত করে দাও। ” ৩১৭৮

৩১৭৮। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে প্রভেদ করার পরে হযরত ইব্রাহীম তাঁর অন্তরের ইচ্ছাকে ব্যক্ত করেন প্রার্থনার মাধ্যমে। ১) তিনি তাঁর আত্মাকে উদ্ভাসিত করতে চান স্বর্গীয় জ্ঞানে [ ৮৩ ]। ২) তাঁর জীবন ও আত্মাকে সৎ কার্যে পূর্ণ করতে চান, যেনো তিনি পূণ্যাত্মাদের অর্ন্তভুক্ত হতে পারেন [ ৮৩ ]। ৩) তিনি শুধুমাত্র নিজের জন্য বা তাঁর সমসাময়িক সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেই পরিতৃপ্ত নন। তিনি ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝেও তার সুকৃতি বিস্তার করতে চান [৮৪]। ৪) তাঁর জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে বেহেশতের সুখ ও শান্তি এবং মোমেন বান্দারূপে আল্লাহ্‌ দরবারে স্বীকৃতি [৮৫]। ৫) তিনি তাঁর পথভ্রষ্ট পিতা ও অন্যান্য পরলোকগত আত্নীয়দের সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক সুখ ও শান্তি ভোগ করতে চান। সে জন্য তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। যেনো শেষ বিচারের দিনে আল্লাহ্‌ তাদের ক্ষমা করেন [ ৮৬ ]।

যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর পুনর্জীবন দান করবেন।
“Who will cause me to die, and then to life (again);

وَالَّذِي يُمِيتُنِي ثُمَّ يُحْيِينِ
Waallathee yumeetunee thumma yuhyeeni

YUSUFALI: “Who will cause me to die, and then to life (again);
PICKTHAL: And Who causeth me to die, then giveth me life (again),
SHAKIR: And He Who will cause me to die, then give me life;
KHALIFA: “The One who puts me to death, then brings me back to life.

৭৮। ” যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই আমাকে সুপথে পরিচালনা করেন।

৭৯। ” যিনি আমাকে খাদ্য ও পানীয় দান করেন।

৮০। ” এবং যখন আমি অসুস্থ থাকি , তিনিই আমাকে আরোগ্য করেন।

৮১। ” যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন এবং তারপরে [ পুণরায় ] জীবিত করবেন।

৮২। ” এবং আমি আশা করি তিনি শেষ বিচারের দিনে আমার অপরাধ ক্ষমা করে দেবেন।

৮৩। ” হে আমার প্রভু ! আমাকে প্রজ্ঞা দান কর, এবং আমাকে পূণ্যাত্মাদের সাথে মিলিত করে দাও। ” ৩১৭৮

৩১৭৮। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে প্রভেদ করার পরে হযরত ইব্রাহীম তাঁর অন্তরের ইচ্ছাকে ব্যক্ত করেন প্রার্থনার মাধ্যমে। ১) তিনি তাঁর আত্মাকে উদ্ভাসিত করতে চান স্বর্গীয় জ্ঞানে [ ৮৩ ]। ২) তাঁর জীবন ও আত্মাকে সৎ কার্যে পূর্ণ করতে চান, যেনো তিনি পূণ্যাত্মাদের অর্ন্তভুক্ত হতে পারেন [ ৮৩ ]। ৩) তিনি শুধুমাত্র নিজের জন্য বা তাঁর সমসাময়িক সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেই পরিতৃপ্ত নন। তিনি ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝেও তার সুকৃতি বিস্তার করতে চান [৮৪]। ৪) তাঁর জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে বেহেশতের সুখ ও শান্তি এবং মোমেন বান্দারূপে আল্লাহ্‌ দরবারে স্বীকৃতি [৮৫]। ৫) তিনি তাঁর পথভ্রষ্ট পিতা ও অন্যান্য পরলোকগত আত্নীয়দের সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক সুখ ও শান্তি ভোগ করতে চান। সে জন্য তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। যেনো শেষ বিচারের দিনে আল্লাহ্‌ তাদের ক্ষমা করেন [ ৮৬ ]।

আমি আশা করি তিনিই বিচারের দিনে আমার ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করবেন।
“And who, I hope, will forgive me my faults on the day of Judgment.

وَالَّذِي أَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لِي خَطِيئَتِي يَوْمَ الدِّينِ
Waallathee atmaAAu an yaghfira lee khatee-atee yawma alddeeni

YUSUFALI: “And who, I hope, will forgive me my faults on the day of Judgment.
PICKTHAL: And Who, I ardently hope, will forgive me my sin on the Day of Judgment.
SHAKIR: And Who, I hope, will forgive me my mistakes on the day of judgment.
KHALIFA: “The One who hopefully will forgive my sins on the Day of Judgment.

৭৮। ” যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই আমাকে সুপথে পরিচালনা করেন।

৭৯। ” যিনি আমাকে খাদ্য ও পানীয় দান করেন।

৮০। ” এবং যখন আমি অসুস্থ থাকি , তিনিই আমাকে আরোগ্য করেন।

৮১। ” যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন এবং তারপরে [ পুণরায় ] জীবিত করবেন।

৮২। ” এবং আমি আশা করি তিনি শেষ বিচারের দিনে আমার অপরাধ ক্ষমা করে দেবেন।

৮৩। ” হে আমার প্রভু ! আমাকে প্রজ্ঞা দান কর, এবং আমাকে পূণ্যাত্মাদের সাথে মিলিত করে দাও। ” ৩১৭৮

৩১৭৮। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে প্রভেদ করার পরে হযরত ইব্রাহীম তাঁর অন্তরের ইচ্ছাকে ব্যক্ত করেন প্রার্থনার মাধ্যমে। ১) তিনি তাঁর আত্মাকে উদ্ভাসিত করতে চান স্বর্গীয় জ্ঞানে [ ৮৩ ]। ২) তাঁর জীবন ও আত্মাকে সৎ কার্যে পূর্ণ করতে চান, যেনো তিনি পূণ্যাত্মাদের অর্ন্তভুক্ত হতে পারেন [ ৮৩ ]। ৩) তিনি শুধুমাত্র নিজের জন্য বা তাঁর সমসাময়িক সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেই পরিতৃপ্ত নন। তিনি ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝেও তার সুকৃতি বিস্তার করতে চান [৮৪]। ৪) তাঁর জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে বেহেশতের সুখ ও শান্তি এবং মোমেন বান্দারূপে আল্লাহ্‌ দরবারে স্বীকৃতি [৮৫]। ৫) তিনি তাঁর পথভ্রষ্ট পিতা ও অন্যান্য পরলোকগত আত্নীয়দের সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক সুখ ও শান্তি ভোগ করতে চান। সে জন্য তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। যেনো শেষ বিচারের দিনে আল্লাহ্‌ তাদের ক্ষমা করেন [ ৮৬ ]।

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর
“O my Lord! bestow wisdom on me, and join me with the righteous;

رَبِّ هَبْ لِي حُكْمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ
Rabbi hab lee hukman waalhiqnee bialssaliheena

YUSUFALI: “O my Lord! bestow wisdom on me, and join me with the righteous;
PICKTHAL: My Lord! Vouchsafe me wisdom and unite me to the righteous.
SHAKIR: My Lord: Grant me wisdom, and join me with the good
KHALIFA: “My Lord, grant me wisdom, and include me with the righteous.

৭৮। ” যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই আমাকে সুপথে পরিচালনা করেন।

৭৯। ” যিনি আমাকে খাদ্য ও পানীয় দান করেন।

৮০। ” এবং যখন আমি অসুস্থ থাকি , তিনিই আমাকে আরোগ্য করেন।

৮১। ” যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন এবং তারপরে [ পুণরায় ] জীবিত করবেন।

৮২। ” এবং আমি আশা করি তিনি শেষ বিচারের দিনে আমার অপরাধ ক্ষমা করে দেবেন।

৮৩। ” হে আমার প্রভু ! আমাকে প্রজ্ঞা দান কর, এবং আমাকে পূণ্যাত্মাদের সাথে মিলিত করে দাও। ” ৩১৭৮

৩১৭৮। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে প্রভেদ করার পরে হযরত ইব্রাহীম তাঁর অন্তরের ইচ্ছাকে ব্যক্ত করেন প্রার্থনার মাধ্যমে। ১) তিনি তাঁর আত্মাকে উদ্ভাসিত করতে চান স্বর্গীয় জ্ঞানে [ ৮৩ ]। ২) তাঁর জীবন ও আত্মাকে সৎ কার্যে পূর্ণ করতে চান, যেনো তিনি পূণ্যাত্মাদের অর্ন্তভুক্ত হতে পারেন [ ৮৩ ]। ৩) তিনি শুধুমাত্র নিজের জন্য বা তাঁর সমসাময়িক সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেই পরিতৃপ্ত নন। তিনি ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝেও তার সুকৃতি বিস্তার করতে চান [৮৪]। ৪) তাঁর জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে বেহেশতের সুখ ও শান্তি এবং মোমেন বান্দারূপে আল্লাহ্‌ দরবারে স্বীকৃতি [৮৫]। ৫) তিনি তাঁর পথভ্রষ্ট পিতা ও অন্যান্য পরলোকগত আত্নীয়দের সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক সুখ ও শান্তি ভোগ করতে চান। সে জন্য তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। যেনো শেষ বিচারের দিনে আল্লাহ্‌ তাদের ক্ষমা করেন [ ৮৬ ]।

এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।
“Grant me honourable mention on the tongue of truth among the latest (generations);

وَاجْعَل لِّي لِسَانَ صِدْقٍ فِي الْآخِرِينَ
WaijAAal lee lisana sidqin fee al-akhireena

YUSUFALI: “Grant me honourable mention on the tongue of truth among the latest (generations);
PICKTHAL: And give unto me a good report in later generations.
SHAKIR: And ordain for me a goodly mention among posterity
KHALIFA: “Let the example I set for the future generations be a good one.

৮৪। ” পরবর্তী [ প্রজন্মের ] মাঝে যারা সত্যবাদী তাদের মধ্যে আমাকে সম্মানীয় করো। ” ৩১৭৯

৩১৭৯। দেখুন আয়াত [ ১৯ : ৫০ ]। সূরা মরিয়মে [ ১৯ ] এর হযরত ইব্রাহীম সম্বন্ধে যা বর্ণনা করা হয়েছে তা তুলনা করুন বর্তমান সূরার আয়াতসমূহের সাথে।

এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।
“Make me one of the inheritors of the Garden of Bliss;

وَاجْعَلْنِي مِن وَرَثَةِ جَنَّةِ النَّعِيمِ
WaijAAalnee min warathati jannati alnnaAAeemi

YUSUFALI: “Make me one of the inheritors of the Garden of Bliss;
PICKTHAL: And place me among the inheritors of the Garden of Delight,
SHAKIR: And make me of the heirs of the garden of bliss
KHALIFA: “Make me one of the inheritors of the blissful Paradise.

৮৫। ” আমাকে পরম সুখের বেহেশতের উত্তরাধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করো।”

৮৬। ” আমার পিতাকে ক্ষমা করো, নিশ্চয়ই সে পথভ্রষ্টদের একজন ছিলো। ”

৮৭। ” যেদিন সকলকে পুণরুত্থিত করা হবে , সেদিন আমাকে লাঞ্ছিত করো না ; –

৮৮। ” যেদিন ধন-সম্পদ বা সন্তান-সন্ততি কোন কাজেই আসবে না ; ৩১৮০

৩১৮০। এই আয়াতের মাধ্যমে হাশরের দিনের প্রকৃত অবস্থাকে তুলে ধরা হয়েছে। সেদিন ব্যক্তির ধন-সম্পদ, প্রভাব-প্রতিপত্তি, ক্ষমতা কোন কিছুই ব্যক্তির উপকারে আসবে না। যা উপকারে আসবে তা হচ্ছে ব্যক্তির পবিত্র হৃদয়। যে হৃদয় শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র প্রেমে সিক্ত পাপের কালিমা মুক্ত। এই পার্থিব জগতের সেই কাজই আল্লাহ্‌র কাছে শেষ বিচারের দিনে গ্রহণযোগ্য হবে যা শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত ছিলো। সৎ কাজের উদ্দেশ্য যদি খোদা প্রেম না হয় তবে তা হবে মূল্যহীন। পূণ্যাত্মাদের সম্মুখে বেহেশত এবং পাপীদের সম্মুখে দোযখ উম্মুক্ত হবে সেদিন। পাপ তার প্রকৃত স্বরূপে আর্বিভূত হবে। নিঃসঙ্গ , অসহায় হতাশ ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে পাপীরা। শেষ বিচারের দিনে পাপীদের জন্য মুক্তির সকল পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে।

এবং আমার পিতাকে ক্ষমা কর। সে তো পথভ্রষ্টদের অন্যতম।
“Forgive my father, for that he is among those astray;

وَاغْفِرْ لِأَبِي إِنَّهُ كَانَ مِنَ الضَّالِّينَ
Waighfir li-abee innahu kana mina alddalleena

YUSUFALI: “Forgive my father, for that he is among those astray;
PICKTHAL: And forgive my father. Lo! he is of those who err.
SHAKIR: And forgive my father, for surely he is of those who have gone astray;
KHALIFA: “And forgive my father, for he has gone astray.

৮৫। ” আমাকে পরম সুখের বেহেশতের উত্তরাধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করো।”

৮৬। ” আমার পিতাকে ক্ষমা করো, নিশ্চয়ই সে পথভ্রষ্টদের একজন ছিলো। ”

৮৭। ” যেদিন সকলকে পুণরুত্থিত করা হবে , সেদিন আমাকে লাঞ্ছিত করো না ; –

৮৮। ” যেদিন ধন-সম্পদ বা সন্তান-সন্ততি কোন কাজেই আসবে না ; ৩১৮০

৩১৮০। এই আয়াতের মাধ্যমে হাশরের দিনের প্রকৃত অবস্থাকে তুলে ধরা হয়েছে। সেদিন ব্যক্তির ধন-সম্পদ, প্রভাব-প্রতিপত্তি, ক্ষমতা কোন কিছুই ব্যক্তির উপকারে আসবে না। যা উপকারে আসবে তা হচ্ছে ব্যক্তির পবিত্র হৃদয়। যে হৃদয় শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র প্রেমে সিক্ত পাপের কালিমা মুক্ত। এই পার্থিব জগতের সেই কাজই আল্লাহ্‌র কাছে শেষ বিচারের দিনে গ্রহণযোগ্য হবে যা শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত ছিলো। সৎ কাজের উদ্দেশ্য যদি খোদা প্রেম না হয় তবে তা হবে মূল্যহীন। পূণ্যাত্মাদের সম্মুখে বেহেশত এবং পাপীদের সম্মুখে দোযখ উম্মুক্ত হবে সেদিন। পাপ তার প্রকৃত স্বরূপে আর্বিভূত হবে। নিঃসঙ্গ , অসহায় হতাশ ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে পাপীরা। শেষ বিচারের দিনে পাপীদের জন্য মুক্তির সকল পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে।

এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,
“And let me not be in disgrace on the Day when (men) will be raised up;-

وَلَا تُخْزِنِي يَوْمَ يُبْعَثُونَ
Wala tukhzinee yawma yubAAathoona

YUSUFALI: “And let me not be in disgrace on the Day when (men) will be raised up;-
PICKTHAL: And abase me not on the day when they are raised,
SHAKIR: And disgrace me not on the day when they are raised
KHALIFA: “And do not forsake me on the Day of Resurrection.”

৮৫। ” আমাকে পরম সুখের বেহেশতের উত্তরাধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করো।”

৮৬। ” আমার পিতাকে ক্ষমা করো, নিশ্চয়ই সে পথভ্রষ্টদের একজন ছিলো। ”

৮৭। ” যেদিন সকলকে পুণরুত্থিত করা হবে , সেদিন আমাকে লাঞ্ছিত করো না ; –

৮৮। ” যেদিন ধন-সম্পদ বা সন্তান-সন্ততি কোন কাজেই আসবে না ; ৩১৮০

৩১৮০। এই আয়াতের মাধ্যমে হাশরের দিনের প্রকৃত অবস্থাকে তুলে ধরা হয়েছে। সেদিন ব্যক্তির ধন-সম্পদ, প্রভাব-প্রতিপত্তি, ক্ষমতা কোন কিছুই ব্যক্তির উপকারে আসবে না। যা উপকারে আসবে তা হচ্ছে ব্যক্তির পবিত্র হৃদয়। যে হৃদয় শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র প্রেমে সিক্ত পাপের কালিমা মুক্ত। এই পার্থিব জগতের সেই কাজই আল্লাহ্‌র কাছে শেষ বিচারের দিনে গ্রহণযোগ্য হবে যা শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত ছিলো। সৎ কাজের উদ্দেশ্য যদি খোদা প্রেম না হয় তবে তা হবে মূল্যহীন। পূণ্যাত্মাদের সম্মুখে বেহেশত এবং পাপীদের সম্মুখে দোযখ উম্মুক্ত হবে সেদিন। পাপ তার প্রকৃত স্বরূপে আর্বিভূত হবে। নিঃসঙ্গ , অসহায় হতাশ ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে পাপীরা। শেষ বিচারের দিনে পাপীদের জন্য মুক্তির সকল পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে।

যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;
“The Day whereon neither wealth nor sons will avail,

يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ
Yawma la yanfaAAu malun wala banoona

YUSUFALI: “The Day whereon neither wealth nor sons will avail,
PICKTHAL: The day when wealth and sons avail not (any man)
SHAKIR: The day on which property will not avail, nor sons
KHALIFA: That is the day when neither money, nor children, can help.

৮৫। ” আমাকে পরম সুখের বেহেশতের উত্তরাধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করো।”

৮৬। ” আমার পিতাকে ক্ষমা করো, নিশ্চয়ই সে পথভ্রষ্টদের একজন ছিলো। ”

৮৭। ” যেদিন সকলকে পুণরুত্থিত করা হবে , সেদিন আমাকে লাঞ্ছিত করো না ; –

৮৮। ” যেদিন ধন-সম্পদ বা সন্তান-সন্ততি কোন কাজেই আসবে না ; ৩১৮০

৩১৮০। এই আয়াতের মাধ্যমে হাশরের দিনের প্রকৃত অবস্থাকে তুলে ধরা হয়েছে। সেদিন ব্যক্তির ধন-সম্পদ, প্রভাব-প্রতিপত্তি, ক্ষমতা কোন কিছুই ব্যক্তির উপকারে আসবে না। যা উপকারে আসবে তা হচ্ছে ব্যক্তির পবিত্র হৃদয়। যে হৃদয় শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র প্রেমে সিক্ত পাপের কালিমা মুক্ত। এই পার্থিব জগতের সেই কাজই আল্লাহ্‌র কাছে শেষ বিচারের দিনে গ্রহণযোগ্য হবে যা শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত ছিলো। সৎ কাজের উদ্দেশ্য যদি খোদা প্রেম না হয় তবে তা হবে মূল্যহীন। পূণ্যাত্মাদের সম্মুখে বেহেশত এবং পাপীদের সম্মুখে দোযখ উম্মুক্ত হবে সেদিন। পাপ তার প্রকৃত স্বরূপে আর্বিভূত হবে। নিঃসঙ্গ , অসহায় হতাশ ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে পাপীরা। শেষ বিচারের দিনে পাপীদের জন্য মুক্তির সকল পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে।

কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।
“But only he (will prosper) that brings to Allah a sound heart;

إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ
Illa man ata Allaha biqalbin saleemin

YUSUFALI: “But only he (will prosper) that brings to Allah a sound heart;
PICKTHAL: Save him who bringeth unto Allah a whole heart.
SHAKIR: Except him who comes to Allah with a heart free (from evil).
KHALIFA: Only those who come to GOD with their whole heart (will be saved).

৮৯। ” শুধুমাত্র সে-ই হবে [ সফলকাম ] যে আল্লাহ্‌র নিকট নির্দোষ [ পবিত্র ] আত্মা নিয়ে উপস্থিত হবে।”

৯০। পূণ্যাত্মাদের জন্য বেহেশতকে নিকটবর্তী করা হবে , ৩১৮১

৩১৮১। যারা পৃথিবীতে পাপকে পরিহার করে পবিত্র জীবন যাপন করেছেন , শেষ বিচারের দিনে তাদের সম্মুখে বেহেশত ভাস্বর হবে, বেহেশতের শান্তি তারা অনুভব করবে আত্মার মাঝে। অপরপক্ষে , পাপীরা তাদের সম্মুখে দোযখের আগুন প্রত্যক্ষ করবে। এই পৃথিবীতেই দেখা যায় যে, পূণ্যাত্মা ও পাপীদের মানসিক অবস্থা উপরের বর্ণনার ন্যায়। এই পৃথিবীতেই পূণ্যাত্মারা তাদের আল্লাহ্‌র নূরে আলোকিত আত্মার মাঝে বেহেশতি শান্তির পরশ অনুভব করেন। অপরপক্ষে পাপীদের আল্লাহ্‌র নূর বঞ্চিত অন্ধকারচ্ছন্ন আত্মায় বিরাজ করে অস্থিরতা ,যন্ত্রণা , হতাশা , যা দোযখের আগুনের সমতুল্য।

জান্নাত আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে।
“To the righteous, the Garden will be brought near,

وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ
Waozlifati aljannatu lilmuttaqeena

YUSUFALI: “To the righteous, the Garden will be brought near,
PICKTHAL: And the Garden will be brought nigh for those who ward off (evil).
SHAKIR: And the garden shall be brought near for those who guard (against evil),
KHALIFA: Paradise will be presented to the righteous.

৮৯। ” শুধুমাত্র সে-ই হবে [ সফলকাম ] যে আল্লাহ্‌র নিকট নির্দোষ [ পবিত্র ] আত্মা নিয়ে উপস্থিত হবে।”

৯০। পূণ্যাত্মাদের জন্য বেহেশতকে নিকটবর্তী করা হবে , ৩১৮১

৩১৮১। যারা পৃথিবীতে পাপকে পরিহার করে পবিত্র জীবন যাপন করেছেন , শেষ বিচারের দিনে তাদের সম্মুখে বেহেশত ভাস্বর হবে, বেহেশতের শান্তি তারা অনুভব করবে আত্মার মাঝে। অপরপক্ষে , পাপীরা তাদের সম্মুখে দোযখের আগুন প্রত্যক্ষ করবে। এই পৃথিবীতেই দেখা যায় যে, পূণ্যাত্মা ও পাপীদের মানসিক অবস্থা উপরের বর্ণনার ন্যায়। এই পৃথিবীতেই পূণ্যাত্মারা তাদের আল্লাহ্‌র নূরে আলোকিত আত্মার মাঝে বেহেশতি শান্তির পরশ অনুভব করেন। অপরপক্ষে পাপীদের আল্লাহ্‌র নূর বঞ্চিত অন্ধকারচ্ছন্ন আত্মায় বিরাজ করে অস্থিরতা ,যন্ত্রণা , হতাশা , যা দোযখের আগুনের সমতুল্য।

এবং বিপথগামীদের সামনে উম্মোচিত করা হবে জাহান্নাম।
“And to those straying in Evil, the Fire will be placed in full view;

وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِلْغَاوِينَ
Waburrizati aljaheemu lilghaweena

YUSUFALI: “And to those straying in Evil, the Fire will be placed in full view;
PICKTHAL: And hell will appear plainly to the erring.
SHAKIR: And the hell shall be made manifest to the erring ones,
KHALIFA: Hell will be set up for the strayers.

৯১। এবং যারা পাপের পথে গমন করে, [ দোযখের ] আগুন তাদের দৃষ্টিতে পূর্ণরূপে উদ্ভাসিত করা হবে।

৯২। এবং তাদের বলা হবে , ” তারা এখন কোথায় ; তোমরা যাদের পূঁজা করতে, –

৯৩। ” আল্লাহ্‌র পরিবর্তে ? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে অথবা আত্মরক্ষা করতে সক্ষম ? ”

৯৪। অতঃপর তাদের এবং যারা পাপের পথে পরিভ্রমণ করে [সকলকে ] জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করা হবে অধোমুখী করে ৩১৮২;-

৩১৮২। পাপী এবং যারা মিথ্যা উপাস্যের উপাসনা করে, তাদের এবং তাদের উপাস্য , এবং সকল পাপের উৎস শয়তান ও তার পরিষদবর্গকে দোযখে নিক্ষেপ করা হবে।

তাদেরকে বলা হবেঃ তারা কোথায়, তোমরা যাদের পূজা করতে।
“And it shall be said to them: ‘Where are the (gods) ye worshipped-

وَقِيلَ لَهُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ
Waqeela lahum ayna ma kuntum taAAbudoona

YUSUFALI: “And it shall be said to them: ‘Where are the (gods) ye worshipped-
PICKTHAL: And it will be said unto them: Where is (all) that ye used to worship
SHAKIR: And it shall be said to them: Where are those that you used to worship;
KHALIFA: They will be asked, “Where are the idols you had worshiped

৯১। এবং যারা পাপের পথে গমন করে, [ দোযখের ] আগুন তাদের দৃষ্টিতে পূর্ণরূপে উদ্ভাসিত করা হবে।

৯২। এবং তাদের বলা হবে , ” তারা এখন কোথায় ; তোমরা যাদের পূঁজা করতে, –

৯৩। ” আল্লাহ্‌র পরিবর্তে ? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে অথবা আত্মরক্ষা করতে সক্ষম ? ”

৯৪। অতঃপর তাদের এবং যারা পাপের পথে পরিভ্রমণ করে [সকলকে ] জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করা হবে অধোমুখী করে ৩১৮২;-

৩১৮২। পাপী এবং যারা মিথ্যা উপাস্যের উপাসনা করে, তাদের এবং তাদের উপাস্য , এবং সকল পাপের উৎস শয়তান ও তার পরিষদবর্গকে দোযখে নিক্ষেপ করা হবে।

আল্লাহর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে, অথবা তারা প্রতিশোধ নিতে পারে?
“‘Besides Allah. Can they help you or help themselves?’

مِن دُونِ اللَّهِ هَلْ يَنصُرُونَكُمْ أَوْ يَنتَصِرُونَ
Min dooni Allahi hal yansuroonakum aw yantasiroona

YUSUFALI: “‘Besides Allah? Can they help you or help themselves?’
PICKTHAL: Instead of Allah? Can they help you or help themselves?
SHAKIR: Besides Allah? Can they help you or yet help themselves?
KHALIFA: “beside GOD? Can they help you now? Can they help themselves?”

৯১। এবং যারা পাপের পথে গমন করে, [ দোযখের ] আগুন তাদের দৃষ্টিতে পূর্ণরূপে উদ্ভাসিত করা হবে।

৯২। এবং তাদের বলা হবে , ” তারা এখন কোথায় ; তোমরা যাদের পূঁজা করতে, –

৯৩। ” আল্লাহ্‌র পরিবর্তে ? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে অথবা আত্মরক্ষা করতে সক্ষম ? ”

৯৪। অতঃপর তাদের এবং যারা পাপের পথে পরিভ্রমণ করে [সকলকে ] জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করা হবে অধোমুখী করে ৩১৮২;-

৩১৮২। পাপী এবং যারা মিথ্যা উপাস্যের উপাসনা করে, তাদের এবং তাদের উপাস্য , এবং সকল পাপের উৎস শয়তান ও তার পরিষদবর্গকে দোযখে নিক্ষেপ করা হবে।

অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে আধোমুখি করে নিক্ষেপ করা হবে জাহান্নামে।
“Then they will be thrown headlong into the (Fire),- they and those straying in Evil,

فَكُبْكِبُوا فِيهَا هُمْ وَالْغَاوُونَ
Fakubkiboo feeha hum waalghawoona

YUSUFALI: “Then they will be thrown headlong into the (Fire),- they and those straying in Evil,
PICKTHAL: Then will they be hurled therein, they and the seducers
SHAKIR: So they shall be thrown down into it, they and the erring ones,
KHALIFA: They will be thrown therein, together with the strayers.

৯১। এবং যারা পাপের পথে গমন করে, [ দোযখের ] আগুন তাদের দৃষ্টিতে পূর্ণরূপে উদ্ভাসিত করা হবে।

৯২। এবং তাদের বলা হবে , ” তারা এখন কোথায় ; তোমরা যাদের পূঁজা করতে, –

৯৩। ” আল্লাহ্‌র পরিবর্তে ? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে অথবা আত্মরক্ষা করতে সক্ষম ? ”

৯৪। অতঃপর তাদের এবং যারা পাপের পথে পরিভ্রমণ করে [সকলকে ] জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করা হবে অধোমুখী করে ৩১৮২;-

৩১৮২। পাপী এবং যারা মিথ্যা উপাস্যের উপাসনা করে, তাদের এবং তাদের উপাস্য , এবং সকল পাপের উৎস শয়তান ও তার পরিষদবর্গকে দোযখে নিক্ষেপ করা হবে।

এবং ইবলীস বাহিনীর সকলকে।
“And the whole hosts of Iblis together.

وَجُنُودُ إِبْلِيسَ أَجْمَعُونَ
Wajunoodu ibleesa ajmaAAoona

YUSUFALI: “And the whole hosts of Iblis together.
PICKTHAL: And the hosts of Iblis, together.
SHAKIR: And the hosts of the Shaitan, all.
KHALIFA: And all of Satan’s soldiers.

৯৫। এবং ইবলীসের বাহিনীর সকলকেও।

৯৬। সেখানে তারা পরস্পর কলহে লিপ্ত হয়ে বলবে,

৯৭। ” আল্লার্হ‌ শপথ, আমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে ছিলাম , ৩১৮৩

৩১৮৩। যারা পাপী ও আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য কিছুকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিলো। তাদের সকলের সম্মুখে তাদের ভুল বা বিভ্রান্তি সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হবে। তাদের আক্ষেপকেই এই আয়াতের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। তারা আক্ষেপ করে বলবে যে, ” আমরা তো পৃথিবীতে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে ছিলাম। আমাদের এই বিভ্রান্তি পূর্বেই উপলব্ধি করা উচিত ছিলো, কারণ আল্লাহ্‌র একত্বের নিদর্শন পৃথিবীব্যপী ছড়ানো ছিলো, তার করুণাধারা, অমিয় ধারা বিশ্বচরাচরকে পরিব্যপ্ত করে রেখেছিলো , কিন্তু আমরা তা অনুধাবনে ব্যর্থ হই। হাশরের ময়দানে তাদের এই উপলব্ধি ঘটবে কারণ তাদের জ্ঞান চক্ষু উন্মীলিত হবে।

তারা তথায় কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়ে বলবেঃ
“They will say there in their mutual bickerings:

قَالُوا وَهُمْ فِيهَا يَخْتَصِمُونَ
Qaloo wahum feeha yakhtasimoona

YUSUFALI: “They will say there in their mutual bickerings:
PICKTHAL: And they will say, when they are quarrelling therein:
SHAKIR: They shall say while they contend therein:
KHALIFA: They will say as they feud therein,

৯৫। এবং ইবলীসের বাহিনীর সকলকেও।

৯৬। সেখানে তারা পরস্পর কলহে লিপ্ত হয়ে বলবে,

৯৭। ” আল্লার্হ‌ শপথ, আমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে ছিলাম , ৩১৮৩

৩১৮৩। যারা পাপী ও আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য কিছুকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিলো। তাদের সকলের সম্মুখে তাদের ভুল বা বিভ্রান্তি সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হবে। তাদের আক্ষেপকেই এই আয়াতের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। তারা আক্ষেপ করে বলবে যে, ” আমরা তো পৃথিবীতে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে ছিলাম। আমাদের এই বিভ্রান্তি পূর্বেই উপলব্ধি করা উচিত ছিলো, কারণ আল্লাহ্‌র একত্বের নিদর্শন পৃথিবীব্যপী ছড়ানো ছিলো, তার করুণাধারা, অমিয় ধারা বিশ্বচরাচরকে পরিব্যপ্ত করে রেখেছিলো , কিন্তু আমরা তা অনুধাবনে ব্যর্থ হই। হাশরের ময়দানে তাদের এই উপলব্ধি ঘটবে কারণ তাদের জ্ঞান চক্ষু উন্মীলিত হবে।

আল্লাহর কসম, আমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে লিপ্ত ছিলাম।
“‘By Allah, we were truly in an error manifest,

تَاللَّهِ إِن كُنَّا لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
TaAllahi in kunna lafee dalalin mubeenin

YUSUFALI: “‘By Allah, we were truly in an error manifest,
PICKTHAL: By Allah, of a truth we were in error manifest
SHAKIR: By Allah! we were certainly in manifest error,
KHALIFA: “By GOD, we were far astray.

৯৫। এবং ইবলীসের বাহিনীর সকলকেও।

৯৬। সেখানে তারা পরস্পর কলহে লিপ্ত হয়ে বলবে,

৯৭। ” আল্লার্হ‌ শপথ, আমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে ছিলাম , ৩১৮৩

৩১৮৩। যারা পাপী ও আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য কিছুকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিলো। তাদের সকলের সম্মুখে তাদের ভুল বা বিভ্রান্তি সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হবে। তাদের আক্ষেপকেই এই আয়াতের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। তারা আক্ষেপ করে বলবে যে, ” আমরা তো পৃথিবীতে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে ছিলাম। আমাদের এই বিভ্রান্তি পূর্বেই উপলব্ধি করা উচিত ছিলো, কারণ আল্লাহ্‌র একত্বের নিদর্শন পৃথিবীব্যপী ছড়ানো ছিলো, তার করুণাধারা, অমিয় ধারা বিশ্বচরাচরকে পরিব্যপ্ত করে রেখেছিলো , কিন্তু আমরা তা অনুধাবনে ব্যর্থ হই। হাশরের ময়দানে তাদের এই উপলব্ধি ঘটবে কারণ তাদের জ্ঞান চক্ষু উন্মীলিত হবে।

যখন আমরা তোমাদেরকে বিশ্ব-পালনকর্তার সমতুল্য গন্য করতাম।
“‘When we held you as equals with the Lord of the Worlds;

إِذْ نُسَوِّيكُم بِرَبِّ الْعَالَمِينَ
Ith nusawweekum birabbi alAAalameena

YUSUFALI: “‘When we held you as equals with the Lord of the Worlds;
PICKTHAL: When we made you equal with the Lord of the Worlds.
SHAKIR: When we made you equal to the Lord of the worlds;
KHALIFA: “How could we set you up to rank with the Lord of the universe?

৯৮। ” যখন তোমাদের জগৎ সমূহের প্রভুর সঙ্গে সমান বলে গ্রহণ করেছিলাম ;

৯৯। ” এবং আমাদের প্রলুব্ধকারী ছিলো তারাই যারা পাপে ছিলো [ আকণ্ঠ ] নিমজ্জিত ৩১৮৪।

৩১৮৪। হাশরের ময়দানে প্রত্যেকে তাঁদের কর্মফলকে প্রত্যক্ষ করবে। তাদের কাজে যারা পথপ্রদর্শক ছিলো, যারা তাদের পাপের পথে অগ্রবর্তী ভূমিকা পালন করে প্রভাবিত করেছিলো, তাদের স্বরূপ উদ্ঘাটিত হবে। সেদিন পাপী এবং পাপকার্যে প্ররোচনাকারী উভয়েই বিচারের সম্মুখীন হবে এবং উভয়কেই শাস্তি দান করা হবে। পাপীদের মনে আক্ষেপের আগুন প্রজ্জ্বলিত হবে এই ভেবে যে, কেন পূর্বেই তারা এসব প্ররোচনাকারীদের স্বরূপ বুঝতে পারে নাই ? যদি পারতো তবে কি তারা এসব দুষ্কৃতিকারীদের অনুসরণ করতো যারা নিজেরাই শাস্তির যোগ্য ? পাপ কাজ এ ভাবেই বিভ্রান্তির দ্বারা প্রকৃত দুষ্কৃতিকারীদের সনাক্ত করতে বাঁধার সৃষ্টি করে থাকে। পাপীরা সঠিক পথের পরিবর্তে ভ্রান্ত পথ গ্রহণ করে এবং দৃষ্কৃতিকারীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। যদিও তদের পুণঃ পুণঃ সর্তক করা হয়েছিলো। এটা ছিলো তাদের জন্য নির্বুদ্ধিতা।

আমাদেরকে দুষ্টকর্মীরাই গোমরাহ করেছিল।
“‘And our seducers were only those who were steeped in guilt.

وَمَا أَضَلَّنَا إِلَّا الْمُجْرِمُونَ
Wama adallana illa almujrimoona

YUSUFALI: “‘And our seducers were only those who were steeped in guilt.
PICKTHAL: It was but the guilty who misled us.
SHAKIR: And none but the guilty led us astray;
KHALIFA: “Those who misled us were wicked.

৯৮। ” যখন তোমাদের জগৎ সমূহের প্রভুর সঙ্গে সমান বলে গ্রহণ করেছিলাম ;

৯৯। ” এবং আমাদের প্রলুব্ধকারী ছিলো তারাই যারা পাপে ছিলো [ আকণ্ঠ ] নিমজ্জিত ৩১৮৪।

৩১৮৪। হাশরের ময়দানে প্রত্যেকে তাঁদের কর্মফলকে প্রত্যক্ষ করবে। তাদের কাজে যারা পথপ্রদর্শক ছিলো, যারা তাদের পাপের পথে অগ্রবর্তী ভূমিকা পালন করে প্রভাবিত করেছিলো, তাদের স্বরূপ উদ্ঘাটিত হবে। সেদিন পাপী এবং পাপকার্যে প্ররোচনাকারী উভয়েই বিচারের সম্মুখীন হবে এবং উভয়কেই শাস্তি দান করা হবে। পাপীদের মনে আক্ষেপের আগুন প্রজ্জ্বলিত হবে এই ভেবে যে, কেন পূর্বেই তারা এসব প্ররোচনাকারীদের স্বরূপ বুঝতে পারে নাই ? যদি পারতো তবে কি তারা এসব দুষ্কৃতিকারীদের অনুসরণ করতো যারা নিজেরাই শাস্তির যোগ্য ? পাপ কাজ এ ভাবেই বিভ্রান্তির দ্বারা প্রকৃত দুষ্কৃতিকারীদের সনাক্ত করতে বাঁধার সৃষ্টি করে থাকে। পাপীরা সঠিক পথের পরিবর্তে ভ্রান্ত পথ গ্রহণ করে এবং দৃষ্কৃতিকারীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। যদিও তদের পুণঃ পুণঃ সর্তক করা হয়েছিলো। এটা ছিলো তাদের জন্য নির্বুদ্ধিতা।

অতএব আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই।
“‘Now, then, we have none to intercede (for us),

فَمَا لَنَا مِن شَافِعِينَ
Fama lana min shafiAAeena

YUSUFALI: “‘Now, then, we have none to intercede (for us),
PICKTHAL: Now we have no intercessors
SHAKIR: So we have no intercessors,
KHALIFA: “Now we have no intercessors.

