সূরা হাজ্জ্ব আয়াত ৩৬। হাজ্জ্ব সংক্রান্ত বিষয় । মাদানী সুরা । সূরা ২২। পবিত্র কুরআন

সূরা হাজ্জ্ব আয়াত ৩৬: সুরা আল হাজ্জ্ব (আরবি: سورة الحج‎‎, “তীর্থযাত্রা, হজ্জ”) কুরআনের ২২তম সূরা। এই সূরাটি মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এর আয়াত সংখ্যা ৭৮। সুরাটি মূলত মুসলমানদের অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় কর্ম হাজ্জ্ব এবং হাজ্জ্ব সংক্রান্ত দিকটি বেশি উম্মচিত হয়েছে।

সূরা হাজ্জ্ব আয়াত ৩৬

সূরা হাজ্জ্ব আয়াত ৩৬। হাজ্জ্ব সংক্রান্ত বিষয় । মাদানী সুরা । সূরা ২২। পবিত্র কুরআন

সূরা হাজ্জ্ব

এবং কা’বার জন্যে উৎসর্গীকৃত উটকে আমি তোমাদের জন্যে আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন করেছি। এতে তোমাদের জন্যে মঙ্গল রয়েছে। সুতরাং সারিবদ্ধভাবে বাঁধা অবস্থায় তাদের যবেহ করার সময় তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর। অতঃপর যখন তারা কাত হয়ে পড়ে যায় তখন তা থেকে তোমরা আহার কর এবং আহার করাও যে কিছু যাচ্ঞা করে না তাকে এবং যে যাচ্ঞা করে তাকে। এমনিভাবে আমি এগুলোকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছি, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

And the Budn (cows, oxen, or camels driven to be offered as sacrifices by the pilgrims at the sanctuary of Makkah.) We have made for you as among the Symbols of Allâh, therein you have much good. So mention the Name of Allâh over them when they are drawn up in lines (for sacrifice). Then, when they are down on their sides (after slaughter), eat thereof, and feed the beggar who does not ask (men), and the beggar who asks (men). Thus have We made them subject to you that you may be grateful.

وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُم مِّن شَعَائِرِ اللَّهِ لَكُمْ فِيهَا خَيْرٌ فَاذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهَا صَوَافَّ فَإِذَا وَجَبَتْ جُنُوبُهَا فَكُلُوا مِنْهَا وَأَطْعِمُوا الْقَانِعَ وَالْمُعْتَرَّ كَذَلِكَ سَخَّرْنَاهَا لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ

Waalbudna jaAAalnaha lakum min shaAAa-iri Allahi lakum feeha khayrun faothkuroo isma Allahi AAalayha sawaffa fa-itha wajabat junoobuha fakuloo minha waatAAimoo alqaniAAa waalmuAAtarra kathalika sakhkharnaha lakum laAAallakum tashkuroona

সূরা হাজ্জ্ব

YUSUFALI: The sacrificial camels we have made for you as among the symbols from Allah: in them is (much) good for you: then pronounce the name of Allah over them as they line up (for sacrifice): when they are down on their sides (after slaughter), eat ye thereof, and feed such as (beg not but) live in contentment, and such as beg with due humility: thus have We made animals subject to you, that ye may be grateful.

PICKTHAL: And the camels! We have appointed them among the ceremonies of Allah. Therein ye have much good. So mention the name of Allah over them when they are drawn up in lines. Then when their flanks fall (dead), eat thereof and feed the beggar and the suppliant. Thus have We made them subject unto you, that haply ye may give thanks.

SHAKIR: And (as for) the camels, We have made them of the signs of the religion of Allah for you; for you therein is much good; therefore mention the name of Allah on them as they stand in a row, then when they fall down eat of them and feed the poor man who is contented and the beggar; thus have We made them subservient to you, that you may be grateful.

