সূরা হাজ্জ্ব পার্ট-২ [ মুসলমানদের অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় কর্ম হাজ্জ্ব এবং হাজ্জ্ব সংক্রান্ত দিকটি বেশি উম্মচিত হয়েছে ] সূরা ২২। কুরআন ।

সূরা হাজ্জ্ব পার্ট-২  ,সুরা আল হাজ্জ্ব (আরবি: سورة الحج‎‎, “তীর্থযাত্রা, হজ্জ”) কুরআনের ২২তম সূরা। এই সূরাটি মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এর আয়াত সংখ্যা ৭৮। সুরাটি মূলত মুসলমানদের অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় কর্ম হাজ্জ্ব এবং হাজ্জ্ব সংক্রান্ত দিকটি বেশি উম্মচিত হয়েছে।

সূরা হাজ্জ্ব পার্ট-২

সূরা হাজ্জ্ব পার্ট-২

সূরা হাজ্জ্ব

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ২১)

তাদের জন্যে আছে লোহার হাতুড়ি।
And for them are hooked rods of iron (to punish them).

وَلَهُم مَّقَامِعُ مِنْ حَدِيدٍ
Walahum maqamiAAu min hadeedin

YUSUFALI: In addition there will be maces of iron (to punish) them.

PICKTHAL: And for them are hooked rods of iron.

SHAKIR: And for them are whips of iron.

KHALIFA: They will be confined in iron pots.

২১। এর উপরে তাদের [ শাস্তির জন্য ] থাকবে লৌহ গদা ২৭৯৪।

২৭৯৪। এই আয়াতটি পরবর্তী আয়াতের সাথে একত্রে পাঠ করে অর্থ অনুধাবন করতে হবে। অনুতাপের সময় সীমার অতিক্রমের পরে পাপীদের আর অব্যহতি দান করা হবে না।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ২২)

তারা যখনই যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেয়া হবে। বলা হবেঃ দহন শাস্তি আস্বাদন কর।

Every time they seek to get away therefrom, from anguish, they will be driven back therein, and (it will be) said to them: ”Taste the torment of burning!”

كُلَّمَا أَرَادُوا أَن يَخْرُجُوا مِنْهَا مِنْ غَمٍّ أُعِيدُوا فِيهَا وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ

Kullama aradoo an yakhrujoo minha min ghammin oAAeedoo feeha wathooqoo AAathaba alhareeqi

YUSUFALI: Every time they wish to get away therefrom, from anguish, they will be forced back therein, and (it will be said), “Taste ye the Penalty of Burning!”

PICKTHAL: Whenever, in their anguish, they would go forth from thence they are driven back therein and (it is said unto them): Taste the doom of burning.

SHAKIR: Whenever they will desire to go forth from it, from grief, they shall be turned back into it, and taste the chastisement of burning.

KHALIFA: Whenever they try to exit such misery, they will be forced back in: “Taste the agony of burning.”

২২। যখনই তারা তীব্র যাতনায় তা থেকে বের হতে চাইবে, তাদের জোরপূর্বক সেখানে ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং [ বলা হবে ], ” আস্বাদন কর দহন যন্ত্রণা।”

রুকু – ৩

২৩। যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আল্লাহ্‌ তাদের অধিষ্ঠিত করবেন বেহেশতের বাগানে, পাদদেশে যার নদী প্রবাহিত। সেখানে তাদের স্বর্ণ- কঙ্কন ও মুক্তা দ্বারা সাজানো হবে। এবং সেখানে তাদের পোষাক হবে রেশমের। ২৭৯৫

২৪। [ এই পৃথিবীর জীবনে ] তারা সর্বোচ্চ পবিত্র বাক্য [ কুর-আন ] দ্বারা পরিচালিত ছিলো এবং যিনি [ সকল ] প্রশংসার যোগ্য তার পথে পরিচালিত হয়েছিলো।

২৭৯৫। উপরের আয়াতে [ ২২ : ১৪ ] মোমেন বান্দাদের পুরষ্কারের ঘোষণা করা হয়েছে বিপরীতে [ ২২ : ১০ – ১৩ ] কাফের দল ; এই দুদল ইসলামের যুগেই হোক বা তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সব যুগের জন্য প্রযোজ্য। এখানে তাদের কথাই বলা হয়েছে যারা কাফেরদের দ্বারা অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হন, যাদের কাবা শরীফে [আল্লাহ্‌র পথে ] প্রবেশ করতে দেয়া হয় নাই এবং জীবনের সকল সুখ, স্বচ্ছন্দ, আরাম – আয়েশ থেকে যাদের বঞ্চিত করা হয়। তাদের জন্য প্রতীকের মাধ্যমে বেহেশতের সুখ শান্তির বর্ণনা করা হয়েছে।

যা থেকে বোঝা যায় প্রতিটি পুরষ্কার হচ্ছে নির্দিষ্ট নির্যাতনের বিপরীতে শান্তির প্রলেপ। অলঙ্কৃত করা হবে স্বর্ণ কঙ্কন ও মুক্তা দ্বারা , অর্থাৎ যারা পৃথিবীতে অত্যাচারের দ্বারা তাদের গৃহ এবং সম্পত্তিচ্যুত হয়েছিলেন, তারা বেহেশতে তদপেক্ষা অধিক মূল্যবান বস্তু দ্বারা পুরষ্কৃত হবেন। এখানে মূল্যবান বিষয় সম্পত্তির প্রতীক হিসেবে “স্বর্ণ কঙ্কণ ও মুক্তা ও রেশমের পোষাক ” কে বর্ণনা করা হয়েছে যা সাধারণত নৃপতিরা ব্যবহার করে। ” পবিত্র বাক্য ” [ ২২ : ২৪ ] যার বিপরীত হচ্ছে অকথ্য ভত্র্সনা।

অর্থাৎ ভর্তসনা ও নির্যাতনের বিপরীতে ” পবিত্র বাক্যের” বা মধুর ব্যবহারের যে সুখ ,সেই সুখ তারা পাবে। “পরম প্রশংসা ভাজন আল্লাহ্‌র পথে” এর বিপরীতে হচ্ছে, নিষ্ঠুর নির্যাতন ও অত্যাচার যা তারা ভোগ করেছিলেন। অর্থাৎ পৃথিবীতে ভর্তসনা ও অত্যাচারে বিপরীত অবস্থা তারা বেহেশতে লাভ করবে। সেখানে তাদেরকে আল্লাহ্‌র পবিত্র বাক্য ও আল্লাহ্‌র পথে অনুগামী করা হবে।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ২৩)

নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে দাখিল করবেন উদ্যান সমূহে, যার তলদেশ দিয়ে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হবে। তাদেরকে তথায় স্বর্ণ-কংকন ও মুক্তা দ্বারা অলংকৃত করা হবে এবং তথায় তাদের পোশাক হবে রেশমী।

Truly, Allâh will admit those who believe (in the Oneness of Allâh Islâmic Monotheism) and do righteous good deeds, to Gardens underneath which rivers flow (in Paradise), wherein they will be adorned with bracelets of gold and pearls and their garments therein will be of silk.