১০০। ” এখন আমাদের না আছে কোন সুপারিশকারী ;

১০১। ” না আছে কোন দরদী বন্ধু।

১০২। ” এখন যদি আমাদের [ দুনিয়ায় ] ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হতো তবে আমরা অবশ্যই বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম।” ৩১৮৫

৩১৮৫। পাপীরা সেদিন হাহাকার করবে আর একবার পৃথিবীতে ফিরে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তাদের এই হাহাকার প্রকৃত পক্ষে আন্তরিক নয়। যদি তাদের সত্যিকারের ভাবে পৃথিবীতে ফেরত পাঠানো হতো , তবে তারা অনুতাপের মাধ্যমে সঠিক পথে চলার পরিবর্তে , আবার ভ্রান্ত পথে, পাপ কাজে নিমজ্জিত হতো [ ৬ : ২৭ – ২৮ ]। কারণ পাপী ব্যক্তিরা হচ্ছে মিথ্যাবাদী – আর মিথ্যাবাদী মাত্রই হবে মোনাফেক। মোনাফেক এবং মিথ্যাবাদীরা যা বলে এবং প্রতিজ্ঞা করে তার প্রতি তারা কখনও বিশ্বস্ত নয়। এই অভ্যেস তাদের চরিত্রের অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়। সুতারাং তাদের পক্ষে প্রকৃত বিশ্বস্ততা অর্জন করা সম্ভব নয়। যদি তাদের আর একবার সুযোগ দেয়া হয় , তবে তারা আবারও এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করবে, কারণ পূর্বেই পৃথিবীতে তাদের পাপের পথ ত্যাগ করে সৎপথে ফিরে আসার জন্য বহু বার সুযোগ আল্লাহ্‌ দান করেছেন। কিন্তু তারা সে সুযোগের সদ্ব্যবহার না করে তা অসৎ কাজে ও পাপের পথে ব্যয় করে।

এবং কোন সহৃদয় বন্ধু ও নেই।
“‘Nor a single friend to feel (for us).

وَلَا صَدِيقٍ حَمِيمٍ
Wala sadeeqin hameemin

YUSUFALI: “‘Nor a single friend to feel (for us).
PICKTHAL: Nor any loving friend.
SHAKIR: Nor a true friend;
KHALIFA: “Nor a single close friend.

১০০। ” এখন আমাদের না আছে কোন সুপারিশকারী ;

১০১। ” না আছে কোন দরদী বন্ধু।

১০২। ” এখন যদি আমাদের [ দুনিয়ায় ] ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হতো তবে আমরা অবশ্যই বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম।” ৩১৮৫

৩১৮৫। পাপীরা সেদিন হাহাকার করবে আর একবার পৃথিবীতে ফিরে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তাদের এই হাহাকার প্রকৃত পক্ষে আন্তরিক নয়। যদি তাদের সত্যিকারের ভাবে পৃথিবীতে ফেরত পাঠানো হতো , তবে তারা অনুতাপের মাধ্যমে সঠিক পথে চলার পরিবর্তে , আবার ভ্রান্ত পথে, পাপ কাজে নিমজ্জিত হতো [ ৬ : ২৭ – ২৮ ]। কারণ পাপী ব্যক্তিরা হচ্ছে মিথ্যাবাদী – আর মিথ্যাবাদী মাত্রই হবে মোনাফেক। মোনাফেক এবং মিথ্যাবাদীরা যা বলে এবং প্রতিজ্ঞা করে তার প্রতি তারা কখনও বিশ্বস্ত নয়। এই অভ্যেস তাদের চরিত্রের অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়। সুতারাং তাদের পক্ষে প্রকৃত বিশ্বস্ততা অর্জন করা সম্ভব নয়। যদি তাদের আর একবার সুযোগ দেয়া হয় , তবে তারা আবারও এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করবে, কারণ পূর্বেই পৃথিবীতে তাদের পাপের পথ ত্যাগ করে সৎপথে ফিরে আসার জন্য বহু বার সুযোগ আল্লাহ্‌ দান করেছেন। কিন্তু তারা সে সুযোগের সদ্ব্যবহার না করে তা অসৎ কাজে ও পাপের পথে ব্যয় করে।

হায়, যদি কোনরুপে আমরা পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ পেতাম, তবে আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।
“‘Now if we only had a chance of return we shall truly be of those who believe!’”

فَلَوْ أَنَّ لَنَا كَرَّةً فَنَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ
Falaw anna lana karratan fanakoona mina almu/mineena

YUSUFALI: “‘Now if we only had a chance of return we shall truly be of those who believe!’”
PICKTHAL: Oh, that we had another turn (on earth), that we might be of the believers!
SHAKIR: But if we could but once return, we would be of the believers.
KHALIFA: “If only we could get another chance, we would then believe.”

১০০। ” এখন আমাদের না আছে কোন সুপারিশকারী ;

১০১। ” না আছে কোন দরদী বন্ধু।

১০২। ” এখন যদি আমাদের [ দুনিয়ায় ] ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হতো তবে আমরা অবশ্যই বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম।” ৩১৮৫

৩১৮৫। পাপীরা সেদিন হাহাকার করবে আর একবার পৃথিবীতে ফিরে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তাদের এই হাহাকার প্রকৃত পক্ষে আন্তরিক নয়। যদি তাদের সত্যিকারের ভাবে পৃথিবীতে ফেরত পাঠানো হতো , তবে তারা অনুতাপের মাধ্যমে সঠিক পথে চলার পরিবর্তে , আবার ভ্রান্ত পথে, পাপ কাজে নিমজ্জিত হতো [ ৬ : ২৭ – ২৮ ]। কারণ পাপী ব্যক্তিরা হচ্ছে মিথ্যাবাদী – আর মিথ্যাবাদী মাত্রই হবে মোনাফেক। মোনাফেক এবং মিথ্যাবাদীরা যা বলে এবং প্রতিজ্ঞা করে তার প্রতি তারা কখনও বিশ্বস্ত নয়। এই অভ্যেস তাদের চরিত্রের অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়। সুতারাং তাদের পক্ষে প্রকৃত বিশ্বস্ততা অর্জন করা সম্ভব নয়। যদি তাদের আর একবার সুযোগ দেয়া হয় , তবে তারা আবারও এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করবে, কারণ পূর্বেই পৃথিবীতে তাদের পাপের পথ ত্যাগ করে সৎপথে ফিরে আসার জন্য বহু বার সুযোগ আল্লাহ্‌ দান করেছেন। কিন্তু তারা সে সুযোগের সদ্ব্যবহার না করে তা অসৎ কাজে ও পাপের পথে ব্যয় করে।

নিশ্চয়, এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
Verily in this is a Sign but most of them do not believe.

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ
Inna fee thalika laayatan wama kana aktharuhum mu/mineena

YUSUFALI: Verily in this is a Sign but most of them do not believe.
PICKTHAL: Lo! herein is indeed a portent, yet most of them are not believers!
SHAKIR: Most surely there is a sign in this, but most of them do not believe.
KHALIFA: This should be a good lesson. But most people are not believers.

১০৩। অবশ্যই ইহাতে [ ইব্রাহীমের কাহিনীতে ] এক নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের বেশীর ভাগ লোকই বিশ্বাস করে না।

আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ
Wa-inna rabbaka lahuwa alAAazeezu alrraheemu

YUSUFALI: And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.
PICKTHAL: And lo, thy Lord! He is indeed the Mighty, the Merciful.
SHAKIR: And most surely your Lord is the Mighty, the Merciful.
KHALIFA: Your Lord is the Almighty, Most Merciful.

১০৪। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু ক্ষমতায় পরাক্রমশালী ,পরম করুণাময়।

নূহের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যারোপ করেছে।
The people of Noah rejected the apostles.

كَذَّبَتْ قَوْمُ نُوحٍ الْمُرْسَلِينَ
Kaththabat qawmu noohin almursaleena

YUSUFALI: The people of Noah rejected the messengers.
PICKTHAL: Noah’s folk denied the messengers (of Allah),
SHAKIR: The people of Nuh rejected the messengers.
KHALIFA: The people of Noah disbelieved the messengers.

রুকু – ৬

১০৫। নূহ্‌ এর সম্প্রদায়ের লোকেরা রাসুলকে প্রত্যাখান করেছিলো।

১০৬। স্মরণ কর ! তাদের ভাই নূহ্‌ তাদের বলেছিলো , ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ? ৩১৮৬

৩১৮৬। নূহ্‌ এর সম্প্রদায় আল্লাহ্‌র বিধানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের পরিবর্তে পাপের পঙ্কে নিমজ্জিত ছিলো। তারা পূর্ববর্তী পয়গম্বরদের নিকট প্রেরিত আল্লাহ্‌র হুকুম সমূহ মিথ্যা জ্ঞানে অস্বীকার করে পাপের পঙ্কে নিমজ্জিত থাকতো। আল্লাহ্‌ নূহ্‌ কে প্রেরণ করেন তাদের সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য। নূহ্‌ ছিলেন তাদেরই সম্প্রদায়ের একজন [ তাদের ভাই ]। সুতারাং নূহ্‌ এর পূত পবিত্র জীবন, তাঁর স্বচ্ছ চারিত্রিক গুণাবলী তার সম্প্রদায়ের লোকেরা অবগত ছিলো [ যেমন ছিলো কোরেশরা হযরত মুহম্মদ [সা] এর চরিত্র সম্বন্ধে ]। আল্লাহ্‌র অন্যান্য পয়গম্বরদের ন্যায় নূহ্‌ এর অন্তঃকরণ ও চরিত্র ছিলো পূত পবিত্র, তাঁর বিশ্বস্ততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ছিলো প্রশ্নাতীত। এ রকম এক ব্যক্তি যখন আল্লাহ্‌র আনুগত্যের দিকে আহ্বান করে তখনও কি তারা তা গ্রহণ করবে না ? তবুও কি তারা ভ্রান্ত পথ ত্যাগ করে সুপথে আসবে না ?

যখন তাদের ভ্রাতা নূহ তাদেরকে বললেন, তোমাদের কি ভয় নেই?
Behold, their brother Noah said to them: “Will ye not fear ((Allah))?

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ نُوحٌ أَلَا تَتَّقُونَ
Ith qala lahum akhoohum noohun ala tattaqoona

YUSUFALI: Behold, their brother Noah said to them: “Will ye not fear (Allah)?
PICKTHAL: When their brother Noah said unto them: Will ye not ward off (evil)?
SHAKIR: When their brother Nuh said to them: Will you not guard (against evil)?
KHALIFA: Their brother Noah said to them, “Would you not be righteous?

রুকু – ৬

১০৫। নূহ্‌ এর সম্প্রদায়ের লোকেরা রাসুলকে প্রত্যাখান করেছিলো।

১০৬। স্মরণ কর ! তাদের ভাই নূহ্‌ তাদের বলেছিলো , ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ? ৩১৮৬

৩১৮৬। নূহ্‌ এর সম্প্রদায় আল্লাহ্‌র বিধানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের পরিবর্তে পাপের পঙ্কে নিমজ্জিত ছিলো। তারা পূর্ববর্তী পয়গম্বরদের নিকট প্রেরিত আল্লাহ্‌র হুকুম সমূহ মিথ্যা জ্ঞানে অস্বীকার করে পাপের পঙ্কে নিমজ্জিত থাকতো। আল্লাহ্‌ নূহ্‌ কে প্রেরণ করেন তাদের সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য। নূহ্‌ ছিলেন তাদেরই সম্প্রদায়ের একজন [ তাদের ভাই ]। সুতারাং নূহ্‌ এর পূত পবিত্র জীবন, তাঁর স্বচ্ছ চারিত্রিক গুণাবলী তার সম্প্রদায়ের লোকেরা অবগত ছিলো [ যেমন ছিলো কোরেশরা হযরত মুহম্মদ [সা] এর চরিত্র সম্বন্ধে ]। আল্লাহ্‌র অন্যান্য পয়গম্বরদের ন্যায় নূহ্‌ এর অন্তঃকরণ ও চরিত্র ছিলো পূত পবিত্র, তাঁর বিশ্বস্ততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ছিলো প্রশ্নাতীত। এ রকম এক ব্যক্তি যখন আল্লাহ্‌র আনুগত্যের দিকে আহ্বান করে তখনও কি তারা তা গ্রহণ করবে না ? তবুও কি তারা ভ্রান্ত পথ ত্যাগ করে সুপথে আসবে না ?

আমি তোমাদের জন্য বিশ্বস্ত বার্তাবাহক।
“I am to you an apostle worthy of all trust:

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ
Innee lakum rasoolun ameenun

YUSUFALI: “I am to you a messenger worthy of all trust:
PICKTHAL: Lo! I am a faithful messenger unto you,
SHAKIR: Surely I am a faithful messenger to you;
KHALIFA: “I am an honest messenger to you.

১০৭। ” আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল ৩১৮৭।

১০৮। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর। ”

৩১৮৭। ‘Amin’ কাহারও উপরে বিশ্বাস স্থাপন করা। শব্দটির দ্বারা বিভিন্ন ভাবকে প্রকাশ করা হয় যেগুলির হচ্ছে নিম্নরূপ :

১) বিশ্বাসভাজন ; ২) পয়গম্বরগণ যেরূপ আল্লাহ্‌র বাণী প্রচারের জন্য দায়বদ্ধ সেরূপ, ন্যস্ত দ্রব্য প্রর্ত্যাবর্তনের জন্য দায়বদ্ধ। ৩) পয়গম্বরগণ যেরূপ আল্লাহ্‌র নির্দ্দেশিত পথের সঠিক ও নির্ভুল অনুসরণ দ্বারা আল্লাহ্‌র বাণী প্রচার করে থাকেন ,নিজস্ব কোনও প্রভাব থাকে না ঠিক সেরূপভাবে নিজ দায়িত্বভার অনুসরণ করা। ৪) নিজস্ব কোনও স্বার্থের অনুসন্ধান না করা।

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
“So fear Allah, and obey me.

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
Faittaqoo Allaha waateeAAooni

YUSUFALI: “So fear Allah, and obey me.
PICKTHAL: So keep your duty to Allah, and obey me.
SHAKIR: Therefore guard against (the punishment of) Allah and obey me
KHALIFA: “You shall reverence GOD and obey me.

১০৭। ” আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল ৩১৮৭।

১০৮। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর। ”

৩১৮৭। ‘Amin’ কাহারও উপরে বিশ্বাস স্থাপন করা। শব্দটির দ্বারা বিভিন্ন ভাবকে প্রকাশ করা হয় যেগুলির হচ্ছে নিম্নরূপ :

১) বিশ্বাসভাজন ; ২) পয়গম্বরগণ যেরূপ আল্লাহ্‌র বাণী প্রচারের জন্য দায়বদ্ধ সেরূপ, ন্যস্ত দ্রব্য প্রর্ত্যাবর্তনের জন্য দায়বদ্ধ। ৩) পয়গম্বরগণ যেরূপ আল্লাহ্‌র নির্দ্দেশিত পথের সঠিক ও নির্ভুল অনুসরণ দ্বারা আল্লাহ্‌র বাণী প্রচার করে থাকেন ,নিজস্ব কোনও প্রভাব থাকে না ঠিক সেরূপভাবে নিজ দায়িত্বভার অনুসরণ করা। ৪) নিজস্ব কোনও স্বার্থের অনুসন্ধান না করা।

আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তাই দেবেন।
“No reward do I ask of you for it: my reward is only from the Lord of the Worlds:

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ
Wama as-alukum AAalayhi min ajrin in ajriya illa AAala rabbi alAAalameena

YUSUFALI: “No reward do I ask of you for it: my reward is only from the Lord of the Worlds:
PICKTHAL: And I ask of you no wage therefor; my wage is the concern only of the Lord of the Worlds.
SHAKIR: And I do not ask you any reward for it; my reward is only with the Lord of the worlds:
KHALIFA: “I do not ask you for any wage. My wage comes from the Lord of the universe.

১০৯। ” এর জন্য আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না ; আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎসমূহের প্রভুর নিকট।

১১০। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর। ” ৩১৮৮

৩১৮৮। লক্ষ্য করুণ কিভাবে পুণরাবৃত্তি দ্বারা যুক্তির সমাপ্তি করা হয়েছে। দেখুন যুক্তির পক্ষে টিকা ৩১৮৬।

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
“So fear Allah, and obey me.”

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
Faittaqoo Allaha waateeAAooni

YUSUFALI: “So fear Allah, and obey me.”
PICKTHAL: So keep your duty to Allah, and obey me.
SHAKIR: So guard against (the punishment of) Allah and obey me.
KHALIFA: “You shall reverence GOD and obey me.”

১০৯। ” এর জন্য আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না ; আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎসমূহের প্রভুর নিকট।

১১০। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর। ” ৩১৮৮

৩১৮৮। লক্ষ্য করুণ কিভাবে পুণরাবৃত্তি দ্বারা যুক্তির সমাপ্তি করা হয়েছে। দেখুন যুক্তির পক্ষে টিকা ৩১৮৬।

তারা বলল, আমরা কি তোমাকে মেনে নেব যখন তোমার অনুসরণ করছে ইতরজনেরা?
They said: “Shall we believe in thee when it is the meanest that follow thee?”

قَالُوا أَنُؤْمِنُ لَكَ وَاتَّبَعَكَ الْأَرْذَلُونَ
Qaloo anu/minu laka waittabaAAaka al-arthaloona

YUSUFALI: They said: “Shall we believe in thee when it is the meanest that follow thee?”
PICKTHAL: They said: Shall we put faith in thee, when the lowest (of the people) follow thee?
SHAKIR: They said: Shall we believe in you while the meanest follow you?
KHALIFA: They said, “How can we believe with you, when the worst among us have followed you?”

১১১। তারা বলেছিলো ; ” ইতর জনেরা তোমার অনুসরণ করছে জেনেও কি আমরা তোমার [ কথায় ] ঈমান আনতে পারি ? ” ৩১৮৯

৩১৮৯। হযরত নূহ্‌ এর সম্প্রদায়ের নেতারা যে ভাবে নূহ্‌ এর প্রচারিত সত্যের বিরুদ্ধে বিরুদ্বাচারণ করেছিলো , বহু বছর পরে আরবের নবী হযরত মুহম্মদের [ সা ] বিরুদ্ধেও কোরেশ নেতারা একই ভাবে বিরুদ্ধাচারণ করে। “আমরা জানি আপনার জীবন নির্মল এবং চরিত্র নিষ্কলঙ্ক এবং বিশ্বস্ততা প্রশ্নাতীত। কিন্তু আপনার অনুসারীরা তো হচ্ছে গরীব ও নিম্ন লোকেরা। আপনি কি আশা করেন আপনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন দ্বারা আমরা নিজেদের ঐসব লোকের সমগোত্রীয় করে ফেলি ? ” নূহ্‌ এর উত্তর ছিলো, ” তাদের বিরুদ্ধে বলার মত কোনও কথা আমার জানা নাই। যদি তারা কোনও পাপ করে থাকে তবে তার জবাবদিহিতা একমাত্র আল্লাহ্‌র কাছে। কিভাবে আমি তাদের তাড়িয়ে দিতে পারি যেখানে আল্লাহ্‌ আমাকে জনসাধারণকে সর্তককারীরূপে প্রেরণ করেছেন ? “

নূহ বললেন, তারা কি কাজ করছে, তা জানা আমার কি দরকার?
He said: “And what do I know as to what they do?

قَالَ وَمَا عِلْمِي بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
Qala wama AAilmee bima kanoo yaAAmaloona

YUSUFALI: He said: “And what do I know as to what they do?
PICKTHAL: He said: And what knowledge have I of what they may have been doing (in the past)?
SHAKIR: He said: And what knowledge have I of what they do?
KHALIFA: He said, “How do I know what they did?

১১২। সে বলেছিলো, ” তারা কি করতো তার আমি কি জানি ?

১১৩। ” তাদের হিসাব রয়েছে শুধুমাত্র আমার প্রভুর কাছে, যদি তোমরা তা বুঝতে পারতে।

১১৪। ” যারা ঈমান এনেছে আমি তো তাদের তাড়িয়ে দিতে পারি না ৩১৯০।

১১৫। ” আমি তো প্রেরিত হয়েছি শুধুমাত্র প্রকাশ্য সর্তককারী হিসেবে।”

৩১৯০। দেখুন আয়াত [ ১১ : ২৯ ]। ধনী-গরীব, গুণী নির্গুণ সকলেই আল্লাহ্‌র বান্দা। যারা আল্লাহ্‌র বাণী শুনতে চায় পয়গম্বরদের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের নিকট সেই অমিয় বাণীর ধারা পৌঁছে দেয়া। আল্লাহ্‌র বাণী শোনার অধিকার প্রতিটি মোমেন বান্দার। পার্থিব ধন-সম্পদ, মান-সম্মান, উচ্চ-নীচ বংশ, সমাজের হরিজন বা নীচু শ্রেণী, রাজপুরুষ বা উচু শ্রেণী এই বাণীর অধিকার সকলের সমান। সেই কারণে আল্লাহ্‌র পয়গম্বররা ধনী-গরীব, উচ্চ – নীচ সকলকে সমানভাবে আল্লাহ্‌র রাস্তায় আহ্বান করেন।

তাদের হিসাব নেয়া আমার পালনকর্তারই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে!
“Their account is only with my Lord, if ye could (but) understand.

إِنْ حِسَابُهُمْ إِلَّا عَلَى رَبِّي لَوْ تَشْعُرُونَ
In hisabuhum illa AAala rabbee law tashAAuroona

YUSUFALI: “Their account is only with my Lord, if ye could (but) understand.
PICKTHAL: Lo! their reckoning is my Lord’s concern, if ye but knew;
SHAKIR: Their account is only with my Lord, if you could perceive
KHALIFA: “Their judgment rests only with my Lord, if you could perceive.

১১২। সে বলেছিলো, ” তারা কি করতো তার আমি কি জানি ?

১১৩। ” তাদের হিসাব রয়েছে শুধুমাত্র আমার প্রভুর কাছে, যদি তোমরা তা বুঝতে পারতে।

১১৪। ” যারা ঈমান এনেছে আমি তো তাদের তাড়িয়ে দিতে পারি না ৩১৯০।

১১৫। ” আমি তো প্রেরিত হয়েছি শুধুমাত্র প্রকাশ্য সর্তককারী হিসেবে।”

৩১৯০। দেখুন আয়াত [ ১১ : ২৯ ]। ধনী-গরীব, গুণী নির্গুণ সকলেই আল্লাহ্‌র বান্দা। যারা আল্লাহ্‌র বাণী শুনতে চায় পয়গম্বরদের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের নিকট সেই অমিয় বাণীর ধারা পৌঁছে দেয়া। আল্লাহ্‌র বাণী শোনার অধিকার প্রতিটি মোমেন বান্দার। পার্থিব ধন-সম্পদ, মান-সম্মান, উচ্চ-নীচ বংশ, সমাজের হরিজন বা নীচু শ্রেণী, রাজপুরুষ বা উচু শ্রেণী এই বাণীর অধিকার সকলের সমান। সেই কারণে আল্লাহ্‌র পয়গম্বররা ধনী-গরীব, উচ্চ – নীচ সকলকে সমানভাবে আল্লাহ্‌র রাস্তায় আহ্বান করেন।

আমি মুমিনগণকে তাড়িয়ে দেয়ার লোক নই।
“I am not one to drive away those who believe.

وَمَا أَنَا بِطَارِدِ الْمُؤْمِنِينَ
Wama ana bitaridi almu/mineena

YUSUFALI: “I am not one to drive away those who believe.
PICKTHAL: And I am not (here) to repulse believers.
SHAKIR: And I am not going to drive away the believers;
KHALIFA: “I will never dismiss the believers.

১১২। সে বলেছিলো, ” তারা কি করতো তার আমি কি জানি ?

১১৩। ” তাদের হিসাব রয়েছে শুধুমাত্র আমার প্রভুর কাছে, যদি তোমরা তা বুঝতে পারতে।

১১৪। ” যারা ঈমান এনেছে আমি তো তাদের তাড়িয়ে দিতে পারি না ৩১৯০।

১১৫। ” আমি তো প্রেরিত হয়েছি শুধুমাত্র প্রকাশ্য সর্তককারী হিসেবে।”

৩১৯০। দেখুন আয়াত [ ১১ : ২৯ ]। ধনী-গরীব, গুণী নির্গুণ সকলেই আল্লাহ্‌র বান্দা। যারা আল্লাহ্‌র বাণী শুনতে চায় পয়গম্বরদের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের নিকট সেই অমিয় বাণীর ধারা পৌঁছে দেয়া। আল্লাহ্‌র বাণী শোনার অধিকার প্রতিটি মোমেন বান্দার। পার্থিব ধন-সম্পদ, মান-সম্মান, উচ্চ-নীচ বংশ, সমাজের হরিজন বা নীচু শ্রেণী, রাজপুরুষ বা উচু শ্রেণী এই বাণীর অধিকার সকলের সমান। সেই কারণে আল্লাহ্‌র পয়গম্বররা ধনী-গরীব, উচ্চ – নীচ সকলকে সমানভাবে আল্লাহ্‌র রাস্তায় আহ্বান করেন।

আমি তো শুধু একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
“I am sent only to warn plainly in public.”

إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُّبِينٌ
In ana illa natheerun mubeenun

YUSUFALI: “I am sent only to warn plainly in public.”
PICKTHAL: I am only a plain warner.
SHAKIR: I am naught but a plain warner.
KHALIFA: “I am no more than a clarifying warner.”

১১২। সে বলেছিলো, ” তারা কি করতো তার আমি কি জানি ?

১১৩। ” তাদের হিসাব রয়েছে শুধুমাত্র আমার প্রভুর কাছে, যদি তোমরা তা বুঝতে পারতে।

১১৪। ” যারা ঈমান এনেছে আমি তো তাদের তাড়িয়ে দিতে পারি না ৩১৯০।

১১৫। ” আমি তো প্রেরিত হয়েছি শুধুমাত্র প্রকাশ্য সর্তককারী হিসেবে।”

৩১৯০। দেখুন আয়াত [ ১১ : ২৯ ]। ধনী-গরীব, গুণী নির্গুণ সকলেই আল্লাহ্‌র বান্দা। যারা আল্লাহ্‌র বাণী শুনতে চায় পয়গম্বরদের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের নিকট সেই অমিয় বাণীর ধারা পৌঁছে দেয়া। আল্লাহ্‌র বাণী শোনার অধিকার প্রতিটি মোমেন বান্দার। পার্থিব ধন-সম্পদ, মান-সম্মান, উচ্চ-নীচ বংশ, সমাজের হরিজন বা নীচু শ্রেণী, রাজপুরুষ বা উচু শ্রেণী এই বাণীর অধিকার সকলের সমান। সেই কারণে আল্লাহ্‌র পয়গম্বররা ধনী-গরীব, উচ্চ – নীচ সকলকে সমানভাবে আল্লাহ্‌র রাস্তায় আহ্বান করেন।

তারা বলল, হে নূহ যদি তুমি বিরত না হও, তবে তুমি নিশ্চিতই প্রস্তরাঘাতে নিহত হবে।
They said: “If thou desist not, O Noah! thou shalt be stoned (to death).”

قَالُوا لَئِن لَّمْ تَنتَهِ يَا نُوحُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمَرْجُومِينَ
Qaloo la-in lam tantahi ya noohu latakoonanna mina almarjoomeena

YUSUFALI: They said: “If thou desist not, O Noah! thou shalt be stoned (to death).”
PICKTHAL: They said: If thou cease not, O Noah, thou wilt surely be among those stoned (to death).
SHAKIR: They said: If you desist not, O Nuh, you shall most certainly be of those stoned to death.
KHALIFA: They said, “Unless you refrain, O Noah, you will be stoned.”

১১৬। তারা বলেছিলো, ” হে নূহ্‌! তুমি যদি ক্ষান্ত না হও ! তোমাকে পাথরের আঘাতে [ হত্যা ] করা হবে ৩১৯১।”

৩১৯১। আরও দুইটা ক্ষেত্রে আল্লাহ্‌র নবীদের তাঁর সম্প্রদায়ের লোকের পাথর নিক্ষেপে হত্যার ভয় দেখায় : একটি ছিলো হযরত ইব্রাহীমের ক্ষেত্রে [ ১৯ : ৪৬ ] অপরটি হচ্ছে সুয়েব নবীর ক্ষেত্রে [ ১১ : ৯১ ]। উভয় ক্ষেত্রেই পাথর নিক্ষেপে হত্যার ভয় তাদের কর্তব্য কর্ম থেকে নিবৃতি করতে পারে নাই। বরং আল্লাহ্‌র শাস্তি তাদের ভীত করে তোলে। একই ঘটনা ঘটেছিলো হযরত নূহ্‌ ও আমাদের নবী হযরত মুহম্মদ [ সা ] এর জীবনে।

নূহ বললেন, হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় তো আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে।
He said: “O my Lord! truly my people have rejected me.

قَالَ رَبِّ إِنَّ قَوْمِي كَذَّبُونِ
Qala rabbi inna qawmee kaththabooni

YUSUFALI: He said: “O my Lord! truly my people have rejected me.
PICKTHAL: He said: My Lord! Lo! my own folk deny me.
SHAKIR: He said: My Lord! Surely my people give me the lie!
KHALIFA: He said, “My Lord, my people have disbelieved me.

১১৭। সে বলেছিলো, ” হে আমার প্রভু! আমার সম্প্রদায় প্রকৃতই আমাকে প্রত্যাখান করেছে,

১১৮। ” অতএব , তুমি আমার ও ওদের মধ্যে প্রকাশ্যে বিচার করে দাও , এবং আমাকে ও আমার সাথে বিশ্বাসীগণ যারা আছে তাদের উদ্ধার কর।”

১১৯। সুতারাং আমি তাকে এবং তার সাথে যারা ছিলো সকলকে , [ প্রাণীতে ] পরিপূর্ণ নৌযানে উদ্ধার করলাম , ৩১৯২।

৩১৯২। হযরত নূহ্‌ এর কাহিনী বলা হয়েছে আয়াতে [১১ : ৩৬ – ৪৮ ]। এই সূরাতে কাহিনীর বিশেষ অংশের গুরুত্বকে তুলে ধরা হয়েছে। নূহের ধৈর্য্য, জীবনের আশঙ্কার ভীতির বিরুদ্ধে তার দৃঢ়তা এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহ্‌র সত্য-ই সকল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে জয় লাভ করে এবং স্থায়ীত্ব অর্জন করে; এই বৈশিষ্ট্য গুলির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে এই সূরাতে।

অতএব, আমার ও তাদের মধ্যে কোন ফয়সালা করে দিন এবং আমাকে ও আমার সংগী মুমিনগণকে রক্ষা করুন।
“Judge Thou, then, between me and them openly, and deliver me and those of the Believers who are with me.”

فَافْتَحْ بَيْنِي وَبَيْنَهُمْ فَتْحًا وَنَجِّنِي وَمَن مَّعِي مِنَ الْمُؤْمِنِينَ
Faiftah baynee wabaynahum fathan wanajjinee waman maAAiya mina almu/mineena

YUSUFALI: “Judge Thou, then, between me and them openly, and deliver me and those of the Believers who are with me.”
PICKTHAL: Therefor judge Thou between us, a (conclusive) judgment, and save me and those believers who are with me.
SHAKIR: Therefore judge Thou between me and them with a (just) judgment, and deliver me and those who are with me of the believers.
KHALIFA: “Grant me victory against them, and deliver me and my company of believers.”

১১৭। সে বলেছিলো, ” হে আমার প্রভু! আমার সম্প্রদায় প্রকৃতই আমাকে প্রত্যাখান করেছে,

১১৮। ” অতএব , তুমি আমার ও ওদের মধ্যে প্রকাশ্যে বিচার করে দাও , এবং আমাকে ও আমার সাথে বিশ্বাসীগণ যারা আছে তাদের উদ্ধার কর।”

১১৯। সুতারাং আমি তাকে এবং তার সাথে যারা ছিলো সকলকে , [ প্রাণীতে ] পরিপূর্ণ নৌযানে উদ্ধার করলাম , ৩১৯২।

৩১৯২। হযরত নূহ্‌ এর কাহিনী বলা হয়েছে আয়াতে [১১ : ৩৬ – ৪৮ ]। এই সূরাতে কাহিনীর বিশেষ অংশের গুরুত্বকে তুলে ধরা হয়েছে। নূহের ধৈর্য্য, জীবনের আশঙ্কার ভীতির বিরুদ্ধে তার দৃঢ়তা এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহ্‌র সত্য-ই সকল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে জয় লাভ করে এবং স্থায়ীত্ব অর্জন করে; এই বৈশিষ্ট্য গুলির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে এই সূরাতে।

অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর সঙ্গিগণকে বোঝাই করা নৌকায় রক্ষা করলাম।
So We delivered him and those with him, in the Ark filled (with all creatures).

فَأَنجَيْنَاهُ وَمَن مَّعَهُ فِي الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ
Faanjaynahu waman maAAahu fee alfulki almashhooni

YUSUFALI: So We delivered him and those with him, in the Ark filled (with all creatures).
PICKTHAL: And We saved him and those with him in the laden ship.
SHAKIR: So We delivered him and those with him in the laden ark.
KHALIFA: We delivered him and those who accompanied him in the loaded ark.

১১৭। সে বলেছিলো, ” হে আমার প্রভু! আমার সম্প্রদায় প্রকৃতই আমাকে প্রত্যাখান করেছে,

১১৮। ” অতএব , তুমি আমার ও ওদের মধ্যে প্রকাশ্যে বিচার করে দাও , এবং আমাকে ও আমার সাথে বিশ্বাসীগণ যারা আছে তাদের উদ্ধার কর।”

১১৯। সুতারাং আমি তাকে এবং তার সাথে যারা ছিলো সকলকে , [ প্রাণীতে ] পরিপূর্ণ নৌযানে উদ্ধার করলাম , ৩১৯২।

৩১৯২। হযরত নূহ্‌ এর কাহিনী বলা হয়েছে আয়াতে [১১ : ৩৬ – ৪৮ ]। এই সূরাতে কাহিনীর বিশেষ অংশের গুরুত্বকে তুলে ধরা হয়েছে। নূহের ধৈর্য্য, জীবনের আশঙ্কার ভীতির বিরুদ্ধে তার দৃঢ়তা এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহ্‌র সত্য-ই সকল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে জয় লাভ করে এবং স্থায়ীত্ব অর্জন করে; এই বৈশিষ্ট্য গুলির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে এই সূরাতে।

এরপর অবশিষ্ট সবাইকে নিমজ্জত করলাম।
Thereafter We drowned those who remained behind.

ثُمَّ أَغْرَقْنَا بَعْدُ الْبَاقِينَ
Thumma aghraqna baAAdu albaqeena

YUSUFALI: Thereafter We drowned those who remained behind.
PICKTHAL: Then afterward We drowned the others.
SHAKIR: Then We drowned the rest afterwards
KHALIFA: Then we drowned the others.

১২০। এরপরে যারা পিছনে পড়ে রইল, তাদের আমি ডুবিয়ে দিলাম।

১২১। অবশ্যই এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই [ এতে ] বিশ্বাস করে না ৩১৯৩।

১২২। এবং অবশ্যই তোমার প্রভু ক্ষমতায় পরাক্রমশালী , পরম করুণাময়।

৩১৯৩। এই লাইনটি গানের ধূয়ার প্রধান সুরের মত পরবর্তীতে বহুবার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে এক একটি কাহিনীর শেষে। এই লাইনটির মাধ্যমে বিষয়বস্তুর মর্মার্থকে উপস্থাপন করা হয়েছে। যুগে যুগে অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে বিভিন্ন নবী রসুলদের দ্বারা কিভাবে আল্লাহ্‌র বাণী প্রচারিত হয়েছে এবং সত্য বিজয় লাভ করেছে তারই প্রতিটি ঘটনার বর্ণনা শেষে উক্ত লাইনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে। দেখুন আয়াত [২৬ : ৮ – ৯ , ৬৮ – ৬৯, ১০৩ – ১০৪ , ১২১-১২২, ১৩৯-১৪০, ১৫৮- ১৫৯, ১৭৪ – ১৭৫, ১৯০-১৯১]।

নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ
Inna fee thalika laayatan wama kana aktharuhum mu/mineena

YUSUFALI: Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.
PICKTHAL: Lo! herein is indeed a portent, yet most of them are not believers.
SHAKIR: Most surely there is a sign in this, but most of them do not believe.
KHALIFA: This should be a lesson, but most people are not believers.

১২০। এরপরে যারা পিছনে পড়ে রইল, তাদের আমি ডুবিয়ে দিলাম।

১২১। অবশ্যই এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই [ এতে ] বিশ্বাস করে না ৩১৯৩।

১২২। এবং অবশ্যই তোমার প্রভু ক্ষমতায় পরাক্রমশালী , পরম করুণাময়।

৩১৯৩। এই লাইনটি গানের ধূয়ার প্রধান সুরের মত পরবর্তীতে বহুবার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে এক একটি কাহিনীর শেষে। এই লাইনটির মাধ্যমে বিষয়বস্তুর মর্মার্থকে উপস্থাপন করা হয়েছে। যুগে যুগে অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে বিভিন্ন নবী রসুলদের দ্বারা কিভাবে আল্লাহ্‌র বাণী প্রচারিত হয়েছে এবং সত্য বিজয় লাভ করেছে তারই প্রতিটি ঘটনার বর্ণনা শেষে উক্ত লাইনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে। দেখুন আয়াত [২৬ : ৮ – ৯ , ৬৮ – ৬৯, ১০৩ – ১০৪ , ১২১-১২২, ১৩৯-১৪০, ১৫৮- ১৫৯, ১৭৪ – ১৭৫, ১৯০-১৯১]।

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ
Wa-inna rabbaka lahuwa alAAazeezu alrraheemu

YUSUFALI: And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.
PICKTHAL: And lo, thy Lord, He is indeed the Mighty, the Merciful.
SHAKIR: And most surely your Lord is the Mighty, the Merciful.
KHALIFA: Most assuredly, your Lord is the Almighty, Most Merciful.