KHALIFA: The animal offerings are among the rites decreed by GOD for your own good. You shall mention GOD’s name on them while they are standing in line. Once they are offered for sacrifice, you shall eat therefrom and feed the poor and the needy. This is why we subdued them for you, that you may show your appreciation.

সূরা হাজ্জ্ব

৩৬। কোরবাণীর উটগুলিকে আমি তোমাদের জন্য আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্যতম করেছি। তাদের মধ্যে তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে। যখন তারা [ কোরবাণীর জন্য ] সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ায় তাদের উপরে আল্লাহ্‌র নাম উচ্চারণ কর ২৮১৩, যখন তারা কাত হয়ে পড়ে যায় [ যবাই এর পরে ] তোমরা তা থেকে আহার কর এবং আহার করাও গরীবদের যারা ভিক্ষা করে না এবং যারা ভিক্ষা করে [ উভয়কে ]। এরূপে পশুদের আমি তোমাদের অধীন করেছি, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও ২৮১৪।

২৮১৩। আয়াত [ ২২ : ৩৩ ] এবং টিকা ২৮০৮, যেখানে সমস্ত পশুদের সম্বন্ধে সাধারণ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। এই আয়াতে বিশেষভাবে উটের কথা বলা হয়েছে যা মরুবাসীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। উটকে যবেহ্‌ করার প্রণালী অন্যান্য ছোট পশুদের থেকে ভিন্ন। উটকে দণ্ডায়মান অবস্থায় বুকের অগ্রভাবে ছুড়ি বসিয়ে যবেহ্‌ করা হয়।

২৮১৪। এই আয়াতে অভাব গ্রস্থদের নৈতিকতার বর্ণনা করা হয়েছে। একদলের কথা বলা হয়েছে যারা অভাবগ্রস্থ কিণ্তু ধৈর্য্যশীল। অর্থাৎ অভাব থাকা সত্বেও তারা ধৈর্য্যশীল অর্থাৎ আত্মতৃপ্ত এরা কারও দ্বারে ভিক্ষার পাত্র প্রসারিত করে না। আর একদল অভাবগ্রস্থ আছে যারা যাঞ্চাকারী – অর্থাৎ যারা বিনয়ের সাথে যাঞা করে। এই দুই শ্রেণীর অভাবগ্রস্থের কথা এই আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে। যারা অভাবগ্রস্থ কিন্তু উদ্ধত এবং বিদ্রোহী ,তাদের কথা আল্লাহ্‌ উল্লেখ করেন নাই,

সূরা হাজ্জ্ব

যদিও সকল দুর্দ্দশাগ্রস্থরাই বাঞ্ছিত বা অবাঞ্ছিত সকলেই দানের যোগ্য। কিণ্তু যারা বিনয়ের সাথে যাঞ্চাকরে এবং যারা আল্লাহ্‌র প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সন্তুষ্টির সাথে যাঞা করে এই ঊভয়দলকে বিশেষভাবে দান পাবার যোগ্যরূপে উল্লেখ করা হয়েছে। দান কখনও অন্যকে দেখানোর উদ্দেশ্যে করা উচিত নয়, দানের প্রকৃত উদ্দেশ্য হবে আল্লাহ্‌কে খুশী করার মানসিকতা। সে কারণে দান কখনও প্রদর্শন বা নাছোরবান্দা লোকদের বিতাড়ন করার উদ্দেশ্যে করা ঠিক নয়। প্রকৃত অভাবগ্রস্থকে দান করতে হবে যেনো তা গ্রহীতার জীবনের অভাবকে মোচন করে স্থায়ী সাফল্য আনতে সহায়ক হয়।

আরও দেখুনঃ 

সূরা হাজ্জ্ব পার্ট-৩

সূরা হাজ্জ্ব পার্ট-২

সূরা হাজ্জ্ব পার্ট-১

সূরা আম্বিয়া পার্ট-৫

সূরা হাজ্জ্ব – উইকিপিডিয়া

Leave a Comment