إِنَّ اللَّهَ يُدْخِلُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ يُحَلَّوْنَ فِيهَا مِنْ أَسَاوِرَ مِن ذَهَبٍ وَلُؤْلُؤًا وَلِبَاسُهُمْ فِيهَا حَرِيرٌ

Inna Allaha yudkhilu allatheena amanoo waAAamiloo alssalihati jannatin tajree min tahtiha al-anharu yuhallawna feeha min asawira min thahabin walu/lu-an walibasuhum feeha hareerun

YUSUFALI: Allah will admit those who believe and work righteous deeds, to Gardens beneath which rivers flow: they shall be adorned therein with bracelets of gold and pearls; and their garments there will be of silk.

PICKTHAL: Lo! Allah will cause those who believe and do good works to enter Gardens underneath which rivers flow, wherein they will be allowed armlets of gold, and pearls, and their raiment therein will be silk.

SHAKIR: Surely Allah will make those who believe and do good deeds enter gardens beneath which rivers flow; they shall be adorned therein with bracelets of gold and (with) pearls, and their garments therein shall be of silk.

KHALIFA: GOD will admit those who believe and lead a righteous life into gardens with flowing streams. They will be adorned therein with bracelets of gold, and pearls, and their garments therein will be silk.

রুকু – ৩

২৩। যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আল্লাহ্‌ তাদের অধিষ্ঠিত করবেন বেহেশতের বাগানে, পাদদেশে যার নদী প্রবাহিত। সেখানে তাদের স্বর্ণ- কঙ্কন ও মুক্তা দ্বারা সাজানো হবে। এবং সেখানে তাদের পোষাক হবে রেশমের। ২৭৯৫

২৪। [ এই পৃথিবীর জীবনে ] তারা সর্বোচ্চ পবিত্র বাক্য [ কুর-আন ] দ্বারা পরিচালিত ছিলো এবং যিনি [ সকল ] প্রশংসার যোগ্য তার পথে পরিচালিত হয়েছিলো।

২৭৯৫। উপরের আয়াতে [ ২২ : ১৪ ] মোমেন বান্দাদের পুরষ্কারের ঘোষণা করা হয়েছে বিপরীতে [ ২২ : ১০ – ১৩ ] কাফের দল ; এই দুদল ইসলামের যুগেই হোক বা তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সব যুগের জন্য প্রযোজ্য। এখানে তাদের কথাই বলা হয়েছে যারা কাফেরদের দ্বারা অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হন, যাদের কাবা শরীফে [আল্লাহ্‌র পথে ] প্রবেশ করতে দেয়া হয় নাই এবং জীবনের সকল সুখ, স্বচ্ছন্দ, আরাম – আয়েশ থেকে যাদের বঞ্চিত করা হয়।

তাদের জন্য প্রতীকের মাধ্যমে বেহেশতের সুখ শান্তির বর্ণনা করা হয়েছে। যা থেকে বোঝা যায় প্রতিটি পুরষ্কার হচ্ছে নির্দিষ্ট নির্যাতনের বিপরীতে শান্তির প্রলেপ। অলঙ্কৃত করা হবে স্বর্ণ কঙ্কন ও মুক্তা দ্বারা , অর্থাৎ যারা পৃথিবীতে অত্যাচারের দ্বারা তাদের গৃহ এবং সম্পত্তিচ্যুত হয়েছিলেন, তারা বেহেশতে তদপেক্ষা অধিক মূল্যবান বস্তু দ্বারা পুরষ্কৃত হবেন। এখানে মূল্যবান বিষয় সম্পত্তির প্রতীক হিসেবে “স্বর্ণ কঙ্কণ ও মুক্তা ও রেশমের পোষাক ” কে বর্ণনা করা হয়েছে যা সাধারণত নৃপতিরা ব্যবহার করে।

” পবিত্র বাক্য ” [ ২২ : ২৪ ] যার বিপরীত হচ্ছে অকথ্য ভত্র্সনা। অর্থাৎ ভর্তসনা ও নির্যাতনের বিপরীতে ” পবিত্র বাক্যের” বা মধুর ব্যবহারের যে সুখ ,সেই সুখ তারা পাবে। “পরম প্রশংসা ভাজন আল্লাহ্‌র পথে” এর বিপরীতে হচ্ছে, নিষ্ঠুর নির্যাতন ও অত্যাচার যা তারা ভোগ করেছিলেন। অর্থাৎ পৃথিবীতে ভর্তসনা ও অত্যাচারে বিপরীত অবস্থা তারা বেহেশতে লাভ করবে। সেখানে তাদেরকে আল্লাহ্‌র পবিত্র বাক্য ও আল্লাহ্‌র পথে অনুগামী করা হবে।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ২৪)

রুকু – ৩

২৩। যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আল্লাহ্‌ তাদের অধিষ্ঠিত করবেন বেহেশতের বাগানে, পাদদেশে যার নদী প্রবাহিত। সেখানে তাদের স্বর্ণ- কঙ্কন ও মুক্তা দ্বারা সাজানো হবে। এবং সেখানে তাদের পোষাক হবে রেশমের। ২৭৯৫

২৪। [ এই পৃথিবীর জীবনে ] তারা সর্বোচ্চ পবিত্র বাক্য [ কুর-আন ] দ্বারা পরিচালিত ছিলো এবং যিনি [ সকল ] প্রশংসার যোগ্য তার পথে পরিচালিত হয়েছিলো।

২৭৯৫। উপরের আয়াতে [ ২২ : ১৪ ] মোমেন বান্দাদের পুরষ্কারের ঘোষণা করা হয়েছে বিপরীতে [ ২২ : ১০ – ১৩ ] কাফের দল ; এই দুদল ইসলামের যুগেই হোক বা তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সব যুগের জন্য প্রযোজ্য। এখানে তাদের কথাই বলা হয়েছে যারা কাফেরদের দ্বারা অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হন, যাদের কাবা শরীফে [আল্লাহ্‌র পথে ] প্রবেশ করতে দেয়া হয় নাই এবং জীবনের সকল সুখ, স্বচ্ছন্দ, আরাম – আয়েশ থেকে যাদের বঞ্চিত করা হয়।