১২০। এরপরে যারা পিছনে পড়ে রইল, তাদের আমি ডুবিয়ে দিলাম।

১২১। অবশ্যই এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই [ এতে ] বিশ্বাস করে না ৩১৯৩।

১২২। এবং অবশ্যই তোমার প্রভু ক্ষমতায় পরাক্রমশালী , পরম করুণাময়।

৩১৯৩। এই লাইনটি গানের ধূয়ার প্রধান সুরের মত পরবর্তীতে বহুবার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে এক একটি কাহিনীর শেষে। এই লাইনটির মাধ্যমে বিষয়বস্তুর মর্মার্থকে উপস্থাপন করা হয়েছে। যুগে যুগে অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে বিভিন্ন নবী রসুলদের দ্বারা কিভাবে আল্লাহ্‌র বাণী প্রচারিত হয়েছে এবং সত্য বিজয় লাভ করেছে তারই প্রতিটি ঘটনার বর্ণনা শেষে উক্ত লাইনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে। দেখুন আয়াত [২৬ : ৮ – ৯ , ৬৮ – ৬৯, ১০৩ – ১০৪ , ১২১-১২২, ১৩৯-১৪০, ১৫৮- ১৫৯, ১৭৪ – ১৭৫, ১৯০-১৯১]।

আদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
The ‘Ad (people) rejected the apostles.

كَذَّبَتْ عَادٌ الْمُرْسَلِينَ
Kaththabat AAadun almursaleena

YUSUFALI: The ‘Ad (people) rejected the messengers.
PICKTHAL: (The tribe of) A’ad denied the messengers (of Allah).
SHAKIR: Ad gave the lie to the messengers.
KHALIFA: `Aad disbelieved the messengers.

রুকু – ৭

১২৩। আ’দ [সম্প্রদায় ] রাসুলকে প্রত্যাখান করেছিলো ৩১৯৪।

৩১৯৪। আ’দ সম্প্রদায়ের বিশদ বর্ণনার জন্য দেখুন আয়াত [ ৭ : ৬৫ ] এবং টিকা ১০৪০। এই সূরাতে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে তাদের যে বৈশিষ্ট্যের উপরে তা হচ্ছে , আ’দ সম্প্রদায় পার্থিব বিষয়বস্তু ও পশু শক্তি ব্যতীত আর কিছুই বিশ্বাস করতো না। তারা মনে করতো যে তাদের সম্পদ ও দুর্ভেদ্য দুর্গ তাদের অনন্ত নিরাপত্তা দান করবে। কিন্তু তারা যখন আল্লাহ্‌র বাণীকে প্রত্যাখান করলো, তাদের এই জাগতিক সম্পদ ও নিরাপত্তা তাদের রক্ষা করতে পারলো না।

তখন তাদের ভাই হুদ তাদেরকে বললেনঃ তোমাদের কি ভয় নেই?
Behold, their brother Hud said to them: “Will ye not fear ((Allah))?

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ هُودٌ أَلَا تَتَّقُونَ
Ith qala lahum akhoohum hoodun ala tattaqoona

YUSUFALI: Behold, their brother Hud said to them: “Will ye not fear (Allah)?
PICKTHAL: When their brother Hud said unto them: Will ye not ward off (evil)?
SHAKIR: When their brother Hud said to them: Will you not guard (against evil)?
KHALIFA: Their brother Hood said to them, “Would you not be righteous?

১২৪। স্মরণ কর তাদের ভ্রাতা হুদ তাদের বলেছিলো , ” তোমরা কি [ আল্লাহ্‌কে ] স্মরণ করবে না ?

১২৫। ” আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল। ৩১৯৫

৩১৯৫। দেখুন উপরের আয়াত। আয়াত [ ২৬ : ১০৭ ] এর টিকা ৩১৮৭।

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত রসূল।
“I am to you an apostle worthy of all trust:

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ
Innee lakum rasoolun ameenun

YUSUFALI: “I am to you a messenger worthy of all trust:
PICKTHAL: Lo! I am a faithful messenger unto you,
SHAKIR: Surely I am a faithful messenger to you;
KHALIFA: “I am an honest messenger to you.

১২৪। স্মরণ কর তাদের ভ্রাতা হুদ তাদের বলেছিলো , ” তোমরা কি [ আল্লাহ্‌কে ] স্মরণ করবে না ?

১২৫। ” আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল। ৩১৯৫

৩১৯৫। দেখুন উপরের আয়াত। আয়াত [ ২৬ : ১০৭ ] এর টিকা ৩১৮৭।

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
“So fear Allah and obey me.

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
Faittaqoo Allaha waateeAAooni

YUSUFALI: “So fear Allah and obey me.
PICKTHAL: So keep your duty to Allah and obey me.
SHAKIR: Therefore guard against (the punishment of) Allah and obey me:
KHALIFA: “You shall reverence GOD, and obey me.

১২৬। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১২৭। “এর জন্য আমি তো কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার তো শুধু জগহসমূহের প্রভুর নিকট রয়েছে।

১২৮। ” তোমরা কি চিত্ত বিনোদনের জন্য প্রতিটি উচ্চ স্থানে বিশেষ চিহ্ন নির্মাণ করছো ? ৩১৯৬

৩১৯৬। যে সভ্যতা শুধুমাত্র বস্তুগত আরাম আয়েশ এবং জাগতিক অর্থ -সম্পদের পরিমাণ দ্বারা নির্ধারিত হয় সেই সভ্যতার বিশেষত্ব এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। এদের এই সব অধিবাসীদের বিশেষত্ব হচ্ছে , তারা তাদের অর্থ -সম্পদ সম্বন্ধে আড়ম্বর ও প্রদর্শন করতে ভালোবাসবে। এই প্রদর্শনী মনোভাব থেকে তারা প্রকাশ্য স্থানে স্মৃতি স্তম্ভ তৈরী করে থাকে তাদের কীর্তিকে অক্ষয় করে ধরে রাখার জন্য। কিন্তু হায় কালের অতল গহ্বরে তাদের সেই কীর্তি একদিন ধ্বংস হয়ে যায়।

আমি তোমাদের কাছে এর জন্যে প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো পালনকর্তা দেবেন।
“No reward do I ask of you for it: my reward is only from the Lord of the Worlds.

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ
Wama as-alukum AAalayhi min ajrin in ajriya illa AAala rabbi alAAalameena

YUSUFALI: “No reward do I ask of you for it: my reward is only from the Lord of the Worlds.
PICKTHAL: And I ask of you no wage therefor; my wage is the concern only of the Lord of the Worlds.
SHAKIR: And I do not ask you any reward for it; surely my reward is only with the Lord of the worlds
KHALIFA: “I do not ask you for any wage; my wage comes from the Lord of the universe.

১২৬। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১২৭। “এর জন্য আমি তো কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার তো শুধু জগহসমূহের প্রভুর নিকট রয়েছে।

১২৮। ” তোমরা কি চিত্ত বিনোদনের জন্য প্রতিটি উচ্চ স্থানে বিশেষ চিহ্ন নির্মাণ করছো ? ৩১৯৬

৩১৯৬। যে সভ্যতা শুধুমাত্র বস্তুগত আরাম আয়েশ এবং জাগতিক অর্থ -সম্পদের পরিমাণ দ্বারা নির্ধারিত হয় সেই সভ্যতার বিশেষত্ব এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। এদের এই সব অধিবাসীদের বিশেষত্ব হচ্ছে , তারা তাদের অর্থ -সম্পদ সম্বন্ধে আড়ম্বর ও প্রদর্শন করতে ভালোবাসবে। এই প্রদর্শনী মনোভাব থেকে তারা প্রকাশ্য স্থানে স্মৃতি স্তম্ভ তৈরী করে থাকে তাদের কীর্তিকে অক্ষয় করে ধরে রাখার জন্য। কিন্তু হায় কালের অতল গহ্বরে তাদের সেই কীর্তি একদিন ধ্বংস হয়ে যায়।

তোমরা কি প্রতিটি উচ্চস্থানে অযথা নিদর্শন নির্মান করছ?
“Do ye build a landmark on every high place to amuse yourselves?

أَتَبْنُونَ بِكُلِّ رِيعٍ آيَةً تَعْبَثُونَ
Atabnoona bikulli reeAAin ayatan taAAbathoona

YUSUFALI: “Do ye build a landmark on every high place to amuse yourselves?
PICKTHAL: Build ye on every high place a monument for vain delight?
SHAKIR: Do you build on every height a monument? Vain is it that you do:
KHALIFA: “You build on every hill a mansion for vanity’s sake.

১২৬। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১২৭। “এর জন্য আমি তো কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার তো শুধু জগহসমূহের প্রভুর নিকট রয়েছে।

১২৮। ” তোমরা কি চিত্ত বিনোদনের জন্য প্রতিটি উচ্চ স্থানে বিশেষ চিহ্ন নির্মাণ করছো ? ৩১৯৬

৩১৯৬। যে সভ্যতা শুধুমাত্র বস্তুগত আরাম আয়েশ এবং জাগতিক অর্থ -সম্পদের পরিমাণ দ্বারা নির্ধারিত হয় সেই সভ্যতার বিশেষত্ব এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। এদের এই সব অধিবাসীদের বিশেষত্ব হচ্ছে , তারা তাদের অর্থ -সম্পদ সম্বন্ধে আড়ম্বর ও প্রদর্শন করতে ভালোবাসবে। এই প্রদর্শনী মনোভাব থেকে তারা প্রকাশ্য স্থানে স্মৃতি স্তম্ভ তৈরী করে থাকে তাদের কীর্তিকে অক্ষয় করে ধরে রাখার জন্য। কিন্তু হায় কালের অতল গহ্বরে তাদের সেই কীর্তি একদিন ধ্বংস হয়ে যায়।

এবং বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছ, যেন তোমরা চিরকাল থাকবে?
“And do ye get for yourselves fine buildings in the hope of living therein (for ever)?

وَتَتَّخِذُونَ مَصَانِعَ لَعَلَّكُمْ تَخْلُدُونَ
Watattakhithoona masaniAAa laAAallakum takhludoona

YUSUFALI: “And do ye get for yourselves fine buildings in the hope of living therein (for ever)?
PICKTHAL: And seek ye out strongholds, that haply ye may last for ever?
SHAKIR: And you make strong fortresses that perhaps you may
KHALIFA: “You set up buildings as if you last forever.

১২৯। ” আর তোমরা কি সুরম্য প্রাসাদ নির্মাণ করছো এই আশায় যে তোমরা সেখানে [ চিরদিন ] থাকবে ?

১৩০। ” যখন তোমরা আঘাত হান , তখন কি তোমরা স্বেচ্ছাচারী লোকের মত হয়ে যাও ? ” ৩১৯৭

৩১৯৭। এ সব জাগতিক বিষয় বুদ্ধি সম্পন্ন লোক যারা শুধু আড়ম্বর প্রদর্শন ভালোবাসে তাদের বৈশিষ্ট্য এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা হবে দুর্বলের প্রতি কোনওরূপ দয়ামায়া প্রদর্শনে অপারগ। এরা হয় দুর্বলের প্রতি অত্যাচারী মনোভাব সম্পন্ন।

যখন তোমরা আঘাত হান, তখন জালেম ও নিষ্ঠুরের মত আঘাত হান।
“And when ye exert your strong hand, do ye do it like men of absolute power?

وَإِذَا بَطَشْتُم بَطَشْتُمْ جَبَّارِينَ
Wa-itha batashtum batashtum jabbareena

YUSUFALI: “And when ye exert your strong hand, do ye do it like men of absolute power?
PICKTHAL: And if ye seize by force, seize ye as tyrants?
SHAKIR: And when you lay hands (on men) you lay hands (like) tyrants;
KHALIFA: “And when you strike, you strike mercilessly.

১২৯। ” আর তোমরা কি সুরম্য প্রাসাদ নির্মাণ করছো এই আশায় যে তোমরা সেখানে [ চিরদিন ] থাকবে ?

১৩০। ” যখন তোমরা আঘাত হান , তখন কি তোমরা স্বেচ্ছাচারী লোকের মত হয়ে যাও ? ” ৩১৯৭

৩১৯৭। এ সব জাগতিক বিষয় বুদ্ধি সম্পন্ন লোক যারা শুধু আড়ম্বর প্রদর্শন ভালোবাসে তাদের বৈশিষ্ট্য এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা হবে দুর্বলের প্রতি কোনওরূপ দয়ামায়া প্রদর্শনে অপারগ। এরা হয় দুর্বলের প্রতি অত্যাচারী মনোভাব সম্পন্ন।

অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।
“Now fear Allah, and obey me.

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
Faittaqoo Allaha waateeAAooni

YUSUFALI: “Now fear Allah, and obey me.
PICKTHAL: Rather keep your duty to Allah, and obey me.
SHAKIR: So guard against (the punishment of) Allah and obey me
KHALIFA: “You shall reverence GOD and obey me.

১৩১। ” এখন আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর ৩১৯৮।

১৩২। ” হ্যাঁ, তাকেই ভয় কর যিনি তোমাদের মুক্ত হস্তে দান করেছেন তোমরা যা কিছু জান। ৩১৯৯

৩১৯৮। দেখুন টিকা ৩১৮৮।

৩১৯৯। ” মুক্ত হস্তে দান করেছেন ” বাক্যটির অর্থ, পার্থিব ও অপার্থিব যা কিছু আমাদের জীবনকে সুন্দর করে , সমৃদ্ধ করে, সব কিছুই আল্লাহ্‌র দান – তাঁর বান্দাদের জন্য। জাগতিক বিষয় বস্তু ও ধন-সম্পদ হচ্ছে পার্থিব দান। আবার জ্ঞান এবং জ্ঞানকে জীবনের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করার ক্ষমতা , যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, জীবন সুন্দর হয়, সমৃদ্ধ হয়, মার্জিত হয় সে সবই আল্লাহ্‌র ‘দান’ তাঁর বান্দাদের জন্য। ” আন-আম” অর্থাৎ গৃহপালিত পশু ! পশুর সংখ্যা প্রাচীন কালে পরিগণিত হতো অর্থ-সম্পদের প্রতীক হিসেবে। আবার পুত্র সন্তানকে পরিগণিত করা হতো জনশক্তির প্রতীক হিসেবে। অর্থাৎ ‘জনবল’ হচ্ছে ক্ষমতা ও শক্তির প্রতীক। ‘উদ্যান ও প্রস্রবণ ‘ হচ্ছে আনন্দ ও পরিতৃপ্ত হওয়ার বিষয় বস্তুর প্রতীক। এই শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে প্রতীক অর্থে , জীবনের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাকে বোঝানোর জন্য। দেখুন নিচের আয়াত সমূহ।

ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে সেসব বস্তু দিয়েছেন, যা তোমরা জান।
“Yea, fear Him Who has bestowed on you freely all that ye know.

وَاتَّقُوا الَّذِي أَمَدَّكُم بِمَا تَعْلَمُونَ
Waittaqoo allathee amaddakum bima taAAlamoona

YUSUFALI: “Yea, fear Him Who has bestowed on you freely all that ye know.
PICKTHAL: Keep your duty toward Him Who hath aided you with (the good things) that ye know,
SHAKIR: And be careful of (your duty to) Him Who has given you abundance of what you know.
KHALIFA: “Reverence the One who provided you with all the things you know.

১৩১। ” এখন আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর ৩১৯৮।

১৩২। ” হ্যাঁ, তাকেই ভয় কর যিনি তোমাদের মুক্ত হস্তে দান করেছেন তোমরা যা কিছু জান। ৩১৯৯

৩১৯৮। দেখুন টিকা ৩১৮৮।

৩১৯৯। ” মুক্ত হস্তে দান করেছেন ” বাক্যটির অর্থ, পার্থিব ও অপার্থিব যা কিছু আমাদের জীবনকে সুন্দর করে , সমৃদ্ধ করে, সব কিছুই আল্লাহ্‌র দান – তাঁর বান্দাদের জন্য। জাগতিক বিষয় বস্তু ও ধন-সম্পদ হচ্ছে পার্থিব দান। আবার জ্ঞান এবং জ্ঞানকে জীবনের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করার ক্ষমতা , যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, জীবন সুন্দর হয়, সমৃদ্ধ হয়, মার্জিত হয় সে সবই আল্লাহ্‌র ‘দান’ তাঁর বান্দাদের জন্য। ” আন-আম” অর্থাৎ গৃহপালিত পশু ! পশুর সংখ্যা প্রাচীন কালে পরিগণিত হতো অর্থ-সম্পদের প্রতীক হিসেবে। আবার পুত্র সন্তানকে পরিগণিত করা হতো জনশক্তির প্রতীক হিসেবে। অর্থাৎ ‘জনবল’ হচ্ছে ক্ষমতা ও শক্তির প্রতীক। ‘উদ্যান ও প্রস্রবণ ‘ হচ্ছে আনন্দ ও পরিতৃপ্ত হওয়ার বিষয় বস্তুর প্রতীক। এই শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে প্রতীক অর্থে , জীবনের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাকে বোঝানোর জন্য। দেখুন নিচের আয়াত সমূহ।

তোমাদেরকে দিয়েছেন চতুষ্পদ জন্তু ও পুত্র-সন্তান,
“Freely has He bestowed on you cattle and sons,-

أَمَدَّكُم بِأَنْعَامٍ وَبَنِينَ
Amaddakum bi-anAAamin wabaneena

YUSUFALI: “Freely has He bestowed on you cattle and sons,-
PICKTHAL: Hath aided you with cattle and sons.
SHAKIR: He has given you abundance of cattle and children
KHALIFA: “He provided you with livestock and children.

১৩৩। ” মুক্ত হস্তে তিনি তোমাদের দান করেছেন , গৃহপালিত পশু, সন্তান – সন্ততি , –

১৩৪। ” এবং উদ্যান ও প্রস্রবণ।

১৩৫। “সত্যই আমি তোমাদের জন্য মহাদিবসের শাস্তির আশংকা করি।” ৩২০০

৩২০০। তোমরা আল্লাহ্‌র দানসমূহের অপব্যবহার করেছ। সুতারাং তোমাদের অনুচিত বিনিয়োগের শাস্তি তোমরা লাভ করবে। এই আশঙ্কাই এই আয়াতে ব্যক্ত করা হয়েছে।

এবং উদ্যান ও ঝরণা।
“And Gardens and Springs.

وَجَنَّاتٍ وَعُيُونٍ
Wajannatin waAAuyoonin

YUSUFALI: “And Gardens and Springs.
PICKTHAL: And gardens and watersprings.
SHAKIR: And gardens and fountains;
KHALIFA: “And gardens and springs.

১৩৩। ” মুক্ত হস্তে তিনি তোমাদের দান করেছেন , গৃহপালিত পশু, সন্তান – সন্ততি , –

১৩৪। ” এবং উদ্যান ও প্রস্রবণ।

১৩৫। “সত্যই আমি তোমাদের জন্য মহাদিবসের শাস্তির আশংকা করি।” ৩২০০

৩২০০। তোমরা আল্লাহ্‌র দানসমূহের অপব্যবহার করেছ। সুতারাং তোমাদের অনুচিত বিনিয়োগের শাস্তি তোমরা লাভ করবে। এই আশঙ্কাই এই আয়াতে ব্যক্ত করা হয়েছে।

আমি তোমাদের জন্যে মহাদিবসের শাস্তি আশংকা করি।
“Truly I fear for you the Penalty of a Great Day.”

إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ
Innee akhafu AAalaykum AAathaba yawmin AAatheemin

YUSUFALI: “Truly I fear for you the Penalty of a Great Day.”
PICKTHAL: Lo! I fear for you the retribution of an awful day.
SHAKIR: Surely I fear for you the chastisement of a grievous day
KHALIFA: “I fear for you the retribution of an awesome day.”

১৩৩। ” মুক্ত হস্তে তিনি তোমাদের দান করেছেন , গৃহপালিত পশু, সন্তান – সন্ততি , –

১৩৪। ” এবং উদ্যান ও প্রস্রবণ।

১৩৫। “সত্যই আমি তোমাদের জন্য মহাদিবসের শাস্তির আশংকা করি।” ৩২০০

৩২০০। তোমরা আল্লাহ্‌র দানসমূহের অপব্যবহার করেছ। সুতারাং তোমাদের অনুচিত বিনিয়োগের শাস্তি তোমরা লাভ করবে। এই আশঙ্কাই এই আয়াতে ব্যক্ত করা হয়েছে।

তারা বলল, তুমি উপদেশ দাও অথবা উপদেশ নাই দাও, উভয়ই আমাদের জন্যে সমান।
They said: “It is the same to us whether thou admonish us or be not among (our) admonishers!

قَالُوا سَوَاء عَلَيْنَا أَوَعَظْتَ أَمْ لَمْ تَكُن مِّنَ الْوَاعِظِينَ
Qaloo sawaon AAalayna awaAAathta am lam takun mina alwaAAitheena

YUSUFALI: They said: “It is the same to us whether thou admonish us or be not among (our) admonishers!
PICKTHAL: They said: It is all one to us whether thou preachest or art not of those who preach;
SHAKIR: They said: It is the same to us whether you admonish or are not one of the admonishers
KHALIFA: They said, “It is the same whether you preach, or do not preach.

১৩৬। তারা বলেছিলো, ” তুমি আমাদের উপদেশ দাও অথবা নাই দাও, উভয়েই আমাদের জন্য সমান ! ৩২০১

৩২০১। আ’দ সম্প্রদায়ের উদ্ধত অহংকারকে এই আয়াতের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। তাদের নবী হুদ কে উদ্দেশ্য করে তারা এই উক্তি করেছিলো।

এসব কথাবার্তা পূর্ববর্তী লোকদের অভ্যাস বৈ নয়।
“This is no other than a customary device of the ancients,

إِنْ هَذَا إِلَّا خُلُقُ الْأَوَّلِينَ
In hatha illa khuluqu al-awwaleena

YUSUFALI: “This is no other than a customary device of the ancients,
PICKTHAL: This is but a fable of the men of old,
SHAKIR: This is naught but a custom of the ancients;
KHALIFA: “That affliction was limited to our ancestors.

সূরা শুয়ারা

১৩৭। ” এটা তো চির প্রচলিত পুরাতন স্বভাব ; ৩২০২

৩২০২। হুদ নবীর পূর্বেও কিছু ব্যক্তি নবী হওয়ার দাবী করেছিলো। এটা কোনও নূতন উক্তি ছিলো না। তাই কাফেররা বলেছিলো যে ,এ কোন নূতন কথা নয়। ধর্মের শত্রুরা সব সময়েই এ সব কথা বলে থাকে। তারা বলে যে, ” তুমি শুধু তো ধর্মের নামে প্রাচীন কালের কুসংস্কারের প্রচলন করতে প্রয়াস পাচ্ছ। কারণ তুমি ধর্মের মাদকতার দ্বারা সকলকে বশীভূত করতে চাও। পরকাল ও পরকালের হিসাব বলে কোনও কিছুর অস্তিত্ব নাই। শস্তি প্রাপ্ত বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব নাই।”

আমরা শাস্তিপ্রাপ্ত হব না।
“And we are not the ones to receive Pains and Penalties!”

وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ
Wama nahnu bimuAAaththabeena

YUSUFALI: “And we are not the ones to receive Pains and Penalties!”
PICKTHAL: And we shall not be doomed.
SHAKIR: And we are not going to be punished.
KHALIFA: “No retribution will ever befall us.”

১৩৮। ” এবং আমরা শাস্তি প্রাপ্তদের শামিল নই!”

অতএব, তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলতে লাগল এবং আমি তাদেরকে নিপাত করে দিলাম। এতে অবশ্যই নিদর্শন আছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
So they rejected him, and We destroyed them. Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.

فَكَذَّبُوهُ فَأَهْلَكْنَاهُمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ
Fakaththaboohu faahlaknahum inna fee thalika laayatan wama kana aktharuhum mu/mineena

YUSUFALI: So they rejected him, and We destroyed them. Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.
PICKTHAL: And they denied him; therefor We destroyed them. Lo! herein is indeed a portent, yet most of them are not believers.
SHAKIR: So they gave him the lie, then We destroyed them. Most surely there is a sign in this, but most of them do not believe.
KHALIFA: They thus disbelieved and, consequently, we annihilated them. This should be a lesson, but most people are not believers.

১৩৯। সুতারাং তারা তাকে প্রত্যাখান করেছিলো এবং আমি তাদের ধ্বংস করেছিলাম ; অবশ্যই এতে রয়েছে নিদর্শন;কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।

এবং আপনার পালনকর্তা, তিনি তো প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ
Wa-inna rabbaka lahuwa alAAazeezu alrraheemu

YUSUFALI: And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.
PICKTHAL: And lo! thy Lord, He is indeed the Mighty, the Merciful.
SHAKIR: And most surely your Lord is the Mighty, the Merciful.
KHALIFA: Most assuredly, your Lord is the Almighty, Most Merciful.

১৪০। অবশ্যই তোমার প্রভু ক্ষমতায় পরাক্রমশালী এবং পরম করুণাময়।

সামুদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
The Thamud (people) rejected the apostles.

كَذَّبَتْ ثَمُودُ الْمُرْسَلِينَ
Kaththabat thamoodu almursaleena

YUSUFALI: The Thamud (people) rejected the messengers.
PICKTHAL: (The tribe of) Thamud denied the messengers (of Allah)
SHAKIR: Samood gave the lie to the messengers
KHALIFA: Thamoud disbelieved the messengers.

রুকু – ৮

১৪১। সামুদ [ সম্প্রদায় ] রাসুলকে প্রত্যাখান করেছিলো ৩২০৩।

৩২০৩। সামুদ সম্প্রদায়ের জন্য দেখুন টিকা ১০৪৩ এবং আয়াত [ ৭ : ৭৩ ]। সামুদ জাতি প্রস্তর ভাস্কর্যের অভূতপূর্ব উন্নতি লাভ করেছিলো। এ ব্যতীত কৃষিকার্যে সাফল্য তাদের প্রভূত ধন-সম্পদের অধিকারী করে। তাদের সম্পদ ও ব্যবহারিক জ্ঞান তাদের উদ্ধত অহংকারী করে তোলে। তারা নিজেদের বিশেষ মর্যদাপূর্ণ বলে ভাবতে শেখে এবং গরীবদের নির্যাতন করতে তাদের বিবেক নিপীড়িত হতো না। এই আয়াত ও পরর্বতী আয়াত গুলির মাধ্যমে যে উপদেশের উপরে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে তা নিম্নরূপ : ” গরীবকে শোষণ ও নির্যাতন করে এবং আল্লাহ্‌র নিদর্শনকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে কতদিন তোমরা তোমাদের সম্পদ ও প্রতিপত্তি ধরে রাখতে পারবে ? ” সামুদ জাতির সম্বন্ধে পাথরে উৎকীর্ণ লিপি আছে আল্‌ হিজর শহরের প্রস্তর খোদিত ভবনসমূহের গাত্রে। এ সম্বন্ধে বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে এই সূরার শেষে পরিশিষ্টে।

যখন তাদের ভাই সালেহ, তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?
Behold, their brother Salih said to them: “Will you not fear ((Allah))?

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ صَالِحٌ أَلَا تَتَّقُونَ
Ith qala lahum akhoohum salihun ala tattaqoona

YUSUFALI: Behold, their brother Salih said to them: “Will you not fear (Allah)?
PICKTHAL: When their brother Salih said unto them: Will ye not ward off (evil)?
SHAKIR: When their brother Salih said to them: Will you not guard (against evil)?
KHALIFA: Their brother Saaleh said to them, “Would you not be righteous?

১৪২। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা সালেহ তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৪৩। ” আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৪৪। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৪৫। “এর জন্য আমি তো তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে জগতসমূহের প্রভুর নিকট।

১৪৬। ” তোমাদের কি নিরাপদ অবস্থায় [ উপভোগের জন্য ] ছেড়ে রাখা হবে , যা এখানে আছে তাতে,

১৪৭। ” উদ্যানসমূহে এবং প্রস্রবণ সমূহে;

১৪৮। ” এবং শষ্য ক্ষেত্র এবং [ফলভারে নত ] সুকোমল গুচ্ছ বিশিষ্ট খেজুর বাগানে ? ” ৩২০৪

৩২০৪। ফলভারে খেজুর বৃক্ষে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর ধরে থাকে। খেজুর গুচ্ছ লম্বা ডাটার অগ্রে ঝুলে থাকে। শষ্য ক্ষেত্র এবং খেজুর বাগানের জন্য সামুদ জাতি অতিশয় গর্বিত ছিলো। কৃষিক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা , ইমারত তৈরীতে তাদের ভাস্কর্যের নৈপূণ্য তাদের অহংকারে স্ফীত করে তোলে। তাদের এই ভাষ্কর্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে পরবর্তীতে রোমানদের ভাষ্কর্যের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উপদেশ : পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষকে উদ্ধত অহংকারী করে তোলে , কারণ তারা স্রষ্টার দানকে উপলব্ধি করতে অক্ষম হয়।

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।
“I am to you an apostle worthy of all trust.

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ
Innee lakum rasoolun ameenun

YUSUFALI: “I am to you a messenger worthy of all trust.
PICKTHAL: Lo! I am a faithful messenger unto you,
SHAKIR: Surely I am a faithful messenger to you
KHALIFA: “I am an honest messenger to you.

১৪২। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা সালেহ তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৪৩। ” আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৪৪। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৪৫। “এর জন্য আমি তো তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে জগতসমূহের প্রভুর নিকট।

১৪৬। ” তোমাদের কি নিরাপদ অবস্থায় [ উপভোগের জন্য ] ছেড়ে রাখা হবে , যা এখানে আছে তাতে,

১৪৭। ” উদ্যানসমূহে এবং প্রস্রবণ সমূহে;

১৪৮। ” এবং শষ্য ক্ষেত্র এবং [ফলভারে নত ] সুকোমল গুচ্ছ বিশিষ্ট খেজুর বাগানে ? ” ৩২০৪

৩২০৪। ফলভারে খেজুর বৃক্ষে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর ধরে থাকে। খেজুর গুচ্ছ লম্বা ডাটার অগ্রে ঝুলে থাকে। শষ্য ক্ষেত্র এবং খেজুর বাগানের জন্য সামুদ জাতি অতিশয় গর্বিত ছিলো। কৃষিক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা , ইমারত তৈরীতে তাদের ভাস্কর্যের নৈপূণ্য তাদের অহংকারে স্ফীত করে তোলে। তাদের এই ভাষ্কর্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে পরবর্তীতে রোমানদের ভাষ্কর্যের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উপদেশ : পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষকে উদ্ধত অহংকারী করে তোলে , কারণ তারা স্রষ্টার দানকে উপলব্ধি করতে অক্ষম হয়।

অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
“So fear Allah, and obey me.

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
Faittaqoo Allaha waateeAAooni

YUSUFALI: “So fear Allah, and obey me.
PICKTHAL: So keep your duty to Allah and obey me.
SHAKIR: Therefore guard against (the punishment of) Allah and obey me:
KHALIFA: “You shall reverence GOD, and obey me.

১৪২। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা সালেহ তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৪৩। ” আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৪৪। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৪৫। “এর জন্য আমি তো তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে জগতসমূহের প্রভুর নিকট।

১৪৬। ” তোমাদের কি নিরাপদ অবস্থায় [ উপভোগের জন্য ] ছেড়ে রাখা হবে , যা এখানে আছে তাতে,

১৪৭। ” উদ্যানসমূহে এবং প্রস্রবণ সমূহে;

১৪৮। ” এবং শষ্য ক্ষেত্র এবং [ফলভারে নত ] সুকোমল গুচ্ছ বিশিষ্ট খেজুর বাগানে ? ” ৩২০৪

৩২০৪। ফলভারে খেজুর বৃক্ষে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর ধরে থাকে। খেজুর গুচ্ছ লম্বা ডাটার অগ্রে ঝুলে থাকে। শষ্য ক্ষেত্র এবং খেজুর বাগানের জন্য সামুদ জাতি অতিশয় গর্বিত ছিলো। কৃষিক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা , ইমারত তৈরীতে তাদের ভাস্কর্যের নৈপূণ্য তাদের অহংকারে স্ফীত করে তোলে। তাদের এই ভাষ্কর্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে পরবর্তীতে রোমানদের ভাষ্কর্যের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উপদেশ : পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষকে উদ্ধত অহংকারী করে তোলে , কারণ তারা স্রষ্টার দানকে উপলব্ধি করতে অক্ষম হয়।

আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তাই দেবেন।
“No reward do I ask of you for it: my reward is only from the Lord of the Worlds.

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ
Wama as-alukum AAalayhi min ajrin in ajriya illa AAala rabbi alAAalameena

YUSUFALI: “No reward do I ask of you for it: my reward is only from the Lord of the Worlds.
PICKTHAL: And I ask of you no wage therefor; my wage is the concern only of the Lord of the Worlds.
SHAKIR: And I do not ask you any reward for it; my reward is only with the Lord of the worlds:
KHALIFA: “I do not ask you for any wage; my wage comes only from the Lord of the universe.

১৪২। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা সালেহ তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৪৩। ” আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৪৪। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৪৫। “এর জন্য আমি তো তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে জগতসমূহের প্রভুর নিকট।

১৪৬। ” তোমাদের কি নিরাপদ অবস্থায় [ উপভোগের জন্য ] ছেড়ে রাখা হবে , যা এখানে আছে তাতে,

১৪৭। ” উদ্যানসমূহে এবং প্রস্রবণ সমূহে;

১৪৮। ” এবং শষ্য ক্ষেত্র এবং [ফলভারে নত ] সুকোমল গুচ্ছ বিশিষ্ট খেজুর বাগানে ? ” ৩২০৪

৩২০৪। ফলভারে খেজুর বৃক্ষে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর ধরে থাকে। খেজুর গুচ্ছ লম্বা ডাটার অগ্রে ঝুলে থাকে। শষ্য ক্ষেত্র এবং খেজুর বাগানের জন্য সামুদ জাতি অতিশয় গর্বিত ছিলো। কৃষিক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা , ইমারত তৈরীতে তাদের ভাস্কর্যের নৈপূণ্য তাদের অহংকারে স্ফীত করে তোলে। তাদের এই ভাষ্কর্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে পরবর্তীতে রোমানদের ভাষ্কর্যের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উপদেশ : পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষকে উদ্ধত অহংকারী করে তোলে , কারণ তারা স্রষ্টার দানকে উপলব্ধি করতে অক্ষম হয়।

তোমাদেরকে কি এ জগতের ভোগ-বিলাসের মধ্যে নিরাপদে রেখে দেয়া হবে?
“Will ye be left secure, in (the enjoyment of) all that ye have here?-

أَتُتْرَكُونَ فِي مَا هَاهُنَا آمِنِينَ
Atutrakoona fee ma hahuna amineena

YUSUFALI: “Will ye be left secure, in (the enjoyment of) all that ye have here?-
PICKTHAL: Will ye be left secure in that which is here before us,
SHAKIR: Will you be left secure in what is here;
KHALIFA: “Do you suppose you will be left forever, secure in this state?

১৪২। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা সালেহ তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৪৩। ” আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৪৪। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৪৫। “এর জন্য আমি তো তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে জগতসমূহের প্রভুর নিকট।

১৪৬। ” তোমাদের কি নিরাপদ অবস্থায় [ উপভোগের জন্য ] ছেড়ে রাখা হবে , যা এখানে আছে তাতে,

১৪৭। ” উদ্যানসমূহে এবং প্রস্রবণ সমূহে;

১৪৮। ” এবং শষ্য ক্ষেত্র এবং [ফলভারে নত ] সুকোমল গুচ্ছ বিশিষ্ট খেজুর বাগানে ? ” ৩২০৪

৩২০৪। ফলভারে খেজুর বৃক্ষে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর ধরে থাকে। খেজুর গুচ্ছ লম্বা ডাটার অগ্রে ঝুলে থাকে। শষ্য ক্ষেত্র এবং খেজুর বাগানের জন্য সামুদ জাতি অতিশয় গর্বিত ছিলো। কৃষিক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা , ইমারত তৈরীতে তাদের ভাস্কর্যের নৈপূণ্য তাদের অহংকারে স্ফীত করে তোলে। তাদের এই ভাষ্কর্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে পরবর্তীতে রোমানদের ভাষ্কর্যের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উপদেশ : পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষকে উদ্ধত অহংকারী করে তোলে , কারণ তারা স্রষ্টার দানকে উপলব্ধি করতে অক্ষম হয়।

উদ্যানসমূহের মধ্যে এবং ঝরণাসমূহের মধ্যে ?
“Gardens and Springs,

فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ
Fee jannatin waAAuyoonin

YUSUFALI: “Gardens and Springs,
PICKTHAL: In gardens and watersprings.
SHAKIR: In gardens and fountains,
KHALIFA: “You enjoy gardens and springs.

১৪২। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা সালেহ তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৪৩। ” আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৪৪। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৪৫। “এর জন্য আমি তো তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে জগতসমূহের প্রভুর নিকট।

১৪৬। ” তোমাদের কি নিরাপদ অবস্থায় [ উপভোগের জন্য ] ছেড়ে রাখা হবে , যা এখানে আছে তাতে,

১৪৭। ” উদ্যানসমূহে এবং প্রস্রবণ সমূহে;

১৪৮। ” এবং শষ্য ক্ষেত্র এবং [ফলভারে নত ] সুকোমল গুচ্ছ বিশিষ্ট খেজুর বাগানে ? ” ৩২০৪

৩২০৪। ফলভারে খেজুর বৃক্ষে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর ধরে থাকে। খেজুর গুচ্ছ লম্বা ডাটার অগ্রে ঝুলে থাকে। শষ্য ক্ষেত্র এবং খেজুর বাগানের জন্য সামুদ জাতি অতিশয় গর্বিত ছিলো। কৃষিক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা , ইমারত তৈরীতে তাদের ভাস্কর্যের নৈপূণ্য তাদের অহংকারে স্ফীত করে তোলে। তাদের এই ভাষ্কর্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে পরবর্তীতে রোমানদের ভাষ্কর্যের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উপদেশ : পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষকে উদ্ধত অহংকারী করে তোলে , কারণ তারা স্রষ্টার দানকে উপলব্ধি করতে অক্ষম হয়।

শস্যক্ষেত্রের মধ্যে এবং মঞ্জুরিত খেজুর বাগানের মধ্যে ?
“And corn-fields and date-palms with spathes near breaking (with the weight of fruit)?