তাদের জন্য প্রতীকের মাধ্যমে বেহেশতের সুখ শান্তির বর্ণনা করা হয়েছে। যা থেকে বোঝা যায় প্রতিটি পুরষ্কার হচ্ছে নির্দিষ্ট নির্যাতনের বিপরীতে শান্তির প্রলেপ। অলঙ্কৃত করা হবে স্বর্ণ কঙ্কন ও মুক্তা দ্বারা , অর্থাৎ যারা পৃথিবীতে অত্যাচারের দ্বারা তাদের গৃহ এবং সম্পত্তিচ্যুত হয়েছিলেন, তারা বেহেশতে তদপেক্ষা অধিক মূল্যবান বস্তু দ্বারা পুরষ্কৃত হবেন। এখানে মূল্যবান বিষয় সম্পত্তির প্রতীক হিসেবে “স্বর্ণ কঙ্কণ ও মুক্তা ও রেশমের পোষাক ” কে বর্ণনা করা হয়েছে যা সাধারণত নৃপতিরা ব্যবহার করে।

” পবিত্র বাক্য ” [ ২২ : ২৪ ] যার বিপরীত হচ্ছে অকথ্য ভত্র্সনা। অর্থাৎ ভর্তসনা ও নির্যাতনের বিপরীতে ” পবিত্র বাক্যের” বা মধুর ব্যবহারের যে সুখ ,সেই সুখ তারা পাবে। “পরম প্রশংসা ভাজন আল্লাহ্‌র পথে” এর বিপরীতে হচ্ছে, নিষ্ঠুর নির্যাতন ও অত্যাচার যা তারা ভোগ করেছিলেন। অর্থাৎ পৃথিবীতে ভর্তসনা ও অত্যাচারে বিপরীত অবস্থা তারা বেহেশতে লাভ করবে। সেখানে তাদেরকে আল্লাহ্‌র পবিত্র বাক্য ও আল্লাহ্‌র পথে অনুগামী করা হবে।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ২৫)

যারা কুফর করে ও আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং সেই মসজিদে হারাম থেকে বাধা দেয়, যাকে আমি প্রস্তুত করেছি স্থানীয় ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্যে সমভাবে এবং যে মসজিদে হারামে অন্যায়ভাবে কোন ধর্মদ্রোহী কাজ করার ইচছা করে, আমি তাদেরকে যন্ত্রানাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাব।

Verily! Those who disbelieve and hinder (men) from the Path of Allâh, and from Al-Masjid-al-Harâm (at Makkah) which We have made (open) to (all) men, the dweller in it and the visitor from the country are equal there [as regards its sanctity and pilgrimage (Hajj and ’Umrah)]. And whoever inclines to evil actions therein or to do wrong (i.e. practise polytheism and leave Islâmic Monotheism), him We shall cause to taste a painful torment.

إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَيَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ اللَّهِ وَالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ الَّذِي جَعَلْنَاهُ لِلنَّاسِ سَوَاء الْعَاكِفُ فِيهِ وَالْبَادِ وَمَن يُرِدْ فِيهِ بِإِلْحَادٍ بِظُلْمٍ نُذِقْهُ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ

Inna allatheena kafaroo wayasuddoona AAan sabeeli Allahi waalmasjidi alharami allathee jaAAalnahu lilnnasi sawaan alAAakifu feehi waalbadi waman yurid feehi bi-ilhadin bithulmin nuthiqhu min AAathabin aleemin

YUSUFALI: As to those who have rejected (Allah), and would keep back (men) from the Way of Allah, and from the Sacred Mosque, which We have made (open) to (all) men – equal is the dweller there and the visitor from the country – and any whose purpose therein is profanity or wrong-doing – them will We cause to taste of a most Grievous Penalty.

PICKTHAL: Lo! those who disbelieve and bar (men) from the way of Allah and from the Inviolable Place of Worship, which We have appointed for mankind together, the dweller therein and the nomad: whosoever seeketh wrongful partiality therein, him We shall cause to taste a painful doom.

SHAKIR: Surely (as for) those who disbelieve, and hinder (men) from Allah’s way and from the Sacred Mosque which We have made equally for all men, (for) the dweller therein and (for) the visitor, and whoever shall incline therein to wrong unjustly, We will make him taste of a painful chastisement.

KHALIFA: Surely, those who disbelieve and repulse others from the path of GOD, and from the Sacred Masjid that we designated for all the people – be they natives or visitors – and seek to pollute it and corrupt it, we will afflict them with painful retribution.

২৫। যারা [আল্লাহকে ] প্রত্যাখান করেছে এবং [ মানুষকে] আল্লাহ্‌র পথ থেকে এবং পবিত্র মসজিদ হতে নিবৃত্ত করে, যা আমি স্থানীয় ও বহিরাগত [ সকল ] মানুষের জন্য [মুক্ত এবং ] সমান করেছি এবং যাদের উদ্দেশ্য হবে সেখানে অশ্রদ্ধা দেখানো ও পাপ কাজ করা ২৭৯৬, তাদের আমি ভয়াবহ শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাবো।

২৭৯৬। এই আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে মক্কার মোশরেক আরবদের কথা যারা হিজরতের পূর্বে ও পরে মুসলমানদের অত্যাচার ও নির্যাতন করেছিলো।

সূরা হাজ্জ্ব

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ২৬)

যখন আমি ইব্রাহীমকে বায়তুল্লাহর স্থান ঠিক করে দিয়েছিলাম যে, আমার সাথে কাউকে শরীক করো না এবং আমার গৃহকে পবিত্র রাখ তাওয়াফকারীদের জন্যে, নামাযে দন্ডায়মানদের জন্যে এবং রকু সেজদাকারীদের জন্যে।

And (remember) when We showed Ibrâhim (Abraham) the site of the (Sacred) House (the Ka’bah at Makkah) (saying): ”Associate not anything (in worship) with Me, [Lâ ilâha ill-Allâh (none has the right to be worshipped but Allâh Islâmic Monotheism], and sanctify My House for those who circumambulate it, and those who stand up for prayer, and those who bow (submit themselves with humility and obedience to Allâh), and make prostration (in prayer, etc.);”

وَإِذْ بَوَّأْنَا لِإِبْرَاهِيمَ مَكَانَ الْبَيْتِ أَن لَّا تُشْرِكْ بِي شَيْئًا وَطَهِّرْ بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْقَائِمِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ

Wa-ith bawwa/na li-ibraheema makana albayti an la tushrik bee shay-an watahhir baytiya liltta-ifeena waalqa-imeena waalrrukkaAAi alssujoodi

YUSUFALI: Behold! We gave the site, to Abraham, of the (Sacred) House, (saying): “Associate not anything (in worship) with Me; and sanctify My House for those who compass it round, or stand up, or bow, or prostrate themselves (therein in prayer).

PICKTHAL: And (remember) when We prepared for Abraham the place of the (holy) House, saying: Ascribe thou no thing as partner unto Me, and purify My House for those who make the round (thereof) and those who stand and those who bow and make prostration.

SHAKIR: And when We assigned to Ibrahim the place of the House, saying: Do not associate with Me aught, and purify My House for those who make the circuit and stand to pray and bow and prostrate themselves.

KHALIFA: We appointed Abraham to establish the Shrine: “You shall not idolize any other god beside Me, and purify My shrine for those who visit it, those who live near it, and those who bow and prostrate.

রুকু – ৪

২৬। স্মরণ কর ! আমি ইব্রাহীমকে [ পবিত্র ] গৃহের স্থান নির্ধারিত করে দিয়েছিলাম ২৭৯৭, [ বলেছিলাম ] ” আমার সাথে [ এবাদতে ] অন্য কাউকে শরীক করো না। এবং আমার গৃহকে পবিত্র রেখো তাদের জন্য যারা তা তাওয়াফ করে অথবা সালাতে দাঁড়ায় , অথবা রুকু অথবা সেজ্‌দা করে [ প্রার্থনায় রত থাকা অবস্থায় ]।

২৭৯৭। কাবা ঘর প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহ্‌ হযরত ইব্রাহীমকে [ ও তার পুত্র ইসমাঈলকে ] মক্কাতে স্থান নির্ধারণ করে দেন। কাবা ঘর হবে একমাত্র আল্লাহ্‌র এবাদতের স্থান যা মূর্তি পূজা থেকে পবিত্র রাখার হুকুম করা হয়েছে। এই স্থান হবে বিশ্বমানবতার মিলন কেন্দ্র ” যাহা আমি করেছি স্থানীয় ও বহিরাগত সকলের জন্য সমান।” কাবায় প্রবেশের একটাই মানদণ্ড তা হচ্ছে ” যারা তাওয়াফ করে এবং যারা দাঁড়ায় রুকু করে ও সিজ্‌দা করে।” অর্থাৎ এই বিশ্ব মানবতার সঙ্গম স্থলে ছোট- বড় , ধনী – গরীর , বংশমর্যদা বা গোষ্ঠি পরিচয় সবই মূল্যহীন। শুধুমাত্র এক আল্লাহ্‌র প্রতি আনুগত্যই হবে তাদের একমাত্র পরিচয়।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ২৭)

এবং মানুষের মধ্যে হজ্বের জন্যে ঘোষণা প্রচার কর। তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সর্বপ্রকার কৃশকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে।
And proclaim to mankind the Hajj (pilgrimage). They will come to you on foot and on every lean camel, they will come from every deep and distant (wide) mountain highway (to perform Hajj).

وَأَذِّن فِي النَّاسِ بِالْحَجِّ يَأْتُوكَ رِجَالًا وَعَلَى كُلِّ ضَامِرٍ يَأْتِينَ مِن كُلِّ فَجٍّ عَمِيقٍ
Waaththin fee alnnasi bialhajji ya/tooka rijalan waAAala kulli damirin ya/teena min kulli fajjin AAameeqin

YUSUFALI: “And proclaim the Pilgrimage among men: they will come to thee on foot and (mounted) on every kind of camel, lean on account of journeys through deep and distant mountain highways;

PICKTHAL: And proclaim unto mankind the pilgrimage. They will come unto thee on foot and on every lean camel; they will come from every deep ravine,

SHAKIR: And proclaim among men the Pilgrimage: they will come to you on foot and on every lean camel, coming from every remote path,

KHALIFA: “And proclaim that the people shall observe Hajj pilgrimage. They will come to you walking or riding on various exhausted (means of transportation). They will come from the farthest locations.”

২৭। ” মানুষের মাঝে ঘোষণা করে দাও। তারা তোমার নিকট আসবে পদব্রজে , এবং সকল প্রকার উটের [পিঠে ] যেগুলি দূর -দূরান্তর উপত্যকা পথ অতিক্রম করার ফলে শীর্ণকায় ২৭৯৯,-

২৭৯৯। হজ্জ্বের ঘোষণার পরে দূরের এবং কাছের সকলেই হজ্জ্বের জন্য সমবেত হবে। যারা কাছের তারা পদব্রজে, যারা দূরের তারা উটের পিঠে [ অর্থাৎ যানবাহনে ] গমন করে হজ্জ্বের জন্য সমবেত হবে। ” দূর- দূরান্তর পথ অতিক্রম করার ফলে শীর্ণকায়।” অর্থাৎ দূরের পথ অতিক্রমের ফলে উটেরা হয়ে পড়বে শীর্ণ। কিন্তু বিনিময়ে উটের আরোহীরা পাবে আত্মিক নেয়মাত যার বর্ণনা আছে পরবর্তী আয়াতে।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ২৮)

যাতে তারা তাদের কল্যাণের স্থান পর্যন্ত পৌছে এবং নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম স্মরণ করে তাঁর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময়। অতঃপর তোমরা তা থেকে আহার কর এবং দুঃস্থ-অভাবগ্রস্থকে আহার করাও।

That they may witness things that are of benefit to them (i.e. reward of Hajj in the Hereafter, and also some worldly gain from trade, etc.), and mention the Name of Allâh on appointed days (i.e. 10th, 11th, 12th, and 13th day of Dhul-Hijjâh), over the beast of cattle that He has provided for them (for sacrifice) (at the time of their slaughtering by saying: Bismillah, Wallâhu-Akbar, Allâhumma Minka wa Ilaik). Then eat thereof and feed therewith the poor who have a very hard time.

لِيَشْهَدُوا مَنَافِعَ لَهُمْ وَيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ فِي أَيَّامٍ مَّعْلُومَاتٍ عَلَى مَا رَزَقَهُم مِّن بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ فَكُلُوا مِنْهَا وَأَطْعِمُوا الْبَائِسَ الْفَقِيرَ

Liyashhadoo manafiAAa lahum wayathkuroo isma Allahi fee ayyamin maAAloomatin AAala ma razaqahum min baheemati al-anAAami fakuloo minha waatAAimoo alba-isa alfaqeera

YUSUFALI: “That they may witness the benefits (provided) for them, and celebrate the name of Allah, through the Days appointed, over the cattle which He has provided for them (for sacrifice): then eat ye thereof and feed the distressed ones in want.

PICKTHAL: That they may witness things that are of benefit to them, and mention the name of Allah on appointed days over the beast of cattle that He hath bestowed upon them. Then eat thereof and feed therewith the poor unfortunate.

SHAKIR: That they may witness advantages for them and mention the name of Allah during stated days over what He has given them of the cattle quadrupeds, then eat of them and feed the distressed one, the needy.

KHALIFA: They may seek commercial benefits, and they shall commemorate GOD’s name during the specified days for providing them with livestock. “Eat therefrom and feed the despondent and the poor.”