وَزُرُوعٍ وَنَخْلٍ طَلْعُهَا هَضِيمٌ
WazurooAAin wanakhlin talAAuha hadeemun

YUSUFALI: “And corn-fields and date-palms with spathes near breaking (with the weight of fruit)?
PICKTHAL: And tilled fields and heavy-sheathed palm-trees,
SHAKIR: And cornfields and palm-trees having fine spadices?
KHALIFA: “And crops and date palms with delicious fruits.

১৪২। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা সালেহ তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৪৩। ” আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৪৪। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৪৫। “এর জন্য আমি তো তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে জগতসমূহের প্রভুর নিকট।

১৪৬। ” তোমাদের কি নিরাপদ অবস্থায় [ উপভোগের জন্য ] ছেড়ে রাখা হবে , যা এখানে আছে তাতে,

১৪৭। ” উদ্যানসমূহে এবং প্রস্রবণ সমূহে;

১৪৮। ” এবং শষ্য ক্ষেত্র এবং [ফলভারে নত ] সুকোমল গুচ্ছ বিশিষ্ট খেজুর বাগানে ? ” ৩২০৪

৩২০৪। ফলভারে খেজুর বৃক্ষে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর ধরে থাকে। খেজুর গুচ্ছ লম্বা ডাটার অগ্রে ঝুলে থাকে। শষ্য ক্ষেত্র এবং খেজুর বাগানের জন্য সামুদ জাতি অতিশয় গর্বিত ছিলো। কৃষিক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা , ইমারত তৈরীতে তাদের ভাস্কর্যের নৈপূণ্য তাদের অহংকারে স্ফীত করে তোলে। তাদের এই ভাষ্কর্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে পরবর্তীতে রোমানদের ভাষ্কর্যের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উপদেশ : পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষকে উদ্ধত অহংকারী করে তোলে , কারণ তারা স্রষ্টার দানকে উপলব্ধি করতে অক্ষম হয়।

তোমরা পাহাড় কেটে জাঁক জমকের গৃহ নির্মাণ করছ।
“And ye carve houses out of (rocky) mountains with great skill.

وَتَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا فَارِهِينَ
Watanhitoona mina aljibali buyootan fariheena

YUSUFALI: “And ye carve houses out of (rocky) mountains with great skill.
PICKTHAL: Though ye hew out dwellings in the mountain, being skilful?
SHAKIR: And you hew houses out of the mountains exultingly;
KHALIFA: “You carve out of the mountains luxurious mansions.

১৪৯। ” এবং তোমরা তো নৈপুণ্যের সাথে [ কঠিন ] পাহাড় কেটে গৃহ নির্মাণ করেছ।

১৫০। “তোমরা আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর ;

১৫১। ” এবং যারা অমিতব্যয়ী তাদের আদেশ অনুসরণ করো না, ৩২০৫

৩২০৫। এ সব উদ্ধত অহংকারীদের জন্য উপদেশ ছিলো যে, ” তোমাদের দক্ষতা ও নৈপুন্য হতে পারে শ্রেষ্ঠ , কিন্তু এই দক্ষতা ও নৈপুন্যের সাথে সাথে তোমাদের চারিত্রিক গুণাবলী অর্জন করা কর্তব্য। যারা সীমালঙ্ঘনকারী তাদের অনুসরণ করো না। যারা ক্ষমতার ব্যবহারে স্বেচ্ছাচারী, সম্পদ অর্জনে নীতিজ্ঞানহীন , জীবনযাত্রায় অমিতব্যয়ী , বিলাস -ব্যসন ও আত্ম -তুষ্টিতে জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ চাওয়া পাওয়া মনে করে তারাই সীমালংঘনকারী। কারণ তাদের এই জীবন বোধ, বিকৃত মূল্যবোধ, সমাজ জীবনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অন্যায় অবিচারের জন্ম দেয়। কিন্তু এদের জন্যও অনুতাপের দুয়ার খোলা আছে। এর পরেও কি এরা অনুতপ্ত হবে না ?

সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।
“But fear Allah and obey me;

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
Faittaqoo Allaha waateeAAooni

YUSUFALI: “But fear Allah and obey me;
PICKTHAL: Therefor keep your duty to Allah and obey me,
SHAKIR: Therefore guard against (the punishment of) Allah and obey me;
KHALIFA: “You shall reverence GOD, and obey me.

১৪৯। ” এবং তোমরা তো নৈপুণ্যের সাথে [ কঠিন ] পাহাড় কেটে গৃহ নির্মাণ করেছ।

১৫০। “তোমরা আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর ;

১৫১। ” এবং যারা অমিতব্যয়ী তাদের আদেশ অনুসরণ করো না, ৩২০৫

৩২০৫। এ সব উদ্ধত অহংকারীদের জন্য উপদেশ ছিলো যে, ” তোমাদের দক্ষতা ও নৈপুন্য হতে পারে শ্রেষ্ঠ , কিন্তু এই দক্ষতা ও নৈপুন্যের সাথে সাথে তোমাদের চারিত্রিক গুণাবলী অর্জন করা কর্তব্য। যারা সীমালঙ্ঘনকারী তাদের অনুসরণ করো না। যারা ক্ষমতার ব্যবহারে স্বেচ্ছাচারী, সম্পদ অর্জনে নীতিজ্ঞানহীন , জীবনযাত্রায় অমিতব্যয়ী , বিলাস -ব্যসন ও আত্ম -তুষ্টিতে জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ চাওয়া পাওয়া মনে করে তারাই সীমালংঘনকারী। কারণ তাদের এই জীবন বোধ, বিকৃত মূল্যবোধ, সমাজ জীবনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অন্যায় অবিচারের জন্ম দেয়। কিন্তু এদের জন্যও অনুতাপের দুয়ার খোলা আছে। এর পরেও কি এরা অনুতপ্ত হবে না ?

এবং সীমালংঘনকারীদের আদেশ মান্য কর না;
“And follow not the bidding of those who are extravagant,-

وَلَا تُطِيعُوا أَمْرَ الْمُسْرِفِينَ
Wala tuteeAAoo amra almusrifeena

YUSUFALI: “And follow not the bidding of those who are extravagant,-
PICKTHAL: And obey not the command of the prodigal,
SHAKIR: And do not obey the bidding of the extravagant,
KHALIFA: “Do not obey the transgressors.

১৪৯। ” এবং তোমরা তো নৈপুণ্যের সাথে [ কঠিন ] পাহাড় কেটে গৃহ নির্মাণ করেছ।

১৫০। “তোমরা আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর ;

১৫১। ” এবং যারা অমিতব্যয়ী তাদের আদেশ অনুসরণ করো না, ৩২০৫

৩২০৫। এ সব উদ্ধত অহংকারীদের জন্য উপদেশ ছিলো যে, ” তোমাদের দক্ষতা ও নৈপুন্য হতে পারে শ্রেষ্ঠ , কিন্তু এই দক্ষতা ও নৈপুন্যের সাথে সাথে তোমাদের চারিত্রিক গুণাবলী অর্জন করা কর্তব্য। যারা সীমালঙ্ঘনকারী তাদের অনুসরণ করো না। যারা ক্ষমতার ব্যবহারে স্বেচ্ছাচারী, সম্পদ অর্জনে নীতিজ্ঞানহীন , জীবনযাত্রায় অমিতব্যয়ী , বিলাস -ব্যসন ও আত্ম -তুষ্টিতে জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ চাওয়া পাওয়া মনে করে তারাই সীমালংঘনকারী। কারণ তাদের এই জীবন বোধ, বিকৃত মূল্যবোধ, সমাজ জীবনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অন্যায় অবিচারের জন্ম দেয়। কিন্তু এদের জন্যও অনুতাপের দুয়ার খোলা আছে। এর পরেও কি এরা অনুতপ্ত হবে না ?

যারা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করে না;
“Who make mischief in the land, and mend not (their ways).”

الَّذِينَ يُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ وَلَا يُصْلِحُونَ
Allatheena yufsidoona fee al-ardi wala yuslihoona

YUSUFALI: “Who make mischief in the land, and mend not (their ways).”
PICKTHAL: Who spread corruption in the earth, and reform not.
SHAKIR: Who make mischief in the land and do not act aright.
KHALIFA: “Who commit evil, not good works.”

১৫২। ” তারা পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে এবং [ তাদের পথ ] সংশোধন করে না।”

১৫৩। তারা বলেছিলো, ” তুমি তো যাদুগ্রস্থদের অন্যতম ! ৩২০৬

৩২০৬। সামুদ জাতিরা তাদের নবীকে মনে করেছিলো পাগল, এবং সে জন্যেই তারা উপরের উক্তি করে।

উপদেশ : স্বেচ্ছাচারীতা আত্মার মাঝে অন্ধত্বের জন্ম দেয়। ফলে সত্য ও ন্যায়কে অনুধাবন ক্ষমতা আত্মার মাঝে অনুপস্থিত হয়ে যায়, যেরূপ হয়েছিলো সামুদ জাতির। তারা তাদের নবীর চরিত্রের মহত্তর ও পবিত্র রূপকে অনুধাবনে অক্ষম হয়েছিলো।

তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্থুরেদ একজন।
They said: “Thou art only one of those bewitched!

قَالُوا إِنَّمَا أَنتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ
Qaloo innama anta mina almusahhareena

YUSUFALI: They said: “Thou art only one of those bewitched!
PICKTHAL: They said: Thou art but one of the bewitched;
SHAKIR: They said: You are only of the deluded ones;
KHALIFA: They said, “You are bewitched.

১৫২। ” তারা পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে এবং [ তাদের পথ ] সংশোধন করে না।”

১৫৩। তারা বলেছিলো, ” তুমি তো যাদুগ্রস্থদের অন্যতম ! ৩২০৬

৩২০৬। সামুদ জাতিরা তাদের নবীকে মনে করেছিলো পাগল, এবং সে জন্যেই তারা উপরের উক্তি করে।

উপদেশ : স্বেচ্ছাচারীতা আত্মার মাঝে অন্ধত্বের জন্ম দেয়। ফলে সত্য ও ন্যায়কে অনুধাবন ক্ষমতা আত্মার মাঝে অনুপস্থিত হয়ে যায়, যেরূপ হয়েছিলো সামুদ জাতির। তারা তাদের নবীর চরিত্রের মহত্তর ও পবিত্র রূপকে অনুধাবনে অক্ষম হয়েছিলো।

তুমি তো আমাদের মতই একজন মানুষ বৈ নও। সুতরাং যদি তুমি সত্যবাদী হও, তবে কোন নিদর্শন উপস্থিত কর।
“Thou art no more than a mortal like us: then bring us a Sign, if thou tellest the truth!”

مَا أَنتَ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا فَأْتِ بِآيَةٍ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ
Ma anta illa basharun mithluna fa/ti bi-ayatin in kunta mina alssadiqeena

YUSUFALI: “Thou art no more than a mortal like us: then bring us a Sign, if thou tellest the truth!”
PICKTHAL: Thou art but a mortal like us. So bring some token if thou art of the truthful.
SHAKIR: You are naught but a mortal like ourselves; so bring a sign if you are one of the truthful.
KHALIFA: “You are no more than a human like us. Produce a miracle, if you are truthful.”

১৫৪। ” তুমি তো আমাদের মত একজন মরণশীল [মানুষ ] ব্যতীত অন্য কিছু নও। কাজেই যদি তুমি সত্যবাদী হও তবে, একটি নিদর্শন উপস্থিত কর।”

১৫৫। সে বলেছিলো, ” এই একটি উষ্ট্রী। তার পানি পানের নির্ধারিত দিনে অধিকার আছে, এবং তোমাদের [পশুদের] পানি পান করানোর [ পৃথক] নির্ধারিত দিনে অধিকার আছে ৩২০৭।

৩২০৭। উষ্ট্রী সম্পর্কে দেখুন টিকা ১০৪৪ ও আয়াত [ ৭ : ৭৩ ]। এই উষ্ট্রীটি ছিলো সামুদ জাতির জন্য পরীক্ষা স্বরূপ। তারা কি উষ্ট্রীটির চারণ ও তৃষ্ণার পানি সম্বন্ধে যত্নবান হবে?

সালেহ বললেন এই উষ্ট্রী, এর জন্যে আছে পানি পানের পালা এবং তোমাদের জন্যে আছে পানি পানের পালা নির্দিষ্ট এক-এক দিনের।
He said: “Here is a she-camel: she has a right of watering, and ye have a right of watering, (severally) on a day appointed.

قَالَ هَذِهِ نَاقَةٌ لَّهَا شِرْبٌ وَلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ
Qala hathihi naqatun laha shirbun walakum shirbu yawmin maAAloomin

YUSUFALI: He said: “Here is a she-camel: she has a right of watering, and ye have a right of watering, (severally) on a day appointed.
PICKTHAL: He said: (Behold) this she-camel. She hath the right to drink (at the well), and ye have the right to drink, (each) on an appointed day.
SHAKIR: He said: This is a she-camel; she shall have her portion of water, and you have your portion of water on an appointed time;
KHALIFA: He said, “Here is a camel that will drink only on a day that is assigned to her; a day that is different from your specified days of drinking.

১৫৪। ” তুমি তো আমাদের মত একজন মরণশীল [মানুষ ] ব্যতীত অন্য কিছু নও। কাজেই যদি তুমি সত্যবাদী হও তবে, একটি নিদর্শন উপস্থিত কর।”

১৫৫। সে বলেছিলো, ” এই একটি উষ্ট্রী। তার পানি পানের নির্ধারিত দিনে অধিকার আছে, এবং তোমাদের [পশুদের] পানি পান করানোর [ পৃথক] নির্ধারিত দিনে অধিকার আছে ৩২০৭।

৩২০৭। উষ্ট্রী সম্পর্কে দেখুন টিকা ১০৪৪ ও আয়াত [ ৭ : ৭৩ ]। এই উষ্ট্রীটি ছিলো সামুদ জাতির জন্য পরীক্ষা স্বরূপ। তারা কি উষ্ট্রীটির চারণ ও তৃষ্ণার পানি সম্বন্ধে যত্নবান হবে?

তোমরা একে কোন কষ্ট দিও না। তাহলে তোমাদেরকে মহাদিবসের আযাব পাকড়াও করবে।
“Touch her not with harm, lest the Penalty of a Great Day seize you.”

وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَظِيمٍ
Wala tamassooha bisoo-in faya/khuthakum AAathabu yawmin AAatheemin

YUSUFALI: “Touch her not with harm, lest the Penalty of a Great Day seize you.”
PICKTHAL: And touch her not with ill lest there come on you the retribution of an awful day.
SHAKIR: And do not touch her with evil, lest the punishment of a grievous day should overtake you.
KHALIFA: “Do not touch her with any harm, lest you incur retribution on an awesome day.”

১৫৬। “কোন ক্ষতি করার জন্য উহাকে স্পর্শ করো না। কেন না , তা হলে তোমাদের এক মহাদিনের শাস্তি পাকড়াও করবে। ”

১৫৭। কিন্তু তারা তাকে বধ করলো। অতঃপর তারা অনুতাপে পূর্ণ হলো ৩২০৮।

৩২০৮। “অতঃপর তারা অনুতাপে পূর্ণ হলো।” কিন্তু অনুতাপের জন্য এই সময় খুব বেশী দেরী হয়ে গিয়েছিলো। সামুদ জাতিরা নিজেরাই সালেহ্‌ নবীকে আল্লাহ্‌র নিদর্শন প্রদর্শনের জন্য বলেছিলো। ফলে আল্লাহ্‌ তাদের পরীক্ষা করার জন্য একটি উষ্ট্রী প্রেরণ করেন। উষ্ট্রীটি ছিলো গরীবদের প্রতীক ও প্রতিনিধি স্বরূপ। উষ্ট্রীটিকে চারণভূমিতে চারণের অধিকার ও জলাশয়েরর অধিকারের মাধ্যমে গরীবের অধিকারকে স্বীকৃত দান করা ছিলো স্রষ্টার উদ্দেশ্য। তারা কি এই উষ্ট্রী প্রতীকের মাধ্যমে ধনী ও গরীবের সমতার আইন মেনে চলবে ? যে আইন বিশ্ব স্রষ্টার গড়া। কিন্তু সামুদ জাতি তা অস্বীকার করলো এবং উষ্ট্রীকে হত্যার মাধ্যমে বিশ্বস্রষ্টার নিদর্শনকে অস্বীকার ও অপবিত্র করলো। ফলে তাদের পাপ তাদের ধ্বংসের পাদ্‌প্রান্তে নিয়ে গেলো।

উপদেশ : এ ভাবেই প্রত্যেকেই তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করবে।

তারা তাকে বধ করল ফলে, তারা অনুতপ্ত হয়ে গেল।
But they ham-strung her: then did they become full of regrets.

فَعَقَرُوهَا فَأَصْبَحُوا نَادِمِينَ
FaAAaqarooha faasbahoo nadimeena

YUSUFALI: But they ham-strung her: then did they become full of regrets.
PICKTHAL: But they hamstrung her, and then were penitent.
SHAKIR: But they hamstrung her, then regretted;
KHALIFA: They slaughtered her, and thus incurred sorrow.

১৫৬। “কোন ক্ষতি করার জন্য উহাকে স্পর্শ করো না। কেন না , তা হলে তোমাদের এক মহাদিনের শাস্তি পাকড়াও করবে। ”

১৫৭। কিন্তু তারা তাকে বধ করলো। অতঃপর তারা অনুতাপে পূর্ণ হলো ৩২০৮।

৩২০৮। “অতঃপর তারা অনুতাপে পূর্ণ হলো।” কিন্তু অনুতাপের জন্য এই সময় খুব বেশী দেরী হয়ে গিয়েছিলো। সামুদ জাতিরা নিজেরাই সালেহ্‌ নবীকে আল্লাহ্‌র নিদর্শন প্রদর্শনের জন্য বলেছিলো। ফলে আল্লাহ্‌ তাদের পরীক্ষা করার জন্য একটি উষ্ট্রী প্রেরণ করেন। উষ্ট্রীটি ছিলো গরীবদের প্রতীক ও প্রতিনিধি স্বরূপ। উষ্ট্রীটিকে চারণভূমিতে চারণের অধিকার ও জলাশয়েরর অধিকারের মাধ্যমে গরীবের অধিকারকে স্বীকৃত দান করা ছিলো স্রষ্টার উদ্দেশ্য। তারা কি এই উষ্ট্রী প্রতীকের মাধ্যমে ধনী ও গরীবের সমতার আইন মেনে চলবে ? যে আইন বিশ্ব স্রষ্টার গড়া। কিন্তু সামুদ জাতি তা অস্বীকার করলো এবং উষ্ট্রীকে হত্যার মাধ্যমে বিশ্বস্রষ্টার নিদর্শনকে অস্বীকার ও অপবিত্র করলো। ফলে তাদের পাপ তাদের ধ্বংসের পাদ্‌প্রান্তে নিয়ে গেলো।

উপদেশ : এ ভাবেই প্রত্যেকেই তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করবে।

এরপর আযাব তাদেরকে পাকড়াও করল। নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
But the Penalty seized them. Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.

فَأَخَذَهُمُ الْعَذَابُ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ
Faakhathahumu alAAathabu inna fee thalika laayatan wama kana aktharuhum mu/mineena

YUSUFALI: But the Penalty seized them. Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.
PICKTHAL: So the retribution came on them. Lo! herein is indeed a portent, yet most of them are not believers.
SHAKIR: So the punishment overtook them. Most surely there is a sign in this, but most of them do not believe.
KHALIFA: The retribution overwhelmed them. This should be a lesson, but most people are not believers.

১৫৮। কিন্তু শাস্তি উহাদের পাকড়াও করলো, অবশ্যই এতে রয়েছে নিদর্শন। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।

আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ
Wa-inna rabbaka lahuwa alAAazeezu alrraheemu

YUSUFALI: And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.
PICKTHAL: And lo! thy Lord! He is indeed the Mighty, the Merciful.
SHAKIR: And most surely your Lord is the Mighty, the Merciful.
KHALIFA: Most assuredly, your Lord is the Almighty, Most Merciful.

১৫৯। অবশ্যই তোমার প্রভু ক্ষমতার পরাক্রমশালী , পরম করুণাময়।

লূতের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
The people of Lut rejected the apostles.

كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍ الْمُرْسَلِينَ
Kaththabat qawmu lootin almursaleena

YUSUFALI: The people of Lut rejected the messengers.
PICKTHAL: The folk of Lot denied the messengers (of Allah),
SHAKIR: The people of Lut gave the lie to the messengers.
KHALIFA: The people of Lot disbelieved the messengers.

রুকু – ৯

১৬০। লূতের সম্প্রদায় রাসুলগণকে প্রত্যাখান করেছিলো ৩২০৯।

৩২০৯। যুগে যুগে সত্য প্রচারকারীরা বিপথগামীদের দ্বারা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে। লূতের কাহিনীও সেই একই ঘটনার সাক্ষ্য দেয়। লূতের বিশদ কাহিনীর জন্য দেখুন [ ৭ : ৮০ -৮৪ ] আয়াত এবং টিকা ১০৪৯। এই সূরাতে যে প্রসঙ্গের উপরে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে তা হচ্ছে : লূতের সম্প্রদায়ের লোকেরা বাইরে বিকৃত যৌন জীবন যাপন করতো যা ছিলো প্রকৃতির সাধারণ রীতিনীতির বাইরে। প্রকৃতির যে আইন তা হচ্ছে বিশ্বস্রষ্টা কর্তৃক সৃষ্ট তাঁর সৃষ্টির মঙ্গলের জন্য কৃত আইন। এই আইন বা নিয়ম ভাঙ্গার অধিকার বা ক্ষমতা কারও নাই। যদি কেউ প্রকৃতির আইনকে লঙ্ঘন করে তবে তার ধ্বংস অনিবার্য। নারী ও পুরুষের মিলিত জীবনই হচ্ছে সৃষ্টিকে রক্ষা করার জন্য এক বিশেষ প্রাকৃতিক আইন বা কৌশল। লূতের সম্প্রদায় সমকামিতার দ্বারা আল্লাহ্‌র এই আইনকে লঙ্ঘন করে। তারা লূতের সাবধান বাণীর প্রতি কর্ণপাত করে না। ফলে তাদের পাথর বৃষ্টিদ্বারা পৃথিবী থেকে ধবংস করে দেয়া হয়।

যখন তাদের ভাই লূত তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না ?
Behold, their brother Lut said to them: “Will ye not fear ((Allah))?

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ لُوطٌ أَلَا تَتَّقُونَ
Ith qala lahum akhoohum lootun ala tattaqoona

YUSUFALI: Behold, their brother Lut said to them: “Will ye not fear (Allah)?
PICKTHAL: When their brother Lot said unto them: Will ye not ward off (evil)?
SHAKIR: When their brother Lut said to them: Will you not guard (against evil)?
KHALIFA: Their brother Lot said to them, “Would you not be righteous?

১৬১। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা লূত তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৬২। ” আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৬৩। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৬৪। ” এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎসমূহের প্রভুর নিকট।

১৬৫। ” বিশ্বজগতের সকল প্রাণীর মধ্যে , তোমরাই কি পুরুষের সাথে উপগত হবে;

১৬৬। ” এবং তোমাদের প্রভু তোমাদের সঙ্গী হওয়ার জন্য যাদের সৃষ্টি করেছেন তাদের ত্যাগ করবে ? না, তোমরা তো [সকল সীমা ] লংঘনকারী এক সম্প্রদায়।”

১৬৭। তারা বলেছিলো, ” হে লূত! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও, তবে অবশ্যই তুমি নির্বাসিত হবে ৩২১০।”

৩২১০। লূতের সম্প্রদায় লূতের সাবধান বাণীতে ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পাপীরা এ ভাবেই পাপের মনোমুগ্ধকর রূপে এতটাই আত্মহারা হয়ে পড়ে যে, তাদের পাপের পরিণতি সম্বন্ধে সাবধান করলে তারা ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরিণতিতে লূতের সম্প্রদায় ধবংস হয়ে যায় এবং সাবধানকারীরূপে হযরত লূত রক্ষা পেয়ে যান।

উপদেশ : পৃথিবীতে যারা পাপে, বিশেষভাবে যৌন বিকৃতিতে আনন্দ লাভ করে, তারা খুব কমই আল্লাহ্‌র রাস্তায় ফিরে আসে। এ কথা সে যুগেও প্রযোজ্য ছিলো , অদ্যাবধি তা প্রযোজ্য আছে।

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।
“I am to you an apostle worthy of all trust.

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ
Innee lakum rasoolun ameenun

YUSUFALI: “I am to you a messenger worthy of all trust.
PICKTHAL: Lo! I am a faithful messenger unto you,
SHAKIR: Surely I am a faithful messenger to you;
KHALIFA: “I am an honest messenger to you.

১৬১। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা লূত তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৬২। ” আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৬৩। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৬৪। ” এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎসমূহের প্রভুর নিকট।

১৬৫। ” বিশ্বজগতের সকল প্রাণীর মধ্যে , তোমরাই কি পুরুষের সাথে উপগত হবে;

১৬৬। ” এবং তোমাদের প্রভু তোমাদের সঙ্গী হওয়ার জন্য যাদের সৃষ্টি করেছেন তাদের ত্যাগ করবে ? না, তোমরা তো [সকল সীমা ] লংঘনকারী এক সম্প্রদায়।”

১৬৭। তারা বলেছিলো, ” হে লূত! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও, তবে অবশ্যই তুমি নির্বাসিত হবে ৩২১০।”

৩২১০। লূতের সম্প্রদায় লূতের সাবধান বাণীতে ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পাপীরা এ ভাবেই পাপের মনোমুগ্ধকর রূপে এতটাই আত্মহারা হয়ে পড়ে যে, তাদের পাপের পরিণতি সম্বন্ধে সাবধান করলে তারা ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরিণতিতে লূতের সম্প্রদায় ধবংস হয়ে যায় এবং সাবধানকারীরূপে হযরত লূত রক্ষা পেয়ে যান।

উপদেশ : পৃথিবীতে যারা পাপে, বিশেষভাবে যৌন বিকৃতিতে আনন্দ লাভ করে, তারা খুব কমই আল্লাহ্‌র রাস্তায় ফিরে আসে। এ কথা সে যুগেও প্রযোজ্য ছিলো , অদ্যাবধি তা প্রযোজ্য আছে।

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
“So fear Allah and obey me.

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
Faittaqoo Allaha waateeAAooni

YUSUFALI: “So fear Allah and obey me.
PICKTHAL: So keep your duty to Allah and obey me.
SHAKIR: Therefore guard against (the punishment of) Allah and obey me:
KHALIFA: “You shall reverence GOD, and obey me.

১৬১। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা লূত তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৬২। ” আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৬৩। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৬৪। ” এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎসমূহের প্রভুর নিকট।

১৬৫। ” বিশ্বজগতের সকল প্রাণীর মধ্যে , তোমরাই কি পুরুষের সাথে উপগত হবে;

১৬৬। ” এবং তোমাদের প্রভু তোমাদের সঙ্গী হওয়ার জন্য যাদের সৃষ্টি করেছেন তাদের ত্যাগ করবে ? না, তোমরা তো [সকল সীমা ] লংঘনকারী এক সম্প্রদায়।”

১৬৭। তারা বলেছিলো, ” হে লূত! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও, তবে অবশ্যই তুমি নির্বাসিত হবে ৩২১০।”

৩২১০। লূতের সম্প্রদায় লূতের সাবধান বাণীতে ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পাপীরা এ ভাবেই পাপের মনোমুগ্ধকর রূপে এতটাই আত্মহারা হয়ে পড়ে যে, তাদের পাপের পরিণতি সম্বন্ধে সাবধান করলে তারা ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরিণতিতে লূতের সম্প্রদায় ধবংস হয়ে যায় এবং সাবধানকারীরূপে হযরত লূত রক্ষা পেয়ে যান।

উপদেশ : পৃথিবীতে যারা পাপে, বিশেষভাবে যৌন বিকৃতিতে আনন্দ লাভ করে, তারা খুব কমই আল্লাহ্‌র রাস্তায় ফিরে আসে। এ কথা সে যুগেও প্রযোজ্য ছিলো , অদ্যাবধি তা প্রযোজ্য আছে।

আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তা দেবেন।
“No reward do I ask of you for it: my reward is only from the lord of the Worlds.

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ
Wama as-alukum AAalayhi min ajrin in ajriya illa AAala rabbi alAAalameena

YUSUFALI: “No reward do I ask of you for it: my reward is only from the lord of the Worlds.
PICKTHAL: And I ask of you no wage therefor; my wage is the concern only of the Lord of the Worlds.
SHAKIR: And I do not ask you any reward for it; my reward is only with the Lord of the worlds;
KHALIFA: “I do not ask you for any wage; my wage comes only from the Lord of the universe.

১৬১। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা লূত তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৬২। ” আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৬৩। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৬৪। ” এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎসমূহের প্রভুর নিকট।

১৬৫। ” বিশ্বজগতের সকল প্রাণীর মধ্যে , তোমরাই কি পুরুষের সাথে উপগত হবে;

১৬৬। ” এবং তোমাদের প্রভু তোমাদের সঙ্গী হওয়ার জন্য যাদের সৃষ্টি করেছেন তাদের ত্যাগ করবে ? না, তোমরা তো [সকল সীমা ] লংঘনকারী এক সম্প্রদায়।”

১৬৭। তারা বলেছিলো, ” হে লূত! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও, তবে অবশ্যই তুমি নির্বাসিত হবে ৩২১০।”

৩২১০। লূতের সম্প্রদায় লূতের সাবধান বাণীতে ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পাপীরা এ ভাবেই পাপের মনোমুগ্ধকর রূপে এতটাই আত্মহারা হয়ে পড়ে যে, তাদের পাপের পরিণতি সম্বন্ধে সাবধান করলে তারা ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরিণতিতে লূতের সম্প্রদায় ধবংস হয়ে যায় এবং সাবধানকারীরূপে হযরত লূত রক্ষা পেয়ে যান।

উপদেশ : পৃথিবীতে যারা পাপে, বিশেষভাবে যৌন বিকৃতিতে আনন্দ লাভ করে, তারা খুব কমই আল্লাহ্‌র রাস্তায় ফিরে আসে। এ কথা সে যুগেও প্রযোজ্য ছিলো , অদ্যাবধি তা প্রযোজ্য আছে।

সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরূষদের সাথে কুকর্ম কর?
“Of all the creatures in the world, will ye approach males,

أَتَأْتُونَ الذُّكْرَانَ مِنَ الْعَالَمِينَ
Ata/toona alththukrana mina alAAalameena

YUSUFALI: “Of all the creatures in the world, will ye approach males,
PICKTHAL: What! Of all creatures do ye come unto the males,
SHAKIR: What! do you come to the males from among the creatures
KHALIFA: “Do you have sex with the males, of all the people?

১৬১। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা লূত তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৬২। ” আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৬৩। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৬৪। ” এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎসমূহের প্রভুর নিকট।

১৬৫। ” বিশ্বজগতের সকল প্রাণীর মধ্যে , তোমরাই কি পুরুষের সাথে উপগত হবে;

১৬৬। ” এবং তোমাদের প্রভু তোমাদের সঙ্গী হওয়ার জন্য যাদের সৃষ্টি করেছেন তাদের ত্যাগ করবে ? না, তোমরা তো [সকল সীমা ] লংঘনকারী এক সম্প্রদায়।”

১৬৭। তারা বলেছিলো, ” হে লূত! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও, তবে অবশ্যই তুমি নির্বাসিত হবে ৩২১০।”

৩২১০। লূতের সম্প্রদায় লূতের সাবধান বাণীতে ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পাপীরা এ ভাবেই পাপের মনোমুগ্ধকর রূপে এতটাই আত্মহারা হয়ে পড়ে যে, তাদের পাপের পরিণতি সম্বন্ধে সাবধান করলে তারা ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরিণতিতে লূতের সম্প্রদায় ধবংস হয়ে যায় এবং সাবধানকারীরূপে হযরত লূত রক্ষা পেয়ে যান।

উপদেশ : পৃথিবীতে যারা পাপে, বিশেষভাবে যৌন বিকৃতিতে আনন্দ লাভ করে, তারা খুব কমই আল্লাহ্‌র রাস্তায় ফিরে আসে। এ কথা সে যুগেও প্রযোজ্য ছিলো , অদ্যাবধি তা প্রযোজ্য আছে।

এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্যে যে স্ত্রীগনকে সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে বর্জন কর? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।
“And leave those whom Allah has created for you to be your mates? Nay, ye are a people transgressing (all limits)!”

وَتَذَرُونَ مَا خَلَقَ لَكُمْ رَبُّكُمْ مِنْ أَزْوَاجِكُم بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌ عَادُونَ
Watatharoona ma khalaqa lakum rabbukum min azwajikum bal antum qawmun AAadoona

YUSUFALI: “And leave those whom Allah has created for you to be your mates? Nay, ye are a people transgressing (all limits)!”
PICKTHAL: And leave the wives your Lord created for you? Nay, but ye are froward folk.
SHAKIR: And leave what your Lord has created for you of your wives? Nay, you are a people exceeding limits.
KHALIFA: “You forsake the wives that your Lord has created for you! Indeed, you are transgressing people.”

১৬১। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা লূত তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৬২। ” আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৬৩। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৬৪। ” এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎসমূহের প্রভুর নিকট।

১৬৫। ” বিশ্বজগতের সকল প্রাণীর মধ্যে , তোমরাই কি পুরুষের সাথে উপগত হবে;

১৬৬। ” এবং তোমাদের প্রভু তোমাদের সঙ্গী হওয়ার জন্য যাদের সৃষ্টি করেছেন তাদের ত্যাগ করবে ? না, তোমরা তো [সকল সীমা ] লংঘনকারী এক সম্প্রদায়।”

১৬৭। তারা বলেছিলো, ” হে লূত! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও, তবে অবশ্যই তুমি নির্বাসিত হবে ৩২১০।”

৩২১০। লূতের সম্প্রদায় লূতের সাবধান বাণীতে ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পাপীরা এ ভাবেই পাপের মনোমুগ্ধকর রূপে এতটাই আত্মহারা হয়ে পড়ে যে, তাদের পাপের পরিণতি সম্বন্ধে সাবধান করলে তারা ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরিণতিতে লূতের সম্প্রদায় ধবংস হয়ে যায় এবং সাবধানকারীরূপে হযরত লূত রক্ষা পেয়ে যান।

উপদেশ : পৃথিবীতে যারা পাপে, বিশেষভাবে যৌন বিকৃতিতে আনন্দ লাভ করে, তারা খুব কমই আল্লাহ্‌র রাস্তায় ফিরে আসে। এ কথা সে যুগেও প্রযোজ্য ছিলো , অদ্যাবধি তা প্রযোজ্য আছে।

তারা বলল, হে লূত, তুমি যদি বিরত না হও, তবে অবশ্যই তোমাকে বহিস্কৃত করা হবে।
They said: “If thou desist not, O Lut! thou wilt assuredly be cast out!”

قَالُوا لَئِن لَّمْ تَنتَهِ يَا لُوطُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمُخْرَجِينَ
Qaloo la-in lam tantahi ya lootu latakoonanna mina almukhrajeena

YUSUFALI: They said: “If thou desist not, O Lut! thou wilt assuredly be cast out!”
PICKTHAL: They said: If thou cease not, O Lot, thou wilt soon be of the outcast.
SHAKIR: They said: If you desist not, O Lut! you shall surely be of those who are expelled.
KHALIFA: They said, “Unless you refrain, O Lot, you will be banished.”

১৬১। স্মরণ কর, তাদের ভ্রাতা লূত তাদের বলেছিলো, ” তোমরা কি [আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

১৬২। ” আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৬৩। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৬৪। ” এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎসমূহের প্রভুর নিকট।

১৬৫। ” বিশ্বজগতের সকল প্রাণীর মধ্যে , তোমরাই কি পুরুষের সাথে উপগত হবে;

১৬৬। ” এবং তোমাদের প্রভু তোমাদের সঙ্গী হওয়ার জন্য যাদের সৃষ্টি করেছেন তাদের ত্যাগ করবে ? না, তোমরা তো [সকল সীমা ] লংঘনকারী এক সম্প্রদায়।”

১৬৭। তারা বলেছিলো, ” হে লূত! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও, তবে অবশ্যই তুমি নির্বাসিত হবে ৩২১০।”

৩২১০। লূতের সম্প্রদায় লূতের সাবধান বাণীতে ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পাপীরা এ ভাবেই পাপের মনোমুগ্ধকর রূপে এতটাই আত্মহারা হয়ে পড়ে যে, তাদের পাপের পরিণতি সম্বন্ধে সাবধান করলে তারা ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরিণতিতে লূতের সম্প্রদায় ধবংস হয়ে যায় এবং সাবধানকারীরূপে হযরত লূত রক্ষা পেয়ে যান।

উপদেশ : পৃথিবীতে যারা পাপে, বিশেষভাবে যৌন বিকৃতিতে আনন্দ লাভ করে, তারা খুব কমই আল্লাহ্‌র রাস্তায় ফিরে আসে। এ কথা সে যুগেও প্রযোজ্য ছিলো , অদ্যাবধি তা প্রযোজ্য আছে।

লূত বললেন, আমি তোমাদের এই কাজকে ঘৃণা করি।
He said: “I do detest your doings.”

قَالَ إِنِّي لِعَمَلِكُم مِّنَ الْقَالِينَ
Qala innee liAAamalikum mina alqaleena

YUSUFALI: He said: “I do detest your doings.”
PICKTHAL: He said: I am in truth of those who hate your conduct.
SHAKIR: He said: Surely I am of those who utterly abhor your
KHALIFA: He said, “I deplore your actions.”

১৬৮। সে বলেছিলো, ” আমি তোমাদের এই কাজকে ঘৃণা করি ৩২১১।

১৬৯। ” হে আমার প্রভু! আমাকে ও আমার পরিবারকে , ওরা যা করে , তা থেকে রক্ষা কর।”

৩২১১। হযরত লূত তাঁর সম্প্রদায়ের বিকৃত যৌনাচারের পাপকে ঘৃণা করতেন, কিন্তু শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ কর্তৃক প্রদত্ত কর্তব্য বোধই তাঁকে তাঁর সম্প্রদায়কে সাবধান করার কাজে নিয়োজিত করে। সমগ্র পরিবেশ তার জন্য ছিলো অসহনীয়। যে মুহুর্তে আল্লাহ্‌ তাঁকে তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দান করেন , তিনি সাথে সাথে তাঁর সম্প্রদায়ের সংশ্রব ত্যাগ করেন। তিনি আল্লাহ্‌র নিকট তাঁর পরিবারের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রার্থনা করেন।

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এবং আমার পরিবারবর্গকে তারা যা করে, তা থেকে রক্ষা কর।
“O my Lord! deliver me and my family from such things as they do!”

رَبِّ نَجِّنِي وَأَهْلِي مِمَّا يَعْمَلُونَ
Rabbi najjinee waahlee mimma yaAAmaloona

YUSUFALI: “O my Lord! deliver me and my family from such things as they do!”
PICKTHAL: My Lord! Save me and my household from what they do.
SHAKIR: My Lord ! deliver me and my followers from what they do.
KHALIFA: “My Lord, save me and my family from their works.”

১৬৮। সে বলেছিলো, ” আমি তোমাদের এই কাজকে ঘৃণা করি ৩২১১।

১৬৯। ” হে আমার প্রভু! আমাকে ও আমার পরিবারকে , ওরা যা করে , তা থেকে রক্ষা কর।”

৩২১১। হযরত লূত তাঁর সম্প্রদায়ের বিকৃত যৌনাচারের পাপকে ঘৃণা করতেন, কিন্তু শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ কর্তৃক প্রদত্ত কর্তব্য বোধই তাঁকে তাঁর সম্প্রদায়কে সাবধান করার কাজে নিয়োজিত করে। সমগ্র পরিবেশ তার জন্য ছিলো অসহনীয়। যে মুহুর্তে আল্লাহ্‌ তাঁকে তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দান করেন , তিনি সাথে সাথে তাঁর সম্প্রদায়ের সংশ্রব ত্যাগ করেন। তিনি আল্লাহ্‌র নিকট তাঁর পরিবারের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রার্থনা করেন।

অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে রক্ষা করলাম।
So We delivered him and his family,- all

فَنَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ أَجْمَعِينَ
Fanajjaynahu waahlahu ajmaAAeena

YUSUFALI: So We delivered him and his family,- all
PICKTHAL: So We saved him and his household, every one,
SHAKIR: So We delivered him and his followers all,
KHALIFA: We saved him and all his family.

১৭০। সুতারাং আমি রক্ষা করলাম, তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সকলকে

১৭১। একজন বৃদ্ধা মহিলা ব্যতীত। সে ছিলো পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত ৩২১২।

৩২১২। এই বৃদ্ধা মহিলা ছিলেন হযরত লূতের স্ত্রী। সে পশ্চাতে অবস্থানকারীদের একজন ছিলো, ফলে সে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।

উপদেশ : প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিজ কর্মফল ভোগ করবে। পূণ্যাত্মা ব্যক্তির সংস্পর্শে থেকেও কেউ নিজ কর্মফল থেকে অব্যহতি পেতে পারে না। যেমন লূতের পত্নীর বেলায় ঘটেছিলো – তার কর্মফল তাকে তার পাপ মোচনে সাহায্য করে নাই বা তার কর্মফলের শাস্তি থেকে অব্যহতি দান করতে পারে নাই। এই – ই হচ্ছে বিশ্ববিধাতার অমোঘ নিয়ম।

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, সে ছিল ধ্বংস প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।
Except an old woman who lingered behind.

إِلَّا عَجُوزًا فِي الْغَابِرِينَ
Illa AAajoozan fee alghabireena

YUSUFALI: Except an old woman who lingered behind.
PICKTHAL: Save an old woman among those who stayed behind.
SHAKIR: Except an old woman, among those who remained behind.
KHALIFA: But not the old woman; she was doomed.

১৭০। সুতারাং আমি রক্ষা করলাম, তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সকলকে

১৭১। একজন বৃদ্ধা মহিলা ব্যতীত। সে ছিলো পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত ৩২১২।

৩২১২। এই বৃদ্ধা মহিলা ছিলেন হযরত লূতের স্ত্রী। সে পশ্চাতে অবস্থানকারীদের একজন ছিলো, ফলে সে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।

উপদেশ : প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিজ কর্মফল ভোগ করবে। পূণ্যাত্মা ব্যক্তির সংস্পর্শে থেকেও কেউ নিজ কর্মফল থেকে অব্যহতি পেতে পারে না। যেমন লূতের পত্নীর বেলায় ঘটেছিলো – তার কর্মফল তাকে তার পাপ মোচনে সাহায্য করে নাই বা তার কর্মফলের শাস্তি থেকে অব্যহতি দান করতে পারে নাই। এই – ই হচ্ছে বিশ্ববিধাতার অমোঘ নিয়ম।

এরপর অন্যদেরকে নিপাত করলাম।
But the rest We destroyed utterly.

ثُمَّ دَمَّرْنَا الْآخَرِينَ
Thumma dammarna al-akhareena

YUSUFALI: But the rest We destroyed utterly.
PICKTHAL: Then afterward We destroyed the others.
SHAKIR: Then We utterly destroyed the others.
KHALIFA: We then destroyed the others.

১৭২। তৎপর অন্য সকলকে আমি সমূলে ধ্বংস করলাম।

১৭৩। আমি তাদের উপরে [ গন্ধকের ] ধারা বর্ষণ করলাম ৩২১৩, যারা সাবধান করা সত্বেও [ সাবধান হয় নাই ]; তাদের জন্য তা ছিলো অতি মন্দ।

৩২১৩। দেখুন আয়াত [ ৭ : ৮৪ ] এবং টিকা ১০৫২।

তাদের উপর এক বিশেষ বৃষ্টি বর্ষণ করলাম। ভীতি-প্রদর্শিত দের জন্যে এই বৃষ্টি ছিল কত নিকৃষ্ট।
We rained down on them a shower (of brimstone): and evil was the shower on those who were admonished (but heeded not)!

وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِم مَّطَرًا فَسَاء مَطَرُ الْمُنذَرِينَ
Waamtarna AAalayhim mataran fasaa mataru almunthareena

YUSUFALI: We rained down on them a shower (of brimstone): and evil was the shower on those who were admonished (but heeded not)!
PICKTHAL: And We rained on them a rain. And dreadful is the rain of those who have been warned.
SHAKIR: And We rained down upon them a rain, and evil was the rain on those warned.
KHALIFA: We showered them with a miserable shower; what a terrible shower for those who had been warned!

১৭২। তৎপর অন্য সকলকে আমি সমূলে ধ্বংস করলাম।

১৭৩। আমি তাদের উপরে [ গন্ধকের ] ধারা বর্ষণ করলাম ৩২১৩, যারা সাবধান করা সত্বেও [ সাবধান হয় নাই ]; তাদের জন্য তা ছিলো অতি মন্দ।

৩২১৩। দেখুন আয়াত [ ৭ : ৮৪ ] এবং টিকা ১০৫২।

নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ
Inna fee thalika laayatan wama kana aktharuhum mu/mineena

YUSUFALI: Verily in this is a Sign: but most of them do not believe.
PICKTHAL: Lo! herein is indeed a portent, yet most of them are not believers.
SHAKIR: Most surely there is a sign in this, but most of them do not believe.
KHALIFA: This should be a lesson, but most people are not believers.

১৭৪। নিশ্চয়ই এর মাঝে রয়েছে নিদর্শন ; কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বিশ্বাস করে না।

নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
And verily thy Lord is He, the Exalted in Might Most Merciful.

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ
Wa-inna rabbaka lahuwa alAAazeezu alrraheemu

YUSUFALI: And verily thy Lord is He, the Exalted in Might Most Merciful.
PICKTHAL: And lo! thy Lord, He is indeed the Mighty, the Merciful.
SHAKIR: And most surely your Lord is the Mighty, the Merciful.
KHALIFA: Most assuredly, your Lord is the Almighty, Most Merciful.

১৭৫। এবং নিশ্চয়ই তোমার প্রভু ক্ষমতায় পরাক্রমশালী , পরম করুণাময়।

বনের অধিবাসীরা পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
The Companions of the Wood rejected the apostles.

كَذَّبَ أَصْحَابُ الْأَيْكَةِ الْمُرْسَلِينَ
Kaththaba as-habu al-aykati almursaleena

YUSUFALI: The Companions of the Wood rejected the messengers.
PICKTHAL: The dwellers in the wood (of Midian) denied the messengers (of Allah),
SHAKIR: The dwellers of the thicket gave the lie to the messengers.
KHALIFA: The People of the Woods disbelieved the messengers.

রুকু – ১০

১৭৬। গহন অরণ্যের অধিবাসীরা রাসুলগণকে প্রত্যাখান করেছিলো ৩২১৪।

৩২১৪। দেখুন আয়াত [ ১৫ : ৭৮ ] এবং টিকা ২০০০।

যখন শো’আয়ব তাদের কে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?
Behold, Shu’aib said to them: “Will ye not fear ((Allah))?

إِذْ قَالَ لَهُمْ شُعَيْبٌ أَلَا تَتَّقُونَ
Ith qala lahum shuAAaybun ala tattaqoona

YUSUFALI: Behold, Shu’aib said to them: “Will ye not fear (Allah)?
PICKTHAL: When Shu’eyb said unto them: Will ye not ward off (evil)?
SHAKIR: When Shu’aib said to them: Will you not guard (against evil)?
KHALIFA: Shu`aib said to them, “Would you not be righteous?

১৭৭। দেখো ! সুয়েব ৩২১৫ , তাদের বলেছিলো , ” তোমরা কি [ আল্লাহ্‌কে ] ভয় করবে না ?

৩২১৫। সুয়েব নবীর জন্য দেখুন আয়াত [ ৭ : ৮৫ ] এবং টিকা ১০৫৪।

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।
“I am to you an apostle worthy of all trust.

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ
Innee lakum rasoolun ameenun

YUSUFALI: “I am to you a messenger worthy of all trust.
PICKTHAL: Lo! I am a faithful messenger unto you,
SHAKIR: Surely I am a faithful messenger to you;
KHALIFA: “I am an honest messenger to you.

১৭৮। ” আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৭৯। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৮০। ” এর জন্য আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না; আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎ সমূহের প্রভুর নিকটে।

১৮১। ” মাপে সঠিক দেবে ৩২১৬। [ প্রতারণার দ্বারা ] অন্যের ক্ষতি করো না।

৩২১৬। সুয়েব নবীর সম্প্রদায়েরা ছিলো ব্যবসায়িক সম্প্রদায়। কিন্তু তারা তাদের ব্যবসায়ে সৎ ছিলো না। তারা অন্যায় ভাবে ক্রেতা সাধারণকে প্রতারণা করতো, মাপে কম দিত। প্রতারণা , অন্যায় ও অন্যের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করে অশান্তি সৃষ্টি করা তাদের ছিলো নৈমিত্তিক ব্যাপার। ” মাপে কম দেয়া ” বাক্যটি প্রতীকধর্মী। মাপে কম দেয়ার অর্থ – যার যা প্রাপ্য বা অধিকার তাকে ততটুকু না দেয়া, এই প্রাপ্য বস্তু হতে পারে বাণিজ্যিক জিনিষপত্র , অথবা নাগরিক অধিকার। সরকারী অফিসে যখন ধর্না দিয়ে নিজস্ব প্রাপ্য বা অধিকার পাওয়ার জন্য হা পিত্তেশ করতে হয়। অথবা নাগরিক জীবনে বিভিন্ন ক্রিয়াক্রর্মে প্রতিটি পদক্ষেপে সরকারী কর্মচারীদের দ্বারা যখন বিভিন্নভাবে হয়রানির শীকার হতে হয় – তখনও ব্যক্তি তার প্রাপ্য অধিকার লাভে বঞ্চিত হয়। এক্ষেত্রেও ‘মাপে কম দেয়া ‘ বাক্যটি প্রযোজ্য। অর্থাৎ জীবনের সর্বক্ষেত্রে কারও অধিকার থেকে বঞ্চিত করার নাম ‘মাপে কম দেয়া ‘। যখনই সমাজে কারও অধিকার না দেয়া হয়, তখনই সমাজ জীবনে অন্যায় ও অবিচার বিরাজ করে। পরবর্তী আয়াতে [ ২৬ : ১৮২ – ১৮৩ ] দেখুন ‘মাপে কম দেয়ার ‘ বিশেষ ব্যাখ্যা দান করা হয়েছে। “সঠিক দাড়িপাল্লা ” বাক্যটি শুধুমাত্র ওজনের বাটখাড়া নয়। ওজনের ব্যাপারে যেরূপ বাটখাড়ার ও পাথরের ওজন সঠিক হওয়া প্রয়োজন, ঠিক সেরূপ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে ন্যায় ও অন্যায়ের মানদন্ডের “সঠিক দাড়িপাল্লার” প্রয়োজন। “প্রাপ্ত বস্তু কম দিবে না” – এই বাক্যটি দ্বারা শুধুমাত্র জিনিষ পত্রই বোঝানো হয় নাই। এই বাক্যটি প্রতীকধর্মী। একটি সমাজে ও নাগরিক জীবনে আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের উপরে নির্ভরশীল। একটি সমাজে প্রতিটি লোকের থাকে নির্দ্দিষ্ট নাগরিক অধিকার। এই অধিকারকেই ‘বস্তু’ প্রতীক শব্দটির দ্বারা এবং ব্যবসায়িক লেনদেনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সমাজ জীবনে যখন নাগরিক অধিকার হরণ করা হয় এবং সমাজের নীতিনির্ধারক ও প্রয়োগকারীদের দ্বারা নাগরিক অধিকার যখন স্বেচ্ছাচারিতায় পর্যবসিত হয় তখন সমাজ জীবনে ” বিপর্যয় ঘটে যায়”। অন্যায় , অবিচার, অসত্য সমাজের মূল কাঠামোকে বিধ্বস্ত করে ফেলে , ঠিক যেভাবে ঘুণ কাঠকে ধ্বংস করে ফেলে। [ যেমন বাংলাদেশে বর্তমানে ঘটেছে ] এসব অন্যায়কারীদের আল্লাহ্‌কে ভয় করতে বলা হয়েছে এবং আল্লাহ্‌র বিধান যা ন্যায় ও সত্যের উপরে প্রতিষ্ঠিত তা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। তিনিই স্রষ্টা যিনি মানুষের পূর্ববর্তীদেরও সৃষ্টি করেছেন। তাঁর বিধান হচ্ছে – প্রতারণা ও অন্যায়ের মাধ্যমে কেউ সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে না। সমৃদ্ধি অর্জনের একমাত্র রাস্তা হচ্ছে সঠিক আদান প্রদান ও সমাজ জীবনে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা।

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
“So fear Allah and obey me.

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
Faittaqoo Allaha waateeAAooni

YUSUFALI: “So fear Allah and obey me.
PICKTHAL: So keep your duty to Allah and obey me.
SHAKIR: Therefore guard against (the punishment of) Allah and obey me:
KHALIFA: “You shall reverence GOD, and obey me.

১৭৮। ” আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৭৯। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৮০। ” এর জন্য আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না; আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎ সমূহের প্রভুর নিকটে।

১৮১। ” মাপে সঠিক দেবে ৩২১৬। [ প্রতারণার দ্বারা ] অন্যের ক্ষতি করো না।

৩২১৬। সুয়েব নবীর সম্প্রদায়েরা ছিলো ব্যবসায়িক সম্প্রদায়। কিন্তু তারা তাদের ব্যবসায়ে সৎ ছিলো না। তারা অন্যায় ভাবে ক্রেতা সাধারণকে প্রতারণা করতো, মাপে কম দিত। প্রতারণা , অন্যায় ও অন্যের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করে অশান্তি সৃষ্টি করা তাদের ছিলো নৈমিত্তিক ব্যাপার। ” মাপে কম দেয়া ” বাক্যটি প্রতীকধর্মী। মাপে কম দেয়ার অর্থ – যার যা প্রাপ্য বা অধিকার তাকে ততটুকু না দেয়া, এই প্রাপ্য বস্তু হতে পারে বাণিজ্যিক জিনিষপত্র , অথবা নাগরিক অধিকার। সরকারী অফিসে যখন ধর্না দিয়ে নিজস্ব প্রাপ্য বা অধিকার পাওয়ার জন্য হা পিত্তেশ করতে হয়। অথবা নাগরিক জীবনে বিভিন্ন ক্রিয়াক্রর্মে প্রতিটি পদক্ষেপে সরকারী কর্মচারীদের দ্বারা যখন বিভিন্নভাবে হয়রানির শীকার হতে হয় – তখনও ব্যক্তি তার প্রাপ্য অধিকার লাভে বঞ্চিত হয়। এক্ষেত্রেও ‘মাপে কম দেয়া ‘ বাক্যটি প্রযোজ্য। অর্থাৎ জীবনের সর্বক্ষেত্রে কারও অধিকার থেকে বঞ্চিত করার নাম ‘মাপে কম দেয়া ‘। যখনই সমাজে কারও অধিকার না দেয়া হয়, তখনই সমাজ জীবনে অন্যায় ও অবিচার বিরাজ করে। পরবর্তী আয়াতে [ ২৬ : ১৮২ – ১৮৩ ] দেখুন ‘মাপে কম দেয়ার ‘ বিশেষ ব্যাখ্যা দান করা হয়েছে। “সঠিক দাড়িপাল্লা ” বাক্যটি শুধুমাত্র ওজনের বাটখাড়া নয়। ওজনের ব্যাপারে যেরূপ বাটখাড়ার ও পাথরের ওজন সঠিক হওয়া প্রয়োজন, ঠিক সেরূপ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে ন্যায় ও অন্যায়ের মানদন্ডের “সঠিক দাড়িপাল্লার” প্রয়োজন। “প্রাপ্ত বস্তু কম দিবে না” – এই বাক্যটি দ্বারা শুধুমাত্র জিনিষ পত্রই বোঝানো হয় নাই। এই বাক্যটি প্রতীকধর্মী। একটি সমাজে ও নাগরিক জীবনে আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের উপরে নির্ভরশীল। একটি সমাজে প্রতিটি লোকের থাকে নির্দ্দিষ্ট নাগরিক অধিকার। এই অধিকারকেই ‘বস্তু’ প্রতীক শব্দটির দ্বারা এবং ব্যবসায়িক লেনদেনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সমাজ জীবনে যখন নাগরিক অধিকার হরণ করা হয় এবং সমাজের নীতিনির্ধারক ও প্রয়োগকারীদের দ্বারা নাগরিক অধিকার যখন স্বেচ্ছাচারিতায় পর্যবসিত হয় তখন সমাজ জীবনে ” বিপর্যয় ঘটে যায়”। অন্যায় , অবিচার, অসত্য সমাজের মূল কাঠামোকে বিধ্বস্ত করে ফেলে , ঠিক যেভাবে ঘুণ কাঠকে ধ্বংস করে ফেলে। [ যেমন বাংলাদেশে বর্তমানে ঘটেছে ] এসব অন্যায়কারীদের আল্লাহ্‌কে ভয় করতে বলা হয়েছে এবং আল্লাহ্‌র বিধান যা ন্যায় ও সত্যের উপরে প্রতিষ্ঠিত তা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। তিনিই স্রষ্টা যিনি মানুষের পূর্ববর্তীদেরও সৃষ্টি করেছেন। তাঁর বিধান হচ্ছে – প্রতারণা ও অন্যায়ের মাধ্যমে কেউ সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে না। সমৃদ্ধি অর্জনের একমাত্র রাস্তা হচ্ছে সঠিক আদান প্রদান ও সমাজ জীবনে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা।

আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তাই দেবেন।
“No reward do I ask of you for it: my reward is only from the Lord of the Worlds.

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ
Wama as-alukum AAalayhi min ajrin in ajriya illa AAala rabbi alAAalameena

YUSUFALI: “No reward do I ask of you for it: my reward is only from the Lord of the Worlds.
PICKTHAL: And I ask of you no wage for it; my wage is the concern only of the Lord of the Worlds.
SHAKIR: And I do not ask you any reward for it, my reward is only with the Lord of the worlds;
KHALIFA: “I do not ask you for any wage; my wage comes only from the Lord of the universe.

১৭৮। ” আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৭৯। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৮০। ” এর জন্য আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না; আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎ সমূহের প্রভুর নিকটে।

১৮১। ” মাপে সঠিক দেবে ৩২১৬। [ প্রতারণার দ্বারা ] অন্যের ক্ষতি করো না।

৩২১৬। সুয়েব নবীর সম্প্রদায়েরা ছিলো ব্যবসায়িক সম্প্রদায়। কিন্তু তারা তাদের ব্যবসায়ে সৎ ছিলো না। তারা অন্যায় ভাবে ক্রেতা সাধারণকে প্রতারণা করতো, মাপে কম দিত। প্রতারণা , অন্যায় ও অন্যের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করে অশান্তি সৃষ্টি করা তাদের ছিলো নৈমিত্তিক ব্যাপার। ” মাপে কম দেয়া ” বাক্যটি প্রতীকধর্মী। মাপে কম দেয়ার অর্থ – যার যা প্রাপ্য বা অধিকার তাকে ততটুকু না দেয়া, এই প্রাপ্য বস্তু হতে পারে বাণিজ্যিক জিনিষপত্র , অথবা নাগরিক অধিকার। সরকারী অফিসে যখন ধর্না দিয়ে নিজস্ব প্রাপ্য বা অধিকার পাওয়ার জন্য হা পিত্তেশ করতে হয়। অথবা নাগরিক জীবনে বিভিন্ন ক্রিয়াক্রর্মে প্রতিটি পদক্ষেপে সরকারী কর্মচারীদের দ্বারা যখন বিভিন্নভাবে হয়রানির শীকার হতে হয় – তখনও ব্যক্তি তার প্রাপ্য অধিকার লাভে বঞ্চিত হয়। এক্ষেত্রেও ‘মাপে কম দেয়া ‘ বাক্যটি প্রযোজ্য। অর্থাৎ জীবনের সর্বক্ষেত্রে কারও অধিকার থেকে বঞ্চিত করার নাম ‘মাপে কম দেয়া ‘। যখনই সমাজে কারও অধিকার না দেয়া হয়, তখনই সমাজ জীবনে অন্যায় ও অবিচার বিরাজ করে। পরবর্তী আয়াতে [ ২৬ : ১৮২ – ১৮৩ ] দেখুন ‘মাপে কম দেয়ার ‘ বিশেষ ব্যাখ্যা দান করা হয়েছে। “সঠিক দাড়িপাল্লা ” বাক্যটি শুধুমাত্র ওজনের বাটখাড়া নয়। ওজনের ব্যাপারে যেরূপ বাটখাড়ার ও পাথরের ওজন সঠিক হওয়া প্রয়োজন, ঠিক সেরূপ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে ন্যায় ও অন্যায়ের মানদন্ডের “সঠিক দাড়িপাল্লার” প্রয়োজন। “প্রাপ্ত বস্তু কম দিবে না” – এই বাক্যটি দ্বারা শুধুমাত্র জিনিষ পত্রই বোঝানো হয় নাই। এই বাক্যটি প্রতীকধর্মী। একটি সমাজে ও নাগরিক জীবনে আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের উপরে নির্ভরশীল। একটি সমাজে প্রতিটি লোকের থাকে নির্দ্দিষ্ট নাগরিক অধিকার। এই অধিকারকেই ‘বস্তু’ প্রতীক শব্দটির দ্বারা এবং ব্যবসায়িক লেনদেনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সমাজ জীবনে যখন নাগরিক অধিকার হরণ করা হয় এবং সমাজের নীতিনির্ধারক ও প্রয়োগকারীদের দ্বারা নাগরিক অধিকার যখন স্বেচ্ছাচারিতায় পর্যবসিত হয় তখন সমাজ জীবনে ” বিপর্যয় ঘটে যায়”। অন্যায় , অবিচার, অসত্য সমাজের মূল কাঠামোকে বিধ্বস্ত করে ফেলে , ঠিক যেভাবে ঘুণ কাঠকে ধ্বংস করে ফেলে। [ যেমন বাংলাদেশে বর্তমানে ঘটেছে ] এসব অন্যায়কারীদের আল্লাহ্‌কে ভয় করতে বলা হয়েছে এবং আল্লাহ্‌র বিধান যা ন্যায় ও সত্যের উপরে প্রতিষ্ঠিত তা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। তিনিই স্রষ্টা যিনি মানুষের পূর্ববর্তীদেরও সৃষ্টি করেছেন। তাঁর বিধান হচ্ছে – প্রতারণা ও অন্যায়ের মাধ্যমে কেউ সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে না। সমৃদ্ধি অর্জনের একমাত্র রাস্তা হচ্ছে সঠিক আদান প্রদান ও সমাজ জীবনে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা।

মাপ পূর্ণ কর এবং যারা পরিমাপে কম দেয়, তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।
“Give just measure, and cause no loss (to others by fraud).

أَوْفُوا الْكَيْلَ وَلَا تَكُونُوا مِنَ الْمُخْسِرِينَ
Awfoo alkayla wala takoonoo mina almukhsireena

YUSUFALI: “Give just measure, and cause no loss (to others by fraud).
PICKTHAL: Give full measure, and be not of those who give less (than the due).
SHAKIR: Give a full measure and be not of those who diminish;
KHALIFA: “You shall give full measure when you trade; do not cheat.

১৭৮। ” আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বাসযোগ্য রাসুল।

১৭৯। ” সুতারাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

১৮০। ” এর জন্য আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না; আমার পুরষ্কার রয়েছে শুধুমাত্র জগৎ সমূহের প্রভুর নিকটে।

১৮১। ” মাপে সঠিক দেবে ৩২১৬। [ প্রতারণার দ্বারা ] অন্যের ক্ষতি করো না।

৩২১৬। সুয়েব নবীর সম্প্রদায়েরা ছিলো ব্যবসায়িক সম্প্রদায়। কিন্তু তারা তাদের ব্যবসায়ে সৎ ছিলো না। তারা অন্যায় ভাবে ক্রেতা সাধারণকে প্রতারণা করতো, মাপে কম দিত। প্রতারণা , অন্যায় ও অন্যের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করে অশান্তি সৃষ্টি করা তাদের ছিলো নৈমিত্তিক ব্যাপার। ” মাপে কম দেয়া ” বাক্যটি প্রতীকধর্মী। মাপে কম দেয়ার অর্থ – যার যা প্রাপ্য বা অধিকার তাকে ততটুকু না দেয়া, এই প্রাপ্য বস্তু হতে পারে বাণিজ্যিক জিনিষপত্র , অথবা নাগরিক অধিকার। সরকারী অফিসে যখন ধর্না দিয়ে নিজস্ব প্রাপ্য বা অধিকার পাওয়ার জন্য হা পিত্তেশ করতে হয়। অথবা নাগরিক জীবনে বিভিন্ন ক্রিয়াক্রর্মে প্রতিটি পদক্ষেপে সরকারী কর্মচারীদের দ্বারা যখন বিভিন্নভাবে হয়রানির শীকার হতে হয় – তখনও ব্যক্তি তার প্রাপ্য অধিকার লাভে বঞ্চিত হয়। এক্ষেত্রেও ‘মাপে কম দেয়া ‘ বাক্যটি প্রযোজ্য। অর্থাৎ জীবনের সর্বক্ষেত্রে কারও অধিকার থেকে বঞ্চিত করার নাম ‘মাপে কম দেয়া ‘। যখনই সমাজে কারও অধিকার না দেয়া হয়, তখনই সমাজ জীবনে অন্যায় ও অবিচার বিরাজ করে। পরবর্তী আয়াতে [ ২৬ : ১৮২ – ১৮৩ ] দেখুন ‘মাপে কম দেয়ার ‘ বিশেষ ব্যাখ্যা দান করা হয়েছে। “সঠিক দাড়িপাল্লা ” বাক্যটি শুধুমাত্র ওজনের বাটখাড়া নয়। ওজনের ব্যাপারে যেরূপ বাটখাড়ার ও পাথরের ওজন সঠিক হওয়া প্রয়োজন, ঠিক সেরূপ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে ন্যায় ও অন্যায়ের মানদন্ডের “সঠিক দাড়িপাল্লার” প্রয়োজন। “প্রাপ্ত বস্তু কম দিবে না” – এই বাক্যটি দ্বারা শুধুমাত্র জিনিষ পত্রই বোঝানো হয় নাই। এই বাক্যটি প্রতীকধর্মী। একটি সমাজে ও নাগরিক জীবনে আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের উপরে নির্ভরশীল। একটি সমাজে প্রতিটি লোকের থাকে নির্দ্দিষ্ট নাগরিক অধিকার। এই অধিকারকেই ‘বস্তু’ প্রতীক শব্দটির দ্বারা এবং ব্যবসায়িক লেনদেনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সমাজ জীবনে যখন নাগরিক অধিকার হরণ করা হয় এবং সমাজের নীতিনির্ধারক ও প্রয়োগকারীদের দ্বারা নাগরিক অধিকার যখন স্বেচ্ছাচারিতায় পর্যবসিত হয় তখন সমাজ জীবনে ” বিপর্যয় ঘটে যায়”। অন্যায় , অবিচার, অসত্য সমাজের মূল কাঠামোকে বিধ্বস্ত করে ফেলে , ঠিক যেভাবে ঘুণ কাঠকে ধ্বংস করে ফেলে। [ যেমন বাংলাদেশে বর্তমানে ঘটেছে ] এসব অন্যায়কারীদের আল্লাহ্‌কে ভয় করতে বলা হয়েছে এবং আল্লাহ্‌র বিধান যা ন্যায় ও সত্যের উপরে প্রতিষ্ঠিত তা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। তিনিই স্রষ্টা যিনি মানুষের পূর্ববর্তীদেরও সৃষ্টি করেছেন। তাঁর বিধান হচ্ছে – প্রতারণা ও অন্যায়ের মাধ্যমে কেউ সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে না। সমৃদ্ধি অর্জনের একমাত্র রাস্তা হচ্ছে সঠিক আদান প্রদান ও সমাজ জীবনে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা।

সোজা দাঁড়ি-পাল্লায় ওজন কর।
“And weigh with scales true and upright.

وَزِنُوا بِالْقِسْطَاسِ الْمُسْتَقِيمِ
Wazinoo bialqistasi almustaqeemi

YUSUFALI: “And weigh with scales true and upright.
PICKTHAL: And weigh with the true balance.
SHAKIR: And weigh (things) with a right balance,
KHALIFA: “You shall weigh with an equitable scale.

১৮২। ” সঠিক এবং খাড়া দাড়িপাল্লাতে ওজন করবে।

১৮৩। ” লোকদের তাদের প্রাপ্য দিতে অসম্মত হয়ো না; পৃথিবীতে মন্দ দ্বারা অশান্তির সৃষ্টি করো না।

১৮৪। ” এবং তাঁকে ভয় কর যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পূর্বের প্রজন্ম [ সৃষ্টি করেছেন ]। ”

১৮৫। তারা বলেছিলো, ” তুমি তো যাদুগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত।

১৮৬। ” তুমি তো আমাদের মতই মরণশীল [মানুষ]। এবং অবশ্যই আমরা মনে করি তুমি একজন মিথ্যাবাদী ৩২১৭।

৩২১৭। আয়কাবাসীরা সুয়েব নবীকে অস্বীকার করলো। পাপ তাদের এমন ভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলো যে, তারা প্রকৃত সত্যকে অনুভব করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলো। তাদের ধারণা ছিলো তারাই হচ্ছে আদর্শ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। সুয়েব যা প্রচার করছেন তা ভ্রান্ত। শুধু ভ্রান্ত নয়। সুয়েবের প্রচারিত আদর্শ হচেছ পাগলের প্রলাপ।

উপদেশ : এ ভাবেই সমাজ জীবন যখন অন্যায় ও অসত্যের অন্ধকারে ডুবে যায়, অন্যায়কারীর সত্তা থেকে প্রকৃত ন্যায়বোধ অন্তর্হিত হয়ে পড়ে। অন্যায়ের বেড়াজালে আবদ্ধ থেকে সে প্রকৃত ন্যায়কে বোকামী ও পাগলের প্রলাপ বলে মনে করে।

মানুষকে তাদের বস্তু কম দিও না এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে ফিরো না।
“And withhold not things justly due to men, nor do evil in the land, working mischief.

وَلَا تَبْخَسُوا النَّاسَ أَشْيَاءهُمْ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ
Wala tabkhasoo alnnasa ashyaahum wala taAAthaw fee al-ardi mufsideena

YUSUFALI: “And withhold not things justly due to men, nor do evil in the land, working mischief.
PICKTHAL: Wrong not mankind in their goods, and do not evil, making mischief, in the earth.
SHAKIR: And do not wrong men of their things, and do not act corruptly in the earth, making mischief.
KHALIFA: “Do not cheat the people out of their rights, and do not roam the earth corruptingly.

১৮২। ” সঠিক এবং খাড়া দাড়িপাল্লাতে ওজন করবে।

১৮৩। ” লোকদের তাদের প্রাপ্য দিতে অসম্মত হয়ো না; পৃথিবীতে মন্দ দ্বারা অশান্তির সৃষ্টি করো না।

১৮৪। ” এবং তাঁকে ভয় কর যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পূর্বের প্রজন্ম [ সৃষ্টি করেছেন ]। ”

১৮৫। তারা বলেছিলো, ” তুমি তো যাদুগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত।

১৮৬। ” তুমি তো আমাদের মতই মরণশীল [মানুষ]। এবং অবশ্যই আমরা মনে করি তুমি একজন মিথ্যাবাদী ৩২১৭।

৩২১৭। আয়কাবাসীরা সুয়েব নবীকে অস্বীকার করলো। পাপ তাদের এমন ভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলো যে, তারা প্রকৃত সত্যকে অনুভব করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলো। তাদের ধারণা ছিলো তারাই হচ্ছে আদর্শ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। সুয়েব যা প্রচার করছেন তা ভ্রান্ত। শুধু ভ্রান্ত নয়। সুয়েবের প্রচারিত আদর্শ হচেছ পাগলের প্রলাপ।

উপদেশ : এ ভাবেই সমাজ জীবন যখন অন্যায় ও অসত্যের অন্ধকারে ডুবে যায়, অন্যায়কারীর সত্তা থেকে প্রকৃত ন্যায়বোধ অন্তর্হিত হয়ে পড়ে। অন্যায়ের বেড়াজালে আবদ্ধ থেকে সে প্রকৃত ন্যায়কে বোকামী ও পাগলের প্রলাপ বলে মনে করে।

ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তী লোক-সম্প্রদায়কে সৃষ্টি করেছেন।
“And fear Him Who created you and (who created) the generations before (you)”

وَاتَّقُوا الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالْجِبِلَّةَ الْأَوَّلِينَ
Waittaqoo allathee khalaqakum waaljibillata al-awwaleena

YUSUFALI: “And fear Him Who created you and (who created) the generations before (you)”
PICKTHAL: And keep your duty unto Him Who created you and the generations of the men of old.
SHAKIR: And guard against (the punishment of) Him who created you and the former nations.
KHALIFA: “Reverence the One who created you and the previous generations.”

১৮২। ” সঠিক এবং খাড়া দাড়িপাল্লাতে ওজন করবে।

১৮৩। ” লোকদের তাদের প্রাপ্য দিতে অসম্মত হয়ো না; পৃথিবীতে মন্দ দ্বারা অশান্তির সৃষ্টি করো না।

১৮৪। ” এবং তাঁকে ভয় কর যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পূর্বের প্রজন্ম [ সৃষ্টি করেছেন ]। ”

১৮৫। তারা বলেছিলো, ” তুমি তো যাদুগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত।

১৮৬। ” তুমি তো আমাদের মতই মরণশীল [মানুষ]। এবং অবশ্যই আমরা মনে করি তুমি একজন মিথ্যাবাদী ৩২১৭।

৩২১৭। আয়কাবাসীরা সুয়েব নবীকে অস্বীকার করলো। পাপ তাদের এমন ভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলো যে, তারা প্রকৃত সত্যকে অনুভব করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলো। তাদের ধারণা ছিলো তারাই হচ্ছে আদর্শ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। সুয়েব যা প্রচার করছেন তা ভ্রান্ত। শুধু ভ্রান্ত নয়। সুয়েবের প্রচারিত আদর্শ হচেছ পাগলের প্রলাপ।

উপদেশ : এ ভাবেই সমাজ জীবন যখন অন্যায় ও অসত্যের অন্ধকারে ডুবে যায়, অন্যায়কারীর সত্তা থেকে প্রকৃত ন্যায়বোধ অন্তর্হিত হয়ে পড়ে। অন্যায়ের বেড়াজালে আবদ্ধ থেকে সে প্রকৃত ন্যায়কে বোকামী ও পাগলের প্রলাপ বলে মনে করে।

তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্যতম।
They said: “Thou art only one of those bewitched!

قَالُوا إِنَّمَا أَنتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ
Qaloo innama anta mina almusahhareena

YUSUFALI: They said: “Thou art only one of those bewitched!
PICKTHAL: They said: Thou art but one of the bewitched;
SHAKIR: They said: You are only of those deluded;
KHALIFA: They said, “You are bewitched.

১৮২। ” সঠিক এবং খাড়া দাড়িপাল্লাতে ওজন করবে।

১৮৩। ” লোকদের তাদের প্রাপ্য দিতে অসম্মত হয়ো না; পৃথিবীতে মন্দ দ্বারা অশান্তির সৃষ্টি করো না।

১৮৪। ” এবং তাঁকে ভয় কর যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পূর্বের প্রজন্ম [ সৃষ্টি করেছেন ]। ”

১৮৫। তারা বলেছিলো, ” তুমি তো যাদুগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত।

১৮৬। ” তুমি তো আমাদের মতই মরণশীল [মানুষ]। এবং অবশ্যই আমরা মনে করি তুমি একজন মিথ্যাবাদী ৩২১৭।

৩২১৭। আয়কাবাসীরা সুয়েব নবীকে অস্বীকার করলো। পাপ তাদের এমন ভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলো যে, তারা প্রকৃত সত্যকে অনুভব করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলো। তাদের ধারণা ছিলো তারাই হচ্ছে আদর্শ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। সুয়েব যা প্রচার করছেন তা ভ্রান্ত। শুধু ভ্রান্ত নয়। সুয়েবের প্রচারিত আদর্শ হচেছ পাগলের প্রলাপ।

উপদেশ : এ ভাবেই সমাজ জীবন যখন অন্যায় ও অসত্যের অন্ধকারে ডুবে যায়, অন্যায়কারীর সত্তা থেকে প্রকৃত ন্যায়বোধ অন্তর্হিত হয়ে পড়ে। অন্যায়ের বেড়াজালে আবদ্ধ থেকে সে প্রকৃত ন্যায়কে বোকামী ও পাগলের প্রলাপ বলে মনে করে।

তুমি আমাদের মত মানুষ বৈ তো নও। আমাদের ধারণা-তুমি মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত।
“Thou art no more than a mortal like us, and indeed we think thou art a liar!