২৮। “যেনো তারা তাদের জন্য [ নির্ধারিত ] কল্যাণসমূহ প্রত্যক্ষ করতে পারে২৮০০ , এবং তিনি তাদের [উৎসর্গের জন্য ] যে সব চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছেন সেগুলির উপরে তারা যেনো, নির্ধারিত দিনসমূহে আল্লাহ্‌র নাম উচ্চারণ করতে পারে। অতঃপর তোমরা উহা থেকে আহার কর এবং দুস্থ , অভাবগ্রস্থকে আহার করাও ২৮০১, ২৮০২।

২৮০০। হজ্জ্বের মাধ্যমে আমাদের ইহলৌকিক ও পরলৌকিক উভয় দিক সমৃদ্ধ হয়। কাবা ঘরকে আল্লাহ্‌ বিশ্ব মানবের মিলনকেন্দ্র রূপে ঘোষণা করেন। পৃথিবীর সমস্ত দেশ থেকে মুসলিমরা এখানে হজ্জ্বের সময়ে সমবেত হয়। হজ্জ্ব পৃথিবীর এক অন্যন্য দৃশ্যের অবতারণা করে। ভাষা, কৃষ্টি, ঐতিহ্য, দেশ , প্রকৃতি, পরিবেশ সব কিছুর বিভিন্নতা সত্বেও সকলেই এখানে একই উদ্দেশ্যের প্রতি নিবেদিত থাকে। ফলে বিভিন্নতা সত্বেও সকলেই এক মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসূত্রে গ্রথিত থাকে।

বৃহত্তর মানব বন্ধন ও ভ্রাতৃত্বের সূচনা হয়। বর্তমানকালে এত বড় মানব সমাবেশ পৃথিবীতে আর কোথাও হয় না। হজ্জ্বের সমাবেশের ফলে পৃথিবীর এক প্রান্তের লোক অন্য প্রান্তের লোকদের সাথে মোলাকাতের সুযোগ লাভ করে। ফলে ভাবের আদান প্রদান , জ্ঞানের আদান প্রদান, শিল্প সংস্কৃতির আদান প্রদান ঘটে। ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার লাভ ঘটে। এ সবই হলো জাগতিক লাভ। অপরপক্ষে এই সেই স্থান যেখানে আমরা বহু ওলী ও আওলিয়ার সংস্পর্শে আসার সুযোগ লাভ করি,

এই সেই স্থান যা প্রাচীন যুগ থেকে বহু নবী রাসুলের পদধূলিতে ধন্য। এখানেই আমরা সুযোগ পাই পৃথিবীর প্রতিদিনের জীবনের ক্লেদমুক্ত হয়ে নিজেকে আধ্যাত্মিক উন্নতির পথে পরিচালিত করতে। এই সেই স্থান যেখানে তীর্থ যাত্রীরা ইহলৌকিক ও পারলৌকিক উভয় দিক সমৃদ্ধশালী করার সুযোগ লাভ করে।

২৮০১। হজ্জ্বের ” নির্দ্দিষ্ঠ দিনগুলি ” হচ্ছে ৮ই, ৯ই এবং ১০ই জ্বিলহজ্জ্ব এবং পরবর্তী ২/৩ দিন “Tashriq” বা হজ্জ্বের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের জন্য। দেখুন হজ্জ্বের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য টিকা ২১৭ এবং আয়াত [ ২ : ১৯৭ ]। তবে সাধারণতঃ জ্বিলহজ্জ্ব মাসের প্রথম দশ দিনকেই হজ্জ্বের সময় বলে গণ্য করা হয়।

২৮০২। ১০ই জ্বিলহজ্জ্ব হচ্ছে কোরবাণীর দিন যা হজ্জ্বের এক প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান যা আমাদের এক সর্বশ্রেষ্ঠ ও মহত্তম আত্মত্যাগকে স্মরণ করিয়ে দেয়। হজ্জ্বের ময়দানে যে চতুষ্পদ পশুকে কোরবাণী দেয়া হয় তা নিজে আহার করা এবং অভাবগ্রস্থকে আহার করানোর জন্য বলা হয়েছে।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ২৯)

এরপর তারা যেন দৈহিক ময়লা দূর করে দেয়, তাদের মানত পূর্ণ করে এবং এই সুসংরক্ষিত গৃহের তাওয়াফ করে।

Then let them complete the prescribed duties (Manâsik of Hajj) for them, and perform their vows, and circumambulate the Ancient House (the Ka’bah at Makkah).

ثُمَّ لْيَقْضُوا تَفَثَهُمْ وَلْيُوفُوا نُذُورَهُمْ وَلْيَطَّوَّفُوا بِالْبَيْتِ الْعَتِيقِ

Thumma lyaqdoo tafathahum walyoofoo nuthoorahum walyattawwafoo bialbayti alAAateeqi

YUSUFALI: “Then let them complete the rites prescribed for them, perform their vows, and (again) circumambulate the Ancient House.”

PICKTHAL: Then let them make an end of their unkemptness and pay their vows and go around the ancient House.

SHAKIR: Then let them accomplish their needful acts of shaving and cleansing, and let them fulfil their vows and let them go round the Ancient House.

KHALIFA: They shall complete their obligations, fulfill their vows, and visit the ancient shrine.

২৯। অতঃপর তারা যেনো তাদের নির্দ্দেশিত আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করে ২৮০৩। তাদের মানত পূর্ণ করে ২৮০৪, এবং [পুনরায় ] প্রাচীন গৃহের তাওয়াফ করে।

২৮০৩। “Tafath” অর্থ অপরিচ্ছন্নতা যা শরীরের অতিরিক্ত জিনিষ যা বর্দ্ধিত হয়। যেমন নখ, চুল ইত্যাদি যা এহ্‌রাম থাকা অবস্থায় দূর করা নিষিদ্ধ। এ সব কর্তন করা চলে জ্বিল হজ্জ্ব মাসের দশম দিনে যখন হজ্জ্বের পুরো আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যাবে।

২৮০৪। ” প্রাচীন গৃহ ” অর্থাৎ কাবা শরীফ। হজ্জ্বের শেষ আনুষ্ঠানিকতা হচ্ছে তওয়াফ করা। এর মাধ্যমেই পুরো হজ্জ্ব প্রক্রিয়া শেষ হয়। হজ্জ্ব শেষে হজ্জ্বযাত্রীরা পবিত্র দেহ মন নিয়ে ঘরে ফিরে যাবে। তাদের মনে এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে ঘরে ফেরা উচিত যেনো হজ্জ্বের মাধ্যমে তারা যে পবিত্রতা অর্জন করলো, তা যেনো তারা পরবর্তী জীবনে রক্ষা করতে পারে। আল্লাহ্‌র রাস্তায় সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে করা হয় বিদায়ী তওয়াফ।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ৩০)

এটা শ্রবণযোগ্য। আর কেউ আল্লাহর সম্মানযোগ্য বিধানাবলীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে পালনকর্তার নিকট তা তার জন্যে উত্তম। উল্লেখিত ব্যতিক্রমগুলো ছাড়া তোমাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে। সুতরাং তোমরা মূর্তিদের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাক এবং মিথ্যা কথন থেকে দূরে সরে থাক;

That (Manâsik prescribed duties of Hajj is the obligation that mankind owes to Allâh), and whoever honours the sacred things of Allâh, then that is better for him with his Lord. The cattle are lawful to you, except those (that will be) mentioned to you (as exceptions). So shun the abomination (worshipping) of idol, and shun lying speech (false statements)

ذَلِكَ وَمَن يُعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللَّهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَّهُ عِندَ رَبِّهِ وَأُحِلَّتْ لَكُمُ الْأَنْعَامُ إِلَّا مَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْأَوْثَانِ وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ

Thalika waman yuAAaththim hurumati Allahi fahuwa khayrun lahu AAinda rabbihi waohillat lakumu al-anAAamu illa ma yutla AAalaykum faijtaniboo alrrijsa mina al-awthani waijtaniboo qawla alzzoori

YUSUFALI: Such (is the Pilgrimage): whoever honours the sacred rites of Allah, for him it is good in the Sight of his Lord. Lawful to you (for food in Pilgrimage) are cattle, except those mentioned to you (as exception): but shun the abomination of idols, and shun the word that is false,-

PICKTHAL: That (is the command). And whoso magnifieth the sacred things of Allah, it will be well for him in the sight of his Lord. The cattle are lawful unto you save that which hath been told you. So shun the filth of idols, and shun lying speech,

SHAKIR: That (shall be so); and whoever respects the sacred ordinances of Allah, it is better for him with his Lord; and the cattle are made lawful for you, except that which is recited to you, therefore avoid the uncleanness of the idols and avoid false words,

KHALIFA: Those who reverence the rites decreed by GOD have deserved a good reward at their Lord. All livestock is made lawful for your food, except for those specifically prohibited for you. You shall avoid the abomination of idol worship, and avoid bearing false witness.

৩০। এই হচ্ছে [ হজ্জ্বের বিধান ] : যে আল্লাহ্‌ কর্তৃক নির্ধারিত পবিত্র আনুষ্ঠানিকতার সম্মান করে, সে তার প্রভুর চোখে উত্তম। যার উল্লেখ পূর্বে করা হয়েছে সেগুলি ব্যতীত [ হজ্জ্বের সময়ে খাদ্য হিসেবে ] চতুষ্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে ২৮০৫। সুতারাং মূর্তি পূঁজার অপবিত্রতা থেকে দূরে থাক এবং পরিহার কর মিথ্যা কথন ,-

২৮০৫। খাদ্যের হালাল ও হারাম সম্বন্ধে আছে আয়াত [ ২ : ১৭৩ ] এবং [ ৬ : ১১, ১৩৮ -১৪৬ ]। হালাল পশুর মাংস , শরীর এবং আত্মা উভয় ক্ষেত্রেই উপকারী। আত্মার পরিচ্ছন্নতা ও আত্মিক অগ্রগতির সমৃদ্ধির জন্য হালাল রুজী অপরিহার্য।

কিন্তু কঠিন সর্তক বাণী উচ্চারণ করা হয়েছে মূর্তিপূঁজার বিরুদ্ধে এবং মিথ্যা কথনের বিরুদ্ধে। মিথ্যা কথন আত্মাকে ক্ষয় করে, আত্মাকে ধ্বংস করে ঠিক যে ভাবে অম্ল ধাতুকে ক্ষয় করে। মুর্তিপূজা আত্মাকে করে অপবিত্র, মিথ্যা কথন আত্মাকে করে ধ্বংস। যা কিছু সত্যের পরিপন্থি তাই বাতিল ও মিথ্যাভুক্ত।

রসুলুল্লাহ্‌ (সা) বলেন, আল্লাহ্‌র সাথে কাউকে শরীক করা, পিতামাতার অবাধ্যতা করা, মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া এবং সাধারণ কথাবার্তায় মিথ্যা বলা সবচেয়ে বড় পাপ। তিনি শেষোক্ত শব্দ বার বার উচ্চারণ করেন। [ বোখারী ]

মন্তব্য : বাংলাদেশীরা জীবনের প্রতি মুহুর্তে মিথ্যাশ্রয়ী – আর সে কারণেই তাদের এত দুর্ভোগ জাতীয় জীবনে।

সূরা হাজ্জ্ব

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ৩১)

আল্লাহর দিকে একনিষ্ট হয়ে, তাঁর সাথে শরীক না করে; এবং যে কেউ আল্লাহর সাথে শরীক করল; সে যেন আকাশ থেকে ছিটকে পড়ল, অতঃপর মৃতভোজী পাখী তাকে ছোঁ মেরে নিয়ে গেল অথবা বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে কোন দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করল।

Hunafâ’ Lillâh (i.e. to worship none but Allâh), not associating partners (in worship, etc.) unto Him and whoever assigns partners to Allâh, it is as if he had fallen from the sky, and the birds had snatched him, or the wind had thrown him to a far off place.

حُنَفَاء لِلَّهِ غَيْرَ مُشْرِكِينَ بِهِ وَمَن يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَكَأَنَّمَا خَرَّ مِنَ السَّمَاء فَتَخْطَفُهُ الطَّيْرُ أَوْ تَهْوِي بِهِ الرِّيحُ فِي مَكَانٍ سَحِيقٍ

Hunafaa lillahi ghayra mushrikeena bihi waman yushrik biAllahi fakaannama kharra mina alssama-i fatakhtafuhu alttayru aw tahwee bihi alrreehu fee makanin saheeqin

YUSUFALI: Being true in faith to Allah, and never assigning partners to Him: if anyone assigns partners to Allah, is as if he had fallen from heaven and been snatched up by birds, or the wind had swooped (like a bird on its prey) and thrown him into a far-distant place.

PICKTHAL: Turning unto Allah (only), not ascribing partners unto Him; for whoso ascribeth partners unto Allah, it is as if he had fallen from the sky and the birds had snatched him or the wind had blown him to a far-off place.

SHAKIR: Being upright for Allah, not associating aught with Him and whoever associates (others) with Allah, it is as though he had fallen from on high, then the birds snatch him away or the wind carries him off to a far-distant place.

KHALIFA: You shall maintain your devotion absolutely to GOD alone. Anyone who sets up any idol beside GOD is like one who fell from the sky, then gets snatched up by vultures, or blown away by the wind into a deep ravine.