وَمَا أَنتَ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا وَإِن نَّظُنُّكَ لَمِنَ الْكَاذِبِينَ
Wama anta illa basharun mithluna wa-in nathunnuka lamina alkathibeena

YUSUFALI: “Thou art no more than a mortal like us, and indeed we think thou art a liar!
PICKTHAL: Thou art but a mortal like us, and lo! we deem thee of the liars.
SHAKIR: And you are naught but a mortal like ourselves, and we know you to be certainly of the liars.
KHALIFA: “You are no more than a human being like us. In fact, we think you are a liar.

১৮২। ” সঠিক এবং খাড়া দাড়িপাল্লাতে ওজন করবে।

১৮৩। ” লোকদের তাদের প্রাপ্য দিতে অসম্মত হয়ো না; পৃথিবীতে মন্দ দ্বারা অশান্তির সৃষ্টি করো না।

১৮৪। ” এবং তাঁকে ভয় কর যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পূর্বের প্রজন্ম [ সৃষ্টি করেছেন ]। ”

১৮৫। তারা বলেছিলো, ” তুমি তো যাদুগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত।

১৮৬। ” তুমি তো আমাদের মতই মরণশীল [মানুষ]। এবং অবশ্যই আমরা মনে করি তুমি একজন মিথ্যাবাদী ৩২১৭।

৩২১৭। আয়কাবাসীরা সুয়েব নবীকে অস্বীকার করলো। পাপ তাদের এমন ভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলো যে, তারা প্রকৃত সত্যকে অনুভব করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলো। তাদের ধারণা ছিলো তারাই হচ্ছে আদর্শ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। সুয়েব যা প্রচার করছেন তা ভ্রান্ত। শুধু ভ্রান্ত নয়। সুয়েবের প্রচারিত আদর্শ হচেছ পাগলের প্রলাপ।

উপদেশ : এ ভাবেই সমাজ জীবন যখন অন্যায় ও অসত্যের অন্ধকারে ডুবে যায়, অন্যায়কারীর সত্তা থেকে প্রকৃত ন্যায়বোধ অন্তর্হিত হয়ে পড়ে। অন্যায়ের বেড়াজালে আবদ্ধ থেকে সে প্রকৃত ন্যায়কে বোকামী ও পাগলের প্রলাপ বলে মনে করে।

অতএব, যদি সত্যবাদী হও, তবে আকাশের কোন টুকরো আমাদের উপর ফেলে দাও।
“Now cause a piece of the sky to fall on us, if thou art truthful!”

فَأَسْقِطْ عَلَيْنَا كِسَفًا مِّنَ السَّمَاء إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ
Faasqit AAalayna kisafan mina alssama-i in kunta mina alssadiqeena

YUSUFALI: “Now cause a piece of the sky to fall on us, if thou art truthful!”
PICKTHAL: Then make fragments of the heaven fall upon us, if thou art of the truthful.
SHAKIR: Therefore cause a portion of the heaven to come down upon us, if you are one of the truthful.
KHALIFA: “Let masses from the sky fall on us, if you are truthful.”

১৮৭। ” যদি তুমি সত্যবাদী হও , তবে আকাশের একখন্ড আমাদের উপরে ফেলে দাও।” ৩২১৮

৩২১৮। যারা আল্লাহ্‌র বিধান থেকে পদস্খলিত হবে তারা কোনও দিনও তাদের আত্মার মাঝে আল্লাহ্‌ সান্নিধ্য অনুভব করার ক্ষমতা লাভ করবে না। কারণ তাদের আত্মিক জগত হবে অন্ধকারে নিমজ্জিত – সেখানে আল্লাহ্‌র নূরের প্রবেশ অধিকার থাকবে না। এ সব ব্যক্তিরাই তখন প্রকৃত ধর্মের অনুসরণ না করে অলৌকিক ঘটনার অনুসন্ধান করে। কারণ স্রষ্টার হাতের পরশ যে তাদের প্রতিদিনের পৃথিবীতে পরিব্যপ্ত তারা তা অনুধাবনে অক্ষম। ” আকাশের একখন্ড আমাদের উপরে ফেলে দাও ” অর্থাৎ তারা অলৌকিক ক্রিয়া কর্মের অনুসন্ধান করেছিলো। তাদের বক্তব্য ছিলো সুয়েব নবীর যদি সত্যি আল্লাহ্‌র সাথে সংযোগ থাকে তবে তিনি অলৌকিক কর্ম সম্পাদন করতে পারবেন।

মন্তব্যঃ যারা পীর নামধারী ভন্ডদের শরণাপন্ন হয় তাদের মানসিকতা এই শ্রেণীভুক্ত।

শো’আয়ব বললেন, তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আমার পালনকর্তা ভালরূপে অবহিত।
He said: “My Lord knows best what ye do.”

قَالَ رَبِّي أَعْلَمُ بِمَا تَعْمَلُونَ
Qala rabbee aAAlamu bima taAAmaloona

YUSUFALI: He said: “My Lord knows best what ye do.”
PICKTHAL: He said: My Lord is Best Aware of what ye do.
SHAKIR: He said: My Lord knows best what you do.
KHALIFA: He said, “My Lord is the One who knows everything you do.”

১৮৮। সে বলেছিলো, ” আমার প্রভু সব চেয়ে ভালো জানেন তোমরা যা কর।” ৩২১৯

৩২১৯। সুয়েব নবীকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করার জন্য যারা একখন্ড আকাশ ফেলে দিয়ে নবীত্বের প্রমাণের জন্য নবীকে প্রতিদ্বন্দীতায় আহ্বান করেছিলো তারা তা করেছিলো নিজেদের মিথ্যা বাহাদুরী প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে। তাদের এই অপমানজনক উক্তির প্রতুত্তরে সুয়েব নবী কোনওরূপ উষ্মা প্রকাশ করেন নাই। তাঁর উত্তর ছিলো, ” তোমাদের কর্মপ্রণালী সম্বন্ধে আল্লাহ্‌ সম্যক অবগত। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক। এর বেশী আমি আর কি বলতে পারি ? ” শেষ পর্যন্ত আল্লাহ্‌ তাদের শাস্তি দান করেন।

অতঃপর তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলে দিল। ফলে তাদেরকে মেঘাচ্ছন্ন দিবসের আযাব পাকড়াও করল। নিশ্চয় সেটা ছিল এক মহাদিবসের আযাব।
But they rejected him. Then the punishment of a day of overshadowing gloom seized them, and that was the Penalty of a Great Day.

فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَهُمْ عَذَابُ يَوْمِ الظُّلَّةِ إِنَّهُ كَانَ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ
Fakaththaboohu faakhathahum AAathabu yawmi alththullati innahu kana AAathaba yawmin AAatheemin

YUSUFALI: But they rejected him. Then the punishment of a day of overshadowing gloom seized them, and that was the Penalty of a Great Day.
PICKTHAL: But they denied him, so there came on them the retribution of the day of gloom. Lo! it was the retribution of an awful day.
SHAKIR: But they called him a liar, so the punishment of the day of covering overtook them; surely it was the punishment of a grievous day.
KHALIFA: They disbelieved him and, consequently, they incurred the retribution of the Day of the Canopy. It was the retribution of an awesome day.

১৮৯। কিন্তু তারা তাঁকে প্রত্যাখান করেছিলো। ফলে, তাদের অন্ধকারচ্ছন্ন দিবসের শাস্তি গ্রাস করলো ৩২২০। ইহা তো ছিলো এক ভীষণ দিবসের শাস্তি ৩২২১।

৩২২০। “অন্ধকারচ্ছন্ন দিবসের শাস্তি ” – বর্ণনাটি সম্ভবতঃ ছিলো অগ্নুৎপাতের বর্ণনা। সমস্ত আকাশ ছাই ও অঙ্গার দ্বারা আচ্ছাদিত হয়ে সূর্যকে ঢেকে দেয়। ফলে সূর্যের আলোবিহীন দিনকে মেঘাচ্ছন্ন অন্ধকার দিন বলে ভ্রম হতে থাকে। যদি আয়কাবাসী ও মাদইয়ান সম্প্রদায় একই হয়ে থাকে তবে ভয়াবহ অগ্নুৎপাতের সাথে প্রচন্ড ভূমিকম্পও সংঘটিত হয়। দেখুন আয়াত [ ৭ : ৯১ ] এবং টিকা ১০৬৩।

৩২২১। “ভীষন দিবসের শাস্তি ” – এই লাইনটির মাধ্যমে দিনটির ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে। আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, ফুটন্ত লাভার স্রোত মাটিকে আচ্ছাদিত করে ফেলেছে , সূর্য আড়াল হয়ে গেছে ছাই ও অংগারে , প্রচন্ড নিনাদে মাটি থর থর করে কাঁপছে সে এক মহা দুর্যোগের দিন। যারা সেখানের অধিবাসী ছিলো, তারা মৃত্যুর পূর্বে প্রকৃতির এই রুদ্ররোষে ভয়ে আতঙ্কে দিশাহারা হয়ে যায়।

নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।
Verily in that is a Sign: but most of them do not believe.

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ
Inna fee thalika laayatan wama kana aktharuhum mu/mineena

YUSUFALI: Verily in that is a Sign: but most of them do not believe.
PICKTHAL: Lo! herein is indeed a portent; yet most of them are not believers.
SHAKIR: Most surely there is a sign in this, but most of them do not believe.
KHALIFA: This should be a lesson, but most people are not believers.

১৯০। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে নিদর্শন। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বিশ্বাস করে না।

১৯১। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু শক্তিতে পরাক্রমশালী , পরম করুণাময় ৩২২২।

৩২২২। দেখুন আয়াত [ ২৬ : ১২১ – ১২২] এবং টিকা ৩১৯৩।

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ
Wa-inna rabbaka lahuwa alAAazeezu alrraheemu

YUSUFALI: And verily thy Lord is He, the Exalted in Might, Most Merciful.
PICKTHAL: And lo! thy Lord! He is indeed the Mighty, the Merciful.
SHAKIR: And most surely your Lord is Mighty, the Merciful.
KHALIFA: Most assuredly, your Lord is the Almighty, Most Merciful.

১৯০। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে নিদর্শন। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বিশ্বাস করে না।

১৯১। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু শক্তিতে পরাক্রমশালী , পরম করুণাময় ৩২২২।

৩২২২। দেখুন আয়াত [ ২৬ : ১২১ – ১২২] এবং টিকা ৩১৯৩

এই কোরআন তো বিশ্ব-জাহানের পালনকর্তার নিকট থেকে অবতীর্ণ।
Verily this is a Revelation from the Lord of the Worlds:

وَإِنَّهُ لَتَنزِيلُ رَبِّ الْعَالَمِينَ
Wa-innahu latanzeelu rabbi alAAalameena

YUSUFALI: Verily this is a Revelation from the Lord of the Worlds:
PICKTHAL: And lo! it is a revelation of the Lord of the Worlds,
SHAKIR: And most surely this is a revelation from the Lord of the worlds.
KHALIFA: This is a revelation from the Lord of the universe.

রুকু – ১১

১৯২। অবশ্যই এটা [ আল্‌-কুরআন ] জগত সমূহের প্রভুর নিকট থেকে অবতীর্ণ প্রত্যাদেশ ৩২২৩।

৩২২৩। যুগে যুগে আল্লাহ্‌র নবীদের প্রতিরোধ ও নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়েছে। আমাদের মহানবী হযরত মুহম্মদ [ সা ] ও এরূপ নির্যাতন ও প্রতিরোধ থেকে রেহাই পান নাই। এই আয়াতে এরই প্রেক্ষাপটে কোরাণের বৈশিষ্ট্য সমূহকে তুলে ধরা হয়েছে : ১) কোরাণ সত্যসহ অবতীর্ণ এবং ২) মক্কার মোশরেকদের কোরাণের শিক্ষাকে প্রত্যাখান করার ইতিহাস পূর্ববর্তী নবী রসুলদের শিক্ষাকে প্রত্যাখান ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যুগে যুগে নবী রসুলদের শিক্ষাকে প্রত্যাখনের কারণ সব যুগেই এক আর তা হচ্ছে প্রতিরোধকারীদের কায়েমী স্বার্থোন্বেষীদের স্বার্থে আঘাত হানে। সুতারাং তারা সত্যকে প্রতিরোধ করে। কিন্তু সত্য সব সময়েই অপ্রতিরোধ্য।

বিশ্বস্ত ফেরেশতা একে নিয়ে অবতরণ করেছে।
With it came down the spirit of Faith and Truth-

نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الْأَمِينُ
Nazala bihi alrroohu al-ameenu

YUSUFALI: With it came down the spirit of Faith and Truth-
PICKTHAL: Which the True Spirit hath brought down
SHAKIR: The Faithful Spirit has descended with it,
KHALIFA: The Honest Spirit (Gabriel) came down with it.

১৯৩। বিশ্বস্ত আত্মা [ জিব্রাইল ] তা পৌঁছিয়ে দিয়েছে ৩২২৪, –

৩২২৪। “Ruh-ul-amin” এই উপাধিটি জিব্রাইল ফেরেশতা সম্বন্ধে প্রযোজ্য তবে এই শব্দটির সঠিক এবং উপযুক্ত অনুবাদ একটি মাত্র শব্দে করা অসম্ভব। আয়াত [ ২৬ : ১০৭ ] এবং টিকা ৩১৮৭ এ ‘Amin’ শব্দটির বিভিন্ন রূপকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ‘Amin’ শব্দটি নবী করিম হযরত মুহম্মদের [ সা] উপাধির সাথে সংযুক্ত ছিলো। জিব্রাইল ফেরেশতাকে ধরা হয় আল্লাহ্‌র প্রত্যাদেশ বহনকারী দূত হিসেবে। প্রকৃত বিশ্বাস ও সত্যের প্রতিভূ এখানে জিব্রাইলের স্বরূপ অপরপক্ষে বিভ্রান্তি ও প্রতারণা হচ্ছে মিথ্যার প্রতিভূ এবং স্বরূপ। মওলানা ইউসুফ আলী মনে করেন ” ঈমান ও সত্যের প্রতিভূ ” হওয়া উচিত “Ruh-ul-amin” শব্দটির অনুবাদ যা হবে জিব্রাইলের উপাধি।

আপনার অন্তরে, যাতে আপনি ভীতি প্রদর্শণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হন,
To thy heart and mind, that thou mayest admonish.

عَلَى قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ الْمُنذِرِينَ
AAala qalbika litakoona mina almunthireena

YUSUFALI: To thy heart and mind, that thou mayest admonish.
PICKTHAL: Upon thy heart, that thou mayst be (one) of the warners,
SHAKIR: Upon your heart that you may be of the warners
KHALIFA: To reveal it into your heart, that you may be one of the warners.

১৯৪। তোমার হৃদয়ে , যাতে তুমি সর্তককারী হতে পার ৩২২৫।

১৯৫। ইহাকে প্রকাশ করা হয়েছে সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

৩২২৫। ‘Qalb’ [ হৃদয় ] সাধারণত হৃদয় শব্দটি দ্বারা ভালোবাসার উৎপত্তিস্থলকে বোঝানো হয়ে থাকে। এখানে হৃদয় শব্দটি দ্বারা স্মরণশক্তি ও অনুধাবন ক্ষমতার উৎপত্তিস্থলকেও বোঝানো হয়েছে। প্রত্যাদেশ অবতীর্ণ হওয়ার প্রক্রিয়া হচ্ছে : আল্লাহ্‌র বাণী প্রথমে নবীর হৃদয়, মন, স্মরণশক্তি ও অনুধাবন ক্ষমতাতে স্বর্গীয় প্রভাবে অনুপ্রাণীত করে। তারপরে সেই বাণী মানুষের ভাষাতে পৃথিবীর বুকে প্রচারিত হয়। এ ক্ষেত্রে আরবীকে মানুষের ভাষার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ নবী হযরত মুহম্মদ [সা ] যাদের মাঝে জন্মগ্রহণ করেন তারা ছিলেন আরবী ভাষা-ভাষী এবং তারা যাতে আল্লাহ্‌র বাণীকে বুঝতে পারে ও অনুধাবন করতে পারে এবং পরবর্তীতে তাদের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে সে বাণী প্রচার লাভ করে, সে কারণেই আল্লাহ্‌র বাণীর প্রথমে আরবীতে প্রকাশ ঘটে। ভাষা হিসেবে আরবীতে কোনও বিশেষ মাহাত্ম্য এখানে নাই। পরের আয়াতে আজামী শব্দটির দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে আরবী ভাষায় যারা মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না।

সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।
In the perspicuous Arabic tongue.

بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُّبِينٍ
Bilisanin AAarabiyyin mubeenin

YUSUFALI: In the perspicuous Arabic tongue.
PICKTHAL: In plain Arabic speech.
SHAKIR: In plain Arabic language.
KHALIFA: In a perfect Arabic tongue.

১৯৪। তোমার হৃদয়ে , যাতে তুমি সর্তককারী হতে পার ৩২২৫।

১৯৫। ইহাকে প্রকাশ করা হয়েছে সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

৩২২৫। ‘Qalb’ [ হৃদয় ] সাধারণত হৃদয় শব্দটি দ্বারা ভালোবাসার উৎপত্তিস্থলকে বোঝানো হয়ে থাকে। এখানে হৃদয় শব্দটি দ্বারা স্মরণশক্তি ও অনুধাবন ক্ষমতার উৎপত্তিস্থলকেও বোঝানো হয়েছে। প্রত্যাদেশ অবতীর্ণ হওয়ার প্রক্রিয়া হচ্ছে : আল্লাহ্‌র বাণী প্রথমে নবীর হৃদয়, মন, স্মরণশক্তি ও অনুধাবন ক্ষমতাতে স্বর্গীয় প্রভাবে অনুপ্রাণীত করে। তারপরে সেই বাণী মানুষের ভাষাতে পৃথিবীর বুকে প্রচারিত হয়। এ ক্ষেত্রে আরবীকে মানুষের ভাষার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ নবী হযরত মুহম্মদ [সা ] যাদের মাঝে জন্মগ্রহণ করেন তারা ছিলেন আরবী ভাষা-ভাষী এবং তারা যাতে আল্লাহ্‌র বাণীকে বুঝতে পারে ও অনুধাবন করতে পারে এবং পরবর্তীতে তাদের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে সে বাণী প্রচার লাভ করে, সে কারণেই আল্লাহ্‌র বাণীর প্রথমে আরবীতে প্রকাশ ঘটে। ভাষা হিসেবে আরবীতে কোনও বিশেষ মাহাত্ম্য এখানে নাই। পরের আয়াতে আজামী শব্দটির দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে আরবী ভাষায় যারা মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না।

নিশ্চয় এর উল্লেখ আছে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে।
Without doubt it is (announced) in the mystic Books of former peoples.

وَإِنَّهُ لَفِي زُبُرِ الْأَوَّلِينَ
Wa-innahu lafee zuburi al-awwaleena

YUSUFALI: Without doubt it is (announced) in the mystic Books of former peoples.
PICKTHAL: And lo! it is in the Scriptures of the men of old.
SHAKIR: And most surely the same is in the scriptures of the ancients.
KHALIFA: It has been prophesied in the books of previous generations.

১৯৬। নিশ্চয়ই পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের অতীন্দ্রিয় কিতাবসমূহে এর উল্লেখ আছে ৩২২৬।

৩২২৬। ‘Zubur’ শব্দটি যা এখানে ব্যবহার করা হয়েছে তা ‘Zabur’ শব্দটির বহুবচন। কোরাণে ‘Zubur’ শব্দটির উল্লেখ আছে দাউদ নবীর কাছে আল্লাহ্‌র প্রেরিত ধর্মগ্রন্থ হিসেবে। এখানে শব্দটির ব্যবহার হয়েছে পূর্ববর্তী প্রত্যাদেশসমূহের জন্য।

তাদের জন্যে এটা কি নিদর্শন নয় যে, বনী-ইসরাঈলের আলেমগণ এটা অবগত আছে?
Is it not a Sign to them that the Learned of the Children of Israel knew it (as true)?

أَوَلَمْ يَكُن لَّهُمْ آيَةً أَن يَعْلَمَهُ عُلَمَاء بَنِي إِسْرَائِيلَ
Awa lam yakun lahum ayatan an yaAAlamahu AAulamao banee isra-eela

YUSUFALI: Is it not a Sign to them that the Learned of the Children of Israel knew it (as true)?
PICKTHAL: Is it not a token for them that the doctors of the Children of Israel know it?
SHAKIR: Is it not a sign to them that the learned men of the Israelites know it?
KHALIFA: Is it not a sufficient sign for them that it was known to the scholars among the Children of Israel?

১৯৭। এটা কি তাদের জন্য নিদর্শন নয় যে, বনী ইসরাঈলের পন্ডিতগণ ইহাকে [ সত্য বলে ] জানে ? ৩২২৭

৩২২৭। আব্দুল্লাহ্‌ -ইবন্‌ – সালাম এবং মুখাইরিকের মত খৃষ্টান পন্ডিত ও সাধুগণ রসুলকে [ সা ] সনাক্ত করতে পেরেছিলেন আল্লাহ্‌র প্রেরিত দূত হিসেবে। যার ফলে শেষোক্ত ব্যক্তি ইসলামের খেদমতের জন্য তাঁর প্রভূত ধন-সম্পদ দান করে যান।

যদি আমি একে কোন ভিন্নভাষীর প্রতি অবতীর্ণ করতাম,
Had We revealed it to any of the non-Arabs,

وَلَوْ نَزَّلْنَاهُ عَلَى بَعْضِ الْأَعْجَمِينَ
Walaw nazzalnahu AAala baAAdi al-aAAjameena

YUSUFALI: Had We revealed it to any of the non-Arabs,
PICKTHAL: And if We had revealed it unto one of any other nation than the Arabs,
SHAKIR: And if we had revealed it to any of the foreigners
KHALIFA: If we revealed this to people who do not know Arabic.

১৯৮। আমি যদি ইহা কোন অ-আরবী ভাষীর প্রতি অবতীর্ণ করতাম,

১৯৯। এবং সে তা তাদের নিকট আবৃত্তি করতো, তবুও তারা তা বিশ্বাস করতো না ৩২২৮।

৩২২৮। পূর্বেই ভবিষ্যত বাণী করা হয়েছিলো যে, আল্লাহ্‌র প্রত্যাদেশ গ্রহণের অধিকার আরবেরাও একদিন লাভ করবে পর্যায়ক্রমে। সেক্ষেত্রে এ কথা স্বতঃসিদ্ধভাবে ধরে নেয়া যায় যে, তা আরবী ভাষাতে এবং একজন আরবের মুখ থেকে প্রচারিত হবে। তা না হলে প্রচারিত আল্লাহ্‌র বাণী যদি একজন অ-আরবীর মুখ থেকে প্রচারিত হতো, তবে তার আবেদন আরবদের কাছে যথাযথ হতো না। ফলে আরব বাসীরা ঈমান আনতো না এবং পরবর্তীতে আরবী ভাষা ধর্ম প্রচারের মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হতো না।

উপদেশ : এই আয়াত থেকে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে, কোরাণ পাঠের উদ্দেশ্য হচ্ছে তা বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী জীবন যাপনের মাধ্যমে ঈমানের ভিত্তিকে মজবুত করা।

অতঃপর তিনি তা তাদের কাছে পাঠ করতেন, তবে তারা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করত না।
And had he recited it to them, they would not have believed in it.

فَقَرَأَهُ عَلَيْهِم مَّا كَانُوا بِهِ مُؤْمِنِينَ
Faqaraahu AAalayhim ma kanoo bihi mu/mineena

YUSUFALI: And had he recited it to them, they would not have believed in it.
PICKTHAL: And he had read it unto them, they would not have believed in it.
SHAKIR: So that he should have recited it to them, they would not have believed therein.
KHALIFA: And had him recite it (in Arabic), they could not possibly believe in it.

১৯৮। আমি যদি ইহা কোন অ-আরবী ভাষীর প্রতি অবতীর্ণ করতাম,

১৯৯। এবং সে তা তাদের নিকট আবৃত্তি করতো, তবুও তারা তা বিশ্বাস করতো না ৩২২৮।

৩২২৮। পূর্বেই ভবিষ্যত বাণী করা হয়েছিলো যে, আল্লাহ্‌র প্রত্যাদেশ গ্রহণের অধিকার আরবেরাও একদিন লাভ করবে পর্যায়ক্রমে। সেক্ষেত্রে এ কথা স্বতঃসিদ্ধভাবে ধরে নেয়া যায় যে, তা আরবী ভাষাতে এবং একজন আরবের মুখ থেকে প্রচারিত হবে। তা না হলে প্রচারিত আল্লাহ্‌র বাণী যদি একজন অ-আরবীর মুখ থেকে প্রচারিত হতো, তবে তার আবেদন আরবদের কাছে যথাযথ হতো না। ফলে আরব বাসীরা ঈমান আনতো না এবং পরবর্তীতে আরবী ভাষা ধর্ম প্রচারের মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হতো না।

উপদেশ : এই আয়াত থেকে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে, কোরাণ পাঠের উদ্দেশ্য হচ্ছে তা বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী জীবন যাপনের মাধ্যমে ঈমানের ভিত্তিকে মজবুত করা।

এমনিভাবে আমি গোনাহগারদের অন্তরে অবিশ্বাস সঞ্চার করেছি।
Thus have We caused it to enter the hearts of the sinners.

كَذَلِكَ سَلَكْنَاهُ فِي قُلُوبِ الْمُجْرِمِينَ
Kathalika salaknahu fee quloobi almujrimeena

YUSUFALI: Thus have We caused it to enter the hearts of the sinners.
PICKTHAL: Thus do We make it traverse the hearts of the guilty.
SHAKIR: Thus have We caused it to enter into the hearts of the guilty.
KHALIFA: We thus render it (like a foreign language) in the hearts of the guilty.

২০০। এ ভাবেই আমি পাপীদের অন্তরে অবিশ্বাস প্রবেশ করাই ৩২২৯।

৩২২৯। ‘এই ভাবে ‘ শব্দটি দ্বারা যে ভাব প্রকাশ করা হয়েছে তা হচ্ছে : ” আরবী ভাষার মাধ্যমে এবং আরব সম্প্রদায়ের দ্বারা।” কোরাণ অবতীর্ণ হয় আরবে আরবী ভাষী লোকদের মাঝে। তাদের বোধগম্যতার জন্যই তা আরবী ভাষাতে অবতীর্ণ হয় , যেনো কোরাণের মর্মবাণী তাদের হৃদয়ে খুব সহজেই অনুপ্রবেশ ঘটে এবং হৃদয়কে গভীরভাবে অভিভূত করে। কোরাণকে আরবী ভাষাতে অবতীর্ণ করার মূল উদ্দেশ্য এখানেই নিহিত।
মাতৃভাষাতে কোরাণের বাণীর মূল সৌন্দর্য্য , নৈতিক উপদেশ, ধ্বনির মাধুর্য্য ইত্যাদি উপলব্ধি আরবদের হৃদয়ে , যত সহজে ঐ বাণীর মর্মবাণী হৃদয়ে প্রবেশ লাভ করে; আল্লাহ্‌র নৈকট্য লাভের এত বড় উপায় মাতৃভাষাতে ব্যতীত সম্ভব নয়। আরবী ব্যতীত অন্য ভাষাতে কোরাণ যদি আরবে অবতীর্ণ হতো, তবে না বুঝে কোরাণ পাঠের ফলে হৃদয়ে আল্লাহ্‌র বাণীর যে আবেদন তা নিষ্ফল হতো। মাতৃভাষার মাধ্যমে আবেদন বা উপদেশ হৃদয়ের অভ্যন্তরে স্থিতিলাভ করে। এর পরেও কোনও কঠিন হৃদয়ে যদি এই বাণীর আবেদন না পৌঁছে তবে সে কঠিন হৃদয়ের জন্য শাস্তি অবধারিত , কত দুঃখজনক সে পরিণতি। পরবর্তী আয়াত দেখুন।

তারা এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে না, যে পর্যন্ত প্রত্যক্ষ না করে মর্মন্তুদ আযাব।
They will not believe in it until they see the grievous Penalty;

لَا يُؤْمِنُونَ بِهِ حَتَّى يَرَوُا الْعَذَابَ الْأَلِيمَ
La yu/minoona bihi hatta yarawoo alAAathaba al-aleema

YUSUFALI: They will not believe in it until they see the grievous Penalty;
PICKTHAL: They will not believe in it till they behold the painful doom,
SHAKIR: They will not believe in it until they see the painful punishment.
KHALIFA: Thus, they cannot believe in it; not until they see the painful retribution.

২০১। তারা [ কিছুতেই ] উহা বিশ্বাস করবে না, যতক্ষণ না তারা ভয়াবহ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।

২০২। কিন্তু [ শাস্তি ] হঠাৎ করেই তাদের নিকট এসে পড়বে, তারা কিছু বুঝে ওঠার পূর্বেই ;

২০৩। তখন তারা বলবে, ” আমরা কি অবকাশ পেতে পারি না ? ”

২০৪। তারপরেও কি তারা আমার শাস্তিকে ত্বরান্বিত করতে চাইবে ? ৩২৩০

৩২৩০। পাপীরা আল্লাহ্‌র হেদায়েতের প্রতি অবহেলার দরুণ অনুতাপ থেকে বিরত থাকে, প্রকৃত শাস্তি প্রত্যক্ষ করার পূর্বে তারা বুঝতে অক্ষম তাদের পাপের পরিমাণ। আবার অনেক পাপী আছে যারা আল্লাহ্‌কে প্রতিদ্বন্দীতায় আহ্বান পূর্বক ঘোষণা করে যে শেষ বিচারের দিন নাই , সুতারাং যদি থাকে তবে তা যত শীঘ্র সম্ভব উপস্থিত করা হোক। তারা এতবড় কথা বলার সাহস রাখে কারণ তারা আল্লাহ্‌র এবং আল্লাহ্‌র ক্ষমতায় বিশ্বাসী নয়। তাদের প্রতীদ্বন্দীতার উত্তর হচ্ছে ” ইহা শীঘ্রই আসবে , তখন তাদের মনে হবে যে ইহা অতি শীঘ্র ঘটেছে।”

অতঃপর তা আকস্মিকভাবে তাদের কাছে এসে পড়বে, তারা তা বুঝতে ও পারবে না।
But the (Penalty) will come to them of a sudden, while they perceive it not;

فَيَأْتِيَهُم بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ
Faya/tiyahum baghtatan wahum la yashAAuroona
YUSUFALI: But the (Penalty) will come to them of a sudden, while they perceive it not;
PICKTHAL: So that it will come upon them suddenly, when they perceive not.
SHAKIR: And it shall come to them all of a sudden, while they shall not perceive;
KHALIFA: It will come to them suddenly, when they least expect it.

২০১। তারা [ কিছুতেই ] উহা বিশ্বাস করবে না, যতক্ষণ না তারা ভয়াবহ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।

২০২। কিন্তু [ শাস্তি ] হঠাৎ করেই তাদের নিকট এসে পড়বে, তারা কিছু বুঝে ওঠার পূর্বেই ;

২০৩। তখন তারা বলবে, ” আমরা কি অবকাশ পেতে পারি না ? ”

২০৪। তারপরেও কি তারা আমার শাস্তিকে ত্বরান্বিত করতে চাইবে ? ৩২৩০

৩২৩০। পাপীরা আল্লাহ্‌র হেদায়েতের প্রতি অবহেলার দরুণ অনুতাপ থেকে বিরত থাকে, প্রকৃত শাস্তি প্রত্যক্ষ করার পূর্বে তারা বুঝতে অক্ষম তাদের পাপের পরিমাণ। আবার অনেক পাপী আছে যারা আল্লাহ্‌কে প্রতিদ্বন্দীতায় আহ্বান পূর্বক ঘোষণা করে যে শেষ বিচারের দিন নাই , সুতারাং যদি থাকে তবে তা যত শীঘ্র সম্ভব উপস্থিত করা হোক। তারা এতবড় কথা বলার সাহস রাখে কারণ তারা আল্লাহ্‌র এবং আল্লাহ্‌র ক্ষমতায় বিশ্বাসী নয়। তাদের প্রতীদ্বন্দীতার উত্তর হচ্ছে ” ইহা শীঘ্রই আসবে , তখন তাদের মনে হবে যে ইহা অতি শীঘ্র ঘটেছে।”

তখন তারা বলবে, আমরা কি অবকাশ পাব না?
Then they will say: “Shall we be respited?”

فَيَقُولُوا هَلْ نَحْنُ مُنظَرُونَ
Fayaqooloo hal nahnu muntharoona

YUSUFALI: Then they will say: “Shall we be respited?”
PICKTHAL: Then they will say: Are we to be reprieved?
SHAKIR: Then they will say: Shall we be respited?
KHALIFA: They will then say, “Can we have a respite?”

২০১। তারা [ কিছুতেই ] উহা বিশ্বাস করবে না, যতক্ষণ না তারা ভয়াবহ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।

২০২। কিন্তু [ শাস্তি ] হঠাৎ করেই তাদের নিকট এসে পড়বে, তারা কিছু বুঝে ওঠার পূর্বেই ;

২০৩। তখন তারা বলবে, ” আমরা কি অবকাশ পেতে পারি না ? ”

২০৪। তারপরেও কি তারা আমার শাস্তিকে ত্বরান্বিত করতে চাইবে ? ৩২৩০

৩২৩০। পাপীরা আল্লাহ্‌র হেদায়েতের প্রতি অবহেলার দরুণ অনুতাপ থেকে বিরত থাকে, প্রকৃত শাস্তি প্রত্যক্ষ করার পূর্বে তারা বুঝতে অক্ষম তাদের পাপের পরিমাণ। আবার অনেক পাপী আছে যারা আল্লাহ্‌কে প্রতিদ্বন্দীতায় আহ্বান পূর্বক ঘোষণা করে যে শেষ বিচারের দিন নাই , সুতারাং যদি থাকে তবে তা যত শীঘ্র সম্ভব উপস্থিত করা হোক। তারা এতবড় কথা বলার সাহস রাখে কারণ তারা আল্লাহ্‌র এবং আল্লাহ্‌র ক্ষমতায় বিশ্বাসী নয়। তাদের প্রতীদ্বন্দীতার উত্তর হচ্ছে ” ইহা শীঘ্রই আসবে , তখন তাদের মনে হবে যে ইহা অতি শীঘ্র ঘটেছে।”

তারা কি আমার শাস্তি দ্রুত কামনা করে?
Do they then ask for Our Penalty to be hastened on?

أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ
AfabiAAathabina yastaAAjiloona

YUSUFALI: Do they then ask for Our Penalty to be hastened on?
PICKTHAL: Would they (now) hasten on Our doom?
SHAKIR: What! do they still seek to hasten on Our punishment?
KHALIFA: Did they not challenge our retribution?

২০১। তারা [ কিছুতেই ] উহা বিশ্বাস করবে না, যতক্ষণ না তারা ভয়াবহ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।

২০২। কিন্তু [ শাস্তি ] হঠাৎ করেই তাদের নিকট এসে পড়বে, তারা কিছু বুঝে ওঠার পূর্বেই ;

সূরা শুয়ারা
সূরা শুয়ারা

২০৩। তখন তারা বলবে, ” আমরা কি অবকাশ পেতে পারি না ? ”

২০৪। তারপরেও কি তারা আমার শাস্তিকে ত্বরান্বিত করতে চাইবে ? ৩২৩০

৩২৩০। পাপীরা আল্লাহ্‌র হেদায়েতের প্রতি অবহেলার দরুণ অনুতাপ থেকে বিরত থাকে, প্রকৃত শাস্তি প্রত্যক্ষ করার পূর্বে তারা বুঝতে অক্ষম তাদের পাপের পরিমাণ। আবার অনেক পাপী আছে যারা আল্লাহ্‌কে প্রতিদ্বন্দীতায় আহ্বান পূর্বক ঘোষণা করে যে শেষ বিচারের দিন নাই , সুতারাং যদি থাকে তবে তা যত শীঘ্র সম্ভব উপস্থিত করা হোক। তারা এতবড় কথা বলার সাহস রাখে কারণ তারা আল্লাহ্‌র এবং আল্লাহ্‌র ক্ষমতায় বিশ্বাসী নয়। তাদের প্রতীদ্বন্দীতার উত্তর হচ্ছে ” ইহা শীঘ্রই আসবে , তখন তাদের মনে হবে যে ইহা অতি শীঘ্র ঘটেছে।”

আপনি ভেবে দেখুন তো, যদি আমি তাদেরকে বছরের পর বছর ভোগ-বিলাস করতে দেই,
Seest thou? If We do let them enjoy (this life) for a few years,

أَفَرَأَيْتَ إِن مَّتَّعْنَاهُمْ سِنِينَ
Afaraayta in mattaAAnahum sineena

YUSUFALI: Seest thou? If We do let them enjoy (this life) for a few years,
PICKTHAL: Hast thou then seen, if We content them for (long) years,
SHAKIR: Have you then considered if We let them enjoy themselves for years,
KHALIFA: As you see, we allowed them to enjoy for years.

২০৫। তুমি কি ভেবে দেখেছ ? যদি আমি তাদের কয়েক বৎসর [ এই পৃথিবীতে ] সুখ ভোগ করতে দেই ,

২০৬। তথাপি; তাদের উপর অবশেষে সেই শাস্তি এসে পড়বে, যার প্রতিশ্রুতি তাদের দেয়া হয়েছে।

২০৭। [ এই পৃথিবী জীবনের ] উপভোগ তাদের কোন উপকারে আসবে না।

২০৮। আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করি নাই , সর্তককারী [প্রেরণ ] ব্যতীত

২০৯। [যারা ছিলো ] উপদেশ স্বরূপ। আমি তো অন্যায়কারী নই ৩২৩১।

৩২৩১। পাপীদের অনুতাপ করার জন্য আল্লাহ্‌ প্রচুর সময় ও সুযোগ দিয়ে থাকেন। কারণ আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় ও অসীম দয়াময়। পাপীদের আল্লাহ্‌ পাপের সাথে সাথে শাস্তি দান করেন না। আল্লাহ্‌ প্রদত্ত এই অবকাশকে পাপীরা সদ্ব্যবহার করতে অক্ষম – কারণ তারা জাগতিক বিষয় বস্তুতে আকণ্ঠ নিমগ্ন থাকে। জাগতিক ক্ষমতা , লোভ-মোহ, আত্মগরিমা-অহংকার তাদের পার্থিব জগতের বাইরে অতীন্দ্রীয় জগতের অনুধাবনের বাঁধার সৃষ্টি করে। ফলে তারা বারে বারে আল্লাহ্‌র আদেশকে অমান্য করে আল্লাহ্‌র সাবধান বাণীকে উপেক্ষা করে। তবুও আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় -তাদের বারে বারে নবী রসুলদের দ্বারা সাবধান করেন চূড়ান্ত শাস্তি দানের পূর্বে। এই চূড়ান্ত শাস্তি তাদের-ই কর্মফল। এই হচ্ছে ন্যায় ও সত্য। মানুষকে চূড়ান্ত শাস্তিদানের পূর্বে বারে বারে সাবধান করা হয় কারণ দয়াময় আল্লাহ্‌ জানেন যে মানুষ দুর্বল চরিত্র। আল্লাহ্‌ ন্যায়বিচারক। সুতারাং মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতাও মহাপ্রভু দয়াময় তার বিচারের অধীনে ন্যস্ত করেন।

অতঃপর যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হত, তা তাদের কাছে এসে পড়ে।
Yet there comes to them at length the (Punishment) which they were promised!

ثُمَّ جَاءهُم مَّا كَانُوا يُوعَدُونَ
Thumma jaahum ma kanoo yooAAadoona

YUSUFALI: Yet there comes to them at length the (Punishment) which they were promised!
PICKTHAL: And then cometh that which they were promised,
SHAKIR: Then there comes to them that with which they are threatened,
KHALIFA: Then the retribution came to them, just as promised.

২০৫। তুমি কি ভেবে দেখেছ ? যদি আমি তাদের কয়েক বৎসর [ এই পৃথিবীতে ] সুখ ভোগ করতে দেই ,

২০৬। তথাপি; তাদের উপর অবশেষে সেই শাস্তি এসে পড়বে, যার প্রতিশ্রুতি তাদের দেয়া হয়েছে।

২০৭। [ এই পৃথিবী জীবনের ] উপভোগ তাদের কোন উপকারে আসবে না।

২০৮। আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করি নাই , সর্তককারী [প্রেরণ ] ব্যতীত

২০৯। [যারা ছিলো ] উপদেশ স্বরূপ। আমি তো অন্যায়কারী নই ৩২৩১।

৩২৩১। পাপীদের অনুতাপ করার জন্য আল্লাহ্‌ প্রচুর সময় ও সুযোগ দিয়ে থাকেন। কারণ আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় ও অসীম দয়াময়। পাপীদের আল্লাহ্‌ পাপের সাথে সাথে শাস্তি দান করেন না। আল্লাহ্‌ প্রদত্ত এই অবকাশকে পাপীরা সদ্ব্যবহার করতে অক্ষম – কারণ তারা জাগতিক বিষয় বস্তুতে আকণ্ঠ নিমগ্ন থাকে। জাগতিক ক্ষমতা , লোভ-মোহ, আত্মগরিমা-অহংকার তাদের পার্থিব জগতের বাইরে অতীন্দ্রীয় জগতের অনুধাবনের বাঁধার সৃষ্টি করে। ফলে তারা বারে বারে আল্লাহ্‌র আদেশকে অমান্য করে আল্লাহ্‌র সাবধান বাণীকে উপেক্ষা করে। তবুও আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় -তাদের বারে বারে নবী রসুলদের দ্বারা সাবধান করেন চূড়ান্ত শাস্তি দানের পূর্বে। এই চূড়ান্ত শাস্তি তাদের-ই কর্মফল। এই হচ্ছে ন্যায় ও সত্য। মানুষকে চূড়ান্ত শাস্তিদানের পূর্বে বারে বারে সাবধান করা হয় কারণ দয়াময় আল্লাহ্‌ জানেন যে মানুষ দুর্বল চরিত্র। আল্লাহ্‌ ন্যায়বিচারক। সুতারাং মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতাও মহাপ্রভু দয়াময় তার বিচারের অধীনে ন্যস্ত করেন।

তখন তাদের ভোগ বিলাস তা তাদের কি কোন উপকারে আসবে?
It will profit them not that they enjoyed (this life)!

مَا أَغْنَى عَنْهُم مَّا كَانُوا يُمَتَّعُونَ
Ma aghna AAanhum ma kanoo yumattaAAoona

YUSUFALI: It will profit them not that they enjoyed (this life)!
PICKTHAL: (How) that wherewith they were contented naught availeth them?
SHAKIR: That which they were made to enjoy shall not avail them?
KHALIFA: Their vast resources did not help them in the least.

২০৫। তুমি কি ভেবে দেখেছ ? যদি আমি তাদের কয়েক বৎসর [ এই পৃথিবীতে ] সুখ ভোগ করতে দেই ,

২০৬। তথাপি; তাদের উপর অবশেষে সেই শাস্তি এসে পড়বে, যার প্রতিশ্রুতি তাদের দেয়া হয়েছে।

২০৭। [ এই পৃথিবী জীবনের ] উপভোগ তাদের কোন উপকারে আসবে না।

২০৮। আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করি নাই , সর্তককারী [প্রেরণ ] ব্যতীত

২০৯। [যারা ছিলো ] উপদেশ স্বরূপ। আমি তো অন্যায়কারী নই ৩২৩১।

৩২৩১। পাপীদের অনুতাপ করার জন্য আল্লাহ্‌ প্রচুর সময় ও সুযোগ দিয়ে থাকেন। কারণ আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় ও অসীম দয়াময়। পাপীদের আল্লাহ্‌ পাপের সাথে সাথে শাস্তি দান করেন না। আল্লাহ্‌ প্রদত্ত এই অবকাশকে পাপীরা সদ্ব্যবহার করতে অক্ষম – কারণ তারা জাগতিক বিষয় বস্তুতে আকণ্ঠ নিমগ্ন থাকে। জাগতিক ক্ষমতা , লোভ-মোহ, আত্মগরিমা-অহংকার তাদের পার্থিব জগতের বাইরে অতীন্দ্রীয় জগতের অনুধাবনের বাঁধার সৃষ্টি করে। ফলে তারা বারে বারে আল্লাহ্‌র আদেশকে অমান্য করে আল্লাহ্‌র সাবধান বাণীকে উপেক্ষা করে। তবুও আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় -তাদের বারে বারে নবী রসুলদের দ্বারা সাবধান করেন চূড়ান্ত শাস্তি দানের পূর্বে। এই চূড়ান্ত শাস্তি তাদের-ই কর্মফল। এই হচ্ছে ন্যায় ও সত্য। মানুষকে চূড়ান্ত শাস্তিদানের পূর্বে বারে বারে সাবধান করা হয় কারণ দয়াময় আল্লাহ্‌ জানেন যে মানুষ দুর্বল চরিত্র। আল্লাহ্‌ ন্যায়বিচারক। সুতারাং মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতাও মহাপ্রভু দয়াময় তার বিচারের অধীনে ন্যস্ত করেন।

আমি কোন জনপদ ধ্বংস করিনি; কিন্তু এমতাবস্থায় যে, তারা সতর্ককারী ছিল।
Never did We destroy a population, but had its warners –

وَمَا أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا لَهَا مُنذِرُونَ
Wama ahlakna min qaryatin illa laha munthiroona

YUSUFALI: Never did We destroy a population, but had its warners –
PICKTHAL: And We destroyed no township but it had its warners
SHAKIR: And We did not destroy any town but it had (its) warners,
KHALIFA: We never annihilate any community without sending warners.

২০৫। তুমি কি ভেবে দেখেছ ? যদি আমি তাদের কয়েক বৎসর [ এই পৃথিবীতে ] সুখ ভোগ করতে দেই ,

২০৬। তথাপি; তাদের উপর অবশেষে সেই শাস্তি এসে পড়বে, যার প্রতিশ্রুতি তাদের দেয়া হয়েছে।

২০৭। [ এই পৃথিবী জীবনের ] উপভোগ তাদের কোন উপকারে আসবে না।

২০৮। আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করি নাই , সর্তককারী [প্রেরণ ] ব্যতীত

২০৯। [যারা ছিলো ] উপদেশ স্বরূপ। আমি তো অন্যায়কারী নই ৩২৩১।

৩২৩১। পাপীদের অনুতাপ করার জন্য আল্লাহ্‌ প্রচুর সময় ও সুযোগ দিয়ে থাকেন। কারণ আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় ও অসীম দয়াময়। পাপীদের আল্লাহ্‌ পাপের সাথে সাথে শাস্তি দান করেন না। আল্লাহ্‌ প্রদত্ত এই অবকাশকে পাপীরা সদ্ব্যবহার করতে অক্ষম – কারণ তারা জাগতিক বিষয় বস্তুতে আকণ্ঠ নিমগ্ন থাকে। জাগতিক ক্ষমতা , লোভ-মোহ, আত্মগরিমা-অহংকার তাদের পার্থিব জগতের বাইরে অতীন্দ্রীয় জগতের অনুধাবনের বাঁধার সৃষ্টি করে। ফলে তারা বারে বারে আল্লাহ্‌র আদেশকে অমান্য করে আল্লাহ্‌র সাবধান বাণীকে উপেক্ষা করে। তবুও আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় -তাদের বারে বারে নবী রসুলদের দ্বারা সাবধান করেন চূড়ান্ত শাস্তি দানের পূর্বে। এই চূড়ান্ত শাস্তি তাদের-ই কর্মফল। এই হচ্ছে ন্যায় ও সত্য। মানুষকে চূড়ান্ত শাস্তিদানের পূর্বে বারে বারে সাবধান করা হয় কারণ দয়াময় আল্লাহ্‌ জানেন যে মানুষ দুর্বল চরিত্র। আল্লাহ্‌ ন্যায়বিচারক। সুতারাং মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতাও মহাপ্রভু দয়াময় তার বিচারের অধীনে ন্যস্ত করেন।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২০৯

স্মরণ করানোর জন্যে, এবং আমার কাজ অন্যায়াচরণ নয়।
By way of reminder; and We never are unjust.

ذِكْرَى وَمَا كُنَّا ظَالِمِينَ
Thikra wama kunna thalimeena

YUSUFALI: By way of reminder; and We never are unjust.
PICKTHAL: For reminder, for We never were oppressors.
SHAKIR: To remind, and We are never unjust.
KHALIFA: Therefore, this is a reminder, for we are never unjust.

২০৫। তুমি কি ভেবে দেখেছ ? যদি আমি তাদের কয়েক বৎসর [ এই পৃথিবীতে ] সুখ ভোগ করতে দেই ,

২০৬। তথাপি; তাদের উপর অবশেষে সেই শাস্তি এসে পড়বে, যার প্রতিশ্রুতি তাদের দেয়া হয়েছে।

২০৭। [ এই পৃথিবী জীবনের ] উপভোগ তাদের কোন উপকারে আসবে না।

২০৮। আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করি নাই , সর্তককারী [প্রেরণ ] ব্যতীত

২০৯। [যারা ছিলো ] উপদেশ স্বরূপ। আমি তো অন্যায়কারী নই ৩২৩১।

৩২৩১। পাপীদের অনুতাপ করার জন্য আল্লাহ্‌ প্রচুর সময় ও সুযোগ দিয়ে থাকেন। কারণ আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় ও অসীম দয়াময়। পাপীদের আল্লাহ্‌ পাপের সাথে সাথে শাস্তি দান করেন না। আল্লাহ্‌ প্রদত্ত এই অবকাশকে পাপীরা সদ্ব্যবহার করতে অক্ষম – কারণ তারা জাগতিক বিষয় বস্তুতে আকণ্ঠ নিমগ্ন থাকে। জাগতিক ক্ষমতা , লোভ-মোহ, আত্মগরিমা-অহংকার তাদের পার্থিব জগতের বাইরে অতীন্দ্রীয় জগতের অনুধাবনের বাঁধার সৃষ্টি করে। ফলে তারা বারে বারে আল্লাহ্‌র আদেশকে অমান্য করে আল্লাহ্‌র সাবধান বাণীকে উপেক্ষা করে। তবুও আল্লাহ্‌ পরম করুণাময় -তাদের বারে বারে নবী রসুলদের দ্বারা সাবধান করেন চূড়ান্ত শাস্তি দানের পূর্বে। এই চূড়ান্ত শাস্তি তাদের-ই কর্মফল। এই হচ্ছে ন্যায় ও সত্য। মানুষকে চূড়ান্ত শাস্তিদানের পূর্বে বারে বারে সাবধান করা হয় কারণ দয়াময় আল্লাহ্‌ জানেন যে মানুষ দুর্বল চরিত্র। আল্লাহ্‌ ন্যায়বিচারক। সুতারাং মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতাও মহাপ্রভু দয়াময় তার বিচারের অধীনে ন্যস্ত করেন।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১০

এই কোরআন শয়তানরা অবতীর্ণ করেনি।
No evil ones have brought down this (Revelation):

وَمَا تَنَزَّلَتْ بِهِ الشَّيَاطِينُ
Wama tanazzalat bihi alshshayateenu

YUSUFALI: No evil ones have brought down this (Revelation):
PICKTHAL: The devils did not bring it down.
SHAKIR: And the Shaitans have not come down with it.
KHALIFA: The devils can never reveal this.

২১০। এই [প্রত্যাদেশ ] কোন শয়তান অবতীর্ণ করতে পারে না ৩২৩২।

৩২৩২। মানুষের সাধারণ ধর্ম হচ্ছে : তারা যে কোন অলৌকিক কার্যকলাপকে যাদু বা শয়তানের কাজ বলে পরিগণিত করতে চায়। হযরত মুসা থেকে কোনও নবী রসুলই এই অপবাদ থেকে রেহাই পান নাই। তাই রসুলের [ সা ] নিকট যখন কোরাণ অবতীর্ণ হলো – কোরানের বাণীর মাধুর্য, সৌন্দর্য্য ,গুঢ় মর্মার্থ , নৈতিক উপদেশাবলী , অবিশ্বাসীদের বিভ্রান্ত করে দিলো। সুতারাং রসুলের [সা ] শত্রুরা কোরাণকে অশুভ শক্তির বাহন মনে করতে থাকে। মানবাত্মার মহৎ ও চূড়ান্ত বিকাশের এত বড় দলিল কখনও শয়তানের উদ্দেশ্য হতে পারে না। শয়তান ও তাঁর সাগরেদদের কখনও ক্ষমতা হবে না এরূপ একটি গ্রন্থ রচনার – যা মানুষের আত্মিক বিকাশকে করে সমৃদ্ধশালী, পৃথিবীর জীবনযাত্রাকে করে সফলকাম। ভালো ও মন্দ কখনও এক হতে পারে না , যেমন আলো ও অন্ধকার এক হতে পারে না। ভালো ও মন্দের অবস্থান বিপরীত মেরুতে। মন্দ কখনও ভালোকে সহ্য করতে পারবে না , এমনকি সদুপদেশ বা দয়া বা ক্ষমা ইত্যাদিও তার নিকট হাস্যকর ও অসত্য রূপে বিবেচিত হবে।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১১

তারা এ কাজের উপযুক্ত নয় এবং তারা এর সামর্থøও রাখে না।
It would neither suit them nor would they be able (to produce it).

وَمَا يَنبَغِي لَهُمْ وَمَا يَسْتَطِيعُونَ
Wama yanbaghee lahum wama yastateeAAoona

YUSUFALI: It would neither suit them nor would they be able (to produce it).
PICKTHAL: It is not meet for them, nor is it in their power,
SHAKIR: And it behoves them not, and they have not the power to do (it).
KHALIFA: They neither would, nor could.

২১১। এটা তাদের উপযোগীও হবে না অথবা তারা তা [ তৈরী করতেও ] সক্ষম নয়।

২১২। উহাদের তো শোনার সুযোগ থেকেও দূরে রাখা হয়েছে।

২১৩। সুতারাং আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কাউকে ডেকো না , তাহলে তুমি যারা শাস্তি প্রাপ্ত তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

২১৪। এবং নিকট -আত্মীয় বর্গকে সর্তক করে দাও।

২১৫। এবং তোমার পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও বিশ্বাসীদের জন্য , যারা তোমার অনুসরণ করে ৩২৩৩।

৩২৩৩। “পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও ” – অর্থাৎ দয়ালু, ভদ্র এবং সহানুভূতিশীল হও, ঠিক সেরূপ ভাবে , যেরূপভাবে উড়ন্ত পাখী নীড়ে ফেরার প্রাক্কালে তার শাবককূলকে পাখা দ্বারা ঢেকে দেয়। দেখুন আয়াত [১৭ : ২৪ ] ও টিকা ২২০৫ এবং [১৫: ৮৮ ]ও টিকা ২০১১।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১২

তাদেরকে তো শ্রবণের জায়গা থেকে দূরে রাখা রয়েছে।
Indeed they have been removed far from even (a chance of) hearing it.

إِنَّهُمْ عَنِ السَّمْعِ لَمَعْزُولُونَ
Innahum AAani alssamAAi lamaAAzooloona

YUSUFALI: Indeed they have been removed far from even (a chance of) hearing it.
PICKTHAL: Lo! verily they are banished from the hearing.
SHAKIR: Most surely they are far removed from the hearing of it.
KHALIFA: For they are prevented from hearing.

২১১। এটা তাদের উপযোগীও হবে না অথবা তারা তা [ তৈরী করতেও ] সক্ষম নয়।

২১২। উহাদের তো শোনার সুযোগ থেকেও দূরে রাখা হয়েছে।

২১৩। সুতারাং আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কাউকে ডেকো না , তাহলে তুমি যারা শাস্তি প্রাপ্ত তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

২১৪। এবং নিকট -আত্মীয় বর্গকে সর্তক করে দাও।

২১৫। এবং তোমার পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও বিশ্বাসীদের জন্য , যারা তোমার অনুসরণ করে ৩২৩৩।

৩২৩৩। “পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও ” – অর্থাৎ দয়ালু, ভদ্র এবং সহানুভূতিশীল হও, ঠিক সেরূপ ভাবে , যেরূপভাবে উড়ন্ত পাখী নীড়ে ফেরার প্রাক্কালে তার শাবককূলকে পাখা দ্বারা ঢেকে দেয়। দেখুন আয়াত [১৭ : ২৪ ] ও টিকা ২২০৫ এবং [১৫: ৮৮ ]ও টিকা ২০১১।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১৩

অতএব, আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যকে আহবান করবেন না। করলে শাস্তিতে পতিত হবেন।
So call not on any other god with Allah, or thou wilt be among those under the Penalty.

فَلَا تَدْعُ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَتَكُونَ مِنَ الْمُعَذَّبِينَ
Fala tadAAu maAAa Allahi ilahan akhara fatakoona mina almuAAaththabeena

YUSUFALI: So call not on any other god with Allah, or thou wilt be among those under the Penalty.
PICKTHAL: Therefor invoke not with Allah another god, lest thou be one of the doomed.
SHAKIR: So call not upon another god with Allah, lest you be of those who are punished.
KHALIFA: Therefore, do not idolize beside GOD any other god, lest you incur the retribution.

২১১। এটা তাদের উপযোগীও হবে না অথবা তারা তা [ তৈরী করতেও ] সক্ষম নয়।

২১২। উহাদের তো শোনার সুযোগ থেকেও দূরে রাখা হয়েছে।

২১৩। সুতারাং আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কাউকে ডেকো না , তাহলে তুমি যারা শাস্তি প্রাপ্ত তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

২১৪। এবং নিকট -আত্মীয় বর্গকে সর্তক করে দাও।

২১৫। এবং তোমার পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও বিশ্বাসীদের জন্য , যারা তোমার অনুসরণ করে ৩২৩৩।

৩২৩৩। “পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও ” – অর্থাৎ দয়ালু, ভদ্র এবং সহানুভূতিশীল হও, ঠিক সেরূপ ভাবে , যেরূপভাবে উড়ন্ত পাখী নীড়ে ফেরার প্রাক্কালে তার শাবককূলকে পাখা দ্বারা ঢেকে দেয়। দেখুন আয়াত [১৭ : ২৪ ] ও টিকা ২২০৫ এবং [১৫: ৮৮ ]ও টিকা ২০১১।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১৪

আপনি নিকটতম আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দিন।
And admonish thy nearest kinsmen,

وَأَنذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ
Waanthir AAasheerataka al-aqrabeena

YUSUFALI: And admonish thy nearest kinsmen,
PICKTHAL: And warn thy tribe of near kindred,
SHAKIR: And warn your nearest relations,
KHALIFA: You shall preach to the people who are closest to you.

২১১। এটা তাদের উপযোগীও হবে না অথবা তারা তা [ তৈরী করতেও ] সক্ষম নয়।

২১২। উহাদের তো শোনার সুযোগ থেকেও দূরে রাখা হয়েছে।

২১৩। সুতারাং আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কাউকে ডেকো না , তাহলে তুমি যারা শাস্তি প্রাপ্ত তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

২১৪। এবং নিকট -আত্মীয় বর্গকে সর্তক করে দাও।

২১৫। এবং তোমার পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও বিশ্বাসীদের জন্য , যারা তোমার অনুসরণ করে ৩২৩৩।

৩২৩৩। “পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও ” – অর্থাৎ দয়ালু, ভদ্র এবং সহানুভূতিশীল হও, ঠিক সেরূপ ভাবে , যেরূপভাবে উড়ন্ত পাখী নীড়ে ফেরার প্রাক্কালে তার শাবককূলকে পাখা দ্বারা ঢেকে দেয়। দেখুন আয়াত [১৭ : ২৪ ] ও টিকা ২২০৫ এবং [১৫: ৮৮ ]ও টিকা ২০১১।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১৫

এবং আপনার অনুসারী মুমিনদের প্রতি সদয় হোন।
And lower thy wing to the Believers who follow thee.

وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ
Waikhfid janahaka limani ittabaAAaka mina almu/mineena

YUSUFALI: And lower thy wing to the Believers who follow thee.
PICKTHAL: And lower thy wing (in kindness) unto those believers who follow thee. SHAKIR: And be kind to him who follows you of the believers.
KHALIFA: And lower your wing for the believers who follow you.

২১১। এটা তাদের উপযোগীও হবে না অথবা তারা তা [ তৈরী করতেও ] সক্ষম নয়।

২১২। উহাদের তো শোনার সুযোগ থেকেও দূরে রাখা হয়েছে।

২১৩। সুতারাং আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কাউকে ডেকো না , তাহলে তুমি যারা শাস্তি প্রাপ্ত তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

২১৪। এবং নিকট -আত্মীয় বর্গকে সর্তক করে দাও।

২১৫। এবং তোমার পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও বিশ্বাসীদের জন্য , যারা তোমার অনুসরণ করে ৩২৩৩।

৩২৩৩। “পক্ষপুটকে নামিয়ে দাও ” – অর্থাৎ দয়ালু, ভদ্র এবং সহানুভূতিশীল হও, ঠিক সেরূপ ভাবে , যেরূপভাবে উড়ন্ত পাখী নীড়ে ফেরার প্রাক্কালে তার শাবককূলকে পাখা দ্বারা ঢেকে দেয়। দেখুন আয়াত [১৭ : ২৪ ] ও টিকা ২২০৫ এবং [১৫: ৮৮ ]ও টিকা ২০১১।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১৬

যদি তারা আপনার অবাধ্য করে, তবে বলে দিন, তোমরা যা কর, তা থেকে আমি মুক্ত।
Then if they disobey thee, say: “I am free (of responsibility) for what ye do!”

فَإِنْ عَصَوْكَ فَقُلْ إِنِّي بَرِيءٌ مِّمَّا تَعْمَلُونَ
Fa-in AAasawka faqul innee baree-on mimma taAAmaloona

YUSUFALI: Then if they disobey thee, say: “I am free (of responsibility) for what ye do!”
PICKTHAL: And if they (thy kinsfolk) disobey thee, say: Lo! I am innocent of what they do.
SHAKIR: But if they disobey you, then say: Surely I am clear of what you do.
KHALIFA: If they disobey you, then say, “I disown what you do.”

২১৬। তারপরেও যদি তারা অবিশ্বাস করে, তাহলে বলো, ” তোমরা যা কর আমি তা থেকে দায়মুক্ত।” ৩২৩৪

৩২৩৪। “তারা অবিশ্বাস করে ” বাক্যটি দ্বারা এ কথাই বোঝানো হয়েছে যে, অবিশ্বাসী কাফেররা এমন কিছু করেছিলো রসুলের [ সা ] প্রতি যা অবাধ্যতার সামিল। ঘটনাটি ছিলো : রসুল [ সা ] তাদের ন্যায়ের পথে সত্যের পতে চলতে আদেশ দিতেন এবং অন্যায় ও পাপকে পরিহার করতে বলতেন , যা তাদের জন্য ছিলো অরুচীকর। রসুলের [ সা ] প্রচার ও প্রচেষ্টা সত্বেও যদি কেউ অন্যায় ও পাপকে পরিহার না করে। তবে সে দায়িত্ব রসুলের [সা] নয়। কারণ ভালো ও দায়িত্ববান মেষপালকেরা যেমন তার মেষের পালকে সঠিক রাস্তায় রাখতে চেষ্টা করে ও তার মেষ সমূহের রক্ষণাবেক্ষণে যত্নবান হয় রসুলও [ সা ] ঠিক সেরূপে তাঁর অনুসারীদের প্রতি সমভাবে যত্নশীল ও দায়িত্ব বান। এরপরেও কেউ তাঁকে অস্বীকার করলে বা অবাধ্যতা করলে সে দায়িত্ব তাঁর নয়। তিনি এর পরে কি করতে পারেন ? তিনি তাঁর প্রতি আল্লাহ্‌ প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করবেন , মানুষকে হেদায়েত করবেন। কিন্তু কেউ যদি অস্বীকার করে, অবাধ্যতা করে তাদের মহান শিক্ষককে , নেতাকে , পথ প্রদর্শককে ,তবে সে জন্য রসুল কে [ সা ] দায়ী করা হবে না। তাঁর বিশ্বাস ও নির্ভরশীলতা শুধুমাত্র এক আল্লাহ্‌র উপরে। আল্লাহ্‌ সকলের কৃত কর্মের সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল এবং তিনি প্রত্যেকের কর্মের যথাযথ মূল্যায়ন করেন।

উপদেশ : প্রত্যেকেই নিজ নিজ কৃত কর্মের জন্য দায়ী। কারও পাপের ভার অন্য কেউ গ্রহণ করবে না।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১৭

আপনি ভরসা করুন পরাক্রমশালী, পরম দয়ালুর উপর,
And put thy trust on the Exalted in Might, the Merciful,-

وَتَوَكَّلْ عَلَى الْعَزِيزِ الرَّحِيمِ
Watawakkal AAala alAAazeezi alrraheemi

YUSUFALI: And put thy trust on the Exalted in Might, the Merciful,-
PICKTHAL: And put thy trust in the Mighty, the Merciful.
SHAKIR: And rely on the Mighty, the Merciful,
KHALIFA: And put your trust in the Almighty, Most Merciful.

২১৭। এবং সর্বশক্তিমান ও পরম দয়ালু আল্লাহ্‌র প্রতি তোমার আস্থা স্থাপন কর –

২১৮। যিনি তোমাকে [ প্রার্থনায় ] দন্ডায়মান দেখেন,

২১৯। এবং সিজদাকারীদের সাথে তোমার ওঠাবসা দেখেন ৩২৩৫।

৩২৩৫। মূসলমানদের এবাদতের ধারাকে এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। মানুষের অন্তরের প্রতিটি চিন্তাধারা আল্লাহ্‌র নিকট প্রকাশ্য। এবাদতের প্রতি আগ্রহ, আন্তরিকতা এবং ভক্তির ব্যাপারে রসুল [ সা ] ব্যক্তিগত ভাবে ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান, আবার তাঁর অনুসারীদের জন্যও তিনি ছিলেন সমভাবে দায়িত্ববান। রসুলের [ সা ] চরিত্রের এই উজ্জ্বল দিকটি এই আয়াতগুলির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। জীবনের প্রতিটি বাঁকে, সম্পদে প্রতিপত্তিতে, দুঃখে -বিপর্যয়ে আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীলতায়, এবাদতের আন্তরিকতায়, মুসলমানদের জীবনের দিশারী হচ্ছেন আল্লাহ্‌র রসুল আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ মুস্তফা [ সা ]। নির্বোধ ও অবিশ্বাসীরা তাঁর চরিত্রের যে খুঁতই ধরুক না কেন, রসুলের চরিত্রের পবিত্রতা , সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সম্বন্ধে সর্বশক্তিমান সবিশেষ অবগত।

উপদেশ : মুসলমানদের চলার পথের সকল হিসাব সর্বশক্তিমানের কাছে রক্ষিত থাকে। মুসলমান সর্বঅবস্থায় আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীল হবে। রসুলের [ সা ] জীবনের মাধ্যমে এই শিক্ষাই দেয়া হয়েছে।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১৮

যিনি আপনাকে দেখেন যখন আপনি নামাযে দন্ডায়মান হন,
Who seeth thee standing forth (in prayer),

الَّذِي يَرَاكَ حِينَ تَقُومُ
Allathee yaraka heena taqoomu

YUSUFALI: Who seeth thee standing forth (in prayer),
PICKTHAL: Who seeth thee when thou standest up (to pray)
SHAKIR: Who sees you when you stand up.
KHALIFA: Who sees you when you meditate during the night.

২১৭। এবং সর্বশক্তিমান ও পরম দয়ালু আল্লাহ্‌র প্রতি তোমার আস্থা স্থাপন কর –

২১৮। যিনি তোমাকে [ প্রার্থনায় ] দন্ডায়মান দেখেন,

২১৯। এবং সিজদাকারীদের সাথে তোমার ওঠাবসা দেখেন ৩২৩৫।

৩২৩৫। মূসলমানদের এবাদতের ধারাকে এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। মানুষের অন্তরের প্রতিটি চিন্তাধারা আল্লাহ্‌র নিকট প্রকাশ্য। এবাদতের প্রতি আগ্রহ, আন্তরিকতা এবং ভক্তির ব্যাপারে রসুল [ সা ] ব্যক্তিগত ভাবে ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান, আবার তাঁর অনুসারীদের জন্যও তিনি ছিলেন সমভাবে দায়িত্ববান। রসুলের [ সা ] চরিত্রের এই উজ্জ্বল দিকটি এই আয়াতগুলির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। জীবনের প্রতিটি বাঁকে, সম্পদে প্রতিপত্তিতে, দুঃখে -বিপর্যয়ে আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীলতায়, এবাদতের আন্তরিকতায়, মুসলমানদের জীবনের দিশারী হচ্ছেন আল্লাহ্‌র রসুল আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ মুস্তফা [ সা ]। নির্বোধ ও অবিশ্বাসীরা তাঁর চরিত্রের যে খুঁতই ধরুক না কেন, রসুলের চরিত্রের পবিত্রতা , সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সম্বন্ধে সর্বশক্তিমান সবিশেষ অবগত।

উপদেশ : মুসলমানদের চলার পথের সকল হিসাব সর্বশক্তিমানের কাছে রক্ষিত থাকে। মুসলমান সর্বঅবস্থায় আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীল হবে। রসুলের [ সা ] জীবনের মাধ্যমে এই শিক্ষাই দেয়া হয়েছে।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২১৯

এবং নামাযীদের সাথে উঠাবসা করেন।
And thy movements among those who prostrate themselves,

وَتَقَلُّبَكَ فِي السَّاجِدِينَ
Wataqallubaka fee alssajideena

YUSUFALI: And thy movements among those who prostrate themselves,
PICKTHAL: And (seeth) thine abasement among those who fall prostrate (in worship).
SHAKIR: And your turning over and over among those who prostrate themselves before Allah.
KHALIFA: And your frequent prostrations.

২১৭। এবং সর্বশক্তিমান ও পরম দয়ালু আল্লাহ্‌র প্রতি তোমার আস্থা স্থাপন কর –

২১৮। যিনি তোমাকে [ প্রার্থনায় ] দন্ডায়মান দেখেন,

২১৯। এবং সিজদাকারীদের সাথে তোমার ওঠাবসা দেখেন ৩২৩৫।

৩২৩৫। মূসলমানদের এবাদতের ধারাকে এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। মানুষের অন্তরের প্রতিটি চিন্তাধারা আল্লাহ্‌র নিকট প্রকাশ্য। এবাদতের প্রতি আগ্রহ, আন্তরিকতা এবং ভক্তির ব্যাপারে রসুল [ সা ] ব্যক্তিগত ভাবে ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান, আবার তাঁর অনুসারীদের জন্যও তিনি ছিলেন সমভাবে দায়িত্ববান। রসুলের [ সা ] চরিত্রের এই উজ্জ্বল দিকটি এই আয়াতগুলির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। জীবনের প্রতিটি বাঁকে, সম্পদে প্রতিপত্তিতে, দুঃখে -বিপর্যয়ে আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীলতায়, এবাদতের আন্তরিকতায়, মুসলমানদের জীবনের দিশারী হচ্ছেন আল্লাহ্‌র রসুল আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ মুস্তফা [ সা ]। নির্বোধ ও অবিশ্বাসীরা তাঁর চরিত্রের যে খুঁতই ধরুক না কেন, রসুলের চরিত্রের পবিত্রতা , সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সম্বন্ধে সর্বশক্তিমান সবিশেষ অবগত।

উপদেশ : মুসলমানদের চলার পথের সকল হিসাব সর্বশক্তিমানের কাছে রক্ষিত থাকে। মুসলমান সর্বঅবস্থায় আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীল হবে। রসুলের [ সা ] জীবনের মাধ্যমে এই শিক্ষাই দেয়া হয়েছে।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২২০

নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।
For it is He Who heareth and knoweth all things.

إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
Innahu huwa alssameeAAu alAAaleemu

YUSUFALI: For it is He Who heareth and knoweth all things.
PICKTHAL: Lo! He, only He, is the Hearer, the Knower.
SHAKIR: Surely He is the Hearing, the Knowing.
KHALIFA: He is the Hearer, the Omniscient.

২২০। তিনিই তো সব কিছু শোনেন এবং জানেন।

২২১। [ হে মানব সম্প্রদায় ! ] আমি কি তোমাদের জানাবো কার নিকট শয়তানেরা অবতীর্ণ হয় ? ৩২৩৬

৩২৩৬। এই আয়াতটির ব্যাখ্যা করা হয়েছে রসুলের [ সা ] জীবনের প্রেক্ষিতে , যার একটি সাধারণ অর্থও বিদ্যমান যা সকল যুগের জন্য প্রযোজ্য। ইসলাম প্রচারের সময়ে অবিশ্বাসীরা বিদ্বেষবশে রসুলের চরিত্রে কালিমা লেপনের প্রয়াস পেতো। তারা বলতো রসুল [সা] যাদুগ্রস্থ ও অশুভ শক্তিদ্বারা প্রভাবিত [ দেখুন ২৬ : ২১০ আয়াত ]। এ কথার উত্তর অবশ্য পূর্বেই দেয়া হয়েছে। এই আয়াতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে এসব অপপ্রচারের উৎসের প্রতি। বলা হয়েছে এসব মিথ্যা অপপ্রচারের মূল উৎস হচ্ছে শয়তানের প্ররোচনা। এসব মিথ্যা অপপ্রচারের পিছনে থাকে শয়তানী , অর্ধসত্য, এবং বিকৃত অপপ্রচার যেনো সাধারণ লোক আল্লাহ্‌র প্রকৃত রূপকে অনুধাবন করতে না পারে। অর্থাৎ প্রতিটি মিথ্যা অপপ্রচারের মূল হচ্ছে শয়তানের কাজ। এ কথাকেই নবীর জীবনের উদাহরণের মাধ্যমে আমাদের জন্য সর্বকাল ও সর্বযুগের জন্য চিরস্থায়ী হেদায়েত করা হয়েছে। মিথ্যা হচ্ছে সকল পাপের উৎস। তাই মিথ্যাকে এই আয়াতে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ মিথ্যার সাথে জড়িত থাকে দুর্নীতি ; যা শয়তানের প্রকৃতি। অপরপক্ষে , সত্যের সাথে জড়িত হচ্ছে সততা, বিশ্বস্ততা, ন্যায়পরায়ণতা, ইত্যাদি।

উপদেশ : জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মিথ্যাকে পরিহার করতে হবে।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২২১

আমি আপনাকে বলব কি কার নিকট শয়তানরা অবতরণ করে?
Shall I inform you, (O people!), on whom it is that the evil ones descend?

هَلْ أُنَبِّئُكُمْ عَلَى مَن تَنَزَّلُ الشَّيَاطِينُ
Hal onabbi-okum AAala man tanazzalu alshshayateenu

YUSUFALI: Shall I inform you, (O people!), on whom it is that the evil ones descend?
PICKTHAL: Shall I inform you upon whom the devils descend?
SHAKIR: Shall I inform you (of him) upon whom the Shaitans descend?
KHALIFA: Shall I inform you upon whom the devils descend?