৩১। আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাসে একনিষ্ঠ হয়ে , এবং তাঁর সাথে কোন অংশীদার না করে। কেউ যদি আল্লাহ্‌র সাথে অংশীদার করে তবে সে যেনো আকাশ থেকে পড়ে গেল, এবং পাখীরা তাকে ছোঁ মেরে নিয়ে গেল, কিংবা বাতাস তাকে [ পাখীর মত ছোঁ মেরে ] উড়িয়ে নিয়ে দূরে নিক্ষেপ করলো ২৮০৬।

২৮০৬। এই আয়াতটি রূপক বর্ণনায় সমৃদ্ধ। যে একত্ববাদ থেকে বিচ্যুত হয়ে বহু উপাস্যের উপসনা করে তার উপমা হচ্ছে ঐ ব্যক্তির মত যে স্বর্গ থেকে পড়লো এবং পথিমধ্যে এক পাখী তাকে ছোঁ মেরে নিল বা বায়ু তাকে দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করলো। একত্ববাদ বা এক আল্লাহ্‌র উপাসনা আত্মাকে করে স্থির , অচঞ্চল, দৃঢ় একাগ্র এবং একবিন্দুতে কেন্দ্রীভূত , আত্মা তার নোঙ্গঁর খুজে পায়। অপর পক্ষে যারা বহু উপাস্যের উপাসনা করে,

তারা আত্মার ভিতরে একাগ্রতা অনুভবে ব্যর্থ হবে। কারণ বহু উপাস্যের সন্তুষ্টির চিন্তায় তার একাগ্রতা , বহুধাবিভক্ত হবে ঠিক যেনো নোঙ্গঁর বিহীন নৌকা। তার অবস্থানের কোনও মজবুত ভিত্তি থাকবে না , সে ঠিক যেনো আকাশ থেকে পতিত শুন্যে অবস্থানকারী বস্তু , যাকে শূন্য থেকেই কোনও পাখী ছোঁ মেরে তুলে নেয়, পৃথিবীতে পড়ার আগেই।

কারণ মিথ্যা উপাস্য আত্মাকে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে অক্ষম। ঠিক যেমন পতিত বস্তু মাটির স্থায়ী আশ্রয় লাভের পূর্বেই পাখীর চঞ্চুতে আশ্রয় পায় যা আরও অস্থায়ী।অথবা বৈশাখী ঝড় যেরূপ ঝড়া পাতাকে বৃক্ষের কোল থেকে বিচ্যুত করে দূরদূরান্তে ঠিকানা বিহীনভাবে উড়িয়ে নিয়ে যায়, ঠিক সেভাবেই বহু উপাস্যের পূজারীদের আত্মা আল্লাহ্‌র ক্রোধের শিকার হয় এবং আল্লাহ্‌র ক্রোধের ঝড়ো হাওয়া তাদের শান্তি থেকে বহু দূরে নিয়ে যায় , শেষ পর্যন্ত নিক্ষেপ করে দোযখের ভয়াবহ অশান্তিতে।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ৩২)

এটা শ্রবণযোগ্য কেউ আল্লাহর নামযুক্ত বস্তুসমুহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে তা তো তার হৃদয়ের আল্লাহভীতি প্রসূত।

Thus it is [what has been mentioned in the above said Verses (27, 28, 29, 30, 31) is an obligation that mankind owes to Allâh]. And whosoever honours the Symbols of Allâh, then it is truly from the piety of the heart.

ذَلِكَ وَمَن يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِن تَقْوَى الْقُلُوبِ

Thalika waman yuAAaththim shaAAa-ira Allahi fa-innaha min taqwa alquloobi

YUSUFALI: Such (is his state): and whoever holds in honour the symbols of Allah, (in the sacrifice of animals), such (honour) should come truly from piety of heart.

PICKTHAL: That (is the command). And whoso magnifieth the offerings consecrated to Allah, it surely is from devotion of the hearts,

SHAKIR: That (shall be so); and whoever respects the signs of Allah, this surely is (the outcome) of the piety of hearts.

KHALIFA: Indeed, those who reverence the rites decreed by GOD demonstrate the righteousness of their hearts.

৩২। এই হলো [ মোশরেকের অবস্থা ] : কেউ আল্লাহ্‌র নিদর্শনাবলীর সম্মান করলে সে এই [ সম্মান ] মনের পবিত্র ভাব থেকেই করে থাকে ২৮০৭।

২৮০৭। “Sha’air” অর্থ প্রতীক , চিহ্ন , কারও অধিকারে থাকার চিহ্ন যেমনঃ পতাকা ইত্যাদি। আয়াত [ ২ : ১৫৮ ] এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে সাফা ও মারওয়ার প্রতীক হিসেবে ; দেখুন টিকা ১৬০। এই আয়াতে শব্দটিকে ব্যবহার করা হয়েছে হজ্জ্বের আনুষ্ঠানিকতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে। হজ্জ্বের এসব আনুষ্ঠানিকতা আত্মত্যাগের নিদর্শন স্বরূপ।

এগুলি আল্লাহ্‌র জন্য সর্বোচ্চ মানবিক আত্মত্যাগের প্রতীক। এগুলি ‘তাকওয়া’ বা হৃদয়ের ভক্তি , ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও ধর্মভীরুতার পূর্ব সূচনা করে। ব্যক্তিকে আল্লাহ্‌র জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ করে। দেখুন [ ২২ : ৩৭ ] আয়াত।

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ৩৩)

চতুস্পদ জন্তুসমূহের মধ্যে তোমাদের জন্যে নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত উপকার রয়েছে। অতঃপর এগুলোকে পৌছাতে হবে মুক্ত গৃহ পর্যন্ত।
In them (cattle offered for sacrifice) are benefits for you for an appointed term, and afterwards they are brought for sacrifice unto the ancient House (the Haram – sacred territory of Makkah city).

لَكُمْ فِيهَا مَنَافِعُ إِلَى أَجَلٍ مُّسَمًّى ثُمَّ مَحِلُّهَا إِلَى الْبَيْتِ الْعَتِيقِ
Lakum feeha manafiAAu ila ajalin musamman thumma mahilluha ila albayti alAAateeqi

YUSUFALI: In them ye have benefits for a term appointed: in the end their place of sacrifice is near the Ancient House.

PICKTHAL: Therein are benefits for you for an appointed term; and afterward they are brought for sacrifice unto the ancient House.

SHAKIR: You have advantages in them till a fixed time, then their place of sacrifice is the Ancient House.

KHALIFA: The (livestock) provide you with many benefits for a period, before being donated to the ancient shrine.