২২০। তিনিই তো সব কিছু শোনেন এবং জানেন।

২২১। [ হে মানব সম্প্রদায় ! ] আমি কি তোমাদের জানাবো কার নিকট শয়তানেরা অবতীর্ণ হয় ? ৩২৩৬

৩২৩৬। এই আয়াতটির ব্যাখ্যা করা হয়েছে রসুলের [ সা ] জীবনের প্রেক্ষিতে , যার একটি সাধারণ অর্থও বিদ্যমান যা সকল যুগের জন্য প্রযোজ্য। ইসলাম প্রচারের সময়ে অবিশ্বাসীরা বিদ্বেষবশে রসুলের চরিত্রে কালিমা লেপনের প্রয়াস পেতো। তারা বলতো রসুল [সা] যাদুগ্রস্থ ও অশুভ শক্তিদ্বারা প্রভাবিত [ দেখুন ২৬ : ২১০ আয়াত ]। এ কথার উত্তর অবশ্য পূর্বেই দেয়া হয়েছে। এই আয়াতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে এসব অপপ্রচারের উৎসের প্রতি। বলা হয়েছে এসব মিথ্যা অপপ্রচারের মূল উৎস হচ্ছে শয়তানের প্ররোচনা। এসব মিথ্যা অপপ্রচারের পিছনে থাকে শয়তানী , অর্ধসত্য, এবং বিকৃত অপপ্রচার যেনো সাধারণ লোক আল্লাহ্‌র প্রকৃত রূপকে অনুধাবন করতে না পারে। অর্থাৎ প্রতিটি মিথ্যা অপপ্রচারের মূল হচ্ছে শয়তানের কাজ। এ কথাকেই নবীর জীবনের উদাহরণের মাধ্যমে আমাদের জন্য সর্বকাল ও সর্বযুগের জন্য চিরস্থায়ী হেদায়েত করা হয়েছে। মিথ্যা হচ্ছে সকল পাপের উৎস। তাই মিথ্যাকে এই আয়াতে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ মিথ্যার সাথে জড়িত থাকে দুর্নীতি ; যা শয়তানের প্রকৃতি। অপরপক্ষে , সত্যের সাথে জড়িত হচ্ছে সততা, বিশ্বস্ততা, ন্যায়পরায়ণতা, ইত্যাদি।

উপদেশ : জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মিথ্যাকে পরিহার করতে হবে।

 

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২২২

তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক মিথ্যাবাদী, গোনাহগারের উপর।
They descend on every lying, wicked person,

تَنَزَّلُ عَلَى كُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٍ
Tanazzalu AAala kulli affakin atheemin

YUSUFALI: They descend on every lying, wicked person,
PICKTHAL: They descend on every sinful, false one.
SHAKIR: They descend upon every lying, sinful one,
KHALIFA: They descend upon every guilty fabricator.

২২২। ওরা তো অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি মিথ্যাবাদী ও দুষ্ট লোকের উপরে,

২২৩। [ তাদের কানে ] মিথ্যা অহংকার ঢেলে দেয়, এবং তাদের অধিকাংশ মিথ্যাবাদী ;-

২২৪। এবং পথভ্রষ্ট লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে – ৩২৩৭।

৩২৩৭। এই আয়াতটি নীচের [ ২৬ : ২২৭ ] আয়াতটির সাথে এক সাথে পাঠ করলে যে বক্তব্য দাঁড়ায় তা হচ্ছে কবিদের অনুসরণ করো না , তারা ব্যতীত যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে। কবিতা এখানে প্রতীক স্বরূপ যা অন্যান্য শিল্পবিদ্যা ও কারুশিল্প যেমন সঙ্গীত, চিত্রকলা ইত্যাদির পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে। নিজেদের বৈশিষ্ট্যে এ সব শিল্প কলা নিজেরা ভাস্বর। যদি মানুষ ইচ্ছা করে তবে, এ সব শিল্প কলাকে আল্লাহ্‌র রাস্তায় মানুষের কল্যাণে , জীবনের মানোন্নয়নের জন্য ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু মানুষের স্বভাববতঃ কারণে মানুষ অনেক সময়েই অনর্থক ও ভ্রান্ত উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে শিল্প কলাকে ব্যবহার করে থাকে। উল্লেখিত আয়াতের প্রথমাংশ থেকে কাব্যচর্চ্চার কঠোর নিন্দা ও তা আল্লাহ্‌ কাছে অপছন্দনীয় হওয়া বোঝা যায়। কিন্তু শেষাংশে যে ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে , তা থেকে প্রমাণিত হয় যে, কাব্যচর্চ্চা ও শিল্পকলার চর্চ্চা সর্বাবস্থায় মন্দ নয়। বরং যে কবিতায় বা গানে বা শিল্পকলায় আল্লাহ্‌ তায়ালার অবাধ্যতা করা হয় কিংবা আল্লাহ্‌র স্মরণ থেকে বিরত রাখা হয় অথবা অন্যায় ভাবে কোনও ব্যক্তির নিন্দা ও অবমাননা করা হয় বা যা অশ্লীল ও অশ্লীলতার প্রেরণাদাতা সেই কবিতা বা গান বা শিল্পকলা নিন্দনীয় ও আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে যেসব কবিতা, গান, শিল্প কলা গোনাহ্‌ ও অপছন্দনীয় বিষয়াদি থেকে পবিত্র , সেগুলিকে আল্লাহ্‌ তায়ালা আয়াতের মাধ্যমে ব্যতিক্রম ভুক্ত করে দিয়েছেন। মানুষের আত্মার মাঝে যে শিল্প সত্তা তা সেই মহাপরাক্রমশালী মহাপ্রভুর দান। সঙ্গীত , শিল্প, কাব্য সেই মহাসত্তার শিল্প নিদর্শনের প্রকাশ মাত্র। যখন এই প্রকাশের ভাষাকে বিকৃত করা হয় তখন তা হয়ে পড়ে শয়তানের প্রতিভূ। যেমন গান – আল্লাহ্‌ প্রেমে নিমগ্ন গান শ্রোতার চক্ষুকে অশ্রুতে ভরিয়ে দেয়, আত্মাকে আল্লাহ্‌ প্রেমে করে উদ্বেলিত। অপরপক্ষে যৌন আবেদন মূলক গান পাপের দিকে করে আকৃষ্ট। এ ভাবেই শিল্প , সঙ্গীত ও কাব্যের প্রয়োগের মাধ্যমে কখনও তা হয় আল্লাহ্‌র সান্নিধ্য লাভের বাহন , আবার কখনও তা হয় শয়তানের প্রতিভূ। যখন এসব শিল্প কলা জীবনের মহত্তর ও বৃহত্তর উদ্দেশ্যকে ভুলে ক্ষণস্থায়ী সুখের পিছনে ছুটে বেড়ায় তখন তা শয়তানের প্রচারমন্ত্রে পরিণত হয়। যে জ্ঞান ও শাস্ত্র আল্লাহ্‌ ও পরকালকে ভুলিয়ে শুধুমাত্র ব্যক্তি সুখ কেন্দ্রিক মানুষে পরিণত করে তা আল্লাহ্‌র চোখে নিন্দনীয়। জ্ঞান ও শাস্ত্রের প্রয়োগ হবে মানব জীবনকে বৃহত্তর ও মহত্তর উদ্দেশ্যের দিকে পরিচালনার জন্য। যদি তা না হয়ে উদ্দেশ্যবিহীন হয়ে উদভ্রান্তের ন্যায় [ প্রত্যেক উপত্যকায় ] ক্ষুদ্র স্বার্থ ও ক্ষুদ্র , ক্ষুদ্র সুখের পিছনে ঘুরে বেড়ায় তবে সে জ্ঞান বা শিল্প চর্চ্চা বৃথা। শিল্পের প্রধান উদ্দেশ্য ঐশ্বরিক আলোর সন্ধান , এবং তার প্রতি আত্মনিবেদন। এর থেকে উৎসারিত সে উদ্দেশ্য থেকে শিল্প সত্তা হয়ে পড়ে যখন বিচ্যুত, ফলে সেই শিল্প সৃষ্টির মান হয়ে পড়ে ক্ষুদ্র স্বার্থের গন্ডিতে আবদ্ধ। বৃহত্তর মুক্তির স্বাদ সে শিল্প সত্তা কখনও অনুধাবন করতে সক্ষম হবে না।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২২৩

তারা শ্রুত কথা এনে দেয় এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।
(Into whose ears) they pour hearsay vanities, and most of them are liars.

يُلْقُونَ السَّمْعَ وَأَكْثَرُهُمْ كَاذِبُونَ
Yulqoona alssamAAa waaktharuhum kathiboona

YUSUFALI: (Into whose ears) they pour hearsay vanities, and most of them are liars.
PICKTHAL: They listen eagerly, but most of them are liars.
SHAKIR: They incline their ears, and most of them are liars.
KHALIFA: They pretend to listen, but most of them are liars.

২২২। ওরা তো অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি মিথ্যাবাদী ও দুষ্ট লোকের উপরে,

২২৩। [ তাদের কানে ] মিথ্যা অহংকার ঢেলে দেয়, এবং তাদের অধিকাংশ মিথ্যাবাদী ;-

২২৪। এবং পথভ্রষ্ট লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে – ৩২৩৭।

৩২৩৭। এই আয়াতটি নীচের [ ২৬ : ২২৭ ] আয়াতটির সাথে এক সাথে পাঠ করলে যে বক্তব্য দাঁড়ায় তা হচ্ছে কবিদের অনুসরণ করো না , তারা ব্যতীত যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে। কবিতা এখানে প্রতীক স্বরূপ যা অন্যান্য শিল্পবিদ্যা ও কারুশিল্প যেমন সঙ্গীত, চিত্রকলা ইত্যাদির পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে। নিজেদের বৈশিষ্ট্যে এ সব শিল্প কলা নিজেরা ভাস্বর। যদি মানুষ ইচ্ছা করে তবে, এ সব শিল্প কলাকে আল্লাহ্‌র রাস্তায় মানুষের কল্যাণে , জীবনের মানোন্নয়নের জন্য ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু মানুষের স্বভাববতঃ কারণে মানুষ অনেক সময়েই অনর্থক ও ভ্রান্ত উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে শিল্প কলাকে ব্যবহার করে থাকে। উল্লেখিত আয়াতের প্রথমাংশ থেকে কাব্যচর্চ্চার কঠোর নিন্দা ও তা আল্লাহ্‌ কাছে অপছন্দনীয় হওয়া বোঝা যায়। কিন্তু শেষাংশে যে ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে , তা থেকে প্রমাণিত হয় যে, কাব্যচর্চ্চা ও শিল্পকলার চর্চ্চা সর্বাবস্থায় মন্দ নয়। বরং যে কবিতায় বা গানে বা শিল্পকলায় আল্লাহ্‌ তায়ালার অবাধ্যতা করা হয় কিংবা আল্লাহ্‌র স্মরণ থেকে বিরত রাখা হয় অথবা অন্যায় ভাবে কোনও ব্যক্তির নিন্দা ও অবমাননা করা হয় বা যা অশ্লীল ও অশ্লীলতার প্রেরণাদাতা সেই কবিতা বা গান বা শিল্পকলা নিন্দনীয় ও আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে যেসব কবিতা, গান, শিল্প কলা গোনাহ্‌ ও অপছন্দনীয় বিষয়াদি থেকে পবিত্র , সেগুলিকে আল্লাহ্‌ তায়ালা আয়াতের মাধ্যমে ব্যতিক্রম ভুক্ত করে দিয়েছেন। মানুষের আত্মার মাঝে যে শিল্প সত্তা তা সেই মহাপরাক্রমশালী মহাপ্রভুর দান। সঙ্গীত , শিল্প, কাব্য সেই মহাসত্তার শিল্প নিদর্শনের প্রকাশ মাত্র। যখন এই প্রকাশের ভাষাকে বিকৃত করা হয় তখন তা হয়ে পড়ে শয়তানের প্রতিভূ। যেমন গান – আল্লাহ্‌ প্রেমে নিমগ্ন গান শ্রোতার চক্ষুকে অশ্রুতে ভরিয়ে দেয়, আত্মাকে আল্লাহ্‌ প্রেমে করে উদ্বেলিত। অপরপক্ষে যৌন আবেদন মূলক গান পাপের দিকে করে আকৃষ্ট। এ ভাবেই শিল্প , সঙ্গীত ও কাব্যের প্রয়োগের মাধ্যমে কখনও তা হয় আল্লাহ্‌র সান্নিধ্য লাভের বাহন , আবার কখনও তা হয় শয়তানের প্রতিভূ। যখন এসব শিল্প কলা জীবনের মহত্তর ও বৃহত্তর উদ্দেশ্যকে ভুলে ক্ষণস্থায়ী সুখের পিছনে ছুটে বেড়ায় তখন তা শয়তানের প্রচারমন্ত্রে পরিণত হয়। যে জ্ঞান ও শাস্ত্র আল্লাহ্‌ ও পরকালকে ভুলিয়ে শুধুমাত্র ব্যক্তি সুখ কেন্দ্রিক মানুষে পরিণত করে তা আল্লাহ্‌র চোখে নিন্দনীয়। জ্ঞান ও শাস্ত্রের প্রয়োগ হবে মানব জীবনকে বৃহত্তর ও মহত্তর উদ্দেশ্যের দিকে পরিচালনার জন্য। যদি তা না হয়ে উদ্দেশ্যবিহীন হয়ে উদভ্রান্তের ন্যায় [ প্রত্যেক উপত্যকায় ] ক্ষুদ্র স্বার্থ ও ক্ষুদ্র , ক্ষুদ্র সুখের পিছনে ঘুরে বেড়ায় তবে সে জ্ঞান বা শিল্প চর্চ্চা বৃথা। শিল্পের প্রধান উদ্দেশ্য ঐশ্বরিক আলোর সন্ধান , এবং তার প্রতি আত্মনিবেদন। এর থেকে উৎসারিত সে উদ্দেশ্য থেকে শিল্প সত্তা হয়ে পড়ে যখন বিচ্যুত, ফলে সেই শিল্প সৃষ্টির মান হয়ে পড়ে ক্ষুদ্র স্বার্থের গন্ডিতে আবদ্ধ। বৃহত্তর মুক্তির স্বাদ সে শিল্প সত্তা কখনও অনুধাবন করতে সক্ষম হবে না।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২২৪

বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে।
And the Poets,- It is those straying in Evil, who follow them:

وَالشُّعَرَاء يَتَّبِعُهُمُ الْغَاوُونَ
WaalshshuAAarao yattabiAAuhumu alghawoona

YUSUFALI: And the Poets,- It is those straying in Evil, who follow them:
PICKTHAL: As for poets, the erring follow them.
SHAKIR: And as to the poets, those who go astray follow them.
KHALIFA: As for the poets, they are followed only by the strayers.

২২২। ওরা তো অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি মিথ্যাবাদী ও দুষ্ট লোকের উপরে,

২২৩। [ তাদের কানে ] মিথ্যা অহংকার ঢেলে দেয়, এবং তাদের অধিকাংশ মিথ্যাবাদী ;-

২২৪। এবং পথভ্রষ্ট লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে – ৩২৩৭।

৩২৩৭। এই আয়াতটি নীচের [ ২৬ : ২২৭ ] আয়াতটির সাথে এক সাথে পাঠ করলে যে বক্তব্য দাঁড়ায় তা হচ্ছে কবিদের অনুসরণ করো না , তারা ব্যতীত যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে। কবিতা এখানে প্রতীক স্বরূপ যা অন্যান্য শিল্পবিদ্যা ও কারুশিল্প যেমন সঙ্গীত, চিত্রকলা ইত্যাদির পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে। নিজেদের বৈশিষ্ট্যে এ সব শিল্প কলা নিজেরা ভাস্বর। যদি মানুষ ইচ্ছা করে তবে, এ সব শিল্প কলাকে আল্লাহ্‌র রাস্তায় মানুষের কল্যাণে , জীবনের মানোন্নয়নের জন্য ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু মানুষের স্বভাববতঃ কারণে মানুষ অনেক সময়েই অনর্থক ও ভ্রান্ত উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে শিল্প কলাকে ব্যবহার করে থাকে। উল্লেখিত আয়াতের প্রথমাংশ থেকে কাব্যচর্চ্চার কঠোর নিন্দা ও তা আল্লাহ্‌ কাছে অপছন্দনীয় হওয়া বোঝা যায়। কিন্তু শেষাংশে যে ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে , তা থেকে প্রমাণিত হয় যে, কাব্যচর্চ্চা ও শিল্পকলার চর্চ্চা সর্বাবস্থায় মন্দ নয়। বরং যে কবিতায় বা গানে বা শিল্পকলায় আল্লাহ্‌ তায়ালার অবাধ্যতা করা হয় কিংবা আল্লাহ্‌র স্মরণ থেকে বিরত রাখা হয় অথবা অন্যায় ভাবে কোনও ব্যক্তির নিন্দা ও অবমাননা করা হয় বা যা অশ্লীল ও অশ্লীলতার প্রেরণাদাতা সেই কবিতা বা গান বা শিল্পকলা নিন্দনীয় ও আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে যেসব কবিতা, গান, শিল্প কলা গোনাহ্‌ ও অপছন্দনীয় বিষয়াদি থেকে পবিত্র , সেগুলিকে আল্লাহ্‌ তায়ালা আয়াতের মাধ্যমে ব্যতিক্রম ভুক্ত করে দিয়েছেন। মানুষের আত্মার মাঝে যে শিল্প সত্তা তা সেই মহাপরাক্রমশালী মহাপ্রভুর দান। সঙ্গীত , শিল্প, কাব্য সেই মহাসত্তার শিল্প নিদর্শনের প্রকাশ মাত্র। যখন এই প্রকাশের ভাষাকে বিকৃত করা হয় তখন তা হয়ে পড়ে শয়তানের প্রতিভূ। যেমন গান – আল্লাহ্‌ প্রেমে নিমগ্ন গান শ্রোতার চক্ষুকে অশ্রুতে ভরিয়ে দেয়, আত্মাকে আল্লাহ্‌ প্রেমে করে উদ্বেলিত। অপরপক্ষে যৌন আবেদন মূলক গান পাপের দিকে করে আকৃষ্ট। এ ভাবেই শিল্প , সঙ্গীত ও কাব্যের প্রয়োগের মাধ্যমে কখনও তা হয় আল্লাহ্‌র সান্নিধ্য লাভের বাহন , আবার কখনও তা হয় শয়তানের প্রতিভূ। যখন এসব শিল্প কলা জীবনের মহত্তর ও বৃহত্তর উদ্দেশ্যকে ভুলে ক্ষণস্থায়ী সুখের পিছনে ছুটে বেড়ায় তখন তা শয়তানের প্রচারমন্ত্রে পরিণত হয়। যে জ্ঞান ও শাস্ত্র আল্লাহ্‌ ও পরকালকে ভুলিয়ে শুধুমাত্র ব্যক্তি সুখ কেন্দ্রিক মানুষে পরিণত করে তা আল্লাহ্‌র চোখে নিন্দনীয়। জ্ঞান ও শাস্ত্রের প্রয়োগ হবে মানব জীবনকে বৃহত্তর ও মহত্তর উদ্দেশ্যের দিকে পরিচালনার জন্য। যদি তা না হয়ে উদ্দেশ্যবিহীন হয়ে উদভ্রান্তের ন্যায় [ প্রত্যেক উপত্যকায় ] ক্ষুদ্র স্বার্থ ও ক্ষুদ্র , ক্ষুদ্র সুখের পিছনে ঘুরে বেড়ায় তবে সে জ্ঞান বা শিল্প চর্চ্চা বৃথা। শিল্পের প্রধান উদ্দেশ্য ঐশ্বরিক আলোর সন্ধান , এবং তার প্রতি আত্মনিবেদন। এর থেকে উৎসারিত সে উদ্দেশ্য থেকে শিল্প সত্তা হয়ে পড়ে যখন বিচ্যুত, ফলে সেই শিল্প সৃষ্টির মান হয়ে পড়ে ক্ষুদ্র স্বার্থের গন্ডিতে আবদ্ধ। বৃহত্তর মুক্তির স্বাদ সে শিল্প সত্তা কখনও অনুধাবন করতে সক্ষম হবে না।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২২৫

তুমি কি দেখ না যে, তারা প্রতি ময়দানেই উদভ্রান্ত হয়ে ফিরে?
Seest thou not that they wander distracted in every valley?-

أَلَمْ تَرَ أَنَّهُمْ فِي كُلِّ وَادٍ يَهِيمُونَ
Alam tara annahum fee kulli wadin yaheemoona

YUSUFALI: Seest thou not that they wander distracted in every valley?-
PICKTHAL: Hast thou not seen how they stray in every valley,
SHAKIR: Do you not see that they wander about bewildered in every valley?
KHALIFA: Do you not see that their loyalty shifts according to the situation?

২২৫। তুমি কি দেখ না ওরা [ কবিরা ] বিভ্রান্ত হয়ে প্রত্যেক উপত্যকায় ঘুরে বেড়ায় ?

২২৬। এবং ওরা যা সম্পাদন করে না তাই -ই বলে ?

২২৭। তারা ব্যতীত যারা বিশ্বাস করে ও সৎ কাজ করে এবং আল্লাহ্‌র স্মরণে নিজেকে নিয়োজিত রাখে ৩২৩৮। যারা অন্যায় ভাবে আক্রান্ত হলেই কেবলমাত্র আত্মরক্ষা করে ৩২৩৯। শীঘ্রই [ অন্যায় ] আক্রমণকারী জানতে পারবে তাদের কর্ম তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করে কোথায় ফিরিয়ে নেবে।

৩২৩৮। কাব্য এবং চারু কারুকলা কখনও নিন্দনীয় বিষয় বস্তু নয়। এ কথা সর্বদা স্মরণ রাখতে হবে যে, মানুষের জীবনের যে কোন প্রতিভা ; জ্ঞান , শিল্পকলা, কাব্য প্রতিভা, সঙ্গীত প্রতিভা নেতৃত্বের ক্ষমতা সব কিছুই সেই মহাপরাক্রমশালী মহাপ্রভুর দান। সুতারাং এসব প্রতিভা কখনও নিন্দনীয় হতে পারে না। নিন্দনীয় হচ্ছে যখন এসব প্রতিভাশালী মন খোদাদ্রোহীতা দ্বারা উদ্ধত ও অহংকারী হয়ে ওঠে এবং তাদের প্রতিভাকে আল্লাহ্‌র বিমুখতার প্রতি নিয়োগ করে। ফলে তাদের প্রতিভা জীবনের সুক্ষ শিল্প কলাকে প্রকাশের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে তা হয়ে ওঠে আত্ম গৌরব ও আত্ম প্রশংসার মাধ্যম মাত্র। যে শিল্প-কলা স্রষ্টার মাহাত্ম্যকে প্রকাশে অক্ষম হয়, তা কখনও কালজয়ী বা যুগকাল অতিক্রান্ত শিল্প, সঙ্গীত, বা কাব্য প্রতিভা হতে পারে না। কারণ সকল শিল্প ও কলার কেন্দ্র বিন্দু সেই বিশ্বস্রষ্টা। সে কারণেই প্রকৃত শিল্পী কখনও আক্রান্ত না হলে [ যেমন জিহাদ ] আক্রমণ করে না, অবশ্য তারা সব সময়েই মন্দের প্রতিরোধে হয় সুদৃঢ়। সে ভাবে বলা চলে একজন প্রকৃত শিল্পী হচ্ছেন একজন প্রকৃত ও শ্রেষ্ঠ মানব। মানুষের জীবনের লক্ষ্যই হচ্ছে আল্লাহ্‌র ইচ্ছানুযায়ী গুণে ,গরিমায়, এই পৃথিবীতে নিজেকে শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। কিন্তু নিষ্কলঙ্ক বিশুদ্ধ চরিত্রের শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে পৃথিবীতে নিজেকে গড়ে তোলা এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু এ ধূলার ধরণীতে প্রতিটি মানুষের লক্ষ্য হবে একটাই – আর তা হচ্ছে চরিত্রগত গুণে আল্লাহ্‌র চোখে নিজেকে বিশুদ্ধ ও নিষ্কলঙ্ক প্রমাণ করা। বিশেষতঃ যাদের আল্লাহ্‌ শিল্প ও কাব্য প্রতিভা দ্বারা ধন্য করেছেন। এ কথা সত্য যে, বৈশিষ্ট্য বা কলাকৌশলের জন্য কেউ কালোত্তীর্ন শিল্প সৃষ্টি করতে পারে না। কালোত্তীর্ণ শিল্প তখনই সৃষ্টি হয় যখন তা বিশ্ব ভূবনের মূল আত্মার যে বিকাশ বা প্রকাশ তা সঠিকভাবে উত্থাপন করতে পারে। এই বিশাল বিশ্বভূবনের মাঝে স্রষ্টা তাঁর জ্ঞান , শিল্প সত্তাকে বিকশিত করেছেন। এই সত্তাকে অনুধাবনের মাধ্যমে যে তা প্রকাশ করতে পারে সেই হতে পার কালোত্তীর্ণ ও ক্ষণজন্মা শিল্পী। অন্যথায় তা হবে সঙ্কীর্ণতায় পর্যবসিত। দুটোর তুলনা হচ্ছে অসীম সমুদ্রের বিশাল বারিধারা যা মনকে বিশালতায় ভরিয়ে তোলে। অপরটি হচ্ছে ছোট ডোবা যার আবদ্ধ পানি শুধু দুগর্ন্ধ ছড়ায়। বিশালতার যে পূঁজারী সেই তো পার্থিব পঙ্কিলতাময় পৃথিবীতে থেকেও পৃথিবীর উর্দ্ধে উঠতে সক্ষম। এখানেই শিল্পীর বৈশিষ্ট্য এবং এখানেই শিল্প সত্তার সার্থকতা। রসুলের [ সা ] সময়ে যে সব স্বনামধন্য কবি ছিলেন তাদের মধ্যে কবি হাসান ও কবি লাবিদের কবিতা সর্বোচ্চ সাতটি কবিতার মধ্যে র্নিবাচিত কবিতা হতো যা কাবা ঘরের দেয়ালে টাঙ্গানো হতো সেই ইসলাম পূর্ব অন্ধকার যুগে।

৩২৩৯। বিপক্ষের সমালোচনার উত্তর কবিতার মাধ্যমে প্রদান করে প্রতিশোধ গ্রহণ করে।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২২৬

এবং এমন কথা বলে, যা তারা করে না।
And that they say what they practise not?-

وَأَنَّهُمْ يَقُولُونَ مَا لَا يَفْعَلُونَ
Waannahum yaqooloona ma la yafAAaloona

YUSUFALI: And that they say what they practise not?-
PICKTHAL: And how they say that which they do not?
SHAKIR: And that they say that which they do not do,
KHALIFA: And that they say what they do not do?

২২৫। তুমি কি দেখ না ওরা [ কবিরা ] বিভ্রান্ত হয়ে প্রত্যেক উপত্যকায় ঘুরে বেড়ায় ?

২২৬। এবং ওরা যা সম্পাদন করে না তাই -ই বলে ?

২২৭। তারা ব্যতীত যারা বিশ্বাস করে ও সৎ কাজ করে এবং আল্লাহ্‌র স্মরণে নিজেকে নিয়োজিত রাখে ৩২৩৮। যারা অন্যায় ভাবে আক্রান্ত হলেই কেবলমাত্র আত্মরক্ষা করে ৩২৩৯। শীঘ্রই [ অন্যায় ] আক্রমণকারী জানতে পারবে তাদের কর্ম তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করে কোথায় ফিরিয়ে নেবে।

৩২৩৮। কাব্য এবং চারু কারুকলা কখনও নিন্দনীয় বিষয় বস্তু নয়। এ কথা সর্বদা স্মরণ রাখতে হবে যে, মানুষের জীবনের যে কোন প্রতিভা ; জ্ঞান , শিল্পকলা, কাব্য প্রতিভা, সঙ্গীত প্রতিভা নেতৃত্বের ক্ষমতা সব কিছুই সেই মহাপরাক্রমশালী মহাপ্রভুর দান। সুতারাং এসব প্রতিভা কখনও নিন্দনীয় হতে পারে না। নিন্দনীয় হচ্ছে যখন এসব প্রতিভাশালী মন খোদাদ্রোহীতা দ্বারা উদ্ধত ও অহংকারী হয়ে ওঠে এবং তাদের প্রতিভাকে আল্লাহ্‌র বিমুখতার প্রতি নিয়োগ করে। ফলে তাদের প্রতিভা জীবনের সুক্ষ শিল্প কলাকে প্রকাশের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে তা হয়ে ওঠে আত্ম গৌরব ও আত্ম প্রশংসার মাধ্যম মাত্র। যে শিল্প-কলা স্রষ্টার মাহাত্ম্যকে প্রকাশে অক্ষম হয়, তা কখনও কালজয়ী বা যুগকাল অতিক্রান্ত শিল্প, সঙ্গীত, বা কাব্য প্রতিভা হতে পারে না। কারণ সকল শিল্প ও কলার কেন্দ্র বিন্দু সেই বিশ্বস্রষ্টা। সে কারণেই প্রকৃত শিল্পী কখনও আক্রান্ত না হলে [ যেমন জিহাদ ] আক্রমণ করে না, অবশ্য তারা সব সময়েই মন্দের প্রতিরোধে হয় সুদৃঢ়। সে ভাবে বলা চলে একজন প্রকৃত শিল্পী হচ্ছেন একজন প্রকৃত ও শ্রেষ্ঠ মানব। মানুষের জীবনের লক্ষ্যই হচ্ছে আল্লাহ্‌র ইচ্ছানুযায়ী গুণে ,গরিমায়, এই পৃথিবীতে নিজেকে শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। কিন্তু নিষ্কলঙ্ক বিশুদ্ধ চরিত্রের শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে পৃথিবীতে নিজেকে গড়ে তোলা এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু এ ধূলার ধরণীতে প্রতিটি মানুষের লক্ষ্য হবে একটাই – আর তা হচ্ছে চরিত্রগত গুণে আল্লাহ্‌র চোখে নিজেকে বিশুদ্ধ ও নিষ্কলঙ্ক প্রমাণ করা। বিশেষতঃ যাদের আল্লাহ্‌ শিল্প ও কাব্য প্রতিভা দ্বারা ধন্য করেছেন। এ কথা সত্য যে, বৈশিষ্ট্য বা কলাকৌশলের জন্য কেউ কালোত্তীর্ন শিল্প সৃষ্টি করতে পারে না। কালোত্তীর্ণ শিল্প তখনই সৃষ্টি হয় যখন তা বিশ্ব ভূবনের মূল আত্মার যে বিকাশ বা প্রকাশ তা সঠিকভাবে উত্থাপন করতে পারে। এই বিশাল বিশ্বভূবনের মাঝে স্রষ্টা তাঁর জ্ঞান , শিল্প সত্তাকে বিকশিত করেছেন। এই সত্তাকে অনুধাবনের মাধ্যমে যে তা প্রকাশ করতে পারে সেই হতে পার কালোত্তীর্ণ ও ক্ষণজন্মা শিল্পী। অন্যথায় তা হবে সঙ্কীর্ণতায় পর্যবসিত। দুটোর তুলনা হচ্ছে অসীম সমুদ্রের বিশাল বারিধারা যা মনকে বিশালতায় ভরিয়ে তোলে। অপরটি হচ্ছে ছোট ডোবা যার আবদ্ধ পানি শুধু দুগর্ন্ধ ছড়ায়। বিশালতার যে পূঁজারী সেই তো পার্থিব পঙ্কিলতাময় পৃথিবীতে থেকেও পৃথিবীর উর্দ্ধে উঠতে সক্ষম। এখানেই শিল্পীর বৈশিষ্ট্য এবং এখানেই শিল্প সত্তার সার্থকতা। রসুলের [ সা ] সময়ে যে সব স্বনামধন্য কবি ছিলেন তাদের মধ্যে কবি হাসান ও কবি লাবিদের কবিতা সর্বোচ্চ সাতটি কবিতার মধ্যে র্নিবাচিত কবিতা হতো যা কাবা ঘরের দেয়ালে টাঙ্গানো হতো সেই ইসলাম পূর্ব অন্ধকার যুগে।

৩২৩৯। বিপক্ষের সমালোচনার উত্তর কবিতার মাধ্যমে প্রদান করে প্রতিশোধ গ্রহণ করে।

সূরা শুয়ারা : আয়াত – ২২৭

তবে তাদের কথা ভিন্ন, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহ কে খুব স্মরণ করে এবং নিপীড়িত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। নিপীড়নকারীরা শীঘ্রই জানতে পারবে তাদের গন্তব্যস্থল কিরূপ।
Except those who believe, work righteousness, engage much in the remembrance of Allah, and defend themselves only after they are unjustly attacked. And soon will the unjust assailants know what vicissitudes their affairs will take!

إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَذَكَرُوا اللَّهَ كَثِيرًا وَانتَصَرُوا مِن بَعْدِ مَا ظُلِمُوا وَسَيَعْلَمُ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَيَّ مُنقَلَبٍ يَنقَلِبُونَ
Illa allatheena amanoo waAAamiloo alssalihati wathakaroo Allaha katheeran waintasaroo min baAAdi ma thulimoo wasayaAAlamu allatheena thalamoo ayya munqalabin yanqaliboona

YUSUFALI: Except those who believe, work righteousness, engage much in the remembrance of Allah, and defend themselves only after they are unjustly attacked. And soon will the unjust assailants know what vicissitudes their affairs will take!
PICKTHAL: Save those who believe and do good works, and remember Allah much, and vindicate themselves after they have been wronged. Those who do wrong will come to know by what a (great) reverse they will be overturned!
SHAKIR: Except those who believe and do good and remember Allah much, and defend themselves after they are oppressed; and they who act unjustly shall know to what final place of turning they shall turn back.
KHALIFA: Exempted are those who believe, lead a righteous life, commemorate GOD frequently, and stand up for their rights. Surely, the transgressors will find out what their ultimate destiny is.

২২৫। তুমি কি দেখ না ওরা [ কবিরা ] বিভ্রান্ত হয়ে প্রত্যেক উপত্যকায় ঘুরে বেড়ায় ?

২২৬। এবং ওরা যা সম্পাদন করে না তাই -ই বলে ?

২২৭। তারা ব্যতীত যারা বিশ্বাস করে ও সৎ কাজ করে এবং আল্লাহ্‌র স্মরণে নিজেকে নিয়োজিত রাখে ৩২৩৮। যারা অন্যায় ভাবে আক্রান্ত হলেই কেবলমাত্র আত্মরক্ষা করে ৩২৩৯। শীঘ্রই [ অন্যায় ] আক্রমণকারী জানতে পারবে তাদের কর্ম তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করে কোথায় ফিরিয়ে নেবে।

৩২৩৮। কাব্য এবং চারু কারুকলা কখনও নিন্দনীয় বিষয় বস্তু নয়। এ কথা সর্বদা স্মরণ রাখতে হবে যে, মানুষের জীবনের যে কোন প্রতিভা ; জ্ঞান , শিল্পকলা, কাব্য প্রতিভা, সঙ্গীত প্রতিভা নেতৃত্বের ক্ষমতা সব কিছুই সেই মহাপরাক্রমশালী মহাপ্রভুর দান। সুতারাং এসব প্রতিভা কখনও নিন্দনীয় হতে পারে না। নিন্দনীয় হচ্ছে যখন এসব প্রতিভাশালী মন খোদাদ্রোহীতা দ্বারা উদ্ধত ও অহংকারী হয়ে ওঠে এবং তাদের প্রতিভাকে আল্লাহ্‌র বিমুখতার প্রতি নিয়োগ করে। ফলে তাদের প্রতিভা জীবনের সুক্ষ শিল্প কলাকে প্রকাশের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে তা হয়ে ওঠে আত্ম গৌরব ও আত্ম প্রশংসার মাধ্যম মাত্র। যে শিল্প-কলা স্রষ্টার মাহাত্ম্যকে প্রকাশে অক্ষম হয়, তা কখনও কালজয়ী বা যুগকাল অতিক্রান্ত শিল্প, সঙ্গীত, বা কাব্য প্রতিভা হতে পারে না। কারণ সকল শিল্প ও কলার কেন্দ্র বিন্দু সেই বিশ্বস্রষ্টা। সে কারণেই প্রকৃত শিল্পী কখনও আক্রান্ত না হলে [ যেমন জিহাদ ] আক্রমণ করে না, অবশ্য তারা সব সময়েই মন্দের প্রতিরোধে হয় সুদৃঢ়। সে ভাবে বলা চলে একজন প্রকৃত শিল্পী হচ্ছেন একজন প্রকৃত ও শ্রেষ্ঠ মানব। মানুষের জীবনের লক্ষ্যই হচ্ছে আল্লাহ্‌র ইচ্ছানুযায়ী গুণে ,গরিমায়, এই পৃথিবীতে নিজেকে শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। কিন্তু নিষ্কলঙ্ক বিশুদ্ধ চরিত্রের শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে পৃথিবীতে নিজেকে গড়ে তোলা এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু এ ধূলার ধরণীতে প্রতিটি মানুষের লক্ষ্য হবে একটাই – আর তা হচ্ছে চরিত্রগত গুণে আল্লাহ্‌র চোখে নিজেকে বিশুদ্ধ ও নিষ্কলঙ্ক প্রমাণ করা। বিশেষতঃ যাদের আল্লাহ্‌ শিল্প ও কাব্য প্রতিভা দ্বারা ধন্য করেছেন। এ কথা সত্য যে, বৈশিষ্ট্য বা কলাকৌশলের জন্য কেউ কালোত্তীর্ন শিল্প সৃষ্টি করতে পারে না। কালোত্তীর্ণ শিল্প তখনই সৃষ্টি হয় যখন তা বিশ্ব ভূবনের মূল আত্মার যে বিকাশ বা প্রকাশ তা সঠিকভাবে উত্থাপন করতে পারে। এই বিশাল বিশ্বভূবনের মাঝে স্রষ্টা তাঁর জ্ঞান , শিল্প সত্তাকে বিকশিত করেছেন। এই সত্তাকে অনুধাবনের মাধ্যমে যে তা প্রকাশ করতে পারে সেই হতে পার কালোত্তীর্ণ ও ক্ষণজন্মা শিল্পী। অন্যথায় তা হবে সঙ্কীর্ণতায় পর্যবসিত। দুটোর তুলনা হচ্ছে অসীম সমুদ্রের বিশাল বারিধারা যা মনকে বিশালতায় ভরিয়ে তোলে। অপরটি হচ্ছে ছোট ডোবা যার আবদ্ধ পানি শুধু দুগর্ন্ধ ছড়ায়। বিশালতার যে পূঁজারী সেই তো পার্থিব পঙ্কিলতাময় পৃথিবীতে থেকেও পৃথিবীর উর্দ্ধে উঠতে সক্ষম। এখানেই শিল্পীর বৈশিষ্ট্য এবং এখানেই শিল্প সত্তার সার্থকতা। রসুলের [ সা ] সময়ে যে সব স্বনামধন্য কবি ছিলেন তাদের মধ্যে কবি হাসান ও কবি লাবিদের কবিতা সর্বোচ্চ সাতটি কবিতার মধ্যে র্নিবাচিত কবিতা হতো যা কাবা ঘরের দেয়ালে টাঙ্গানো হতো সেই ইসলাম পূর্ব অন্ধকার যুগে।

৩২৩৯। বিপক্ষের সমালোচনার উত্তর কবিতার মাধ্যমে প্রদান করে প্রতিশোধ গ্রহণ করে।

আরও দেখুন :

Leave a Comment