৩৩। ইহাদের [ পশুদের ] মধ্যে তোমাদের জন্য এক নির্দ্দিষ্ট সময় [ কোরবাণী ] পর্যন্ত বিবিধ সুবিধা রয়েছে। শেষ পর্যন্ত প্রাচীন ঘরের নিকটে হবে তাদের কোরবাণীর স্থান ২৮০৮, ২৮০৯।

২৮০৮। ” এই সমস্ত পশুদের ” অর্থাৎ গৃহপালিত পশু এ স্থলে কোরবাণীর জন্য যাদের আনা হয়েছিলো। এ কথা সত্য যে গৃহপালিত পশু মানুষের বহুবিধ কল্যাণ সাধন করে থাকে। যেমন : প্রাচীনকালে মরুবাসীদের জীবনে উটের প্রাধান্য অনুধাবনযোগ্য। প্রাচীনকালে মরুভূমি পারাপারের একমাত্র বাহনই ছিলো উট। মরুদেশে বাণিজ্যের প্রসারের একমাত্র বাহনই সে যুগে ছিলো উট। উটের মাংস , উটের দুধ, হচ্ছে খাদ্য , উটের চামড়া ও লোম বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।

ঠিক সেই ভাবে গরু, ভেড়া, ঘোড়া প্রভৃতি পশুর অবদান উল্লেখযোগ্য। কিন্তু যদি তাদের কোরবাণীর জন্য উৎসর্গ করা হয়, তবে তারা আল্লাহ্‌র জন্য মানুষের আত্মত্যাগের প্রতীক হয়ে যায়। কারণ কোরবাণীর মাধ্যমে তারা তাদের প্রয়োজনীয় পশুটির কোরবাণী দেয় যার মাংস সে তার গরীব ভাইদের সেবায় ব্যয় করে।

২৮০৯। “Ila” অর্থ নিকটবর্তী। কোরবাণী কাবা ঘরে দেয়া হয় না, কোরবাণী দেয়া হয় যে স্থানে হজ্জ্ব যাত্রীদের অস্থায়ী তাবু স্থাপন করা হয় তার থেকে ৫/৬ মাইল দূরে মীনাতে, দেখুন টিকা [ ২:১৭] এবং আয়াত ২:৯৭। “Thumma” অর্থাৎ অবশেষে বা শেষে। কাবা ঘরের তওয়াফ, সাফা মারওয়াতে দৌড়ানো, আরাফাতে অবস্থান ইত্যাদি হজ্জ্বের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পরে।

সূরা হাজ্জ্ব
সূরা হাজ্জ্ব

সূরা হাজ্জ্ব (আয়াত ৩৪)

আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কোরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ কারার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। অতএব তোমাদের আল্লাহ তো একমাত্র আল্লাহ সুতরাং তাঁরই আজ্ঞাধীন থাক এবং বিনয়ীগণকে সুসংবাদ দাও;

And for every nation We have appointed religious ceremonies, that they may mention the Name of Allâh over the beast of cattle that He has given them for food. And your Ilâh (God) is One Ilâh (God Allâh), so you must submit to Him Alone (in Islâm). And (O Muhammad SAW) give glad tidings to the Mukhbitin [those who obey Allâh with humility and are humble from among the true believers of Islâmic Monotheism],

وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَى مَا رَزَقَهُم مِّن بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ فَإِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَلَهُ أَسْلِمُوا وَبَشِّرِ الْمُخْبِتِينَ

Walikulli ommatin jaAAalna mansakan liyathkuroo isma Allahi AAala ma razaqahum min baheemati al-anAAami fa-ilahukum ilahun wahidun falahu aslimoo wabashshiri almukhbiteena

YUSUFALI: To every people did We appoint rites (of sacrifice), that they might celebrate the name of Allah over the sustenance He gave them from animals (fit for food). But your god is One God: submit then your wills to Him (in Islam): and give thou the good news to those who humble themselves,-

PICKTHAL: And for every nation have We appointed a ritual, that they may mention the name of Allah over the beast of cattle that He hath given them for food; and your god is One God, therefor surrender unto Him. And give good tidings (O Muhammad) to the humble,

SHAKIR: And to every nation We appointed acts of devotion that they may mention the name of Allah on what He has given them of the cattle quadrupeds; so your god is One God, therefore to Him should you submit, and give good news to the humble,

KHALIFA: For each congregation we have decreed rites whereby they commemorate the name of GOD for providing them with the livestock. Your god is one and the same god; you shall all submit to Him. Give good news to the obedient.

রুকু – ৫

৩৪। আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য [ কুরবাণীর ] নিয়ম নির্দ্দিষ্ট করেছি। তাদের জীবনোপকরণ স্বরূপ [খাদ্যপোযোগী ] যে সকল পশু দিয়েছি তারা যেনো তাদের উপর আল্লাহ্‌র নাম উচ্চারণ করতে পারে ২৮১০। কেননা তোমাদের উপাস্য একমাত্র আল্লাহ্‌, অতএব তোমরা তার [ ইচ্ছার ] নিকট আত্ম সমর্পন কর। এবং [ হে মুহম্মদ ] সুসংবাদ দাও বিণীতগণকে ২৮১১-

২৮১০। কোরবাণীর মাধ্যমে আল্লাহ্‌র প্রতি সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের সর্বশেষ নিদর্শন প্রদর্শন করা হয়। এই আয়াতের অর্থ এই যে, এই উম্মতকে কোরবাণীর যে আদেশ দেয়া হয়েছে তা কোন নূতন আদেশ নয়। পূর্ববর্তী উম্মতদেরও কোরবাণীর আদেশ দেয়া হয়েছিলো।

এই কোরবাণী হতে হবে শুধু মাত্র এক আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির জন্য। কোরবাণীর পশুর রক্ত মাংস কিছুই আল্লাহ্‌র কাম্য নয়। বান্দার একাগ্রতা ও নিজেকে উৎসর্গ করার মানসিকতা হচ্ছে কোরবাণীর প্রতীক যা পশু কোরবাণী ও তার মাংস গরীবদের সাথে অংশগ্রহণের মাধ্যমে উদ্‌যাপন করা হয়। কোরবাণীর পশুর উপরে আল্লাহ্‌র নাম উচ্চারণ করা হজ্জ্বের আনুষ্ঠানিকতার এক প্রধান অংশ।

২৮১১। “সুসংবাদ দাও ” তাদের জন্যই সুসংবাদ যারা বিনয়ী। দম্ভ বা অহংকার যাদের উদ্ধত ও অত্যাচারী করে তোলে নাই। যারা জাগতিক অর্থ সম্পদ ক্ষমতা সব কিছুর জন্য সর্বশক্তিমানের কাছে কৃতজ্ঞ এবং আল্লাহ্‌ সন্তুষ্টি লাভের জন্য গরীব ও নির্যাতিতের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে, যারা সুখে – দুঃখে স্বাচ্ছন্দে ও অভাব অনটনে আল্লাহ্‌র কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং সন্তুষ্ট থাকে তারাই বিণীত।

উপদেশ : বিনয় এমন একটা গুণ যা আল্লাহ্‌র নিকট অত্যন্ত প্রিয়। মোমেন বান্দার চরিত্রে এই গুণটির প্রকাশ ঘটবে।

আরও দেখুনঃ 

সূরা হাজ্জ্ব পার্ট-৩

সূরা হাজ্জ্ব পার্ট-১

সূরা আম্বিয়া পার্ট-৫

সূরা আম্বিয়া পার্ট-৪

সূরা আম্বিয়া পার্ট-৩

সূরা নম্‌ল – উইকিপিডিয়া

Leave a Comment